ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w৯৫ ৪/১৫ পৃষ্ঠা ২৬-২৮
  • একটি পর্বত যা “সরে যায়”

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • একটি পর্বত যা “সরে যায়”
  • ১৯৯৫ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • দীর্ঘদিন যাবৎ তীর্থস্থান বলে প্রতিষ্ঠিত
  • তীর্থযাত্রার বৈশিষ্ট্যগুলি
  • তারা কেন পাহাড়ে ওঠে?
  • সৃষ্টিকর্তাকে উপলব্ধি করতে প্ররোচিত হওয়া
  • পর্বত শ্রেণী
    ১৯৯৪ সচেতন থাক!
  • দুর্গম পর্বতচূড়ার মল্লবিদ্‌
    ১৯৯৭ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
১৯৯৫ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w৯৫ ৪/১৫ পৃষ্ঠা ২৬-২৮

একটি পর্বত যা “সরে যায়”

“আয়ারল্যান্ডের পশ্চিম প্রান্তে, ক্রোপাট্রিক পর্বতটি চারিধারের পর্বতরাজির তুলনায় শঙ্কু আকৃতির জন্য স্পষ্টভাবে দেখা যায়। প্রতি বছর, জুলাই মাসের শেষ রবিবারে, যখন ৩০,০০০ আবালবৃদ্ধবনিতা সেই পর্বতের শিখরে (৭৬৫ মিটার) বার্ষিক তীর্থযাত্রার জন্য যায়, তখন পর্বতটি যেন সরে যাচ্ছে বলে মনে হয়।

এই দিনটিতে তীর্থযাত্রীরা এমন এক পথ দিয়ে ওঠানামা করে, যেটা খুবই সরু, বন্ধুর এবং কয়েক জায়গায় বিপজ্জনক। বস্তুতপক্ষে সর্বোচ্চ শেষ আরোহণ পথটি (কমবেশি ৩০০ মিটার) হল অত্যন্ত দুরারোহ, খাড়া হয়ে উঠেছে এবং প্রায় সম্পূর্ণ জায়গাটাই আল্‌গা পাথরের টুকরো দিয়ে তৈরি, ফলে যাত্রা হয়ে ওঠে ঝুঁকিবহুল এবং ক্লান্তিকর।

কিছু ব্যক্তি খালি পায়ে ওঠে এবং কেউ বা সমস্ত রাস্তা বা তার কিছুটা অংশ হাটুতে ভর দিয়ে চলে। অতীতে, তীর্থযাত্রা রাতের অন্ধকারে শুরু হত।

কেন ক্রোপাট্রিক পর্বত অনেকের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতার স্থান?

দীর্ঘদিন যাবৎ তীর্থস্থান বলে প্রতিষ্ঠিত

স.শা. পঞ্চম শতাব্দীর গোড়ার দিকে, রোমান ক্যাথলিক গির্জা প্যাট্রিককে মিশনারী বিশপরূপে আয়ারল্যান্ডে পাঠিয়েছিল। তার মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল সমগ্র আইরিস জাতিকে খ্রীষ্টধর্মে ধর্মান্তরিত করা এবং লোকেদের মাঝে তার প্রচার ও কাজ করার সময়ে, প্যাট্রিক সেখানে ক্যাথলিক গির্জার ভিত্তিমূল স্থাপন করেছে বলে তাকে প্রশংসা করা হয়।

তার এই কাজের জন্য তাকে সেই দেশের বেশ কয়েকটি জায়গায় যেতে হয়েছিল। এর একটি ছিল পশ্চিম আয়ারল্যান্ড এবং কিছু প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, যেখানে সে ৪০ দিবারাত্র একটি পর্বতের উপরে কাটিয়েছিল, যেটা তার নাম অনুসারে নামকরণ করা হযেছে—ক্রোপাট্রিক (যার অর্থ দাঁড়ায় “প্যাট্রিকের পাহাড়”)। সেখানে তার কাজে সফলতা অর্জন করার জন্য সে অনশন এবং প্রার্থনা করেছিল।

বেশ কয়েক বছর ধরে তার বীরত্বপূর্ণ কাজের অনেক কাহিনী তৈরি হয়েছিল। অতি বিখ্যাতগুলির মধ্যে একটি হল, সেই পর্বতে থাকাকালীন প্যাট্রিক আয়ারল্যান্ড থেকে সমস্ত সাপকে বিতাড়িত করেছিল।

ঐতিহ্য প্রমাণ দেয় যে সে পর্বতের সর্বোচ্চ শিখরে একটি ছোট গির্জা নির্মাণ করেছিল। যদিও সেই আদি গৃহটি দীর্ঘদিন যাবৎ আর নাই, কিন্তু তার ভিত্তিমূল সেখানে রয়ে গেছে, আর সেখানকার পর্বত ও দৃশ্যাবলী, সব মিলে সময়ের প্রবাহে পর্বতটি হয়ে উঠেছে এক তীর্থস্থান।

তীর্থযাত্রার বৈশিষ্ট্যগুলি

বয়স্ক এবং যারা পর্বতারোহণে অনভ্যস্ত, তাদের কাছে এই পর্বতে ৫ কিলোমিটার রাস্তা ওঠানামা করা হল বিশেষ কিছু সম্পাদন করার সমতুল্য। এই যাত্রাপথের বিশেষ বিশেষ জায়গায়, যাত্রীদের রক্ষণাবেক্ষণের জরুরি দলগুলি সবরকমের আঘাতকে শুশ্রুষা করার জন্য সবসময়ে প্রস্তুত থাকে।

সমগ্র যাত্রাপথটিতে তিনটি বিশ্রামের স্থান আছে, যেখানে তীর্থযাত্রীরা বিবিধ ধর্মীয় ক্রিয়াকলাপ করে থাকে। পর্বতারোহণের শুরুতেই একটি তালিকাতে এই ক্রিয়াকলাপগুলি বিশদভাবে ব্যাখ্যা করা আছে।—বক্সে দেখুন।

তারা কেন পাহাড়ে ওঠে?

কেন এত লোক এই দূরারোহ তীর্থযাত্রায় অংশ নেয়? আর কেনই বা তারা চরম দুর্দশা ভোগ করে পাহাড়ে ওঠে?

হ্যাঁ, কিছু ব্যক্তির বিশ্বাস যে তীর্থযাত্রার সময়ে প্রার্থনা করলে, ব্যক্তিগত উপকার সকলের জন্য তাদের যে অনুযোগ, সেগুলি হয়তো শুনা হবে। অন্যেরা তাদের কৃত অন্যায় কাজের থেকে ক্ষমা পাওয়ার জন্য তা করে থাকে। আর বাকি লোকেদের জন্য প্রার্থনা হল কৃতজ্ঞতা নিবেদনের একটা উপায় মাত্র। অবশ্যই, অনেকে সামাজিক বিষয়গুলির কথা চিন্তা করেও সেখানে যায়। একজন কর্তৃপক্ষ মন্তব্য করেন যে এটা হল ‘মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা, প্রেম এবং সহযোগিতা প্রদর্শন করার অভিব্যক্তিমাত্র।’ তিনি এও বলেছিলেন যে ক্রোপাট্রিক পর্বতে চড়া “ছিল সেন্ট পাট্রিকের পদাঙ্ক অনুসরণ করে চলা এবং তাদের খ্রীষ্টীয় বিশ্বাসের জন্য তারা প্যাট্রিকের কাছে যে কতটা ঋণী, তার উপলব্ধি দেখানো।” তিনি আরও বলেন যে পাহাড়ে চড়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল “কৃত অপরাধের জন্য স্বেচ্ছায় প্রায়শ্চিত্তস্বরূপ, কারণ এতে যে শারীরিক পরিশ্রমের প্রয়োজন, সেটাই প্রায়শ্চিত্ত। ধীর গতিতে পর্বতের শিখরে আরোহণ হল দীর্ঘকালব্যাপী পাপের দরুন মর্মপীড়া।”

একজন ব্যক্তি গর্বের সাথে বলেছিলেন যে তিনি ২৫ বার এই পর্বতে চড়েছিলেন! তিনি তা করেছিলেন এবং বলেছিলেন, “এটা হল অল্প প্রায়শ্চিত্ত মাত্র!” অপর একজন সরলভাবে ব্যাখ্যা দেন, “কষ্ট না করলে ফল পাওয়া যায় না!”

যদিও এটা আবশ্যক নয়, তথাপি অনেকেই খালি পায়ে এই পর্বতে আরোহণ করে। তারা কেন এটা করে? প্রথমত, তারা এই স্থানটিকে পবিত্র জ্ঞান করে এবং সেইজন্য তাদের জুতো খুলে উঠে। দ্বিতীয়ত, তাদের উদ্দেশ্য অনুসারে এটা হল ‘অল্প কিছু প্রায়শ্চিত্ত করা’-র সমান। এটা এই ব্যাখ্যাও দেয় যে কেন তাদের কেউ কেউ হাঁটুতে ভর করে বিভিন্ন ক্রিয়াকলাপ করে।

সৃষ্টিকর্তাকে উপলব্ধি করতে প্ররোচিত হওয়া

কিন্তু কেউ যদি সেই বিশেষ দিনে তীর্থযাত্রীদের সঙ্গে পর্বতে আরোহণের সময় তীর্থযাত্রীদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশ না নেয়? যদি আবহাওয়া পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হয় এবং মজবুত এক জোড়া জুতো থাকে, তাহলে যে কোন দিনই এই পর্বতে আরোহণ করা যেতে পারে। আমরা এমন দিনে সেখানে উঠিনি যে দিন বিপুল তীর্থযাত্রী সেই পর্বতে আরোহণ করেছিল। ঘন ঘন বিশ্রাম নেওয়ার মুহূর্তগুলিতে আমরা স্বয়ং সেই আরোহণকে প্রতিফলিত করতে সক্ষম হয়েছিলাম এবং তা অনেকের উপরে প্রভাব এনেছিল। কল্পনা করছিলাম যে শতশত তীর্থযাত্রীর সেই দুরারোহ যাত্রা এবং সেইসঙ্গে বিবিধ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের বিষয়ে এবং আশ্চর্য হতে বাধ্য হচ্ছিলাম, ‘এটাই কি ঈশ্বর চান? বিশেষ বিশেষ স্তম্ভের চারিধারে ঘুরপাক খেতে খেতে বারবার প্রার্থনা আবৃত্তি করা এবং রীতি অনুসারে পর্বতে আরোহণ এক ব্যক্তিকে কি ঈশ্বরের সান্নিধ্যে নিয়ে আসে?’ মথি ৬:৬, ৭ পদের বারংবার প্রার্থনার বিষয়ে যীশুর উপদেশ সম্পর্কে কী বলা যায়?

অবশ্যই, ধর্মীয় কোন অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য আমরা সেই পর্বতে আরোহণ করিনি। তথাপি, সৃষ্টিকর্তার সান্নিধ্য আমরা উপলব্ধি করেছি তাঁর সৃষ্ট পর্বতমালা দেখে, যা পৃথিবীর আশ্চর্য বস্তুসকলের অংশবিশেষ। পর্বতের সর্বোচ্চ শিখর হতে আমরা বাধাহীন মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্যাবলী উপভোগ করেছি, এমনকি আটল্যান্‌টিক মহাসমুদ্র যেখানে ভূমির সঙ্গে মিলিত হয়েছে, তাও প্রত্যক্ষ করেছি। আমাদের ঠিক নিচে উপসাগরের মধ্যবর্তী ছোট্ট দ্বীপগুলি এক দিকে চিকমিক করছে যা অপরপ্রান্তে অসমতল ও অনুর্বর পার্বত্য অঞ্চলটি বৈষম্য প্রদর্শন করছে।

তিনটি বিরতির স্থানের সম্পর্কেও আমরা চিন্তা করেছি। স্বয়ং যীশুর উক্তিগুলিই মনে পড়েছে, যখন তিনি তাঁর সত্য অনুগামীদের বলেছিলেন: “প্রার্থনাকালে তোমরা অনর্থক পুনরুক্তি করিও না, যেমন জাতিগণ করিয়া থাকে; কেননা তাহারা মনে করে, বাক্যবাহুল্যে তাহাদের প্রার্থনার উত্তর পাইবে।”—মথি ৬:৭.

আমরা গভীরভাবে উপলব্ধি করেছিলাম যে পর্বতগুলি ধর্মগত ঐতিহ্যের অংশে পরিণত হয়েছে, হাজার হাজার ব্যক্তিকে শ্রমসাধ্য ধর্মগত আচার-অনুষ্ঠানে আবদ্ধ করে রেখেছে। আমরা বুঝলাম প্রেরিত যোহনের দ্বারা কথিত স্বাধীনতার সঙ্গে তার বৈসাদৃশ্য কোথায়, যখন তিনি বলেছিলেন: “আমরা তাঁহার [ঈশ্বরের] আজ্ঞাসকল পালন করি; আর তাঁহার আজ্ঞা সকল দুর্ব্বহ নয়।”—১ যোহন ৫:৩.

আমরা আমাদের প্রমোদ-ভ্রমণ একান্তে উপভোগ করেছি, যার অন্তর্ভুক্ত ছিল এই ক্রোপাট্রিক পর্বতে আরোহণ। ভবিষ্যতের সেই সময়ের প্রতি তাকানোর জন্য আমাদের হৃদয় স্পন্দিত হয়েছিল, যখন সমগ্র মানবজাতি বাইবেল-বহির্ভূত আচার-অনুষ্ঠান থেকে পরিত্রাণ পেয়ে এই পৃথিবীর প্রেমময় সৃষ্টিকর্তাকে “আত্মায় এবং সত্যে” উপাসনা করবে।—যোহন ৪:২৪.

[২৭ পৃষ্ঠার বাক্স]

তীর্থযাত্রার প্রধান বিশিষ্ট্যগুলি

প্রতিটি তীর্থযাত্রী, যারা সেন্ট প্যাট্রিক দিবসে অথবা আটদিনব্যাপী বিশেষ অনুষ্ঠানের সময়ে, অথবা জুন, জুলাই, আগস্ট এবং সেপ্টেম্বর মাসের কোন সময়ে এই পর্বতে আরোহণ করে এবং খ্রীষ্টীয় ভজনালয়ের ভিতরে অথবা কাছাকাছি কোন জায়গায় পোপের উদ্দেশ্য যেন সাধিত হয় এই বিষয়ে প্রার্থনা করে যাতে করে সামিটে পৌঁছাবার সময় অথবা এক সপ্তাহের মধ্যে তাদের সাময়িক পাপের প্রায়শ্চিত্ত পেতে পারে, এই শর্তে যে যদি তারা তাদের পাপ স্বীকার করে ও প্রভুর পবিত্রভোজ গ্রহণ করে।

বিরতির ঐতিহ্যময় স্থানগুলি

সেখানে তিনটি বিরতির “স্থান” আছে। (১) লিযক্ট বেননের শুরুতেই, (২) পর্বতের চূড়াতে, (৩) রেলিগ মুয়ের যা লেকনভি [একটি শহর] পর্বতের ধারে কিছুটা দূরে অবস্থিত।

১ম বিরতির স্থান - লিয়ক্ট বেনেন

তীর্থযাত্রীরা পাথরের তৈরি ঢিবির চারিদিকে ঘুরে ৭ বার প্রভুর প্রার্থনা এবং ৭বার মরিয়মের প্রশংসা এবং একবার প্রেরিত সম্প্রদায়ভুক্ত বিশ্বাসের ঘোষণা করে।

২য় বিরতির স্থান - দ্যা সামিট

(ক) তীর্থযাত্রীরা হাঁটু গেড়ে বসে ৭ বার প্রভুর প্রার্থনা এবং ৭ বার মরিয়মের প্রশংসা ও একবার প্রেরিত সম্প্রদায়ভুক্ত বিশ্বাসের ঘোষণা করে।

(খ) তীর্থযাত্রীরা খ্রীষ্টীয় ভজনালয়ের কাছে পোপের উদ্দেশ্যের জন্য প্রার্থনা করে।

(গ) তীর্থযাত্রীরা খ্রীষ্টীয় ভজনালয়ের চারিধারে ১৫ বার ঘুরপাক খেয়ে ১৫ বার প্রভুর প্রার্থনা, এবং ১৫ বার মরিয়মের প্রশংসা ও প্রেরিত সম্প্রদায়ভুক্ত বিশ্বাসের ঘোষণা করে।

(ঘ) তীর্থযাত্রীরা লেবে ফরিগের চারিধারে ৭ বার ঘুরে ৭ বার প্রভুর প্রার্থনা এবং ৭ বার মরিয়মের প্রশংসা ও প্রেরিত সম্প্রদায়ভুক্ত বিশ্বাসের ঘোষণা করে।

৩য় বিরতির স্থান - রেলিগ মুয়র

প্রতিটি ঢিবির চারিধারে তীর্থযাত্রীরা ৭ বার করে ঘুরে ৭ বার প্রভুর প্রার্থনা, ৭ বার মরিয়মের প্রশংসা ও প্রেরিত সম্প্রদায়ভুক্ত বিশ্বাসের ঘোষণা করে প্রত্যেকটি ঢিবির কাছে [সেখানে মোট তিনটি ঢিবি আছে] এবং শেষ পর্যন্ত রেলিগ মুয়রের সংলগ্ন এলাকার চারিধারে ঘুরে ৭ বার প্রার্থনা করে।

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার