অতীতের ভুলগুলি থেকে শেখা
আমাদের সৃষ্টিকর্তার নৈতিক আইনগুলি চিরস্থায়ী ও অপরিবর্তনীয়। এই কারণে গালাতীয় ৬:৭ পদে প্রাপ্ত নীতিটি আজকেও প্রযোজ্য: “মনুষ্য যাহা কিছু বুনে তাহাই কাটিবে।” এটি সত্য যে একজন ব্যক্তি হয়ত ঈশ্বরের কাছে নিকাশ দেওয়ার বিষয়টিকে অগ্রাহ্য করতে পারেন কিন্তু ঐশিক নিয়ম অবিচলিত থাকে। মূলত, কোন মানুষই তার কাজের পরিণতি থেকে নিষ্কৃতি পান না।
সেই ব্যক্তির সম্বন্ধে কী বলা যায় যিনি স্বেচ্ছাচারী জীবনযাপন করেন ও তারপর পরিবর্তিত হয়ে ঈশ্বরের একজন দাসে পরিণত হন? তাকে হয়ত তখনও পূর্বের জীবনধারার পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে। কিন্তু এটি বোঝায় না যে ঈশ্বর তাকে ক্ষমা করেননি। বৎশেবার সঙ্গে রাজা দায়ূদের পারদারিক সম্পর্ক তার জীবনে প্রচুর দুর্দশা নিয়ে এসেছিল। তিনি এর থেকে নিষ্কৃতি পাননি। কিন্তু তিনি অনুতপ্ত হয়েছিলেন এবং ঈশ্বরের ক্ষমা লাভ করেছিলেন।—২ শমূয়েল ১২:১৩-১৯; ১৩:১-৩১.
আপনি যে ভুলগুলি করেছেন সেগুলির পরিণতি ভোগ করার সময় কি আপনি কখনও মন-মরা হয়ে পড়েছেন? যদি সঠিক উপায়ে মূল্যায়ন করা হয়, তবে দুঃখপ্রকাশ করা ‘আমাদের অধর্মের প্রতি না ফেরার জন্য সাবধান হওয়ার’ এক অনুস্মারক হিসাবে কাজ করতে পারে। (ইয়োব ৩৬:২১) হ্যাঁ, দুঃখপ্রকাশ করা কোন অন্যায় বারংবার করাকে এড়াতে আমাদের সাহায্য করতে পারে। এর চেয়েও উত্তম হল, দায়ূদ পাপ করার কারণে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিলেন, তা কেবল নিজেকে উপকৃত করার জন্য নয় কিন্তু অন্যদের জন্যও ব্যবহার করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন: “আমি অধর্ম্মাচারীদিগকে তোমার পথ শিক্ষা দিব, পাপীরা তোমার দিকে ফিরিয়া আসিবে।”—গীতসংহিতা ৫১:১৩.
[৭ পৃষ্ঠার চিত্র]
দায়ূদ বৎশেবার সঙ্গে তার কৃত পাপ থেকে শিখেছিলেন