ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • ijwyp প্রবন্ধ ৪২
  • গালাগালি করা কি ভুল?

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • গালাগালি করা কি ভুল?
  • যুবক-যুবতীদের জিজ্ঞাস্য
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • কুইজ
  • যে-কারণে এটা জানা গুরুত্বপূর্ণ
  • তুমি যা করতে পারো
  • আপনি অন্য একটা ভাষা শিখতে পারেন!
    ২০০৭ সচেতন থাক!
  • আপনার কথাবার্তার মাধ্যমে যিহোবাকে খুশি করুন
    চিরকাল জীবন উপভোগ করুন!—ঈশ্বরের কাছ থেকে শিখুন
  • আমি বন্ধুদের মাঝে থাকার জন্য যদি তাদের মতো হতে না পারি, তা হলে কী করব?
    যুবক-যুবতীদের জিজ্ঞাস্য
  • আঘাত দেয় এমন কথাবার্তা এড়িয়ে চলুন
    ২০০৩ সচেতন থাক!
আরও দেখুন
যুবক-যুবতীদের জিজ্ঞাস্য
ijwyp প্রবন্ধ ৪২
একজন কিশোর শুনছে, একদল কিশোরী খারাপ ভাষা ব্যবহার করে কথা বলছে।

যুবক-যুবতীদের জিজ্ঞাস্য

গালাগালি করা কি ভুল?

“খারাপ ভাষা শুনতে শুনতে আমি এতটাই অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি যে, এটা আমার কাছে আর খারাপ বলে মনে হয় না।”—খ্রিস্টোফার, ১৭ বছর।

“আগে আমি অনেক বাজে শব্দ ব্যবহার করতাম। খুব তাড়াতাড়িই সেটা আমার অভ্যাস হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু সেটা বন্ধ করা খুবই কঠিন ছিল।”—রেবেকা, ১৯ বছর।

  • কুইজ

  • যে-কারণে এটা জানা গুরুত্বপূর্ণ

  • তুমি যা করতে পারো

  • তোমার সঙ্গীসাথিরা যা বলে

কুইজ

  • অন্যদের গালাগালি করতে শুনলে তোমার কেমন লাগে?

    • আমি সেটা খেয়ালই করি না, আমার কাছে সেটা খুবই সাধারণ বিষয়।

    • আমার শুনতে একটু খারাপ লাগে, কিন্তু আমি কিছু বলি না।

    • আমার খুবই খারাপ লাগে আর কোনোভাবেই আমি তা মেনে নিতে পারি না।

  • তুমি কি গালাগালি কর?

    • না, কখনোই না

    • হ্যাঁ, মাঝে মাঝে

    • হ্যাঁ, সবসময়

  • তুমি কী মনে কর, বাজে শব্দ ব্যবহার করা কতটা খারাপ?

    • বেশি খারাপ না

    • খুব খারাপ

যে-কারণে এটা জানা গুরুত্বপূর্ণ

গালাগালি করা বা খারাপ ভাষা ব্যবহার করা কি আসলেই ভুল? তুমি হয়তো বলবে, ‘না, আমার তা মনে হয় না, সবাই তো এভাবেই কথা বলে! তা ছাড়া, এটা তো কোনো বড়ো বিষয় নয়, চিন্তা করার মতো আরও অনেক বড়ো বড়ো বিষয় রয়েছে।’ কিন্তু সত্যিই কি সবাই খারাপ ভাষা ব্যবহার করে?

আসলে, পৃথিবীতে এমন অনেক লোক রয়েছে, যারা খারাপ ভাষা ব্যবহার করে না আর এর পিছনে কিছু কারণ রয়েছে। তবে, সবাই সেই কারণগুলো জানে না। নীচে এমন তিনটে কারণ সম্বন্ধে পড়ো।

  • আমাদের কথাবার্তার ধরন প্রকাশ করে যে, আমরা আসলে কেমন ব্যক্তি। তাই, তুমি যেভাবে কথা বল, তা হালকা করে দেখার বিষয় নয়। তুমি যদি খারাপ ভাষায় কথা বল, তার মানে হল, অন্যদের অনুভূতি নিয়ে তুমি বেশি চিন্তা কর না। তুমি কি আসলেই এমন?

