নতুন বিশেষ সম্মেলন দিন কার্যক্রম
আমরা যদি কোনো সতর্কবাণীমূলক সংকেত দেখি বা শুনি কিন্তু সেই অনুযায়ী কাজ না করি, তা হলে পরিণতি মারাত্মক হতে পারে। যিহোবা আধ্যাত্মিক যে-নির্দেশনা জোগান, সেই অনুযায়ী কাজ করা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ২০০৫ সালের পরিচর্যা বছরের বিশেষ সম্মেলন দিন কার্যক্রমে এই বিষয়টার ওপরই জোর দেওয়া হবে। এটার মূলভাব হল, “দেখিও, তোমরা কিরূপে শুন।”—লূক ৮:১৮.
অতিথি বক্তা তার প্রথম বক্তৃতায় আলোচনা করবেন যে, ইব্রীয়দের প্রতি লেখা পৌলের অনুপ্রাণিত পত্রের প্রারম্ভিক অধ্যায়গুলোতে দেওয়া পরামর্শ কীভাবে আজকে আমাদের দিনে প্রযোজ্য। “ঐশিক নির্দেশনার প্রতি অবিরত মনোযোগ দিন” শিরোনামের শেষ বক্তৃতায়, তিনি সকলকে পরীক্ষা করে দেখতে সাহায্য করবেন যে, তারা প্রকৃতই যিহোবা, তাঁর পুত্র এবং ‘বিশ্বস্ত ও বুদ্ধিমান্ দাসের’ কথা শুনছে কি না।—মথি ২৪:৪৫.
কার্যক্রমের বেশ কয়েকটা বক্তৃতা বিশেষ করে পরিবারগুলোকে উপকৃত করবে। “যে-পরিবারগুলো কোনো বিক্ষেপ ছাড়াই ঈশ্বরের বাক্য শোনে” শিরোনামের বক্তৃতাটা আমাদের আধ্যাত্মিকতাকে ধীর করে দেওয়ার জন্য জগতের যে-বিষয়গুলো রয়েছে, সেগুলো প্রতিরোধ করতে আমাদের সাহায্য করবে। এই বক্তৃতায় সেই সমস্ত ব্যক্তির সাক্ষাৎকার থাকবে, যারা আধ্যাত্মিক বিষয়গুলোকে প্রথম স্থানে রাখতে কিছু পরিবর্তন করেছে। “ঈশ্বরের বাক্য মনোযোগপূর্বক শোনা যেভাবে আমাদের তরুণ-তরুণীদের শক্তিশালী করে” শিরোনামের বক্তৃতায় সেই তরুণ-তরুণীদের সাক্ষাৎকার থাকবে, যারা স্কুলে, বন্ধুবান্ধবদের মাঝে অথবা পরিচর্যায় সত্যের পক্ষে পদক্ষেপ নিয়েছে। “ছোটরা যারা ঈশ্বরের কথা শোনে ও শেখে” বক্তৃতাটা ছোটদের শেখার ক্ষমতাকে তুচ্ছ করে না দেখার বিষয়ে আমাদের সাহায্য করবে। ছোটদের ও তাদের বাবামার সাক্ষাৎকারগুলো আমাদের সেই উপকারগুলো জানতে সাহায্য করবে, যেগুলো একেবারে শৈশব থেকে ছেলেমেয়েদের যিহোবার পথ সম্বন্ধে প্রশিক্ষণ দেওয়ার দরুন পাওয়া যায়।
যদিও শয়তান “সমস্ত নরলোকের ভ্রান্তি জন্মায়” কিন্তু যিহোবা তাঁর বিশ্বস্ত দাসদের সেই পথ দেখিয়ে যাচ্ছেন, যে-পথে তাদের চলা উচিত। (প্রকা. ১২:৯; যিশা. ৩০:২১) তাঁর পরামর্শ মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং বাধ্যতার সঙ্গে সেগুলোকে আমাদের জীবনে প্রয়োগ করা আমাদের বিজ্ঞ করে, আমাদের জন্য সুখ নিয়ে আসে এবং অন্ততজীবনের দিকে পরিচালিত করে।—হিতো. ৮:৩২-৩৫.