“সমস্ত উত্তম উপহার”-দাতা
“একবার রিফর্মড্ গির্জার একজন পাদ্রি আমার সাথে দেখা করতে এসেছিলেন। তিনি জানতে চেয়েছিলেন আমি কিভাবে আমার গির্জা পরিচালনা করি। আমি তাকে বলেছিলাম: . . . ‘আমরা কোন বেতন দিই না; বিবাদ সৃষ্টি করার মত কিছুই রাখি না। আমরা কখনও চাঁদা সংগ্রহ করি না।’ ‘তাহলে টাকা কোথা থেকে আসে?’ তিনি জিজ্ঞাসা করেছিলেন। আমি উত্তর দিয়েছিলাম, ‘দেখুন ডা.——, সাধারণ সত্যটি যদি আমি বলি, তাহলে আপনার পক্ষে তা বিশ্বাস করা কঠিন হবে। লোকে যখন এইভাবে আগ্রহী হয়, তখন তাদের সামনে চাঁদার বাক্স নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না। কিন্তু তারা বুঝতে পারে যে খরচপত্র আছে। তারা নিজেদের বলে, “এই হলটির জন্য নিশ্চয় কিছু ব্যয় হয়েছে . . . সেই ব্যয়ের প্রতি আমি কিভাবে কিছু দান করতে পারি?”’ তিনি আমার দিকে তাকিয়েছিলেন, যেন মনে মনে চিন্তা করছেন, ‘আপনি আমাকে কি ভেবেছেন—নবজাত শিশু?’ আমি বললাম, ‘ডা.——, আমি আপনাকে সত্য কথাই বলেছি। . . . কেউ যখন আশীর্বাদ পায় আর তার আর্থিক সঙ্গতি থাকে, তখন সে প্রভুর কাজে তা ব্যয় করতে চায়। তার যদি ক্ষমতা না থাকে, তাহলে আমরা কেন তাকে জোর করতে যাব?’” —চালর্স টি. রাসেল, ওয়াচ টাওয়ার সোসাইটির প্রথম প্রেসিডেন্ট, “প্রহরীদুর্গ,” জুলাই ১৫, ১৯১৫.
আমরা দান করি কারণ যিহোবা প্রথমে দান করেছিলেন। তাঁর দান শুরু হয়েছিল অগণিত অজুত অজুত বছর আগে তাঁর সৃষ্টির মাধ্যমে—তাঁর সর্বপ্রথম সৃষ্টি, তাঁর “একজাত পুত্র।” (যোহন ৩:১৬) প্রেমবশত, তিনি অন্যদের জীবন উপহার দিয়েছিলেন।
আমাদের প্রতি যিহোবার সবচেয়ে মহান উপহার হল ঈশ্বরের পুত্র, যীশু খ্রীষ্ট। কিন্তু ঈশ্বরের পুত্রই ঈশ্বরের দানের শেষ নয়। যিহোবার “বর্ণনাতীত দান”কে প্রেরিত পৌল “ঈশ্বরের অতি মহৎ অনুগ্রহ” বলেছেন। (২ করিন্থীয় ৯:১৪, ১৫) এই দানের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত যীশু খ্রীষ্টের মাধ্যমে ঈশ্বর তাঁর লোকেদের যে সব ভাল বিষয় দিয়েছেন এবং প্রেমময় করুণা দেখিয়েছেন তার সমস্ত কিছু। এই অযাচিত করুণা এতই অপূর্ব যে তা বর্ণনা অথবা ব্যক্ত করার ক্ষমতা মানুষের নেই। কিন্তু ঈশ্বরের দানের মধ্যে আরও কিছু আছে।
বহু দিন আগে, একজন রাজা বিজ্ঞতার সাথে নম্রভাবে স্বীকার করেছিলেন যে তিনি যা কিছু ভাল জিনিস উপহার দিতেন, আসলে সমস্তই যিহোবার সম্পত্তি। তিনি বলেছিলেন: “স্বর্গে ও পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে, সকলই তোমার; হে সদাপ্রভু, রাজ্য তোমারই, এবং তুমি সকলের মস্তকরূপে উন্নত। . . . কিন্তু আমি কে, আমার প্রজারাই বা কে যে, আমরা এই প্রকারে ইচ্ছাপূর্ব্বক দান করিতে সমর্থ হই? সমস্তই ত তোমা হইতে আইসে, এবং তোমার হস্ত হইতে যাহা পাইয়াছি, তাহাই তোমাকে দিলাম।”—১ বংশাবলি ২৯:১১-১৪.
ঈশ্বরের উদাহরণ
যীশু খ্রীষ্টের একজন শিষ্য যাকোব জানতেন যে সর্ববিষয়ে সমস্ত ভাল জিনিসের উৎস হলেন যিহোবা ঈশ্বর। একমাত্র সিদ্ধ উপহারই তাঁর কাছ থেকে আসে। যাকোব লিখেছিলেন: “সমস্ত উত্তম দান এবং সমস্ত সিদ্ধ বর উপর হইতে আইসে, জ্যোতির্গণের সেই পিতা হইতে নামিয়া আইসে, যাঁহাতে অবস্থান্তর কিম্বা পরিবর্ত্তনজনিত ছায়া হইতে পারে না।”—যাকোব ১:১৭.
উপহার দেওয়ার বিষয়েও, যাকোব লক্ষ্য করেছিলেন যে মানুষের তুলনায় ঈশ্বর কত পৃথক। মানুষে ভাল উপহার দিতে পারে, কিন্তু সবসময়ে তা দেয় না। এই উপহার স্বার্থপর উদ্দেশ্যে অথবা খারাপ কিছু করতে প্রলোভন দেখানোর জন্য দেওয়া হতে পারে। যিহোবার ক্ষেত্রে কোন তারতম্য দেখা যায় না; তাঁর পরিবর্তন হয় না। সুতরাং, তাঁর উপহারের ধরনেরও কোন পরিবর্তন হয় না। সেগুলি সবসময়ে সিদ্ধ থাকে। সেগুলি সবসময়ে মানুষের মঙ্গল এবং তাদের জন্য আনন্দ নিয়ে আসে। সেগুলি সবসময়ে করুণাময় এবং সাহায্যকারী, কখনও ধ্বংসাত্বক নয়।
উপহার দেওয়ার উদ্দেশ্য
যাকোবের দিনে, জনপ্রিয় ধর্মীয় নেতারা উপহার দিতেন একমাত্র যাতে লোকেরা তা লক্ষ করে। তারা অসৎ উদ্দেশ্যে উপহার দিতেন। লোকেদের প্রশংসা পাওয়ার জন্য, নিজেদের ধার্মিক মানের সঙ্গে তারা আপোষ করেছিলেন। কিন্তু, খ্রীষ্টানদের অন্য ধরনের হওয়া উচিত ছিল। যীশু তাদের উপদেশ দিয়েছিলেন: “তুমি যখন দান কর, তখন তোমার সম্মুখে তূরী বাজাইও না, যেমন কপটীরা লোকের কাছে গৌরব পাইবার জন্য সমাজ-গৃহে ও পথে করিয়া থাকে; আমি তোমাদিগকে সত্য বলিতেছি, তাহারা আপনাদের পুরস্কার পাইয়াছে কিন্তু তুমি যখন দান কর, তখন তোমার দক্ষিণ হস্ত কি করিতেছে, তাহা তোমার বাম হস্তকে জানিতে দিও না। এইরূপে তোমার দান যেন গোপনে হয়; তাহাতে তোমার পিতা, যিনি গোপনে দেখেন, তিনি তোমাকে ফল দিবেন।”—মথি ৬:২-৪.
উপহার দেওয়ার পিছনে খ্রীষ্টানদের উদ্দেশ্য হল অন্যদের প্রয়োজন মিটানো বা তাদের আনন্দ দেওয়া অথবা সত্য উপাসনার প্রসার ঘটানো। আত্ম-গৌরব পাওয়ার জন্য নয়। অন্তত যিহোবার দৃষ্টি আমাদের হৃদয়ের গভীরতম কোন্ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। আমাদের করুণাময় উপহারের পিছনে গোপন অভিসন্ধি তিনি বুঝতে পারেন।
উপহার দেওয়া সম্বন্ধে যিহোবার সাক্ষীরা যিহোবা এবং তাঁর পুত্রের উদাহরণ অনুকরণ করতে চেষ্টা করে। তাদের যা আছে তা থেকেই তারা উপহার দেয়। তাদের কাছে রাজ্যের সুসমাচার আছে, আর তারা অন্যদের প্রতি আশীর্বাদস্বরূপ তা উপহার দেয়। তারা জানে যে হিতোপদেশ ৩:৯ পদে বলা হয়েছে: “তুমি সদাপ্রভুর সম্মান কর আপনার ধনে, আর তোমার সমস্ত দ্রব্যের অগ্রিমাংশে।” যেহেতু প্রত্যেকটি শাখা, মণ্ডলী এবং ব্যক্তি সকলের মঙ্গলার্থে দান করার আন্তরিক চেষ্টা করে, সেইজন্য সমস্ত ভ্রাতৃত্ব আধ্যাত্মিকভাবে দৃঢ় এবং সমৃদ্ধশালী হয়ে ওঠে। আর্থিক সমৃদ্ধি আধ্যাত্মিক সমৃদ্ধি নিয়ে আসে না, কিন্তু আধ্যাত্মিক সমৃদ্ধি যিহোবার কাজের জন্য প্রয়োজনীয় যথেষ্ট আর্থিক সমৃদ্ধি নিয়ে আসে।
ভাগ করে নেওয়ার উপায়গুলি
সুসমাচারের সমর্থন করতে দান করার অনেক উপায় আছে। একটি উপায় কিংডম হলগুলির সঙ্গে জড়িত। মণ্ডলীর সকল সদস্যেরা কিংডম হল ব্যবহার করে। হলটি তৈরি অথবা ভাড়া করার জন্য, আলো এবং তাপনিয়ন্ত্রণের জন্য, দেখাশোনা করার জন্য কেউ অর্থ-সাহায্য করেছে। যেহেতু মণ্ডলীর সকলের সাহায্যের প্রয়োজন, সেইজন্য কিংডম হলে দানের বাক্স রাখা হয় আর স্বেচ্ছায় যে দান পাওয়া যায় তা মণ্ডলীর ব্যয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। অতিরিক্ত পরিমাণ থেকে, মণ্ডলীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্থানীয় ওয়াচ টাওয়ার শাখার প্রতি দান দেওয়া যেতে পারে।
পৃথিবীর যে সব জায়গাতে সাধারণ লোকের কাছে এখনও সুসমাচার পৌঁছায়নি, সেখানে পাঠাবার জন্য মিশনারী এবং বিশেষ অগ্রগামীদের প্রশিক্ষণ ও দেখাশোনা করার জন্য দান সমিতির শাখাতেই জমা দেওয়া যেতে পারে। সুসমাচার প্রচারের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যয় হল ভ্রমণকারী অধ্যক্ষদের সম্বন্ধে। প্রেরিত পৌল, যিনি প্রথম শতাব্দীতে ভ্রমণকারী অধ্যক্ষের কাজের উদাহরণ স্থাপন করেছিলেন, তিনি ফিলিপীর মণ্ডলীকে প্রশংসা করেছিলেন: “তোমরা এক বার, বরং দুই বার আমার প্রয়োজনীয় উপকার পাঠাইয়াছিলে।” (ফিলিপীয় ৪:১৪-১৬) পূর্ণ-সময় পরিচর্যার এই দিকগুলির জন্য ব্যয় ছাড়া, যা সবকটি শাখারই আছে, প্রত্যেকটি বেথেল গৃহ এবং সেখানকার কর্মীদের দেখাশোনার খরচ আছে। সুসমাচারের অপূর্ব বার্তাসমেত বইপত্র লেখা এবং ছাপানো বাস্তবিকই ঈশ্বরদত্ত সুযোগ কিন্তু সেইগুলি বিতরণ করারও প্রয়োজন আছে এবং সেইজন্য অর্থের প্রয়োজন হয়। আরও, অধিবেশন ও সম্মেলনগুলির জন্য এবং তাছাড়া, ‘সুসমাচারের পক্ষসমর্থন ও আইনত প্রতিপাদন’ করার জন্য আদালতে যে মামলাগুলি লড়তে হয়, সেগুলির খরচও রয়েছে।—ফিলিপীয় ১:৭.
সুসমাচার প্রচার করতে, যিহোবার প্রত্যেকজন সেবক তাদের ইচ্ছানুযায়ী সময় ব্যয় করে এবং আর্থিক সাহায্য করার সময়েও তাই। প্রেরিত পৌল উপদেশ দিয়েছিলেন যে সত্য উপাসনার বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত কিছু টাকা আলাদা করে রাখা উচিত: “পবিত্রগণের নিমিত্ত চাঁদার সম্বন্ধে, . . . সপ্তাহের প্রথম দিনে তোমরা প্রত্যেকে আপনাদের নিকটে কিছু কিছু রাখিয়া আপন আপন সঙ্গতি অনুসারে অর্থ সঞ্চয় কর।”—১ করিন্থীয় ১৬:১, ২.
যখন কোন ব্যক্তি দান করেন, তখন তিনি জানেন না ঠিক কিভাবে তা ব্যবহার করা হবে কিন্তু তার ফল তিনি রাজ্যের প্রচার কাজের বৃদ্ধির মাধ্যমে দেখতে পান। যিহোবার সাক্ষীদের ১৯৯৩ সালের বার্ষিক পুস্তকের রিপোর্ট দেখায় যে ৪৫,০০,০০০ জনেরও বেশি খ্রীষ্টীয় পরিচারক ২০০টিরও বেশি দেশে এবং দ্বীপে এখন রাজ্যের সুসমাচার প্রচার করছে। এই রিপোর্ট খুবই উৎসাহজনক। সুতরাং, যে কোন দান, তার পরিমান যাই হোক না কেন, বিশ্বব্যাপী সুসমাচার প্রচার করতে সাহায্য করে।
এই কাজ সকলের সম্মিলিত দানের সাহায্যে করা হয়। কেউ কেউ বেশি দিতে সক্ষম হয়, যার জন্য প্রচার কাজে একটু বেশি সাহায্য হয়। অন্যেরা অল্প দেয়। কিন্তু যারা অল্পমাত্রায় দেয় তাদের লজ্জা পাওয়ার অথবা তাদের দান যে তুচ্ছ তা মনে করার কারণ নেই। যিহোবা অবশ্যই তা মনে করেন না। যীশু তা স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন যখন তিনি দেখিয়েছিলেন যে যিহোবা এক বিধবার দান কতটা উপলব্ধি করেন। “আর তিনি দেখিলেন, একটী দীনহীনা বিধবা সেই স্থানে দুইটী সিকি পয়সা রাখিতেছে; তখন তিনি কহিলেন, আমি তোমাদিগকে সত্য বলিতেছি, এই দরিদ্রা বিধবা সকলের অপেক্ষা অধিক রাখিল; কেননা ইহারা সকলে আপন আপন অতিরিক্ত ধন হইতে কিছু কিছু দানের মধ্যে রাখিল, কিন্তু এ নিজ অনাটন সত্ত্বেও ইহার যাহা কিছু ছিল, সমুদয় জীবনোপায় রাখিল।”—লূক ২১:২-৪.
আমাদের আর্থিক অবস্থা যাই হোক না কেন, আমরা এমনভাবে দান করতে পারি যা যিহোবাকে খুশি করে। আমাদের রাজা এবং বিচারকর্তার কিভাবে গৌরব করা যায় সেই বিষয়ে গীতরচক উপযুক্তরূপে বলেছেন: “সদাপ্রভুর নামের গৌরব কীর্ত্তন কর, নৈবেদ্য সঙ্গে লইয়া তাঁহার প্রাঙ্গণে আইস।” (গীতসংহিতা ৯৬:৮) সুতরাং, আসুন আমরা হৃষ্টচিত্তে দান করার মাধ্যমে আমাদের স্বর্গীয় পিতার উদাহরণ অনুকরণ করি, কারণ তিনি প্রথমে আমাদের উপহার দিয়েছিলেন। (w93 12/1)
[৩০ পৃষ্ঠার বাক্স]
কিভাবে কেউ কেউ রাজ্যের প্রচার কাজের প্রতি দান করেন
▫ বিশ্বব্যাপী কাজের প্রতি দান: অনেকে কিছু টাকা আলাদা করে রেখে দেন যা তারা একটি বাক্সে জমা দেন, যার গায়ে লেখা আছে: “সমিতির বিশ্বব্যাপী কাজের প্রতি দান—মথি ২৪:১৪.” প্রত্যেক মাসে মণ্ডলীগুলি এই টাকা হয় ব্রুকলীন, নিউ ইয়র্কে প্রধান দপ্তরে অথবা সবচেয়ে কাছের শাখা অফিসে পাঠিয়ে দেয়।
▫ উপহার: স্বেচ্ছায় আর্থিক দান সরাসরি Watch Tower Bible and Tract Society of India, H-58 Old Khandala Road, Lonavla, 410 401 Mah. অথবা সমিতির স্থানীয় শাখা অফিসে পাঠানো যেতে পারে। গহনা এবং অন্যান্য দামী জিনিসও দান করা যেতে পারে। এই ধরনের দানের সাথে সেটি যে একটি সাধারণ দান তা জানিয়ে একটি চিঠি দেওয়া প্রয়োজন।
▫ শর্তানুযায়ী দানের ব্যবস্থা: ওয়াচ টাওয়ার সোসাইটির কাছে টাকা গচ্ছিত রাখা যেতে পারে দাতার মৃত্যু পর্যন্ত, এই শর্তে যে ব্যক্তিগত প্রয়োজন হলে তা দাতাকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।
▫ বীমা: জীবন বিমা-পত্রের অথবা অবসরগ্রহণ⁄পেনশন্ পরিকল্পনার প্রাপক রূপে ওয়াচ টাওয়ার সোসাইটির নাম দেওয়া যেতে পারে। এই ধরনের ব্যবস্থার কথা সমিতিকে জানিয়ে দেওয়া উচিত।
▫ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট: ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, জমার রসিদ, অথবা অবসরগ্রহণের অ্যাকাউন্টের টাকা স্থানীয় ব্যাঙ্কের নিয়ম অনুযায়ী ওয়াচ টাওয়ার সোসাইটির কাছে জমা অথবা মৃত্যুর পরে দেওয়ার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এই ধরনের ব্যবস্থার কথা সমিতিকে জানিয়ে দেওয়া উচিত।
▫ স্টক্ এবং বণ্ড: স্টক্ এবং বণ্ড সরাসরিভাবে ওয়াচ টাওয়ার সোসাইটিকে উপহার হিসাবে দেওয়া যেতে পারে অথবা সেগুলি থেকে যে আয় হবে তা দাতা পেতে থাকবেন, সেই ব্যবস্থাও করা যেতে পারে।
▫ স্থাবর সম্পত্তি: ওয়াচ টাওয়ার সোসাইটিকে সরাসরিভাবে বিক্রয়যোগ্য জমি উপহার দেওয়া যেতে পারে অথবা এই ব্যবস্থা করা যেতে পারে যে জীবিতকালে দাতা সেখানে বাস করবেন। সমিতির নামে কোন জমি হস্তান্তরিত করার আগে সমিতির সাথে যোগাযোগ করা উচিত।
▫ উইলকরণ এবং ট্রাস্ট: সম্পতি অথবা অর্থ বৈধভাবে সম্পাদিত উইলের দ্বারা ওয়াচ টাওয়ার বাইবেল অ্যাণ্ড ট্র্যাক্ট সোসাইটিকে দান করা যেতে পারে অথবা একটি ট্রাস্ট চুক্তির প্রাপক হিসাবে সমিতির নাম দেওয়া যেতে পারে। একটি ধর্মীয় সংস্থার উপকারার্থে কোন ট্রাস্ট করলে, আয়করের দিক দিয়ে কিছু সুবিধা পাওয়া যেতে পারে। উইল অথবা ট্রাস্টের একটি কপি সমিতিকে পাঠানো উচিত।
এই বিষয়ে আরও তথ্যের জন্য, এই ঠিকানায় অথবা সমিতির স্থানীয় শাখা অফিসে চিঠি লিখুন, Watch Tower Bible and Tract Society of India, H-58 Old Khandala Road, Lonavla 410 401, Mah.
[Pictures on page 31]
আপনার দান কিভাবে ব্যবহৃত হয়
১. বেথেল স্বেচ্ছাসেবকেরা
২. শাখা অফিস নির্মাণ
৩. প্রাকৃতিক দুর্যোগের ত্রাণ
৪. কিংডম হলগুলি
৫. মিশনারীরা