    বাইবেল বলে: “মুখ দিয়ে যা বের হয়, তা হৃদয় থেকে বের হয়ে আসে।”—মথি ১৫:১৮.

    ঠিক যেমন কারখানা থেকে বিষাক্ত ধোঁয়া বের হয়, তেমনই একজন কিশোরের মুখ থেকে গালাগালি বের হচ্ছে আর তার সঙ্গীসাথিরা নাক সিটকে তার কাছ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।

    খারাপ শব্দ ব্যবহার করা পরিবেশ নষ্ট করে আর তা তোমারও ক্ষতি করে, অন্যদেরও ক্ষতি করে।

  • বাজে শব্দ ব্যবহার করলে অন্যেরা আমাদের সম্বন্ধে খারাপ ভাববে। কাস্‌ কন্ট্রোল নামের বইটা বলে, “আমরা যেভাবে কথা বলি সেটা নির্ধারণ করে যে, আমাদের বন্ধু কারা হবে, আমাদের পরিবার ও সহকর্মীরা আমাদের কতটা সম্মান করবে, অন্যদের সাথে আমাদের সম্পর্ক কতটা ভালো হবে, অন্যেরা আমাদের কথার কতটা গুরুত্ব দেবে, আমরা চাকরি পাব কি না বা পদোন্নতি হবে কি না এবং অপরিচিতরা আমাদের কথা শুনে কি মনে করবে।” তোমার মনে হতে পারে যে, খারাপ শব্দ ব্যবহার করলেও অন্যদের সঙ্গে তোমার সম্পর্কে তেমন কোনো প্রভাব পড়ছে না। তবে এই বইটা বলে, “একটু চিন্তা করে দেখো, তুমি যদি গালাগালি না কর, তা হলে অন্যদের সাথে তোমার সম্পর্ক আরও ভালো হতে পারে।”

    বাইবেল বলে: “গালাগালি ... তোমাদের কাছ থেকে দূর কর।”—ইফিষীয় ৪:৩১ (বাংলা কমন ল্যাঙ্গুয়েজ ভারশন).

  • খারাপ শব্দ ব্যবহার করার মধ্যে কোনো ধরনের স্মার্টনেস নেই। ডক্টর অ্যালেক্স পাকার, যিনি কিশোর-কিশোরীদের ব্যবহার নিয়ে গবেষণা করেন, তিনি তার হাউ রুড! নামের বইয়ে লেখেন, “যারা সবসময় গালাগালি করে তাদের কথা বেশিক্ষণ শুনতে ভালো লাগে না।” তিনি আরও লেখেন, যারা ঘন ঘন বাজে শব্দ বলে, তাদের কথাবার্তায় “বুদ্ধি, গভীর চিন্তা, হাস্যরস কিংবা সমবেদনা খুব একটা প্রকাশ পায় না। তোমার কথাবার্তা যদি অগোছালো, অস্পষ্ট ও সৌন্দর্যবিহীন হয়, তা হলে নিশ্চিতভাবে তোমার মন-মানসিকতাও তেমন হয়ে যাবে।”

    বাইবেল বলে: “তোমাদের মুখ থেকে কোনো নোংরা কথা বের না হোক।”—ইফিষীয় ৪:২৯.

তুমি যা করতে পারো

  • একটা লক্ষ্য স্থাপন করো। যেমন, এক মাসের জন্য কোনো ধরনের বাজে শব্দ না বলে থাকতে চেষ্টা করো। যে-দিনগুলোতে তুমি একটাও বাজে শব্দ ব্যবহার করনি, সেই দিনগুলো তুমি ক্যালেন্ডারে দাগ দিয়ে রাখতে পারো; এভাবে তুমি কতটা উন্নতি করছ, তা দেখতে পারবে। তুমি যদি পুরোপুরিভাবে বাজে শব্দ ব্যবহার করা বা গালাগালি করা বন্ধ করতে চাও, তা হলে তোমাকে আরও কিছু করতে হবে। যেমন:

  • বাজে শব্দ ও গালাগালিতে ভরা বিনোদন এড়িয়ে চলো। বাইবেল বলে: “খারাপ ... মেলামেশা করা ভালো অভ্যাসগুলো নষ্ট করে দেয়।” (১ করিন্থীয় ১৫:৩৩) বিনোদনও কিন্তু এক ধরনের “মেলামেশা।” আর তুমি যে-মুভি দেখো, যে-ভিডিও গেম খেলো কিংবা যে-গান শোনো, সেগুলো তোমার উপর প্রভাব ফেলে। ১৭ বছর বয়সী কেনেথ কী বলেছে তা লক্ষ্য করো, “তোমার পছন্দের কোনো গান চলতে থাকলে, এর সুর তোমার কাছে খুব ভালো লাগে বলে, তুমি খুব সহজেই এর তালে তালে গান গাইতে থাক, এমনকী তখনও যখন এর মধ্যে বাজে শব্দ থাকে।” তাই, চিন্তাভাবনা করে তোমার বিনোদন বাছাই করো।

  • প্রাপ্তবয়স্ক হতে নিজেকে প্রশিক্ষিত করো। তুমি হয়তো ভাবতে পারো, খারাপ শব্দ ব্যবহার করলে অন্যেরা বুঝতে পারবে যে, তুমি বড়ো হয়ে গিয়েছে। কিন্তু, কথাটা সত্য নয়। বাইবেল বলে, প্রাপ্তবয়স্করা “তাদের চিন্তা করার ক্ষমতাকে ... সঠিক ও ভুলের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করার জন্য প্রশিক্ষিত” করে। (ইব্রীয় ৫:১৪) তাই, প্রাপ্তবয়স্করা ভালো ও খারাপের মধ্যে পার্থক্য করতে পারে আর তারা কখনোই শুধুমাত্র অন্যদের খুশি করার জন্য নিজেদের নীচে নামায় না।

সত্যি বলতে কী, গালাগালি করা এবং বাজে শব্দ ব্যবহার করা পরিবেশ নষ্ট করে আর আমাদের মনে নোংরা চিন্তাভাবনার বীজ বুনে। কিন্তু, এ ধরনের চিন্তাভাবনা করে, এমন মন্দ লোকের দল ইতিমধ্যেই অনেক ভারী! তুমি কি এই দল আরও ভারী করতে চাও? কাস্‌ কন্ট্রোল নামের বইটা বলে, “তাদের দল আরও ভারী কোরো না।” বরং এটা বলে, “কথাবার্তার পরিবেশ ভালো করার জন্য তোমার অংশটুকু করো, তা করলে তোমার নিজেরও ভালো লাগবে আর তোমার আশেপাশে থাকা লোকেরাও তোমার সঙ্গে থাকতে পেরে খুশি হবে।”

তোমার সঙ্গীসাথিরা যা বলে

জেরেড

“বাজে ভাষা ব্যবহার করলে অন্যেরা তোমার সম্বন্ধে একটা খারাপ ধারণা পাবে। আর তুমি যদি গালি ছাড়া কোনো কথা বলতে না পার, তা হলে অন্যদের মনে হবে যে, এর চেয়ে ভালো শব্দ তোমার আর জানা নেই।”—জেরেড।

জেনিফার

“কথা বলার সময়ে কী ধরনের শব্দ ব্যবহার করব, তা আমরাই বাছাই করি। তাই, সবসময় সহজ না হলেও, কথা বলার আগে চিন্তা করে তারপর আমাদের কথা বলা উচিত। আসলে, খারাপ শব্দ ব্যবহার করা একটা অভ্যাস, যা বদলানো সম্ভব।”—জেনিফার।

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার