ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w৯৮ ৭/১ পৃষ্ঠা ৪-৬
  • কিছু ব্যক্তি যে জন্য তাদের ধর্ম পরিবর্তন করছেন

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • কিছু ব্যক্তি যে জন্য তাদের ধর্ম পরিবর্তন করছেন
  • ১৯৯৮ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • কঠিন প্রশ্নগুলির উত্তর
  • জীবনের উদ্দেশ্য কী?
  • জীবনের সমস্যাগুলির সাথে মোকাবিলা করা
  • ঈশ্বরের সঙ্গে এক ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক
  • সত্য ধর্ম সার্থক!
  • প্রধান স্বর্গদূত মীখায়েল কে?
    বাইবেলের প্রশ্নের উত্তর
  • প্রধান স্বর্গদূত মীখায়েল কে?
    বাইবেল প্রকৃতপক্ষে কী শিক্ষা দেয়?
  • যিশুই কি প্রধান স্বর্গদূত মীখায়েল?
    ২০১০ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • আপনি কি সঠিক ধর্ম খুঁজে পেয়েছেন?
    ১৯৯৪ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
আরও দেখুন
১৯৯৮ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w৯৮ ৭/১ পৃষ্ঠা ৪-৬

কিছু ব্যক্তি যে জন্য তাদের ধর্ম পরিবর্তন করছেন

অনেকের কাছে ধর্ম কেবল একটি লেবেল ছাড়া আর কিছুই নয়। এটি শুধু এটুকুই ইঙ্গিত করে যে একজন ব্যক্তি কখনও কখনও রবিবারে কোথায় যান, কোথায় তার বিবাহ হবে আর কোথায় তিনি কবরপ্রাপ্ত হবেন। কিন্তু এর থেকে জানা যায় না যে তিনি কিধরনের ব্যক্তি বা তিনি কী জানেন ও বিশ্বাস করেন। উদাহরণস্বরূপ, একটি সমীক্ষা প্রকাশ করেছিল যে ৫০ শতাংশ নামধারী খ্রীষ্টানেরা জানেন না পর্বতে দত্ত উপদেশ কে প্রদান করেছিলেন। যেখানে বিখ্যাত ভারতীয় নেতা মোহনদাস গান্ধী, একজন হিন্দু ব্যক্তি হয়েও তা জানতেন!

তাই এটি কি আশ্চর্যের বিষয় যে অনেক লোক, যারা তাদের বিশ্বাস সম্বন্ধে সামান্যই জানেন, ধর্ম থেকে সরে পড়ছেন? না, একেবারেই নয়। কিন্তু এটি আবার সকলের জন্য অবশ্যম্ভাবী কোন বিষয়ও নয়। বাইবেল সম্বন্ধে জানার জন্য যারা সাহায্য গ্রহণ করেছেন, এটি তাদের কতখানি উপকৃত করে তা দেখে তারা প্রায়ই আশ্চর্য হয়ে যান। বাইবেল স্বয়ং জানায়: “আমি সদাপ্রভু তোমার ঈশ্বর, আমি তোমার উপকারজনক শিক্ষা দান করি, ও তোমার গন্তব্য পথে তোমাকে গমন করাই।” (বাঁকা অক্ষরে মুদ্রণ আমাদের।)—যিশাইয় ৪৮:১৭.

তাহলে আধ্যাত্মিকভাবে অপরিতৃপ্ত ক্ষুধার্ত ব্যক্তিদের কী করা উচিত? তাদের ঈশ্বরের পরিচর্যা পরিত্যাগ করা উচিত নয়! পরিবর্তে, তাদের বাইবেলে অনুসন্ধান করা এবং স্বয়ং ঈশ্বর তাদের জন্য কী প্রাপ্তিসাধ্য করেছেন তা দেখা উচিত।

কঠিন প্রশ্নগুলির উত্তর

বার্ন্ট সাত বছর বয়সে তার মাকে মারা যেতে দেখেছিলেন।a ছেলেবেলার বাকি সময়গুলিতে তিনি ভেবেছিলেন, ‘আমার মা কোথায়? আমাকে কেন তাকে ছাড়াই বড় হতে হবে?’ কিশোর বয়সে বার্ন্ট গির্জার একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন। মানুষের দুঃখকষ্টের বিষয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে তিনি একজন বৈদেশিক সাহায্য কর্মী হিসাবে কাজ করার কথা চিন্তা করেছিলেন। তবুও, তিনি এমন কিছু প্রশ্নের দ্বারা জর্জরিত ছিলেন, যে সম্বন্ধে তার গির্জা তাকে কোন সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেনি।

এরপর একদিন বার্ন্ট তার এক সহপাঠীর সঙ্গে কথা বলছিলেন যিনি এক যিহোবার সাক্ষী ছিলেন। এই কিশোর, বাইবেল থেকে তাকে দেখিয়েছিলেন যে তার মা অচেতন অবস্থায় মৃত্যুতে ঘুমিয়ে আছেন। বার্ন্ট বাইবেলের অনেক পদ সম্বন্ধে জেনেছিলেন যেগুলি এই বিষয়ে ব্যাখ্যা দেয়, যেমন উপদেশক ৯:৫ পদ বলে: “মৃতেরা কিছুই জানে না।” তাই বার্ন্টের মা কোন পুরগাতরী—অথবা তার চেয়েও কষ্টকর কোন স্থানে যন্ত্রণা ভোগ করছেন কি না, সেই বিষয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোন কারণই তার ছিল না। যদিও অধিকাংশ ধর্মে আত্মার অমরত্ব মতবাদ সম্বন্ধে শিক্ষা দেওয়া হয়, বার্ন্ট বাইবেল থেকে দেখেছিলেন যে একজন মানুষ মারা গেলে তার মধ্যে বেঁচে থাকে এমন অমর কোন অংশ থাকে না।

এছাড়াও বার্ন্ট মৃতদের চমৎকার প্রত্যাশা সম্বন্ধে শিখেছিলেন। তিনি বাইবেল থেকে প্রেরিত পুস্তকের এই পদটি নিজে নিজে পড়েছিলেন: “ধার্ম্মিক অধার্ম্মিক উভয় প্রকার লোকের পুনরুত্থান হইবে।” (প্রেরিত ২৪:১৫) এই পুনরুত্থান এখানে, পৃথিবীতে ঘটবে জেনে তিনি কতই না রোমাঞ্চিত হয়েছিলেন, যেখানে ঈশ্বর এক পরমদেশ পুনর্স্থাপন করবেন!—গীতসংহিতা ৩৭:২৯; প্রকাশিত বাক্য ২১:৩, ৪.

বার্ন্টের আধ্যাত্মিক চাহিদাগুলি অবিলম্বেই প্রকৃত বাইবেল জ্ঞান দ্বারা পরিতৃপ্ত হয়েছিল। বার্ন্ট ধর্মের প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেননি। পরিবর্তে, তিনি গির্জা পরিত্যাগ করেছিলেন যেটি তার ক্ষুধা পরিতৃপ্ত করতে পারেনি এবং দৃঢ়রূপে বাইবেলের উপর প্রতিষ্ঠিত এক উপাসনাকে গ্রহণ করেছিলেন। তিনি বলেন: “সেটি ছিল ১৪ বছর আগের কথা আর সেই পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আমি কখনও অনুশোচনা করিনি। এখন আমি জানি যে সৃষ্টিকর্তা আমাদের দুঃখকষ্টের কারণ নন। এই বিধিব্যবস্থার দেব শয়তান আর সে আমাদের চতুর্দিকে পরিবেষ্টিত অবস্থার জন্য দায়ী। কিন্তু ঈশ্বর শীঘ্রই শয়তানের জগতের কৃত সমস্ত আঘাত থেকে পৃথিবীকে মুক্ত করবেন। আমার মা-ও পুনরুত্থানে ফিরে আসবেন। কী এক আনন্দের বিষয়ই না সেটি হবে!”

প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ্য যে, বার্ন্ট অন্যদের সাহায্য করার জন্য বিদেশে গিয়ে কাজ করার লক্ষ্যে পৌঁছেছেন। অন্যদের তাদের দুর্দশার প্রকৃত সমাধান, ঈশ্বরের রাজ্য সম্বন্ধে জানতে সাহায্য করার জন্য তিনি বিদেশে কাজ করেন। বার্ন্টের মত লক্ষ লক্ষ ব্যক্তিরা জেনেছেন যে শীঘ্রই ঈশ্বর মানুষের দুঃখকষ্টের শেষ আনবেন। আধ্যাত্মিক প্রয়োজনীয়তাকে পরিতৃপ্ত করার মত একটি ধর্ম রয়েছে, তা জেনে তারা রোমাঞ্চিত হন।—মথি ৫:৩.

জীবনের উদ্দেশ্য কী?

পশ্চিমী জগৎ ক্রমান্বয়ে যতই গির্জার শাসনমুক্ত হচ্ছে, অনেকে জিজ্ঞাসা করেন, ‘জীবনের উদ্দেশ্য কী?’ উত্তরটি বাইবেলে পাওয়া যায়, যেমন মাইকেল আবিষ্কার করেছিলেন। ১৯৭০ এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে, মাইকেল একটি সন্ত্রাসবাদী দলে যোগ দিতে চেয়েছিলেন। জীবনে তার কেবল একটি লক্ষ্যই ছিল—পুঁজিবাদী পদ্ধতির অন্যায়ের জন্য যে ব্যক্তিদের তিনি দায়ী বলে মনে করতেন তাদের ক্ষতি করা। “আমি কখনও আমার বন্দুক ছাড়া বাড়ির বাইরে যেতাম না,” তিনি বলেন। “আমার পরিকল্পনা ছিল যত বেশি জন শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদ ও পুঁজিপতি ব্যক্তিকে সম্ভব হত্যা করা। এর জন্য আমি আমার প্রাণ দিতেও প্রস্তুত ছিলাম।”

মাইকেল একজন গির্জাগামী ব্যক্তি ছিলেন কিন্তু তার গির্জার কোন ব্যক্তিই জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করতে পারেননি। তাই যখন যিহোবার সাক্ষীরা তার গৃহে সাক্ষাৎ করেছিলেন ও বাইবেল থেকে তার প্রশ্নগুলির উত্তর দেখিয়েছিলেন, মাইকেল মনোযোগপূর্বক তা শুনেছিলেন। উপাসনার জন্য তিনি যিহোবার সাক্ষীদের স্থানীয় মণ্ডলীর সভাগুলিতে যোগ দিতে শুরু করেছিলেন।

মাইকেলের বন্ধুরা বাইবেলের প্রতি তার নবগঠিত আগ্রহ সম্বন্ধে কৌতূহলী হয়েছিলেন। “এই রবিবারে সভাতে এসো,” মাইকেল তাদের অনুরোধ করেছিলেন। “কিছু সময় থেকো। সেখানে যা শুনবে যদি তোমাদের পছন্দ না হয়, তবে বাড়ি চলে যেও।” আর যা ঘটেছিল তা হল, ৪৫ মিনিটের বাইবেল ভিত্তিক একটি বক্তৃতার পর, তার অধিকাংশ বন্ধুই হল ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু একজন—সুজান—সেখানে ছিলেন। এই যুবতী যা শুনেছিলেন তাতে মুগ্ধ হয়েছিলেন। মাইকেল ও সুজান পরে বিবাহ করেছিলেন ও যিহোবার সাক্ষী হিসাবে বাপ্তাইজিত হয়েছিলেন। “এখন আমি জানি, কেন আমরা এই পৃথিবীতে রয়েছি,” মাইকেল বলেন। “যিহোবা আমাদের সৃষ্টি করেছেন। আমাদের জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য হল তাঁকে জানা ও তাঁর ইচ্ছা পালন করা। আর সেটিই প্রকৃত পরিতৃপ্তি নিয়ে আসে!”

