ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w৯৮ ৩/১ পৃষ্ঠা ৪-৭
  • কেন তারা ক্ষমা চাইছেন?

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • কেন তারা ক্ষমা চাইছেন?
  • ১৯৯৮ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • গির্জাগোষ্ঠীর ঐক্য ও নৈতিক অবস্থান
  • সকলে একমত নন
  • ঐশিক বিচার
  • গির্জাগুলি পাপ স্বীকার করে
    ১৯৯৮ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • শুধুমাত্র কি একটাই ‘সত্য গির্জা’ আছে?
    ২০০৩ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
১৯৯৮ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w৯৮ ৩/১ পৃষ্ঠা ৪-৭

কেন তারা ক্ষমা চাইছেন?

গির্জাগুলির যে তাদের দোষের জন্য অনুতপ্ত হওয়া ও নিজেদের সংস্কারসাধন করা উচিত, এই ধারণাটি নতুন নয়। রিলিজোনি এ মেটে (ধর্ম এবং পৌরাণিক কাহিনী) নামক ধর্ম বিষয়ক এক অভিধান বলে যে সমগ্র মধ্যযুগব্যাপী প্রাথমিক গির্জার তথাকথিত অখণ্ডতা লোকেদের আকৃষ্ট করেছিল ও অনেককে সংস্কারসাধনের জন্য আবেদন করতে পরিচালিত করেছিল।

১৫২৩ সালে মার্টিন লুথার রোমের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার পর পোপ ষষ্ঠ এড্রিয়ান নিউরেমবার্গের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এই বার্তা প্রেরণের দ্বারা একতা আনার চেষ্টা করেছিলেন: “আমরা ভালভাবেই জানি যে বহু বছর ধরে ঘৃণাভরে পরিহারযোগ্য বিষয়গুলি পোপের পবিত্র সভায় জমা হয়েছে . . . আমরা সর্বপ্রথমে রোমান ক্যাথলিক গির্জার ধর্মসভার সংস্কারসাধনের জন্য সর্বোত্তম প্রচেষ্টা করব কারণ সম্ভবত এটিই এই সমস্ত মন্দতার উৎস।” কিন্তু, এই স্বীকারোক্তি অনৈক্যকে সামলাতে পারেনি অথবা গির্জাসংক্রান্ত রোমান ক্যাথলিক দুর্নীতির বিরোধিতাও করতে পারেনি।

অতি সম্প্রতি গির্জাগুলি ব্যাপক হত্যাকাণ্ড সম্বন্ধে তাদের নীরবতার কারণে সমালোচিত হয়েছে। তাদের সদস্যদের যুদ্ধে অংশ নেওয়া থেকে বিরত না করার জন্যও তারা অভিযুক্ত হয়েছে। ১৯৪১ সালে যখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছিল, প্রেমো মেৎসোলারে নামে এক যাজক জিজ্ঞাসা করেছিলেন: “ক্যাথলিক শিক্ষার অবনতির জন্য কেন রোম কোনরকম দৃঢ় প্রতিক্রিয়া দেখায়নি যেমন সে আগে করে থাকত বা কম বিপদজনক মতবাদগুলির ক্ষেত্রে এখনও করতে অভ্যস্ত?” কিসের তুলনায় কম বিপদজনক মতবাদ? যাজক সেই যুদ্ধপ্রিয় জাতীয়তাবাদ সম্বন্ধে কথা বলছিলেন যা সেই সময়ে সভ্যতাকে ধ্বংস করছিল।

কিন্তু, বিষয়টি হল সম্প্রতিকাল পর্যন্ত ধর্মগুলি দ্বারা দোষ স্বীকার করা প্রথাসিদ্ধ নয় কিন্তু ব্যতিক্রম ছিল। ১৮৩২ সালে যখন কিছুজন ক্যাথলিক গির্জার ‘পুনরুদ্ধার’ সম্বন্ধে অনুরোধ করেন তখন তার উত্তরে ষোড়শ গ্রেগরী বলেছিলেন: “[গির্জার] সুরক্ষা ও উন্নতির জন্য কোন নির্দিষ্ট ‘পুনর্স্থাপন ও পুনরুদ্ধার’ এর প্রস্তাব স্পষ্টতই অযৌক্তিক ও ক্ষতিকর যেন এটিই সমস্ত ত্রুটির জন্য দায়ী।” সেই ত্রুটিগুলি কি যেগুলিকে একেবারেই অস্বীকার করা যায় না? সেগুলিকে ব্যাখ্যা করার জন্য বিভিন্ন রকম কৌশল গ্রহণ করা হয়েছিল। উদাহরণস্বরূপ, কিছু ধর্মতত্ত্ববিদেরা এই যুক্তি সমর্থন করেছেন যে গির্জা পবিত্র এবং পাপপূর্ণ উভয়ই। সেই প্রতিষ্ঠানকে পবিত্র বলা হয়ে থাকে—যা ঈশ্বরের দ্বারা অন্যায় থেকে সংরক্ষিত হয়। যদিও এর সদস্যেরা পাপী। সুতরাং যখন গির্জার নামে নৃশংসতা করা হয় তখন প্রতিষ্ঠানটিকে দায়ী করা উচিত নয় কিন্তু গির্জার অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিবিশেষকে দায়ী করা উচিত। এটি কি যুক্তিপূর্ণ? রোমান ক্যাথলিক ধর্মতত্ত্ববিদ্‌ হানস কুংয়ের কাছে নয় যিনি লিখেছিলেন: “মনুষ্য জগৎ থেকে পৃথক কোন আদর্শ গির্জা থাকতে পারে না।” তিনি ব্যাখ্যা করেছিলেন: “এমন কোন গির্জার অস্তিত্বই নেই যেটির স্বীকার করার জন্য কোন পাপ নেই।”

গির্জাগোষ্ঠীর ঐক্য ও নৈতিক অবস্থান

আপনি হয়ত ভাবতে পারেন যে এখন এমন কোন্‌ বিষয়গুলি গির্জাগুলিকে ক্ষমা চাইতে পরিচালিত করেছে। প্রথমত, বিভিন্ন গোষ্ঠীগুলির মধ্যে “অতীত বিচ্ছেদ” এর জন্য প্রটেস্ট্যান্টরা ও অর্থোডক্সরা দায়িত্ব স্বীকার করে। তারা এটি ১৯২৭ সালে সুইজারল্যান্ডের লাউসেনে অনুষ্ঠিত “বিশ্বাস ও নিয়মশৃঙ্খলা” নামক গির্জাগোষ্ঠীর ঐক্য সম্মেলনে করেছিল। পরবর্তী সময়ে রোমান ক্যাথলিক গির্জা তাদের অনুসরণ করেছিল। বিশেষ করে ভ্যাটিকান দ্বিতীয়a অনুষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে উচ্চপদস্থ বিশপেরা যার অন্তর্ভুক্ত পোপ, খ্রীষ্টীয় জগতের মধ্যে বিভাগের কারণে নিয়মিতভাবে ক্ষমা চাইতে থাকেন। কোন্‌ উদ্দেশ্যে? স্পষ্টতই খ্রীষ্টীয় জগতের মধ্যে তারা আরও বেশি একতা চান। ক্যাথলিক ইতিহাসবিদ্‌ নিকোলিনো সারালে উল্লেখ করেছিলেন যে দ্বিতীয় জন পলের “‘মিয়া কুল্পা’ প্রকল্পে একটি কৌশল আছে আর তা হল গির্জাগোষ্ঠীর ঐক্য।”

কিন্তু, গির্জাগোষ্ঠীর ঐক্যের চেয়েও আরও বেশি কিছু জড়িত রয়েছে। খ্রীষ্টীয় জগতের কলঙ্কজনক ইতিহাস আজকে ব্যাপকভাবে পরিচিত। “ক্যাথলিকেরা এইসমস্ত ইতিহাসকে উপেক্ষা করতে পারে না,” ধর্মতত্ত্ববিদ্‌ হানস আরস ফন বলটাজার বলেন। “পোপ নিজে যে গির্জার অংশ, সেটিই যে বিষয়গুলি করেছে বা করতে অনুমতি দিয়েছে, নিশ্চিতভাবেই বর্তমান দিনে আমরা তা মেনে নিতে পারি না।” সুতরাং, পোপ এক আদেশ নির্ধারণ করেছেন যে “গির্জার অন্ধকার অধ্যায়ের প্রতি আলোকপাত করা হোক যাতে করে . . . ক্ষমা চাওয়া যেতে পারে।” সুতরাং, আত্ম সমালোচনা করতে গির্জার ইচ্ছুক মনোভাবের আরেকটি কারণ মনে হয় যে, এটির নৈতিক অবস্থান পুনরুদ্ধার করার আকাঙ্ক্ষা।

অনুরূপভাবে, ক্ষমা পাওয়ার জন্য গির্জার অনুরোধ সম্বন্ধে মন্তব্য করার সময় ইতিহাসবিদ্‌ এলবার্টো মেলোনী লেখেন: “বাস্তবে কখনও কখনও দোষারোপের দায় থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য ক্ষমা চাওয়া হয়।” হ্যাঁ, মনে হয় যে ক্যাথলিক গির্জা অতীত পাপের বোঝাকে ঝেড়ে ফেলতে চেষ্টা করছে যাতে করে জনতার মতামতের আদালতে এর বিশ্বাসযোগ্যতাকে পুনরুদ্ধার করা যেতে পারে। কিন্তু সৎভাবে বলতে গেলে মনে হয়, যেন এটি ঈশ্বরের চেয়ে জগতের সাথে শান্তি স্থাপনের জন্য বেশি সচেষ্ট।

এইধরনের আচরণ আমাদের ইস্রায়েলের প্রথম রাজা শৌলের কথা মনে করিয়ে দেয়। (১ শমূয়েল ১৫:১-১২) তিনি এক শোচনীয় অন্যায় করেছিলেন আর যখন তা প্রকাশ করা হয়েছিল—ঈশ্বরের এক বিশ্বস্ত ভাববাদী শমূয়েলের কাছে—তার দোষ সম্বন্ধে ব্যাখ্যা করে, তিনি প্রথমে নিজেকে নির্দোষ প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করেছিলেন। (১ শমূয়েল ১৫:১৩-২১) পরিশেষে, শমূয়েলের কাছে রাজাকে স্বীকার করতে হয়েছিল: “আমি পাপ করিয়াছি; ফলতঃ সদাপ্রভুর আজ্ঞা . . . লঙ্ঘন করিয়াছি।” (১ শমূয়েল ১৫:২৪, ২৫) হ্যাঁ, তিনি তার ভুল স্বীকার করেছিলেন। কিন্তু শমূয়েলের প্রতি তার পরবর্তী বাক্যগুলি প্রকাশ করে যে প্রকৃতপক্ষে তার মনে কি ছিল: “আমি পাপ করিয়াছি; তবু বিনয় করি, এখন আমার প্রজাদের প্রাচীনবর্গের ও ইস্রায়েলের সম্মুখে আমার সম্মান রাখুন।” (১ শমূয়েল ১৫:৩০) স্পষ্টতই, ঈশ্বরের সাথে সম্মিলিত হওয়ার চেয়ে ইস্রায়েলে তার অবস্থান সম্বন্ধে শৌল বেশি উদ্বিগ্ন ছিলেন। এই মনোভাব শৌলের জন্য ঈশ্বরের ক্ষমা নিয়ে আসেনি। আপনি কি মনে করেন যে এই একইরূপ মনোভাব গির্জাগুলির জন্য ঈশ্বরের ক্ষমা নিয়ে আসবে?

সকলে একমত নন

এই বিষয়ে সকলে একমত নন যে গির্জাগুলির জনসাধারণ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত। উদাহরণস্বরূপ, অসংখ্য রোমান ক্যাথলিকেরা অস্বস্তি বোধ করেন যখন তাদের পোপ জঘন্য কাজের জন্য ক্ষমা চান এবং হাস ও কেলভিনের মত “বিরুদ্ধ মতাবলম্বী ব্যক্তিদের” পূর্বের অধিকারে পুনর্প্রতিষ্ঠিত করেন। ভ্যাটিকান উৎস অনুসারে ক্যাথলিকবাদের এক হাজার বছরের অতীত ইতিহাসের পরিপ্রেক্ষিতে “বিবেকের পরীক্ষা” করা সম্বন্ধে প্রস্তাব করে যে নথি বিশপদের পাঠানো হয়েছিল, ১৯৯৪ সালের জুন মাসে অনুষ্ঠিত ধর্ম বিচারালয়ে যোগদানকারী বিশপদের দ্বারা সেটি সমালোচিত হয়েছিল। তবুও পোপ যখন সেই প্রস্তাবের সারাংশকে সাধারণের উদ্দেশে লিখিত পোপের চিঠির অন্তর্ভুক্ত করতে চেয়েছিলেন, তখন ইতালীয় বিশপ জাকোমো বিফি যাজকসংক্রান্ত এক টীকা প্রকাশ করেন যাতে তিনি দৃঢ়তা সহকারে বলেছিলেন: “গির্জার কোন পাপ নেই।” তৎসত্ত্বেও, তিনি এটি মেনে নিয়েছিলেন: “অতীত শতাব্দীগুলির গির্জাসংক্রান্ত অন্যায়ের জন্য ক্ষমা চাওয়া . . . হয়ত আমাদের আরও অনুকূল এক প্রতিমূর্তি প্রদান করবে।”

“পাপ স্বীকার ক্যাথলিক গির্জার একটি অন্যতম বিতর্কমূলক বিষয়” ভ্যাটিকানের মন্তব্যকারী লুইজী আকাটোলী বলেন। “পোপ যদি মিশনারীদের অন্যায়কে শনাক্ত করেন, তাহলে কিছু সৎ মিশনারীরা এতে ক্ষুব্ধ হন।” এক রোমান ক্যাথলিক সাংবাদিক আরও লিখেছিলেন: “গির্জার ইতিহাস সম্বন্ধে পোপের যদি প্রকৃতই এইধরনের এক জঘন্য ধারণা থাকে, তাহলে এটি বোঝা কঠিন যে এখন কিভাবে তিনি সেই একই গির্জাকে ‘মানব অধিকারের’ এক উল্লেখযোগ্য সমর্থক, ‘মাতা ও শিক্ষক’ যা কেবল একাই পথপ্রদর্শক হিসাবে মানবতাকে এক মঙ্গলজনক তৃতীয় সহস্র বছরের দিকে পরিচালিত করতে পারে বলে উপস্থিত করতে পারেন।”

বাইবেল লোক দেখানো অনুতাপের বিরুদ্ধে সতর্ক করে যা অন্যায় ধরা পড়ার পর কেবল লজ্জার কারণে হয়ে থাকে। এইধরনের অনুতাপ অনুতাপকারীকে খুব কমই দীর্ঘস্থায়ী পরিবর্তনে পরিচালিত করে। (২ করিন্থীয় ৭:৮-১১ পদের সাথে তুলনা করুন।) ঈশ্বরের চোখে যে অনুতাপ মূল্যবান তা হল “মনপরিবর্ত্তনের উপযুক্ত ফলে ফলবান্‌” হওয়া—যা হল অনুতাপকারীর আন্তরিকতার প্রমাণ।—লূক ৩:৮.

বাইবেল বলে যে একজন যে অনুতাপ করে এবং পাপ স্বীকার করে সে অবশ্যই অন্যায় কাজ ত্যাগ করবে ও সেগুলিকে করা বন্ধ করবে। (হিতোপদেশ ২৮:১৩) এটি কি ঘটেছে? রোমান ক্যাথলিক গির্জা ও অন্যান্য গির্জাগুলি তাদের সমস্ত অন্যায় স্বীকার করার পরে মধ্য আফ্রিকা এবং পূর্ব ইউরোপে সাম্প্রতিক সাম্প্রদায়িক দ্বন্দ্বে কী হয়েছিল যেখানে বৃহৎ সংখ্যক “খ্রীষ্টানেরা” জড়িত ছিল? গির্জাগুলি কি শান্তির উৎস হিসাবে কাজ করেছিল? তাদের সমস্ত নেতারা কি ঐক্যবদ্ধভাবে তাদের সদস্যদের দ্বারা কৃত নৃশংসতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিল? না। কারণ কিছু ধর্মীয় পরিচারকেরা নিজেরাই সেই হত্যায় অংশ নিয়েছিলেন!

ঐশিক বিচার

পোপের পুনরাবৃত্ত মিয়া কুল্পা সম্বন্ধে বলার সময় বিশপ বিফি কর্তৃত্বব্যাঞ্জকভাবে জিজ্ঞাসা করেছিলেন: “ঐতিহাসিক পাপগুলির জন্য আমাদের সকলের পক্ষে বিশ্বজনীন বিচারের অপেক্ষা করা কি আরও ভাল হবে না?” প্রকৃতই সমগ্র মানবজাতির বিচার আসন্ন। যিহোবা ঈশ্বর ধর্মীয় ইতিহাসের অন্ধকারময় অধ্যায়গুলি সম্বন্ধে ভালভাবেই জানেন। খুব শীঘ্রই তিনি দোষীদের নিকাশ দেওয়ার জন্য আহ্বান করবেন। (প্রকাশিত বাক্য ১৮:৪-৮) ইতিমধ্যে এমন একধরনের উপাসনা খুঁজে পাওয়া কি সম্ভব যা রক্তপাতের দোষে কলঙ্কিত নয়, হত্যাকারীদের সহ্য করে না এবং অন্যান্য অপরাধগুলির জন্য দায়ী নয় যেগুলির জন্য খ্রীষ্টীয় জগতের গির্জাগুলি অপরাধ স্বীকার করছে? হ্যাঁ।

কিভাবে আমরা এটি করতে পারি? যীশু খ্রীষ্ট দ্বারা উল্লেখিত নিয়ম প্রয়োগ করার দ্বারা: “তোমরা তাহাদের ফল দ্বারাই তাহাদিগকে চিনিতে পারিবে।” ইতিহাসের নথি যা কিছু ধর্মগুলি ভুলে যেতে ইচ্ছুক আমাদের চিনতে সাহায্য করে, কেবল তাদেরই নয় যাদের যীশু “ভাক্ত ভাববাদীগণ” বলে সম্বোধন করেছিলেন কিন্তু তাদেরও যারা “উত্তম ফল” উৎপন্ন করেছিল। (মথি ৭:১৫-২০) এরা কারা? আমরা আপনাকে ব্যক্তিগতভাবে যিহোবার সাক্ষীদের সাথে বাইবেল পরীক্ষা করে দেখতে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। দেখুন যে আজকে কারা জগতে এক প্রভাবশালী অবস্থান বজায় রাখার চেয়ে বরং প্রকৃতপক্ষে ঈশ্বরের বাক্যকে অনুসরণ করার চেষ্টা করছেন।—প্রেরিত ১৭:১১.

[পাদটীকাগুলো]

a ১৯৬২-৬৫ সালের মধ্যে রোমে ২১তম গির্জাগোষ্ঠীর ঐক্য পরিষদের সভা চারটি পর্বে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

[৫ পৃষ্ঠার চিত্র]

এইধরনের নৃশংস ঘটনাগুলির জন্য গির্জাগুলি অপরাধ স্বীকার করছে

[সজন্যে]

The Complete Encyclopedia of Illustration/J. G. Heck

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার