ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • mrt প্রবন্ধ ২৫
  • কে এই পৃথিবীকে রক্ষা করবে?

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • কে এই পৃথিবীকে রক্ষা করবে?
  • অন্যান্য বিষয়
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • মানুষের প্রচেষ্টায় কি এর সমাধান হবে?
  • আশার এক আলো
  • পৃথিবী কি ধ্বংস হয়ে যাবে?
    বাইবেলের প্রশ্নের উত্তর
  • ঈশ্বর প্রতিজ্ঞা করেন আমাদের পৃথিবী রক্ষা পাবে
    ২০২৩ সজাগ হোন!
  • সৃষ্টিকর্তার কাছ থেকে এক চিরস্থায়ী উপহার
    ২০০৭ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • নতুন জগৎ একেবারেই কাছে!
    প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য সম্বন্ধে ঘোষণা করে (জনসাধারণের সংস্করণ)—২০২১
আরও দেখুন
অন্যান্য বিষয়
mrt প্রবন্ধ ২৫
একটি ছোট্ট মেয়ে ফুল গাছে জল দিচ্ছে। দূরে একটা কারখানা রয়েছে এবং সেটার কারণে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।

কে এই পৃথিবীকে রক্ষা করবে?

অনেক লোকই এই পৃথিবী এবং এতে থাকা জীবনের বিষয়ে চিন্তিত। তারা মনে করে, মানুষই এগুলোর ক্ষতি করছে। কিছু পরিবেশ বিশেষজ্ঞের মতে, মানুষের কাজের কারণে পৃথিবী থেকে অনেক প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে এবং জীবজগতের অনেক ক্ষতি হচ্ছে, যেমনটা আগে কখনো হয়নি।

মানুষ কি এই পৃথিবীকে ধ্বংস করে ফেলবে? না কি তারা কোনো একদিন এমনভাবে জীবনযাপন করতে পারবে, যাতে পরিবেশের ক্ষতি না হয়?

মানুষের প্রচেষ্টায় কি এর সমাধান হবে?

অনেক বিশেষজ্ঞ বিশ্বাস করেন, মানুষ পৃথিবীকে রক্ষা করতে পারবে এবং তাদের পক্ষে এমনভাবে জীবনযাপন করা সম্ভব, যাতে পরিবেশের ক্ষতি না হয়। তবে, এরজন্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে বড়ো বড়ো পরিবর্তন করতে হবে এবং সেগুলো একই সময়ে করতে হবে। এগুলোর অন্তর্ভুক্ত হল:

  • জমি, বন, জলভূমি ও সমুদ্রের আরও ভালোভাবে দেখাশোনা করা

  • শক্তির বিভিন্ন উৎস এবং কৃষিকাজের জন্য ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করা

  • খাদ্যদ্রব্য প্রস্তুত করার এবং বিতরণ করার পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা, যাতে মানুষ বেশি করে শাকসবজি খায় আর কম করে মাছ-মাংস খায় আর একইসঙ্গে তারা পরিমাণেও যেন কম খায় এবং খাবারও যেন কম নষ্ট করে

  • এটা মেনে নেওয়া যে, উন্নতমানের জীবনযাপন করার মানে এই নয়, অনেক অনেক জিনিসপত্র লাগবে

আপনি কী মনে করেন? এটা কি বাস্তবে সত্যিই সম্ভব যে, সরকার, ব্যাবসাবাণিজ্য ও সাধারণ জনগণের প্রত্যেকে এই বিরাট পরিবর্তনগুলো করার জন্য সহযোগিতা করবে? না কি আপনার এটা অসম্ভব বলে মনে হয় কারণ লোকেরা অনেক লোভী ও স্বার্থপর হয়ে গিয়েছে এবং ভবিষ্যতের জন্য চিন্তাই করে না?—২ তীমথিয় ৩:১-৫.

আশার এক আলো

বাইবেল আমাদের এই আশ্বাস দেয় যে, পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে না। এটি এও ব্যাখ্যা করে, পৃথিবীকে রক্ষা করার জন্য কেন মানুষের প্রচেষ্টার চেয়েও বেশি কিছু প্রয়োজন এবং কোন পরিবর্তনটা করতেই হবে। এ ছাড়া, এটি এও বলে, কীভাবে এই পরিবর্তন আসবে।

পৃথিবীকে রক্ষা করার জন্য কেন মানুষের প্রচেষ্টার চেয়েও বেশি কিছু প্রয়োজন? যিহোবাa ঈশ্বর এই পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন এবং তিনি এর যত্ন নেওয়ার জন্য মানুষকে দায়িত্ব দিয়েছেন। (আদিপুস্তক ১:২৮; ২:১৫) তবে, এই দায়িত্ব পালন করার ক্ষেত্রে তারা তখনই সফল হতে পারবে, যখন তারা তাদের সৃষ্টিকর্তার বাধ্য থাকবে এবং তাঁর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করবে। (হিতোপদেশ ২০:২৪) কিন্তু, তারা যিহোবার পরামর্শ অনুযায়ী কাজ না করে বরং নিজেদের ইচ্ছামতো চলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। (উপদেশক ৭:২৯) আসলে, মানুষের সেই ক্ষমতাই নেই যে, তারা নিজেরা পৃথিবীর যত্ন নিতে পারে। এক্ষেত্রে, তারা যত প্রচেষ্টাই করুক না কেন, তাদের কোনো-না-কোনো সীমাবদ্ধতা থাকবেই।—হিতোপদেশ ২১:৩০; যিরমিয় ১০:২৩.

কোন পরিবর্তনটা করতেই হবে? ঈশ্বর মানুষকে থামাবেন, যাতে তারা এই পৃথিবী ধ্বংস করতে না পারে। (প্রকাশিত বাক্য ১১:১৮) তিনি মানবসরকার এবং যে-সংগঠনগুলো পৃথিবীর ক্ষতি করছে, সেগুলোকে ঠিক করবেন না বরং তিনি সেগুলোকে পুরোপুরি সরিয়ে দেবেন। (প্রকাশিত বাক্য ২১:১) তাই, যিহোবা প্রতিজ্ঞা করেছেন: “দেখো! আমি সমস্ত কিছু নতুন করছি।”—প্রকাশিত বাক্য ২১:৫.

কীভাবে এই পরিবর্তন আসবে? যিহোবা মানবসরকারগুলোর জায়গায় স্বর্গের এক সরকার স্থাপন করবেন, যে-সরকারকে ঈশ্বরের রাজ্য বলা হয়। এই সরকারের রাজা হবেন যিশু খ্রিস্ট এবং এটাই পৃথিবীর উপর শাসন করবে।—দানিয়েল ২:৪৪; মথি ৬:১০.

ঈশ্বরের রাজ্য মানুষকে ঈশ্বরের মান অনুযায়ী জীবনযাপন করতে শেখাবে। মানুষ যখন তাদের সৃষ্টিকর্তা সম্বন্ধে শিখবে এবং তাঁর নির্দেশনা মেনে চলবে, তখন তারা প্রকৃতির সঙ্গে মিল রেখে জীবনযাপন করতে পারবে। (যিশাইয় ১১:৯) বাইবেলে লেখা রয়েছে, ঈশ্বরের সরকার কী কী করবে, যাতে এর নাগরিকেরা খুব ভালোভাবে এবং আনন্দের সঙ্গে জীবন উপভোগ করতে পারে; আর এই জীবনধারায় পৃথিবীর কোনো ক্ষতি হবে না। এই সরকার কী কী করবে?

  • প্রত্যেকের জন্য খাবার জোগাবে।—গীতসংহিতা ৭২:১৬.

  • প্রাকৃতিক সমস্ত সম্পদ আবার শুরুর অবস্থায় নিয়ে যাবে।—যিশাইয় ৩৫:১, ২, ৬, ৭.

  • এটা নিশ্চিত করবে যে, মানুষ যেন পশুপাখির যত্ন নেয় আর পশুপাখি যেন মানুষের কোনো ক্ষতি না করে।—যিশাইয় ১১:৬-৮; হোশেয় ২:১৮.

  • প্রাকৃতিক দুর্যোগ সরিয়ে দেবে।—মার্ক ৪:৩৭-৪১.

ঈশ্বরের রাজ্য খুব তাড়াতাড়ি এই পরিবর্তনগুলো আনতে যাচ্ছে। আপনি যদি এই বিষয়ে আরও জানতে চান, তা হলে “কখন ঈশ্বরের রাজ্য পৃথিবীতে শাসন করবে?” শিরোনামের প্রবন্ধটা দেখুন।

a যিহোবা হল ঈশ্বরের ব্যক্তিগত নাম।—গীতসংহিতা ৮৩:১৮.

এই পৃথিবীকে ভালো অবস্থায় রাখার জন্য বর্তমানে আমরা কী করতে পারি?

এই পৃথিবীর পরিবেশগত সমস্ত সমস্যার সমাধানের জন্য আমরা যদিও ঈশ্বরের রাজ্যের অপেক্ষায় আছি, তবে এর মানে এই নয় যে, আমরা এই ব্যাপারে কিছুই করব না। আসলে, পৃথিবীকে ভালো অবস্থায় রাখার জন্য আমরা এখনই এমন কিছু করতে পারি, যেগুলো করতে খুব বেশি প্রচেষ্টার প্রয়োজন নেই। যেমন, আমরা অপচয় করা এড়িয়ে চলতে পারি আর ময়লা কীভাবে ফেলা উচিত, সেই বিষয়ে স্থানীয় সরকারের আইন মেনে চলতে পারি।—যোহন ৬:১২, ১৩; রোমীয় ১৩:১, ৫.

  • ব্রেট।

    ব্রেট হলেন একজন অবসরপ্রাপ্ত পরিবেশ বিষয়ক পরামর্শদাতা (কনসালটেন্ট)। প্রাকৃতিক পরিবেশ সম্বন্ধে তার জ্ঞান তাকে এটা বুঝতে সাহায্য করেছে যে, একজন সৃষ্টিকর্তা রয়েছেন, যিনি এই পৃথিবীকে রক্ষা করবেন। তার সাক্ষাৎকারটা পড়ুন।

  • যিহোবার সাক্ষিদের বিশ্বপ্রধান কার্যালয়ে দু-জন কর্মী সবেমাত্র নির্মাণ করা হয়েছে এমন বিল্ডিংগুলো দেখছেন।

    যিহোবার সাক্ষিরা তাদের বড়ো বড়ো নির্মাণ প্রকল্পগুলোতে পরিবেশবান্ধব সমাধান ব্যবহার করে আর এভাবে তারা তাদের সৃষ্টিকর্তার প্রতি সম্মান দেখায়। এক্ষেত্রে তারা কী কী করেছে, তা জানার জন্য Eco-Friendly Design Brings Honor to Jehovah শিরোনামের ভিডিওটা দেখুন।

পৃথিবী সম্বন্ধে বাইবেলের কিছু পদ

আদিপুস্তক ২:১৫ পদ বলে: “পরে সদাপ্রভু ঈশ্বর আদমকে লইয়া এদনস্থ উদ্যানের কৃষিকর্ম্ম ও রক্ষার্থে তথায় রাখিলেন।”

অর্থ: ঈশ্বর মানুষকে পৃথিবীর যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব দিয়েছিলেন।

আদিপুস্তক ১:২৮ পদ বলে: “পরে ঈশ্বর তাহাদিগকে আশীর্ব্বাদ করিলেন; ঈশ্বর কহিলেন, তোমরা প্রজাবন্ত ও বহুবংশ হও, এবং পৃথিবী পরিপূর্ণ ও বশীভূত কর, আর সমুদ্রের মৎস্যগণের উপরে, আকাশের পক্ষিগণের উপরে, এবং ভূমিতে গমনশীল যাবতীয় জীবজন্তুর উপরে কর্ত্তৃত্ব কর।”

অর্থ: মানুষকে পশুপাখির যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

যিশাইয় ৪৫:১৮ পদ বলে: “কারণ যিহোবা, যিনি আকাশের সৃষ্টিকর্তা, যিনি সত্য ঈশ্বর, যিনি পৃথিবীকে গঠন করেছেন, নির্মাণ করেছেন এবং দৃঢ়ভাবে স্থাপন করেছেন, যিনি সেটাকে বিনা কারণে সৃষ্টি না করে বরং বাসস্থান হিসেবে তৈরি করেছেন, তিনি এই কথা বলেন: ’আমি যিহোবা, আমি ছাড়া আর কেউ নেই।’”

অর্থ: পৃথিবীর জন্য ঈশ্বরের উদ্দেশ্য পরিবর্তিত হয়ে যায়নি। তিনি সেই মানুষদের দ্বারা এই পৃথিবী পরিপূর্ণ করবেন, যারা তাঁর ইচ্ছা অনুযায়ী চলবে আর শুরু থেকে এটাই তাঁর উদ্দেশ্য ছিল।

গীতসংহিতা ৩৭:২৯ পদ বলে: “ধার্মিকেরা পৃথিবীর অধিকারী হবে আর তারা চিরকাল সেখানে বাস করবে।”

অর্থ: যারা ঈশ্বরের মান মেনে চলবে, তারা এই পৃথিবীতে চিরকাল বেঁচে থাকার সুযোগ পাবে।

গীতসংহিতা ৯৮:৬-৮ পদ বলে: “তূরী ও শিঙা বাজাও, রাজা যিহোবার সামনে জয়ধ্বনি করো। সমুদ্র এবং সেটার মধ্যে থাকা সমস্ত কিছু আনন্দে গর্জন করুক, পৃথিবী এবং সেটার মধ্যে থাকা সবাই আনন্দে চিৎকার করুক। নদীগুলো হাততালি দিক, পর্বতগুলো একসঙ্গে আনন্দে চিৎকার করুক।”

অর্থ: ঈশ্বরের শাসনের অধীনে পরিবেশ অনেক ভালো থাকবে।

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার