ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w৯৫ ১/১ পৃষ্ঠা ৫-১০
  • শয়তান ও তার কার্যসকলের উপর জয় লাভ

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • শয়তান ও তার কার্যসকলের উপর জয় লাভ
  • ১৯৯৫ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • নির্যাতনের মধ্যেও বিশ্বস্ততা
  • বিবাদগ্রস্ত রুয়ান্ডাতে
  • অল্পবয়স্ক বিশ্বস্ততা রক্ষাকারীরা
  • শয়তানের অন্যান্য কৌশলী চাতুরীগুলি
  • আপনি কি আপনার নীতিনিষ্ঠা বজায় রাখবেন?
    ২০০২ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • আপনার বিশ্বস্ততা বজায় রাখুন!
    প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে (অধ্যয়ন)—২০১৯
  • ইয়োব যিহোবার নামকে উচ্চীকৃত করেছিলেন
    ২০০৯ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • ঈশ্বরকে খুশি করে এমনভাবে জীবনযাপন করা
    বাইবেল প্রকৃতপক্ষে কী শিক্ষা দেয়?
আরও দেখুন
১৯৯৫ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w৯৫ ১/১ পৃষ্ঠা ৫-১০

শয়তান ও তার কার্যসকলের উপর জয় লাভ

“অতএব তোমরা ঈশ্বরের বশীভূত হও; কিন্তু দিয়াবলের প্রতিরোধ কর, তাহাতে সে তোমাদের হইতে পলায়ন করিবে।”—যাকোব ৪:৭.

১. কিভাবে মানবজাতি আজকের দিনে “দুর্জ্জনের হস্তে সমর্পিত” হয়ে প্রভাবিত হয়েছে?

ইয়োব ঠিকই বলেছিলেন: “পৃথিবী দুর্জ্জনের হস্তে সমর্পিত হইয়াছে।” (ইয়োব ৯:২৪) আর এখন আমরা সমগ্র মানব ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন সময়ে বাস করছি। কেন? কারণ পৃথিবীতে শয়তানের মন্দ দূতেদের কর্তৃত্বের এগুলি হল ‘শেষ কাল।’ এটি অবাক হওয়ার বিষয় নয় যে শয়তানের প্ররোচনায় ‘দুষ্ট লোকেরা ও প্রবঞ্চকেরা, পরের ভ্রান্তি জন্মাইয়া ও আপনারা ভ্রান্ত হইয়া, উত্তর উত্তর কুপথে অগ্রসর হচ্ছে।’ (২ তীমথিয় ৩:১, ১৩) তার উপর, নির্যাতন, অন্যায়, নিষ্ঠুরতা, অপরাধ, আর্থিক কষ্ট, দীর্ঘকালীন অসুস্থতা, বার্ধক্যের যন্ত্রণা, মানসিক বিষণ্ণতা—এগুলি এবং আরও কিছু আমাদের উপর গভীরভাবে চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

২. বর্তমান সময়ে কিভাবে আমরা শয়তানের আক্রমণের মোকাবিলা করতে পারি?

২ মহান শত্রু, শয়তান দিয়াবল মানবজাতির উপর আর বিশেষ করে ঈশ্বরের সত্য উপাসকদের উপর আক্রমণ কেন্দ্রীভূত করছে। সম্ভাব্য সকল বিশ্বস্ত রক্ষাকারীদের ঈশ্বরের বিপক্ষে চালিত করা এবং তার ও তার মন্দ দূতেদের সাথে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাওয়া হল তার লক্ষ্য। কিন্তু, আমাদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, যে যদি আমরা বিশ্বস্ততায় সহ্য করি দিয়াবল আমাদের থেকে পলায়ন করবে। যীশুর মত আমরাও নির্যাতিত হওয়ার দ্বারা ‘আজ্ঞাবহতা শিখতে’ পারি এবং তাঁর অযাচিত করুণার দরুন অনন্ত জীবন লাভ করতে পারি।—ইব্রীয় ৫:৭, ৮; যকোব ৪:৭; ১ পিতর ৫:৮-১০.

৩, ৪. (ক) পৌলকে কোন্‌ বর্হিগত পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হয়েছিল? (খ) একজন খ্রীষ্টীয় প্রাচীন হিসাবে পৌল কী বিষয়ে চিন্তিত ছিলেন?

৩ প্রেরিত পৌলও বিভিন্নভাবে পরীক্ষিত হন। খ্রীষ্টের পরিচারক হিসাবে তার পরিচয়পত্র দিতে গিয়ে, তিনি লেখেন: “আমি অধিকতররূপে; আমি পরিশ্রমে অতিমাত্ররূপে, কারাবন্ধনে অতিমাত্ররূপে, প্রহারে অতিরিক্তরূপে, প্রাণসংশয়ে অনেক বার। যিহূদীদের হইতে পাঁচ বার ঊনচল্লিশ আঘাত প্রাপ্ত হইয়াছি। তিন বার বেত্রাঘাত, এক বার প্রস্তরাঘাত, তিন বার নৌকাভঙ্গ সহ্য করিয়াছি, অগাধ জলে এক দিবারাত্র যাপন করিয়াছি; যাত্রায় অনেক বার, নদীসঙ্কটে, দস্যুসঙ্কটে, স্বজাতি-ঘটিত সঙ্কটে, পরজাতিঘটিত সঙ্কটে, নগরসঙ্কটে, মরুসঙ্কটে, সমুদ্রসঙ্কটে, ভাক্ত ভ্রাতৃগণের মধ্যে ঘটিত সঙ্কটে, পরিশ্রমে ও আয়াসে, অনেক বার নিদ্রার অভাবে, ক্ষুধায় ও তৃষ্ণায়, অনেক বার অনাহারে, শীতে ও উলঙ্গতায়।

৪ “আর সকল বিষয়ের কথা থাকুক, একটী বিষয় প্রতিদিন আমার উপরে চাপিয়া রহিয়াছে,—সমস্ত মণ্ডলীর চিন্তা। কে দুর্ব্বল হইলে আমি দুর্ব্বল না হই? কে বিঘ্ন পাইলে আমি না পুড়ি?” (২ করিন্থীয় ১১:২৩-২৯) তাই, বর্হিগত নির্যাতন ও পরীক্ষার সম্মুখীন হয়ে পৌল বিশ্বস্ততা বজায় রাখেন এবং একজন খ্রীষ্টীয় প্রাচীন হিসাবে তিনি মণ্ডলীতে দুর্বল ভাই এবং বোনেদের শক্তিশালী করতে গভীরভাবে চিন্তিত ছিলেন ও সাহায্য করেন যাতে করে তারা বিশ্বস্ততা বজায় রাখতে পারে। আজকের দিনের খ্রীষ্টীয় প্রাচীনদের জন্য কী না উত্তম উদাহরণই!

নির্যাতনের মধ্যেও বিশ্বস্ততা

৫. সরাসরি নির্যাতনের বিরুদ্ধে কী উত্তর আছে?

৫ বিশ্বস্ততা ভাঙ্গবার জন্য কী ধরনের কৌশল শয়তান ব্যবহার করে? যেমন উপরে ইঙ্গিত করা হয়েছে, শয়তানের একটি দুষ্ট প্রণালী হল সরাসরি নির্যাতন, কিন্তু এর উত্তর আছে। ইফিষীয় ৬:১০, ১১ পদ আমাদের উপদেশ দেয়: “তোমরা প্রভুতে ও তাঁহার শক্তির পরাক্রমে বলবান্‌ হও। ঈশ্বরের সমগ্র যুদ্ধসজ্জা পরিধান কর, যেন দিয়াবলের নানাবিধ চাতুরীর [অথবা, “ছলনার কার্যসকল,” পাদটীকা NW] সম্মুখে দাঁড়াইতে পার।”

৬. কিভাবে দেখানো যেতে পারে যে যিহোবার সাক্ষীরা “সকল বিষয়ে বিজয়ী?”

৬ এই শেষকালে যিহোবার সাক্ষীদের প্রায়ই পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হয়। পৌলের সাথে তাই আমরা বলতে পারি: “যিনি আমাদিগকে প্রেম করিয়াছেন, তাঁহারই দ্বারা আমরা এই সকল বিষয়ে বিজয়ী অপেক্ষাও অধিক বিজয়ী হই।” (রোমীয় ৮:৩৭) ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সালের মধ্যে জার্মানি, অস্ট্রিয়া, পোল্যান্ড এবং যুগোস্লাভিয়ার কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে, ১৯৪৫ ও ১৯৮৯ সালের মধ্যে পূর্ব ইউরোপের সাম্যবাদী বিরোধিতা এবং আরও সম্প্রতি আফ্রিকা ও ল্যাটিন আমেরিকাতে যে নির্যাতন হয়েছিল তা যিহোবার সাক্ষীদের বিশ্বস্ততার প্রমাণ দেয়।

৭. ইথিওপিয়ার থেকে কোন্‌ উৎসাহজনক অভিজ্ঞতা রিপোর্ট করা হয়?

৭ ১৯৭৪ এবং ১৯৯১ সালের মধ্যে ইথিওপিয়ার যিহোবার সাক্ষীরা বিশ্বস্ততার উৎসাহজনক উদাহরণ স্থাপন করে। কারাগারবদ্ধ ভাইকে একটি রাজনীতি মনোভাবাপন্ন, বন্দি করে এমন এক ব্যক্তি বলে: “তোমাদের আবার ছাড়ার থেকে সিংহকে চিড়িয়াখানা থেকে ছেড়ে দেওয়া ভাল হবে!” এই নিষ্ঠুর নির্যাতনকারীরা যিহোবার সেবকদের নির্যাতন করে এবং কয়েক বছর পরে একটি অ্যাপীল আদালত মৃত্যু দণ্ডের আদেশ দেয়। সাবধানবাণীর উদাহরণ হিসাবে একটি ভাইয়ের দেহকে সবার চক্ষু গোচরে টাঙ্গিয়ে দেওয়া হয়। অন্যান্য ভাইরা মৃত্যু দণ্ডের বিপরীতে আর্জি পেশ করে উদারনীতিক আদালতের জন্য তারা ছাড়া পায় এবং এই বিশ্বস্ত ‘জয়ীদের’ কয়েকজন ১৯৯৪ সালের শুরুতে আদিস আবাবাতে “ঐশিক শিক্ষা” জেলা সম্মেলনের অনুষ্ঠানে অংশ নেয়।a—যোহন ১৬:৩৩; তুলনা করুন ১ করিন্থীয় ৪:৯.

৮. কিভাবে শয়তান “সম্প্রদায় বিলোপসাধন” এর সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করেছে?

৮ সরাসরি আক্রমণের দ্বারা শয়তান বিশ্বস্ত ভাই ও বোনেদের বিশ্বস্ততা ভাঙ্গতে ব্যর্থ হয়েছে। তাহলে, সে আরও কী ছলনার উপায়গুলি ব্যবহার করে? প্রকাশিত বাক্য ১২:১২ পদ এই শেষ কালের বিষয়ে বলে: “পৃথিবী ও সমুদ্রের সন্তাপ হইবে; কেননা দিয়াবল তোমাদের নিকটে নামিয়া গিয়াছে; সে অতিশয় রাগাপন্ন, সে জানে, তাহার কাল সংক্ষিপ্ত।” ঈশ্বরের বিশ্বস্ত লোকেদের নির্যাতনের দ্বারা ধ্বংস করতে অসমর্থ হওয়াতে রাগবশত সে সম্পূর্ণ জনসংখ্যাকে শেষ করে দিতে চায়, এর উদ্দেশ্য অন্যদের সাথে যিহোবার সাক্ষীদেরও শেষ করে দেওয়া। ফলত তথা-কথিত জাতি হত্যা প্রাক্তন যুগোস্লাভিয়াতে করা হয় এবং লাইবেরিয়া, বুরুন্ডি ও রুয়ান্ডাতে সম্প্রদায়িক বিলোপসাধনের চেষ্টা করা হয়।

৯. কেন বেশির ভাগ সময়ে শয়তানের চাতুরীগুলি কাজ করে না? উদাহরণ দিন।

৯ কিন্তু, বেশির ভাগ শয়তানের কৌশল তার উপরই ফিরে আসে, কারণ শয়তানের কাজ সহৃদয় ব্যক্তিদের জাগিয়ে তোলে এই বুঝতে যে উদ্যোগের সাথে যিহোবার সাক্ষীদের দ্বারা ঘোষিত ঈশ্বরের রাজ্য হল একমাত্র আশা। (মথি ১২:২১) অবশ্যই, আগ্রহান্বিত ব্যক্তিরা ঈশ্বরের রাজ্যের প্রতি আকৃষ্ট হয়! উদাহরণস্বরূপ, বিবাদগ্রস্ত বসনিয়া এবং হেরজেগোবিনাতে মার্চ ২৬, ১৯৯৪ সালে যীশুর মৃত্যুর স্মরণার্থক উদ্‌যাপনের সভায় ১,৩০৭ জন উপস্থিত ছিল যা আগের বছর থেকে ২৯১ জন বেশি। সারাজেভো (৪১৪), জেনিটসা (২২৩), টুজলা (৩৩৯), বানজা লুকা (২৫৫) এবং অন্যান্য শহরগুলিতে শিখর উপস্থিতি রেকর্ড করা হয়। পার্শ্ববর্তী ক্রোয়েশিয়াতে ৮,৩২৬ জনের নতুন শিখর উপস্থিতি দেখা যায়। এই সব দেশে তাদের চারিপাশে এত দৌরাত্ম্য থাকা সত্ত্বেও “প্রভুর মৃত্যু প্রচার করিয়া থাক, যে পর্য্যন্ত তিনি না আইসেন” এই আজ্ঞা পালন করতে যিহোবা সাক্ষীদের ব্যাহত করেনি।—১ করিন্থীয় ১১:২৬.

বিবাদগ্রস্ত রুয়ান্ডাতে

১০, ১১. (ক) নামধারী খ্রীষ্টীয় রুয়ান্ডাতে কী ঘটেছে? (খ) বিশ্বস্ত মিশনারিরা কী রকম অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছে?

১০ ১৯৯৩ সালের “ঐশিক শিক্ষা” জেলা সম্মেলনে রুয়ান্ডার ২,০৮০ জন প্রকাশকসহ ৪,০৭৫ জন উপস্থিত থাকে এবং ২৩০ জন বাপ্তাইজিত হয়। এদের মধ্যে ১৪২ জন তৎক্ষণাৎ সাময়িক অগ্রগামীর জন্য আবেদন করে। ১৯৯৪ সালে গৃহ বাইবেল অধ্যয়ন পরিচালনা করা হচ্ছিল ৭,৬৫৫—স্পষ্টত শয়তান এটি পছন্দ করেনি! যদিও বেশির ভাগ জনসাধারণ বলে যে তারা খ্রীষ্টান, তবুও জাতিগত হত্যা শুরু হয়। ভাটিকানের লাওসেরভেটর রোমানো স্বীকার করে: “এটি সরাসরি সম্প্রদায় বিলোপসাধন, দুর্ভাগ্যবশত এর জন্য এমনকি ক্যাথলিকরা দায়ী।” অনুমান করা হয় পাঁচ লক্ষ পুরুষ, স্ত্রী ও বাচ্চা মারা যায় এবং প্রায় ২০ লক্ষ লোক বাস্তুহারা হয় বা তাদের পালাতে বাধ্য করা হয়। তাদের অহিংসা খ্রীষ্টীয় নিরপেক্ষতা বজায় রেখে যিহোবার সাক্ষীরা এক সঙ্গে থাকতে চেষ্টা করে। শত শত ভাই ও বোনেরা মারা যায়। কিন্তু, একটি মণ্ডলীতে ৬৫ জন প্রকাশকের মধ্যে ১৩ জন মারা যায় ও ১৯৯৩ সালের আগস্ট মাসের মধ্যে মণ্ডলীতে উপস্থিতি বৃদ্ধি পেয়ে ১৭০ জন দাঁড়ায়। অন্য দেশের ভাইদের কাছ থেকে প্রথমে ত্রাণ সাহায্য আসে। রক্ষাপ্রাপ্তদের জন্য আমরা প্রার্থনা করছি।—রোমীয় ১২:১২; ২ থিষলনীকীয় ৩:১, ২, ইব্রীয় ১০:২৩-২৫.

১১ ঐ দুর্দশার মধ্যে থেকেও তিনজন মিশনারি পালিয়ে যায়। তারা লেখে: “আমরা বুঝতে পারছি যে জগদ্ব্যাপী আমাদের ভাইদের এই একইরকম পরিস্থিতি অথবা এর থেকেও খারাপ পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয় এবং আমরা জানি যে এটি শেষকালের এই দুষ্ট পরিস্থিতির চিহ্নের অংশ। তবুও, যখন একজন ব্যক্তিগতভাবে জড়িত হয়, তখন জীবনের বাস্তবতা সম্বন্ধে সে সচেতন হয় এবং জীবন যে কত মূল্যবান তা উপলব্ধি করতে তা সাহায্য করে। বিশেষ কয়েকটি শাস্ত্র আমাদের জন্য নতুন অর্থ দান করেছে এবং আমরা অত্যন্ত আগ্রহের সাথে আশা করছি সেই সময়ের যখন পূর্বের বিষয়গুলি আর স্মরণে আসবে না। ততক্ষণ আমরা যিহোবার পরিচর্যায় ব্যস্ত থাকতে চাই।”

অল্পবয়স্ক বিশ্বস্ততা রক্ষাকারীরা

১২, ১৩. (ক) এক কিশোরী বিশ্বস্ত রক্ষাকারী কোন্‌ পথ ধারণ করে? (খ) বর্তমানে যুবক-যুবতীরা হয়ত কোথা থেকে উৎসাহ পেতে পারে?

১২ যীশু ইঙ্গিত করেছিলেন যে সত্যের জন্য যারা পরিবারের সদস্যদের দ্বারা পরিত্যক্ত তাদের “শতগুণ” পুরস্কৃত করা হবে। (মার্ক ১০:২৯, ৩০) উত্তর আফ্রিকা থেকে এনটেলইয়া নামক ১০ বছর বয়সের একটি মেয়ের ক্ষেত্রে এটি সত্য প্রমাণিত হয়, যে ঈশ্বরের নাম—যিহোবা—শুনবার সঙ্গে সঙ্গে ভালবেসে ফেলে। সে যিহোবার সাক্ষীদের সঙ্গে অধ্যয়ন করে এবং সভায় যোগদান করার জন্য তাকে ৯০ মিনিট হাটা পথে যাওয়া আসা করতে হত যদিও প্রায়ই তার বিরোধী পরিবার তাকে বাড়িতে ঢুকতে দিত না। ১৩ বছর বয়সে সে ঘরে ঘরে প্রচার কাজ করতে শুরু করে এবং তার পরিবারের বিরোধিতা আরও বেড়ে যায়। একদিন তার পরিজনেরা তার হাত পা বেঁধে সাত ঘন্টা গরম রোদে রেখে দেয়, আর এক একসময় তার গায়ে নোংরা জল ঢেলে। তাকে প্রচণ্ড মারে, একটি চোখ নষ্ট করে দেয় এবং অবশেষে তাকে ঘর থেকে বার করে দেয়। কিন্তু, সে হাসপাতালে কাজ পায় এবং অবশেষে নার্স হবার যোগ্যতা অর্জন করে। ২০ বছর বয়সে সে বাপ্তিস্মিত হয় এবং তৎক্ষণাৎ সাময়িক অগ্রগামীর কাজ শুরু করে। তার বিশ্বস্ততা দেখে অভিভূত হয়ে তার পরিবার তাকে আবার ঘরেতের স্বাগত জানায় এবং নয় জন গৃহ বাইবেল অধ্যয়ন করতে শুরু করে।

১৩ এনটেলইয়া গীতসংহিতা ১১৬ অধ্যায় থেকে অনেক উৎসাহ লাভ করে, বিশেষ করে ১-৪ পদ, যা সে বার বার করে পড়েছে: “আমি সদাপ্রভুকে প্রেম করি, কারণ তিনি শুনেন আমার রব ও আমার বিনতি। তিনি আমার প্রতি কর্ণপাত করিয়াছেন, তজ্জন্য আমি যাবজ্জীবন তাঁহাকে ডাকিব। মৃত্যুর রজ্জু আমাকে বেষ্টন করিল, পাতালের কষ্ট আমাকে পাইয়া বসিল, আমি সঙ্কটে ও দুঃখে পড়িলাম। তখন আমি সদাপ্রভুর নামে ডাকিলাম, বিনয় করি সদাপ্রভু, আমার প্রাণ রক্ষা কর।” যিহোবা এইধরনের প্রার্থনার উত্তর দেন!

১৪. পোলান্ডের সাক্ষীরা কিভাবে উল্লেখযোগ্যরূপে বিশ্বস্ততা দেখিয়েছে?

১৪ যীশুর দিনের মত আজকেও নির্যাতন বাড়ানোর জন্য শয়তান বেশির ভাগ ধর্মীয় গোঁড়ামী ব্যবহার করেছে—কিন্তু সে সফলতা লাভ করেনি। ১৯৯৪ সালের যিহোবার সাক্ষীবৃন্দের বর্ষ পুস্তক-এ আমাদের পোলান্ডের ভাইদের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ যেমন বর্ণনা করা রয়েছে। এমনকি অল্পবয়স্করা যে বিশ্বস্ত রক্ষাকারী তা প্রমাণ করতে ডাকা হয়। ১৯৪৬ সালে এইধরনের একটি ১৫ বছরের কিশোরী মেয়েকে বলা হয়: “শুধু ক্যাথলিক সঙ্কেত ক্রশ চিহ্ন করতে হবে। নতুবা তোমাকে গুলি করা হবে!” বিশ্বস্ততা রক্ষা করার জন্য, তাকে জঙ্গলে নিয়ে যাওয়া হয়, নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতন ও গুলি করা হয়।—তুলনা করুন মথি ৪:৯, ১০.

শয়তানের অন্যান্য কৌশলী চাতুরীগুলি

১৫, ১৬. (ক) শয়তানের মন্দ দূত সম্পর্কীয় প্রণালী কী ও কিভাবে আমরা তাকে প্রতিরোধ করতে পারি? (খ) অল্পবয়স্কদের উচোট খাওয়ার কেন প্রয়োজন নেই?

১৫ শয়তানের পৈশাচিক কর্মপন্থা হল অবশ্যই “শাসন বা ধ্বংস করা” তার কাছে অনেক নিষ্ঠুর অস্ত্রাদি আছে। তাই প্রেরিত পৌল যা সাবধানবাণী দেন তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই: “রক্তমাংসের সহিত নয়, কিন্তু আধিপত্য সকলের সহিত, কর্ত্তৃত্ব সকলের সহিত, এই অন্ধকারের জগৎপতিদের সহিত, স্বর্গীয় স্থানে দুষ্টতার আত্মাগণের সহিত আমাদের মল্লযুদ্ধ হইতেছে।” (ইফিষীয় ৬:১২, ১৩) বস্তুগত ইচ্ছা, নিম্ন মানের আমোদপ্রমোদ ও প্রচার, শয়তান সংক্রান্ত সঙ্গীত, স্কুলের সঙ্গীদের চাপ, নেষাকর ওষুধের অপব্যবহার এবং মদ্যপায়ীতা—এর যে কোনর মধ্যে একটি আমাদের জীবন নষ্ট করে দিতে পারে। তাই, প্রেরিত আমাদের আরও উপদেশ দেন: “এই সকল ছাড়া বিশ্বাসের ঢালও গ্রহণ কর, যাহার দ্বারা তোমরা সেই পাপাত্মার সমস্ত অগ্ণিবাণ নির্ব্বাণ করিতে পারিবে।”—ইফিষীয় ৬:১৬.

১৬ আজকে এটি বিশেষ করে প্রয়োজন কারণ উদ্ভট সঙ্গীতের দ্বারা শয়তান জগৎকে পরিপূর্ণ করছে। কয়েকটি ক্ষেত্রে এটি সরাসরি শয়তানবাদের সঙ্গে সংযোগ রয়েছে। সান ডিয়েগো কাউনটি (যুক্তরাষ্ট্র) শেরিফ কার্যালয় থেকে একটি রিপোর্ট বলে: “এখানে একটি কনসার্টে যেখানে একটি ব্যান্ড ১৫,০০০ বাচ্চাদের গাইতে ‘নেটাস’ প্ররোচিত করে—অর্থাৎ সেটান-এর উল্টো উচ্চারণ।” শয়তানবাদ বর্ণনা করা হয়েছে একটি গর্ত হিসাবে যাতে ছেলেমেয়েরা উচোট খায় “কারণ তারা হতাশাগ্রস্ত, ক্রুদ্ধ এবং একাকিভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে।” খ্রীষ্টীয় মণ্ডলীতে যারা কিশোর-কিশোরী আছো তোমাদের উচোট খাওয়ার প্রয়োজন নেই! যিহোবা তোমাদের জন্য আধ্যাত্মিক বর্ম প্রস্তুত করেছেন যা শয়তানের ক্ষেপনাস্ত্র কখনও ভেদ করতে পারবে না।—গীতসংহিতা ১৬:৮, ৯.

১৭. মানসিক বিষণ্ণতা কিভাবে অতিক্রম করা যেতে পারে?

১৭ শয়তানের জ্বলন্ত ক্ষেপনাস্ত্র এমনভাবে তৈরি যা অনুভূতিকে প্রণোদিত করে। জীবনের চাপগুলির মধ্যে দিয়ে, যেমন শারীরিক অসুস্থতা কিংবা গভীর বিষণ্ণতার পরিস্থিতি আমাদের শত্রু কয়েকজনকে হয়ত অব্যবহার্য অনুভব করাতে পারে। এক ব্যক্তি হয়ত ঈশ্বরের সেবায় অনেক ঘন্টা ব্যয় করতে পারছে না বলে কিংবা মণ্ডলীর কয়েকটি সভায় যোগদান করতে পারছে না বলে নিরুৎসাহী হয়ে যেতে পারে। প্রাচীনদের এবং অন্যান্য সদাশয় ভাই ও বোনেদের প্রেমময় যত্ন এই কঠিন আঘাতগুলি অতিক্রম করতে হয়ত সাহায্য করতে পারে। সবসময় মনে রাখবেন যে যিহোবা তাঁর বিশ্বস্ত সেবকদের ভালোবাসেন। (১ যোহন ৪:১৬, ১৯) গীতসংহিতা ৫৫:২২ বলে: “তুমি সদাপ্রভুতে আপনার ভার অর্পণ কর; তিনিই তোমাকে ধরিয়া রাখিবেন, কখনও ধার্ম্মিককে বিচলিত হইতে দিবেন না।”

১৮. কয়েকজনকে শয়তানের কোন্‌ চাতুরীর সঙ্গে লড়াই করতে হয়?

১৮ শয়তানের কৌশলী “চাতুরীর” আরও অন্যভাবে সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। কিছু দেশে অনেক প্রাপ্তবয়স্কেরা আক্রমণকর চিন্তাধারা অনুভব করে থাকে, যা এই অদম্য প্রভাব জ্ঞাপন করে যে বাচ্চা হিসাবে তারা শয়তানবাদি বিশ্বাসীদের দ্বারা ধর্ষকামের দ্বারা অপব্যবহৃত হয়েছে। এই ধরনের ধারণা কোথা থেকে আসে? অনেক অনুসন্ধান করা সত্ত্বেও জাগতিক বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মত পার্থক্য আছে। কয়েকজন মনে করে থাকে তা হল সত্য ঘটনা, অন্যেরা তা কাল্পনিক বলে মনে করে—হয়ত সন্দেহজনক চিকিৎসা দ্বারা প্ররোচিত—এবং আবার অন্যেরা শিশু অবস্থায় কোন আঘাতগুলির জন্য ভ্রম বলে মনে করে।

১৯. (ক) ইয়োবকে কোন্‌ চিন্তাধারার সঙ্গে লড়তে হয়েছিল? (খ) প্রাচীনেরা কিভাবে ইলীহূর উদাহরণ অনুসরণ করতে পারে?

১৯ এটি আগ্রহের বিষয় যে ঈশ্বরের সেবক ইয়োবকে ‘চিন্তার’ সঙ্গে লড়াই করতে হয়েছিল যা শয়তান ইলীফস্‌ আর সোফারের মাধ্যমে জ্ঞাপন করে। (ইয়োব ৪:১৩-১৮; ২০:২, ৩) তাই ইয়োব “মনস্তাপ” ভোগ করেন যার ফলে তিনি ‘অসংলগ্ন বাক্য’ বলেন তার মনের “ত্রাসদল” সম্বন্ধে। (ইয়োব ৬:২-৪; ৩০:১৫, ১৬) ইলীহূ শান্তভাবে ইয়োবের কথাগুলি শোনেন এবং বিষয়টিকে যিহোবার সর্ব-জ্ঞানী দৃষ্টিভঙ্গি আন্তরিকভাবে দেখতে তাকে সাহায্য করেন। ঠিক তেমনি আজকে, সমঝদার প্রাচীনরা পীড়িতদের উপর আরও “চাপ” না দিয়ে দেখান যে তারা যত্ন করেন। বরং, ইলীহূর মতো তারা ধৈর্য সহকারে তাদের কথা শোনে এবং ঈশ্বরের বাক্যের প্রশান্ত তৈল প্রয়োগ করে। (ইয়োব ৩৩:১-৩, ৭; যাকোব ৫:১৩-১৫) ফলত যে কেউ যাদের আবেগ আঘাত দ্বারা বিঘ্নিত তা বাস্তব বা ভ্রম, কিংবা ইয়োবের মত ‘নানা স্বপ্ন ও দর্শন উদ্বিগ্ন’ হোক না কেন, মণ্ডলীর মধ্যে হয়ত প্রশান্ত শাস্ত্রীয় সান্ত্বনা তারা পেতে পারে।—ইয়োব ৭:১৪; যাকোব ৪:৭.

২০. দুর্দশাগ্রস্ত খ্রীষ্টানদের আধ্যাত্মিক সমতা বজায় রাখতে কিভাবে সাহায্য করা যেতে পারে?

২০ এখন এক খ্রীষ্টীয় ব্যক্তি নিশ্চিৎ হতে পারে যে কোন না কোনভাবে শয়তান এই জঘন্য চিন্তার পিছনে রয়েছে। যদি মণ্ডলীর কোন একজন এইরকমভাবে পীড়িত হয়, তারা বিজ্ঞের সাথে বুঝতে পারে যে এই ভয়াবহ মানসিক অনুভূতিগুলি হল শয়তানের সরাসরি চেষ্টা আমাদের আধ্যাত্মিক ভারসাম্য টলিয়ে দেওয়ার জন্য। তাদের ধৈর্য ও বিবেচনামূলক শাস্ত্রীয় সমর্থনের প্রয়োজন। যিহোবার কাছে প্রার্থনাপূর্বক আবেদন জানিয়ে এবং আধ্যাত্মিক পালকের কাছ থেকে উপকার লাভ করে, যারা এই দুর্দশা ভোগ করছে তারা পরাক্রমের উৎকর্ষ শক্তির সাহায্য পেতে পারে। (যিশাইয় ৩২:২; ২ করিন্থীয় ৪:৭, ৮) এইভাবে, তারা বিশ্বস্ত সহকারে সহ্য করতে এবং মণ্ডলীর শান্তি বিঘ্নকারী মন্দ অবাঞ্ছিত চিন্তাগুলিকে প্রত্যাখ্যান করতে সমর্থ হবে। (যাকোব ৩:১৭, ১৮) হ্যাঁ, তারা দিয়াবলের বিরোধিতা করবে, সেই একই আত্মা দেখাবে যা যীশু দেখিয়েছিলেন ও বলেছিলেন: “দূর হও, শয়তান।”—মথি ৪:১০; যাকোব ৪:৭.

২১. শাস্ত্র কিভাবে শয়তানের দুষ্ট কাজের বিষয়ে আমাদের সাবধানবাণী দেয়?

২১ আমরা জানি যে শয়তানের লক্ষ্য হল আমাদের মনকে কলুষিত করা, যেমন প্রেরিত পৌল সাবধানবাণী দেন ২ করিন্থীয় ১১:৩ পদে: “আশঙ্কা হইতেছে, পাছে সর্প যেমন আপন ধূর্ত্ততায় হবাকে প্রতারণা করিয়াছিল, তেমনি তোমাদের মন খ্রীষ্টের প্রতি সরলতা ও শুদ্ধতা হইতে ভ্রষ্ট হয়।” আজকের দিনের সমগ্র মানবজাতি অথবা মানব সমাজ যারা ঈশ্বরের বিরোধী তাদের নাশন দেখলে আমাদের নোহের দিনের কলুষিত এবং দৌরাত্ম্যপূর্ণ বর্ণসঙ্কর “দৈত্য” যারা ক্ষতি সাধন করেছিল তাদের কথা মনে করিয়ে দেয়। (আদিপুস্তক ৬:৪, ১২, ১৩ পাদটীকা, NW; লূক ১৭:২৬) এটি অবাক হওয়ার বিষয় নয়, যে শয়তান কৌশলী এবং চতুর কাজের দ্বারা ক্রোধ নির্গত করে বিশেষ করে ঈশ্বরের লোকেদের উপর।—১ পিতর ৫:৮; প্রকাশিত বাক্য ১২:১৭.

২২. শয়তান না থাকার ফলে কোন্‌ আশীর্বাদগুলি আশা করা যেতে পারে?

২২ ইয়োবের পুস্তকে শেষ অধ্যায়গুলিতে শয়তানের বিষয় এমনকি উল্লেখ পর্যন্ত করা হয়নি। ইয়োবের বিশ্বস্ততার দ্বারা শয়তানের দুষ্ট চ্যালেঞ্জ যে মানব ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বস্ত থাকতে পারে না তা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। ঠিক তেমনি, নিকট ভবিষ্যতে যখন বিশ্বস্ত রক্ষাকারী “বিস্তর লোক,” “সেই মহাক্লেশের মধ্য হইতে আসিয়াছে” তখন শয়তানকে অগাধলোকে বদ্ধ করা হবে। বিশ্বস্ত পুরুষ ও স্ত্রীরা যার অন্তর্ভুক্ত বিশ্বস্ত ইয়োব, পরমদেশে আশীর্বাদ উপভোগ করতে “বিস্তর লোক” এর সঙ্গে যোগ দেবে, ইয়োবকে যে আশীর্বাদগুলির দ্বারা পুরস্কৃত করা হয়েছিল তা তার থেকেও উত্তম!—প্রকাশিত বাক্য ৭:৯-১৭; ২০:১-৩, ১১-১৩; ইয়োব ১৪:১৩.

[পাদটীকাগুলো]

a যিহোবার সাক্ষীদের ১৯৯২ সালের বর্ষ পুস্তক, পৃষ্ঠা ১৭৭ দেখুন।

পুনরালোচনার জন্য প্রশ্নগুলি

◻ ইয়োব, যীশু এবং পৌল বিশ্বস্ততার ক্ষেত্রে কোন্‌ উল্লেখযোগ্য উদাহরণ রাখেন?

◻ বিশ্বস্ত রক্ষাকারীরা কিভাবে শয়তানের মোকাবিলা করেছেন?

◻ যুবক-যুবতীরা কিভাবে শয়তানের কৌশলের চাতুরীগুলি প্রতিরোধ করতে পারে?

◻ শয়তানের মন্দ দূত সম্পর্কীয় কার্যগুলির সঙ্গে কিভাবে মোকাবিলা করা যেতে পারে?

[৭ পৃষ্ঠার চিত্র]

ইথিওপিয়াতে, তাদের পিতার উদাহরণ অনুসরণ করে যাকে হত্যা করা হয় মেসয়াট ও ইয়োলান পূর্ণ-সময় এখন যিহোবাকে সেবা করে

[৭ পৃষ্ঠার চিত্র]

এনটেলইয়া, উত্তর আফ্রিকার এক অল্পবয়স্ক বিশ্বস্ত রক্ষাকারী

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার