রাশি—ছাপ রেখে যাওয়ার মতো এক বাইবেল পণ্ডিত
ইব্রীয় ভাষায় লেখা কোন্ বইটা সবচেয়ে প্রথম ছাপার গৌরব লাভ করে? পেন্টাটিউককে (মোশির লেখা পাঁচটা বই) বোঝানোর জন্য ব্যাখ্যামূলক একটা বই। এটা ১৪৭৫ সালে ইতালির রেজিও ক্যালাব্রিয়ায় ছাপানো হয়েছিল। এটা কে লিখেছিলেন? রাশি নামের একজন লোক।
এইরকম একটা বইকে কেন এত বিশেষ মনে করা হয়? এজরা সেরেশ্ভস্কি, তার রাশি—সেই ব্যক্তি ও তার জগৎ (ইংরাজি) বইয়ে বলেন যে রাশির বই “যিহূদী পরিবারগুলো ও যেখানে বাইবেল অধ্যয়ন করা হতো সেখানে অবশ্যই পড়া হতো। যিহূদী সাহিত্যের আর কোন বই এতখানি প্রশংসা কুড়াতে পারেনি যতটা রাশির বই পেরেছিল . . . রাশির বইকে বোঝার জন্য ২০০টারও বেশি ব্যাখ্যামূলক বই লেখা হয়েছিল।”
রাশির বই কি শুধু যিহূদীদের ওপরই ছাপ ফেলেছিল? অনেকেই জানেন না যে ইব্রীয় শাস্ত্রকে বোঝানোর জন্য রাশির বই শত শত বছর ধরে বাইবেল অনুবাদের ওপর ছাপ ফেলে এসেছে। কিন্তু এই রাশি আসলে কে ছিলেন এবং কীভাবে তিনি এতটা ছাপ ফেলতে পেরেছিলেন?
রাশি কে ছিলেন?
রাশি ১০৪০ সালে ফ্রান্সের ট্রয় নগরে জন্ম গ্রহণ করেন।a যুবক বয়সে তিনি রিনল্যান্ডের ওয়র্মস্ ও মেইন্জে যিহূদী ধর্মীয় স্কুলে যান। সেখানে তিনি ইউরোপের বিখ্যাত বিখ্যাত কয়েকজন যিহূদী পণ্ডিতদের কাছে শিক্ষা পান। প্রায় ২৫ বছর বয়সে ব্যক্তিগত পরিস্থিতির জন্য বাধ্য হয়ে তিনি ট্রয় শহরে ফিরে এসেছিলেন। ইতিমধ্যেই তার আশেপাশের যিহূদী সমাজ তাকে এক বিশিষ্ট পণ্ডিত বলে মনে করতে শুরু করে আর তাই তিনি সেই সমাজের ধর্মীয় নেতা হয়ে ওঠেন আর তিনি ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়ার জন্য নিজে একটা স্কুল খোলেন। কিছুদিনের মধ্যে, জার্মানিতে যে গুরুদের কাছ থেকে রাশি শিক্ষা পেয়েছিলেন, তাদের স্কুলের চেয়েও তার নতুন স্কুল বেশি বিখ্যাত হয়ে ওঠে।
ওই সময়ে ফ্রান্সের যিহূদী ও নামধারী খ্রীষ্টানদের মধ্যে কিছুটা শান্তি ও একতা ছিল আর এর ফলে রাশি এক পণ্ডিত হিসেবে তার উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ করার স্বাধীনতা পেয়েছিলেন। কিন্তু, তিনি উদাসীন ছিলেন না। একজন শিক্ষক ও তার বিদ্যালয়ের প্রধান হওয়ায় তিনি প্রচুর সম্মান পেয়েছিলেন। তবুও, রাশি মদ তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। আর এই কাজ করায় তিনি সাধারণ লোকেদের অনেক কাছাকাছি আসতে পেরেছিলেন যার ফলে তিনি তাদেরকে বুঝতে ও তাদের জন্য সমবেদনা দেখাতে পেরেছিলেন। ট্রয় নগরে থাকাও রাশির জ্ঞানকে অনেক বাড়িয়েছিল। বড় বড় বাণিজ্য পথগুলোর একটা হওয়ায়, ট্রয় এক মিশ্রসংস্কৃতির শহর হয়ে উঠেছিল যেখানে বাস করায় রাশি দেশ বিদেশের আদবকায়দা ও রীতিনীতির সঙ্গে ভাল মতো পরিচিত হতে পেরেছিলেন।
কেন একটা ব্যাখ্যামূলক বইয়ের দরকার ছিল?
যিহূদীদেরকে লোকেরা বাইবেলের লোক হিসেবে জানত। কিন্তু বাইবেল—“বইটা”—শুধু ইব্রীয় ভাষায় ছিল আর সেই সময় “লোকেরা” আরবি, জার্মান, ফ্রেঞ্চ, স্প্যানিশ এবং আরও অন্যান্য ভাষায় কথা বলত। যদিও বেশিরভাগ যিহূদীকেই ছোটবেলা থেকে যিহূদী ভাষা শেখানো হতো তবুও, বাইবেলের কিছু শব্দ তারা ভাল মতো বুঝতে পারত না। এছাড়াও, রব্বিদের যিহূদীধর্ম শত শত বছর ধরে লোকেদের বাইবেল পাঠের সঠিক অর্থ জানাতে নিষেধ করে রেখেছিল। বাইবেলের শব্দ ও পদ নিয়ে মন গড়া কাহিনীর অভাব ছিল না। এমন গল্প নিয়ে অনেক খণ্ডের বড় বড় বই লেখা হয়েছিল যেগুলোকে একত্রে মিডরাসb বলা হতো।
রাশির নাতি রাব্বি শ্যামূয়েল বেন মেইরও (রাসবান) বাইবেলের একজন পণ্ডিত ছিলেন। আদিপুস্তক ৩৭:২ পদের ওপর ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি তার বইয়ে বলেছিলেন যে “[রাশির আগের] প্রাচীন পণ্ডিতদের . . . ঝোঁক ছিল শুধু উপদেশ (দেরাশত) দেওয়া যেটাকে তারা খুবই জরুরি বলে মনে করতেন, [কিন্তু] বাইবেলের পাঠের গভীরে গিয়ে খোঁজ করায় তারা অভ্যস্ত ছিলেন না।” এই বিষয়ে তার মত জানাতে গিয়ে (সনসিনো বুক্স অফ দ্যা বাইবেল এর প্রধান সম্পাদক) ড. এ. কোহেন লেখেন: “এটা সত্যি যে রব্বিরা একগুঁয়েভাবে নিয়ম তৈরি করেছিলেন যে, পেশহাট অথবা বাইবেল পাঠের বিষয়ে বাইবেলে যে অর্থ দেওয়া আছে তা ছাড়া বাইবেল সম্বন্ধে অন্য কোন অর্থ মেনে নেওয়া হবে না; কিন্তু কাজের বেলায় তারা এই নিয়মকে বলতে গেলে কোন গুরুত্বই দিতেন না।” এইরকম এক ধর্মীয় পরিবেশে বেশিরভাগ যিহূদী বাইবেলের পাঠ্যাংশ বুঝতে গিয়ে নিজেকে অসহায় মনে করতেন আর অনুভব করতেন যে এগুলো বোঝার জন্য তাদের সাহায্যের দরকার রয়েছে।
রাশির লক্ষ্য ও পদ্ধতিগুলো
রাশি সারা জীবন ধরে চেয়েছিলেন যে তিনি ইব্রীয় শাস্ত্রকে সব যিহূদীদের বোঝার মতো করে তুলবেন। এটা করাতে গিয়ে তিনি বাইবেলের সেই শব্দ ও পদগুলো বোঝানোর জন্য বই লিখতে শুরু করেন যেগুলো বোঝা লোকেদের জন্য মুশকিল ছিল বলে তিনি মনে করতেন। এই বইগুলোতে রাশির গুরুদের ব্যাখ্যাও ছিল আর তিনি রব্বিদের বইগুলো থেকে যা কিছু পড়েছিলেন সেগুলোও সেখানে লিখেছিলেন। ভাষা সম্বন্ধে গবেষণা করার জন্য রাশি যা কিছু পেয়েছিলেন, সবকিছুই পড়েছিলেন। মেসোরিট লেখকেরা যে বিরাম চিহ্ন ও উচ্চারণের চিহ্নগুলো ব্যবহার করেছিলেন সেগুলো বাইবেল বোঝার ক্ষেত্রে কীভাবে প্রভাব ফেলে সেই বিষয়ে তিনি মনোযোগ দিয়েছিলেন। পেন্টাটিউককে বোঝার জন্য তার ব্যাখ্যামূলক বইয়ে তিনি কোন কঠিন শব্দের অর্থ বলার জন্য অরামীয় অনুবাদ (তার্গাম অফ ওনকেলস) থেকে উদ্ধৃতি করেন। অব্যয়, সংযোজক অব্যয়, ক্রিয়াপদের অর্থ এবং ব্যাকরণ ও বাক্যগঠনের বিভিন্ন দিক যেগুলো আগে পরীক্ষা করার কোন সম্ভাবনা ছিল না সেগুলো রাশি সরলতা ও দক্ষতার সঙ্গে লিখেছিলেন। এইরকম ব্যাখ্যা ইব্রীয় ভাষার বাক্যগঠন ও ব্যাকরণ বোঝাকে অনেক সহজ করে দিয়েছিল।
রব্বিদের যিহূদীধর্মের মতো না হয়ে রাশি সবসময় বাইবেলের পদের ঠিক-ঠিক মানে সহজ ভাষায় বলার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু অনেক মিডরাশিক বইয়ের সঙ্গে যিহূদীরা খুব ভাল মতো পরিচিত ছিল বলে রাশি এগুলোকে উপেক্ষা করতে পারেননি। রাশির বইয়ের এক উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হল যে মিডরাশিক বইগুলোতে যে কথা ভাল মতো বোঝানো হয়নি সেই কথাগুলো তিনি খুব সহজ করে বুঝিয়ে দিয়েছেন।
আদিপুস্তক ৩:৮ পদের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে রাশি বলেন: “এমন অনেক অ্যাগাডিকc মিডরাশিম রয়েছে যেগুলো আমাদের মুনিঋষিরা ইতিমধ্যেই বেরাশিত রাব্বা আর অন্যান্য মিডরাশির বইয়ের সংগ্রহে ঠিক-ঠিক ক্রম অনুসারে রেখেছেন। কিন্তু আমি শুধু বাইবেলের পদের সঠিক অর্থের (পেশহাট) ব্যাপারে আর অ্যাগাডোট এর জন্য চিন্তিত যা বাইবেলকে ঠিক করে বোঝায়। রাশি কেবল সেই মিডরাশিমগুলো বেছে নিয়েছিলেন ও সম্পাদনা করেছিলেন যেগুলো তার মতে বাইবেলের পদের ঠিক-ঠিক অর্থ দিত আর এভাবে তিনি সেই মিডরাশিমগুলোকে বাদ দিয়েছিলেন যেগুলো পড়ে লোকেরা ধাঁধার মধ্যে পড়ে যেতেন। এভাবে সম্পাদনা করার ফলে পরবর্তী যিহূদী প্রজন্ম বেশিরভাগই রাশি যে মিডরাশিমগুলো বেছে নিয়েছিলেন সেগুলোর সঙ্গে পরিচিত হয়ে ওঠেন।
রাশি তার গুরুদের কথা খুবই ভক্তিভরে মানতেন কিন্তু যখনই তার মনে হতো যে তাদের বর্ণনা বাইবেলে যা বলা আছে তার বিরোধী, তিনি তা বাতিল করতে কখনই পিছপা হননি। তিনি নিজে যখন বাইবেলের কোন অংশ বুঝতেন না কিংবা তার মনে হতো যে তিনি এটাকে ঠিক বোঝাতে পারছেন না তখন তিনি নিজের দুর্বলতা স্বীকার করে নিতেন, এমনকি তিনি এও বলেছিলেন যে তার ছাত্ররা কখনও কখনও তাকে কিছু বিষয় বুঝতে সাহায্যও করতে পারেন।
তার সময়ের প্রভাব
রাশি একজন আধুনিকমনা ব্যক্তি ছিলেন। একজন লেখক এভাবে বলেন: ‘যিহূদীদের জীবনে [রাশির] সবচেয়ে বড় দান ছিল, বাইবেলের প্রায় সমস্ত অংশই তার সময়ের ভাষায় সহজ ও পরিষ্কার করে লেখা। আর তিনি তার বইয়ে লোকেদের জন্য ভালবাসা ও সহানুভূতি দেখিয়েছিলেন। একজন পণ্ডিত হিসেবে তার দক্ষতা এতই অসাধারণ ছিল যে তার লেখা বইগুলোকে লোকেরা শাস্ত্রের মতো শ্রদ্ধা করতেন আর সাহিত্যের মতো পছন্দ করতেন। রাশি এমন বুদ্ধি ও শৈলী ব্যবহার করে ইব্রীয় ভাষায় তার বই লিখেছিলেন যে মনে হতো তা যেন ফ্রেঞ্চ ভাষা। যখনই তিনি তার মনের ভাব প্রকাশের জন্য সঠিক ইব্রীয় শব্দ খুঁজে পেতেন না, সেখানে তিনি ফ্রেঞ্চ শব্দ ব্যবহার করেছিলেন আর সেগুলোকে ইব্রীয় অক্ষর দিয়ে বানান করে লিখেছিলেন।’ রাশি প্রায় ৩,৫০০ ফ্রেঞ্চ শব্দকে ইব্রীয় অক্ষরে লিখেছিলেন আর এর ফলে সেই সমস্ত ছাত্ররা অনেক উপকৃত হয়েছিলেন যারা পুরনো ফ্রেঞ্চ ভাষা ও উচ্চারণ নিয়ে অধ্যয়ন করতেন।
যদিও রাশি তার জীবনের শুরুতে এক শান্ত পরিবেশ দেখেছিলেন কিন্তু পরে তিনি দেখেছিলেন যে যিহূদী ও নামধারী খ্রীষ্টানদের মধ্যে শত্রুতা বেড়ে চলেছিল। ১০৯৬ সালের প্রথম ক্রুসেড রিনল্যান্ডের যিহূদী সমাজকে ধ্বংস করে দিয়েছিল, যেখানে রাশি পড়াশুনা করেছিলেন। হাজার হাজার যিহূদীদের হত্যা করা হয়েছিল। মনে হয় যে এই হত্যার খবর রাশির স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলেছিল (তার স্বাস্থ্য ভেঙে যেতে থাকে আর শেষে ১১০৫ সালে তার মৃত্যু হয়)। এরপর থেকে, বাইবেল বোঝার জন্য তার ব্যাখ্যামূলক বইগুলোর মধ্যে অনেক পরিবর্তন এসেছিল। এর একটা বড় উদাহরণ হল যিশাইয় ৫৩ অধ্যায়, যেখানে যিহোবার এক সেবকের কষ্ট ভোগ করার কথা বলা হয়েছে। তালমুড যেমন বলে সেইরকম রাশিও আগে বলেছিলেন যে যিশাইয় ৫৩ অধ্যায়ে বলা যিহোবার সেই সেবক মশীহ। কিন্তু ক্রুসেডের পর তিনি মনে করেছিলেন যে এই পদগুলো যিহূদী লোকেদেরকে বোঝায় যারা অন্যায়ভাবে অত্যাচারিত হয়েছিলেন। তাই সেই সময় থেকে যিহূদীরা অন্যভাবে এই পদগুলো বুঝতে শুরু করে।d এভাবে, খ্রীষ্টীয়জগতের বাইবেল বিরুদ্ধ আচরণের কারণে যিহূদীরা ও অন্যান্য অনেক লোক যীশু সম্বন্ধীয় সত্য থেকে অনেক দূরে চলে যায়।—মথি ৭:১৬-২০; ২ পিতর ২:১, ২.
বাইবেল অনুবাদকে তিনি কীভাবে প্রভাবিত করেছিলেন?
রাশির বইয়ের প্রভাব যিহূদীধর্মকে ছাড়িয়ে অন্যান্য ধর্মের ওপরও পড়েছিল। ফ্রেঞ্চ ফ্রান্সিসকন বাইবেলের পণ্ডিত লিরা নিকোলাস (১২৭০-১৩৪৯) “রব্বি শলোমনের [রাশির]” মতামত এতবার উল্লেখ করেছেন যে তাকে “শলোমনের অনুকরণকারী” বলা হতো। অন্যদিকে, অনেক পণ্ডিত ও অনুবাদকদের ওপর আবার লিরার প্রভাব পড়েছিল, যার মধ্যে ইংরেজি কিং জেমস ভারসান এর আগের অনুবাদকেরা এবং সংস্কারক মার্টিন লুথারও ছিলেন, যারা জার্মানিতে বাইবেল অনুবাদের ইতিহাসে বিপ্লব এনেছিলেন। লিরার দ্বারা লুথার এত বেশি প্রভাবিত হয়েছিলেন যে তাকে নিয়ে একটা জনপ্রিয় ছড়া লেখা হয়েছিল।
রব্বিদের চিন্তাধারা রাশির ওপর খুবই প্রভাব ফেলেছিল আর খ্রীষ্টীয় সত্যের সঙ্গে এর কোন মিল ছিল না। তবুও, বাইবেলের ইব্রীয় শব্দ, বাক্যগঠন ও ব্যাকরণে তার গভীর জ্ঞান এবং পাঠের সরল ও সঠিক অর্থ বোঝার জন্য অবিরাম চেষ্টার ফলে, রাশি বাইবেলের গবেষক ও অনুবাদকদের জন্য অনেক অনেক মূল্যবান তথ্য তুলে ধরেছিলেন।
[পাদটীকাগুলো]
a “রাশি” একটা ইব্রীয় নাম, যা এই শব্দগুলোর প্রথম অক্ষর দিয়ে তৈরি হয়েছে “রাব্বি শলমো ইটজহাকি [রাব্বি শলোমন বেন আইজাক]।”
b “মিডরাস” শব্দটা যে মূল ইব্রীয় শব্দ থেকে এসেছে তার অর্থ “খোঁজ করা, অধ্যয়ন করা এবং পরীক্ষা করা” আর ব্যাপক অর্থে “প্রচার করা।”
c আগাডাহ্ (বহুবচন আগাডোট) এর অর্থ “বর্ণনা” আর এই শব্দ রব্বিদের রচনার বেআইনি বিষয়গুলোকে বোঝায়, তাদের বইগুলোতে প্রায়ই বাইবেলে বলা পুরুষ ও নারীদের সম্বন্ধে মিথ্যে গল্প ও রব্বিদের সম্বন্ধে কাহিনী থাকত।
d বাইবেলের এই অংশের বিষয়ে আরও জানার জন্য ওয়াচটাওয়ার বাইবেল অ্যান্ড ট্র্যাক্ট সোসাইটির দ্বারা প্রকাশিত যুদ্ধ ছাড়া এক জগৎ কি কখনও আসবে? (ইংরাজি) ব্রোশারের ২৮ পৃষ্ঠায় “আমার সেবক”—তিনি কে? বাক্সটা দেখুন।
[২৬ পৃষ্ঠার চিত্র]
পাঠ্যাংশ: Per gentile concessione del Ministero dei Beni Culturali e Ambientali