লক্ষ লক্ষ ব্যক্তি মাইকেলের দৃঢ়প্রত্যয়ের অংশী হন। তারা বাইবেলের বাক্য হৃদয়ে গ্রহণ করেন: “আইস, আমরা সমস্ত বিষয়ের উপসংহার শুনি; ঈশ্বরকে ভয় কর, ও তাঁহার আজ্ঞা সকল পালন কর, কেননা ইহাই সকল মনুষ্যের কর্ত্তব্য।”—উপদেশক ১২:১৩.

জীবনের সমস্যাগুলির সাথে মোকাবিলা করা

আমরা সকলে ২ তীমথিয় ৩:১ পদে প্রাপ্ত ভবিষ্যদ্বাণীর পরিপূর্ণতা অভিজ্ঞতা করছি: “শেষ কালে বিষম সময় উপস্থিত হইবে।” এই ‘বিষম সময়ের’ সমস্যাগুলি থেকে কেউই নিষ্কৃতি পান না। কিন্তু সেগুলির সাথে মোকাবিলা করতে বাইবেল আমাদের সাহায্য করে।

স্টিভেন ও অলিভ নামে এক বিবাহিত দম্পতির কথা বিবেচনা করুন। যিহোবার সাক্ষীদের সঙ্গে যখন তারা বাইবেল অধ্যয়ন করতে শুরু করেছিলেন, অন্যান্য অনেক দম্পতির মত তাদেরও বৈবাহিক জীবনে বিভিন্ন সমস্যা ছিল। “আমরা পৃথক হতে যাচ্ছিলাম,” স্টিভেন বর্ণনা করেন। “আমাদের ভিন্নপ্রকার লক্ষ্য ও আগ্রহ ছিল।” কিন্তু কী তাদের একসাথে থাকতে সাহায্য করেছিল? “যিহোবার সাক্ষীরা আমাদের দেখিয়েছিলেন যে কিভাবে আমরা আমাদের জীবনে বাইবেলের নীতিগুলি প্রয়োগ করতে পারি,” স্টিভেন বলে চলেন। “প্রথমবারের মত আমরা জেনেছিলাম যে নিঃস্বার্থ ও যত্নশীল হওয়ার অর্থ কী। বাইবেলের নীতিগুলির প্রয়োগ আমাদের দৃঢ়বন্ধনে বেঁধেছিল। এখন আমরা এক সুখী, স্থায়ী বিবাহ উপভোগ করছি।”

ঈশ্বরের সঙ্গে এক ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক

এক সাম্প্রতিক জনমত সমীক্ষা অনুযায়ী, ৯৬ শতাংশ আমেরিকাবাসী ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন আর তাদের অধিকাংশই তাঁর কাছে প্রার্থনা করেন। তবুও অন্য একটি সমীক্ষা দেখিয়েছিল যে পঞ্চাশ বছরের মধ্যে গির্জা ও সমাজগৃহে উপস্থিতি এখন সর্বনিম্ন। প্রায় ৫৮ শতাংশ আমেরিকাবাসী বলেন যে তারা মাসে একবার বা তারও কম গির্জায় যান। স্পষ্টতই, ধর্ম তাদের ঈশ্বরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ করেনি। আর এই সমস্যাটি কেবল যুক্তরাষ্ট্রেই সীমাবদ্ধ নয়।

লিন্ডা, ব্যাভারিয়ায় বড় হয়েছিলেন। তিনি একজন সক্রিয় ক্যাথলিক ছিলেন ও নিয়মিত প্রার্থনা করতেন। একইসঙ্গে তিনি আবার ভবিষ্যৎ সম্বন্ধেও ভীত ছিলেন। মানুষের জন্য ঈশ্বরের উদ্দেশ্য সম্বন্ধে তিনি কিছুই জানতেন না। লিন্ডার যখন মাত্র ১৪ বছর বয়স, তিনি যিহোবার সাক্ষীদের সাক্ষাৎ পেয়েছিলেন আর তিনি বিবৃতি দেন: “তারা যা বলেছিলেন তা আগ্রহজনক ছিল তাই আমি দুটি বাইবেল অধ্যয়ন সহায়ক গ্রহণ করেছিলাম এবং দেরি না করেই সেগুলি পড়েছিলাম।” দুই বছর পর লিন্ডা যিহোবার সাক্ষীদের সঙ্গে বাইবেল অধ্যয়ন করতে শুরু করেছিলেন। “ঈশ্বর সম্বন্ধে বাইবেল থেকে আমি যা কিছু শিখেছিলাম তার সমস্তই আমার কাছে অর্থপূর্ণ মনে হয়েছিল,” তিনি বলেন। লিন্ডা গির্জা থেকে তার সদস্যপদ ত্যাগ করেছিলেন এবং ১৮ বছর বয়সে যিহোবার একজন সাক্ষী হিসাবে বাপ্তাইজিত হয়েছিলেন।

কোন্‌ বিষয়টি লিন্ডাকে তার ধর্ম পরিবর্তন করতে পরিচালিত করেছিল? তিনি বলেন: “আমার গির্জা আমাকে বুঝতে সাহায্য করেছিল যে একজন ঈশ্বর আছেন আর আমি তাঁকে বিশ্বাস করতে শিখেছিলাম। কিন্তু তিনি ব্যক্তিত্বহীন ও দূরবর্তী ছিলেন। আমার বাইবেল অধ্যয়ন ঈশ্বরের প্রতি আমার বিশ্বাসকে কেবল নিশ্চিতই করেনি কিন্তু তাঁকে ভালভাবে জানতে ও প্রেম করতেও সাহায্য করেছিল। এখন ঈশ্বরের সঙ্গে আমার এক মহামূল্যবান ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে যা অন্য যে কোন কিছুর চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান।”

সত্য ধর্ম সার্থক!

আপনার ধর্ম কি আপনাকে আধ্যাত্মিক নির্দেশনা প্রদান করে ও জীবনের সমস্যাগুলির মোকাবিলা করার জন্য বাইবেল কিভাবে সাহায্য করতে পারে তা দেখায়? এটি কি ভবিষ্যতের জন্য বাইবেলের আশা সম্বন্ধে শিক্ষা দেয়? এটি কি বাইবেলের যথার্থ জ্ঞানের উপর প্রতিষ্ঠিত যা আপনাকে সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ, ব্যক্তিগত সম্পর্কে নিয়ে আসে? যদি তা না হয়, হাল ছেড়ে দেবেন না। ধর্মের প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলার পরিবর্তে, এমন এক উপাসনা পদ্ধতির অন্বেষণ করুন যেটি দৃঢ়ভাবে বাইবেলের উপর প্রতিষ্ঠিত। তাহলেই আপনি সেই ব্যক্তিদের মত হতে পারবেন যাদের সম্বন্ধে বাইবেলের বই যিশাইয় ভবিষ্যদ্বাণী করে: “প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, দেখ, আমার দাসেরা ভোজন করিবে, . . . আমার দাসেরা পান করিবে, . . . আমার দাসেরা আনন্দ করিবে, . . . আমার দাসেরা চিত্তের সুখে আনন্দরব করিবে।”—যিশাইয় ৬৫:১৩, ১৪.

[পাদটীকাগুলো]

a এই প্রবন্ধে কিছু নাম পরিবর্তন করা হয়েছে।

[৪, ৫ পৃষ্ঠার চিত্র]

বাইবেল আমাদের ঈশ্বরকে ভালভাবে জানতে ও প্রেম করতে সাহায্য করে

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার