ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w৯৮ ৭/১ পৃষ্ঠা ৩
  • তারা কেন ধর্ম ত্যাগ করছেন?

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • তারা কেন ধর্ম ত্যাগ করছেন?
  • ১৯৯৮ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • যে জন্য তারা ধর্মকে প্রত্যাখ্যান করেন
  • ধর্ম এতে কী উপকার রয়েছে?
    ২০০৬ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • কীভাবে আমি সত্য ধর্ম খুঁজে পেতে পারি?
    বাইবেলের প্রশ্নের উত্তর
১৯৯৮ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w৯৮ ৭/১ পৃষ্ঠা ৩

তারা কেন ধর্ম ত্যাগ করছেন?

উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে, প্রাশিয়ায় (এখন উত্তর জার্মানি) বসবাসকারী এক ব্যক্তিকে কার্যত বলতে শোনাই যেত না যে তিনি নির্দিষ্ট কোন একটি ধর্মের অন্তর্ভুক্ত নন। প্রকৃতপক্ষে, কোন একটি মুখ্য ধর্ম থেকে একজন ভিন্নমতাবলম্বী ব্যক্তিতে পরিবর্তন, তাকে পুলিশের কড়া নজরাধীন ব্যক্তিতে পরিণত করতে পারত। সময়ের কী পরিবর্তনই না ঘটেছে!

আজকে, এক বিরাট সংখ্যক জার্মানবাসী, গির্জাগুলি থেকে তাদের সদস্যপদ ত্যাগ করছেন। বিবৃতি অনুযায়ী, চারজনের মধ্যে একজন আদৌ কোন ধর্মাবলম্বী নন বলে দাবি করেন। অস্ট্রিয়া ও সুইজারল্যান্ডেও অনুরূপ প্রবণতা দেখা যায়। সদস্যপদই যদি একটি ধর্মের প্রাণরক্ত হয়, তবে জার্মান লেখক রেইমার গ্রোনমেয়ারের কথানুযায়ী, “ইউরোপের গির্জাগুলির মৃত্যুজনক রক্তক্ষরণ হচ্ছে।”

যে জন্য তারা ধর্মকে প্রত্যাখ্যান করেন

অনেকে কেন সংগঠিত ধর্মকে প্রত্যাখ্যান করেন? প্রায়ই অর্থনৈতিক কারণগুলির জন্য, বিশেষভাবে সেই দেশগুলিতে যেখানে সদস্যদের গির্জার কর পরিশোধ করতে হয়। অনেকে জিজ্ঞাসা করেন, ‘আমার কষ্টার্জিত অর্থ কেন গির্জায় যাবে?’ গির্জার প্রচুর সম্পদ ও ক্ষমতা দেখে কেউ কেউ বিরক্ত। তারা সম্ভবত জার্মানির কোলোগ্নের কার্ডিনাল, যোয়াকিম মেইজনারের সঙ্গে একমত, যিনি বলেছিলেন যে গির্জার সম্পদই এটিকে বস্তুগত বিষয়গুলির দিকে অধিক মনোযোগ দিতে পরিচালিত করে, “খ্রীষ্টের প্রতি ঐকান্তিক বিশ্বাসের দিকে নয়।”

কিছু ব্যক্তি গির্জা ত্যাগ করছেন কারণ তারা এটিকে একঘেয়ে, নীরস, তাদের আধ্যাত্মিক ক্ষুধা নিবারণে অসমর্থ হিসাবে মনে করেন। তারা ভাববাদী আমোষের দ্বারা ভাববাণীকৃত দুর্ভিক্ষে ভোগেন, যা “অন্নের দুর্ভিক্ষ কিম্বা জলের পিপাসা নয়, কিন্তু সদাপ্রভুর বাক্য শ্রবণের।” (আমোষ ৮:১১) তাদের ধর্ম থেকে সামান্য পুষ্টি পাওয়ার কারণে তারা এটি পরিত্যাগ করেন।

তারা যার মুখোমুখি হন সেগুলি প্রকৃতই সমস্যা কিন্তু তবুও সম্পূর্ণভাবে ধর্ম পরিত্যাগ করে প্রতিক্রিয়া দেখানো কি ঠিক? একজন ক্ষুধার্ত লোকের কথা চিন্তা করুন, যিনি আমের মত একটি ফল দেখতে পান। কিন্তু যখন তিনি সেটি খেতে যান তিনি দেখেন যে সেটি মোম দিয়ে তৈরি। তিনি কি খাওয়ার ও তার ক্ষুধা নিবারণের ইচ্ছাকে পরিত্যাগ করবেন? না, তিনি প্রকৃত খাদ্যের অন্বেষণ করবেন। অনুরূপভাবে, একটি ধর্ম যদি এর সদস্যদের আধ্যাত্মিক ক্ষুধাকে নিবারণ করতে না পারে, তাহলে কি তারা তাদের ধর্ম পরিত্যাগ করবেন? কিংবা তারা তাদের আধ্যাত্মিক ক্ষুধা নিবারণের একটি উপায় অন্বেষণের দ্বারা বিজ্ঞতা প্রদর্শন করবেন? পরবর্তী প্রবন্ধটি যেমন দেখায়, অনেকেই তাই করেছেন।

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার