বিশেষ সম্মেলন দিন পুনরালোচনা
এই বিষয়বস্তু ২০০৫ সালের পরিচর্যা বছরের বিশেষ সম্মেলন দিন কার্যক্রম সম্বন্ধে আগে থেকে ধারণা পেতে এবং পুনরালোচনা করার জন্য ব্যবহৃত হবে। এই ইনসার্টের ৪ পৃষ্ঠায় দেওয়া “সম্মেলন কার্যক্রমগুলো পুনরালোচনা করার নতুন ব্যবস্থা” নামক প্রবন্ধটি ব্যাখ্যা করে যে, এই পুনরালোচনাটা কীভাবে করতে হবে। যখন পুনরালোচনা করা হবে তখন সময় ভাগ করে নিন, যাতে সব প্রশ্নই জিজ্ঞেস করা যায়। উপস্থাপিত তথ্য আমরা কীভাবে প্রয়োগ করতে পারি, সেই বিষয়ের ওপর পুনরালোচনা কেন্দ্রীভূত হওয়া উচিত।
সকালের অধিবেশন
১. কেন আগের চেয়ে আরও বেশি করে যিহোবার কথা শোনা প্রয়োজন? শোনার অর্থ কী? (“যিহোবার রব যেজন্য শুনবেন”)
২. কীভাবে পরিবারগুলো আধ্যাত্মিক কাজকর্মের এক উত্তম কার্যক্রম বজায় রাখতে পারে? (“যে-পরিবারগুলো কোনো বিক্ষেপ ছাড়াই ঈশ্বরের বাক্য শোনে”)
৩. সীমার ভাইবোনেরা কীভাবে রীতিবহির্ভূতভাবে সাক্ষ্যদানের সুযোগগুলোর সদ্ব্যবহার করেছে? (“সকলই ঈশ্বরের গৌরবার্থে করা”)
৪. ইব্রীয় ৩ এবং ৪ অধ্যায়ে পাওয়া সতর্কতামূলক উদাহরণ থেকে আমরা কোন শিক্ষাগুলো পেতে পারি? বর্তমানে যিহোবা আমাদের সঙ্গে কীভাবে কথা বলছেন? (“ঈশ্বর যখন কথা বলেন, তা শোনা আমাদের সুরক্ষা করে”)
৫. বাপ্তিস্মের বক্তৃতা থেকে আপনি কীভাবে উপকৃত হয়েছেন? (“উৎসর্গীকরণ ও বাপ্তিস্ম”)
দুপুরের অধিবেশন
৬. তরুণ বয়সের যিশু সম্বন্ধে আমরা কী বুঝতে পারি এবং সীমার তরুণ-তরুণীরা কীভাবে তাঁর উদাহরণকে অনুসরণ করছে? (“ঈশ্বরের বাক্য মনোযোগপূর্বক শোনা যেভাবে আমাদের তরুণ-তরুণীদের শক্তিশালী করে”)
৭. কিছু উপায় কী, যেগুলোর মাধ্যমে বাবামারা শিশুদের ও ছোট ছেলেমেয়েদের যিহোবার পথে শিক্ষা দেওয়া শুরু করতে পারে? (“ছোটরা যারা ঈশ্বরের কথা শোনে ও শেখে”)
৮. কয়েকটা নির্দিষ্ট ক্ষেত্র কী, যেখানে যিহোবা, তাঁর পুত্র ও ‘বিশ্বস্ত ও বুদ্ধিমান্ দাসের’ প্রতি আমাদের মনোযোগ দিতে হবে? (মথি ২৪:৪৫) আমাদের তা করা কেন অতি গুরুত্বপূর্ণ? (“ঐশিক নির্দেশনার প্রতি অবিরত মনোযোগ দিন”)