ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • km ৩/০৭ পৃষ্ঠা ৩-৬
  • যিহোবার ইচ্ছা পালন করার জন্য সংগঠিত পৃষ্ঠা ১০৯-১১৯

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • যিহোবার ইচ্ছা পালন করার জন্য সংগঠিত পৃষ্ঠা ১০৯-১১৯
  • ২০০৭ আমাদের রাজ্যের পরিচর্যা
  • উপশিরোনাম
  • অধ্যায় ১০
  • আপনার পরিচর্যা বাড়ানোর উপায়গুলো
  • মণ্ডলীর একজন প্রকাশক হিসেবে সেবা করা
  • যেখানে বেশি প্রয়োজন, সেখানে সেবা করা
  • বিদেশিভাষী মণ্ডলীর সঙ্গে কাজ করা
  • সহায়ক, নিয়মিত এবং বিশেষ অগ্রগামী সেবা
  • মিনিস্টিরিয়াল ট্রেনিং স্কুল
  • মিশনারি সেবা
  • বেথেল সেবা
  • নির্মাণ কাজের স্বেচ্ছাসেবক
  • আপনার আধ্যাত্মিক লক্ষ্যগুলো কী?
২০০৭ আমাদের রাজ্যের পরিচর্যা
km ৩/০৭ পৃষ্ঠা ৩-৬

যিহোবার ইচ্ছা পালন করার জন্য সংগঠিত পৃষ্ঠা ১০৯-১১৯

অধ্যায় ১০

আপনার পরিচর্যা বাড়ানোর উপায়গুলো

যিশুর যখন তাঁর শিষ্যদেরকে রাজ্যের প্রচারক হিসেবে পাঠানোর সময় এসেছিল, তখন তিনি তাদেরকে বলেছিলেন: “শস্য প্রচুর বটে, কিন্তু কার্য্যকারী লোক অল্প।” আরও অনেক কাজ করতে হবে বলে তিনি যুক্ত করেছিলেন: “শস্যক্ষেত্রের স্বামীর নিকটে প্রার্থনা কর, যেন তিনি নিজ শস্যক্ষেত্রে কার্য্যকারী লোক পাঠাইয়া দেন।” (মথি ৯:৩৭, ৩৮) কীভাবে তাদের পরিচর্যা সম্পন্ন করতে হবে, সেই বিষয়ে যিশু শিষ্যদেরকে নির্দেশনা দিয়েছিলেন। তাঁর কথাগুলোর মধ্যে তৎপরতার মনোভাব ছিল। তিনি বলেছিলেন: “ইস্রায়েলের সকল নগরে তোমাদের কার্য্য শেষ হইবে না, যে পর্য্যন্ত মনুষ্যপুত্ত্র না আইসেন।”—মথি ১০:২৩.

আজকেও, ক্ষেত্রের পরিচর্যায় লোকের অনেক প্রয়োজন রয়েছে। সময় শেষ হয়ে আসছে আর শেষ আসার আগেই রাজ্যের এই সুসমাচার প্রচারিত হতে হবে। (মার্ক ১৩:১০) যেহেতু ক্ষেত্র হল জগৎ, তাই এটা স্পষ্ট যে আমরা এমন একটা পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছি, যা অনেকটা যিশু ও তাঁর শিষ্যরা যে-পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিল তার মতোই, তবে তা আরও ব্যাপক মাত্রায়। মানবজাতির পৃথিবীর কোটি কোটি সংখ্যার তুলনায় আমরাও অল্প কিন্তু আমরা নিশ্চিত থাকতে পারি যে, যিহোবার হাত খাটো নয়। সারা পৃথিবীতে রাজ্যের সুসমাচার ঘোষিত হতে দেওয়ার ক্ষমতা তাঁর রয়েছে। সুসমাচার প্রচারিত হবে এবং যিহোবার নিজের সময়সূচি অনুযায়ী সময়মতোই শেষ আসবে। কিন্তু, সেই সময় কি পরিচর্যায় অংশগ্রহণ করার বিষয়ে আমাদের দায়িত্ব সম্পন্ন করছি বলে আমাদের বিশ্বস্ত অবস্থায় পাওয়া যাবে? (যিহি. ৩৩:৮, ৯) আমাদের পরিচর্যা পূর্ণরূপে সম্পাদন করার জন্য আমরা কি এখন আমাদের জীবনে ঈশ্বরের রাজ্যকে প্রথম স্থানে রাখব? তা করার জন্য আমরা কোন ঈশতান্ত্রিক লক্ষ্যগুলো অনুধাবন করছি?

যিহোবা তাঁর প্রত্যেক উৎসর্গীকৃত দাসের কাছ থেকে কী চান, তা প্রকাশ করে যিশু বলেছিলেন: “তুমি তোমার সমস্ত অন্তঃকরণ, তোমার সমস্ত প্রাণ, তোমার সমস্ত মন ও তোমার সমস্ত শক্তি দিয়া তোমার ঈশ্বর প্রভুকে প্রেম করিবে।” (মার্ক ১২:৩০) আমাদের সকলের কাছ থেকে চাওয়া হয় যেন আমরা মনপ্রাণ দিয়ে ঈশ্বরের সেবা করি। এর অর্থ হল, পরিচর্যায় আমাদের সর্বোত্তমটা করার মাধ্যমে ব্যক্তি বিশেষ হিসেবে আমরা দেখাতে পারি যে, আমাদের ভক্তি কতটা গভীর এবং আমাদের উৎসর্গীকরণ কতটা অকৃত্রিম। (২ তীম. ২:১৫) আমাদের প্রত্যেকের পরিস্থিতি ও ক্ষমতা অনুযায়ী আমাদের প্রত্যেকের সামনে অনেক সুযোগ খোলা রয়েছে। কেবল বিবেচনা করুন যে, এইরকম কিছু সুযোগ কী এবং নির্ধারণ করুন যে, আপনার পরিচর্যা পরিপূর্ণ করার ক্ষেত্রে আপনি কোন ঈশতান্ত্রিক লক্ষ্যগুলো অনুধাবন করবেন।

মণ্ডলীর একজন প্রকাশক হিসেবে সেবা করা

যারা সত্যকে নিজের করে নেয়, তাদের সকলের সুসমাচার সম্বন্ধে ঘোষণা করার বিশেষ সুযোগ রয়েছে। এটা হল একটা মৌলিক কাজ, যা যিশু তাঁর শিষ্যদের করতে দিয়েছিলেন। (মথি ২৪:১৪; ২৮:১৯, ২০) যিশু খ্রিস্টের একজন শিষ্য সাধারণত যখন থেকেই সুসমাচারের মূল্য সম্বন্ধে বুঝতে পারেন, ঠিক তখন থেকেই অন্যদের সঙ্গে সুসমাচার সম্বন্ধে কথা বলতে শুরু করেন। আন্দ্রিয়, ফিলিপ, কর্ণীলিয় এবং অন্যেরা ঠিক তা-ই করেছিল। (যোহন ১:৪০, ৪১, ৪৩-৪৫; প্রেরিত ১০:১, ২, ২৪; ১৬:১৪, ১৫, ২৫-৩৪) এর অর্থ কি এই যে, একজন ব্যক্তি এমনকি বাপ্তাইজিত হওয়ার আগেই সুসমাচার সম্বন্ধে অন্যদেরকে বলায় অংশ নিতে পারেন? হ্যাঁ। যখনই একজন ব্যক্তি মণ্ডলীতে একজন অবাপ্তাইজিত প্রকাশ হওয়ার জন্য যোগ্য হয়ে ওঠেন, তখনই তার সামনে ঘরে ঘরে প্রচার করার কাজে অংশগ্রহণ করার সুযোগ খোলা থাকে। এ ছাড়াও, তার ক্ষমতা ও পরিস্থিতি অনুযায়ী তিনি হয়তো খ্রিস্টীয় পরিচর্যার অন্যান্য দিকেও নিয়মিতভাবে অংশ নিতে পারেন।

মণ্ডলীর একজন বাপ্তাইজিত সদস্য হিসেবে কোনো সন্দেহ নেই যে, আপনি অন্যদেরকে সুসমাচার জানতে সাহায্য করার জন্য যা করতে পারেন, তার সমস্তকিছুই করতে চান। নারী ও পুরুষ উভয়েরই ঈশ্বর নিযুক্ত প্রচার কাজে অংশগ্রহণ করার বিশেষ সুযোগ রয়েছে। মণ্ডলীতে তাদের নিজ নিজ ভূমিকা পালন করার জন্য সকলেরই এক উত্তম উদাহরণ স্থাপন করা উচিত। (১ তীম. ২:৯-১৫; তীত ২:১-১০; ১ পিতর ৫:৫) মণ্ডলীর যে-পুরুষ সদস্যরা আধ্যাত্মিক উন্নতি করে এবং যোগ্য হয়ে ওঠে, তারা হয়তো পরিচারক দাস হিসেবে নিযুক্ত হয়। (১ তীম. ৩:৮-১০, ১২, ১৩) এই দাসেরা, যারা একজন অধ্যক্ষের দায়িত্বগুলোর জন্য আকাঙ্ক্ষা করে এবং শাস্ত্রীয় চাহিদাগুলো পূরণ করে, তারা এই দায়িত্বে নিযুক্ত হয়। তারা মণ্ডলীতে শিক্ষা দেয় এবং পালের পালক হিসেবে সেবা করে। (১ তীম. ৩:১-৭; তীত ১:৫-৯) ঈশ্বরের রাজ্যের বিষয়গুলোকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজে এমনকি ছোট ভূমিকা রাখাও নিশ্চিতভাবেই এক বিশেষ সুযোগ। বিশেষ সেবার সুযোগগুলো লাভ করার জন্য তার পরিচর্যাকে বাড়াতে পারেন এমন যেকেউ সত্যিই সুখী।

যেখানে বেশি প্রয়োজন, সেখানে সেবা করা

আপনি হয়তো এমন একটা মণ্ডলীতে সেবা করেন, যেখানে প্রচারের এলাকায় প্রায়ই কাজ করা হয় এবং উত্তম সাক্ষ্য দেওয়া হচ্ছে। যদি তা-ই হয়ে থাকে, তা হলে আপনি হয়তো মনে করতে পারেন যে, এমন একটা এলাকায় যাওয়ার মাধ্যমে আপনি আপনার পরিচর্যাকে বাড়াতে পারেন, যেখানে ক্ষেত্রের কাজে বেশি লোকের প্রয়োজন। (প্রেরিত ১৬:৯) সীমার মধ্যেই আরেকটা মণ্ডলীতে আপনি কীভাবে সহায়তা করতে পারেন, সেই সম্বন্ধে আপনার সীমা অধ্যক্ষ হয়তো বিভিন্ন পরামর্শ দিতে পারেন। আপনি যদি আপনার নিজ দেশেরই আরেকটা এলাকায় সেবা করতে চান, তা হলে আপনি হয়তো তথ্যের জন্য শাখা অফিসকে লিখতে পারেন। বর্তমানে আপনি যদি একজন প্রাচীন অথবা পরিচারক দাস হিসেবে সেবা করে থাকেন, তা হলে আপনার দেশে হয়তো এমন আরেকটা মণ্ডলী থাকতে পারে, যে-মণ্ডলী হয়তো মণ্ডলীর চাহিদাগুলোর যত্ন নেওয়ার ব্যাপারে আপনার সহযোগিতাকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখবে।

আপনি কি অন্য একটা দেশে রাজ্যের বিষয়গুলোকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চান? যদি চান, তা হলে সেখানে যাওয়ার ব্যাপারটা আপনাকে মনোযোগের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। নিশ্চিতভাবেই এটা আপনার ও আপনার সঙ্গে যেকেউ যাবেন, তার ওপর প্রভাব ফেলবে। (লূক ১৪:২৮) আপনি যদি দীর্ঘসময় থাকার পরিকল্পনা না করেন, তা হলে আপনার নিজ দেশের এলাকার মধ্যেই সেবা করার বিষয়টা বিবেচনা করা সবচেয়ে উত্তম হতে পারে।

আপনার বা অন্য দেশের শাখা অফিস, আপনার সহযোগিতা থেকে উপকার পেতে পারে এমন মণ্ডলীগুলোর নাম আপনাকে দেওয়ার আগে, আপনার মণ্ডলীর পরিচর্যা কমিটি-কে একটা সুপারিশপত্র পাঠাতে হবে। আপনি একজন প্রাচীন, পরিচারক দাস, অগ্রগামী অথবা প্রকাশক হিসেবে সেবা করছেন কি না, তা জানার জন্য এই চিঠিটা প্রয়োজন। পরিচর্যা কমিটি আপনার সম্বন্ধে তথ্যসহ একটা সুপারিশপত্র সরাসরি সেই দেশের শাখা অফিসে পাঠাবে, যেখানে আপনি সেবা করতে চান।

যেখানে বেশি প্রয়োজন, সেখানে যদি আপনি সেবা করতে চান, তা হলে বিষয়টা নিয়ে আপনার মণ্ডলীর প্রাচীনদের সঙ্গে আলোচনা করুন না কেন? তারা হয়তো আপনাকে এই পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যাপারে কীভাবে পরিকল্পনা করতে হয় অথবা ভবিষ্যতে এই ধরনের সেবার জন্য কীভাবে যোগ্য হওয়া যায়, তা নির্ধারণ করার জন্য সাহায্য করতে পারে।

বিদেশিভাষী মণ্ডলীর সঙ্গে কাজ করা

আপনার পরিচর্যাকে বাড়ানোর জন্য আপনি হয়তো আরেকটা ভাষা শেখার কথা বিবেচনা করতে চাইতে পারেন, যার অন্তর্ভুক্ত হতে পারে একটা সাংকেতিক ভাষা। কিছু দ্বিভাষিক পরিবারে বাবামা ও অল্পবয়স্করা উভয়েই তাদের রাজ্যের পরিচর্যাকে আরও বাড়ানোর জন্য বিদেশিভাষী মণ্ডলীগুলোতে সেবা করছে। আপনার যদি আরেকটা ভাষায় প্রচার করতে শেখার লক্ষ্য থাকে, তা হলে প্রাচীন ও সীমা অধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলুন না কেন? তারা আপনাকে বিভিন্ন পরামর্শ এবং প্রয়োজনীয় উৎসাহ দিতে পারে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে, শাখা অফিসের নির্দেশাধীনে সীমাগুলো স্থানীয় অভিবাসী লোকেদের কাছে পৌঁছাতে সাহায্য করার জন্য বিভিন্ন ভাষার ক্লাসের ব্যবস্থা করেছে।

সহায়ক, নিয়মিত এবং বিশেষ অগ্রগামী সেবা

সমস্ত প্রকাশকের সহায়ক, নিয়মিত এবং বিশেষ অগ্রগামী পরিচর্যা ও সেইসঙ্গে পূর্ণসময়ের পরিচর্যার অন্যান্য দিকের সাধারণ চাহিদাগুলো সম্বন্ধে ভালভাবে জানা উচিত। সময়ে সময়ে আমাদের রাজ্যের পরিচর্যা-য় অতিরিক্ত নির্দিষ্ট তথ্য তুলে ধরা হয়। একজন অগ্রগামী প্রকাশককে অবশ্যই এমন একজন উদাহরণযোগ্য বাপ্তাইজিত খ্রিস্টান হতে হবে, যার ব্যক্তিগত পরিস্থিতি তাকে প্রতি মাসে জনসাধারণ্যে সুসমাচার ঘোষণা করার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সংখ্যক ঘন্টা ব্যয় করার সুযোগ দেবে। মণ্ডলীর পরিচর্যা কমিটি সহায়ক অগ্রগামী সেবার জন্য করা আবেদন অনুমোদন করে থাকে কিন্তু অন্যদিকে নিয়মিত ও বিশেষ অগ্রগামীরা শাখা অফিসের দ্বারা নিযুক্ত হয়।

সহায়ক অগ্রগামীরা তাদের পরিস্থিতি অনুযায়ী অন্ততপক্ষে এক মাসের জন্য, পর পর যেকোনো কয়েক মাসের অথবা নিয়মিতভাবে কাজ করার জন্য নিযুক্ত হতে পারে। অনেক রাজ্য প্রকাশক বিশেষ সময়গুলোতে যেমন, স্মরণার্থ মরসুমে অথবা সীমা অধ্যক্ষের পরিদর্শনের মাসে সহায়ক অগ্রগামী হিসেবে সেবা করা উপভোগ করে। কেউ কেউ ছুটির মাসগুলো বেছে নেয়। বাপ্তাইজিত, স্কুলপড়ুয়া প্রকাশকরা হয়তো স্কুলের ছুটির মাসগুলোতে সহায়ক অগ্রগামী হিসেবে নাম লেখাতে চাইতে পারে। আপনার ব্যক্তিগত পরিস্থিতি যা-ই হোক না কেন, আপনি যদি এক শুদ্ধ নৈতিক মান বজায় রাখছেন, ক্ষেত্রের পরিচর্যায় প্রয়োজনীয় নির্দিষ্ট ঘন্টা পূরণ করার ব্যবস্থা করতে পারেন এবং মনে করেন যে, এক বা তারও বেশি মাস একজন সহায়ক অগ্রগামী হিসেবে সেবা করতে পারবেন, তা হলে মণ্ডলীর প্রাচীনরা এই বিশেষ সেবার জন্য আপনার আবেদন বিবেচনা করে দেখতে খুশি হবে।

নিয়মিত অগ্রগামী হিসেবে নিয়োগের জন্য যোগ্য হতে, আপনাকে বাৎসরিক ক্ষেত্রের পরিচর্যার চাহিদা পূরণ করার ব্যাপারে বর্তমানে সক্ষম হতে হবে। আমাদের রাজ্যের পরিচর্যা ঘন্টা পূরণের মাসিক লক্ষ্য সম্বন্ধে পরামর্শ দেয়, যা আপনাকে এই দায়িত্ব পরিপূর্ণ করতে সাহায্য করবে। একজন নিয়মিত অগ্রগামী হিসেবে আপনাকে অবশ্যই সবসময় সেই মণ্ডলীর সঙ্গে নিবিড়ভাবে সহযোগিত করতে হবে, যেখানে আপনি সেবা করছেন। উদ্যোগী অগ্রগামীরা মণ্ডলীর জন্য এক প্রকৃত আশীর্বাদ, যারা ক্ষেত্রের পরিচর্যার জন্য প্রবল উৎসাহ জাগিয়ে তোলে আর এমনকি অন্যদেরকে অগ্রগামীর সেবা বেছে নিতে উৎসাহিত করে। কিন্তু, প্রাচীনরা আপনাকে একজন নিয়মিত অগ্রগামী হিসেবে নিযুক্ত করার জন্য সুপারিশ করার আগে, আপনাকে কমপক্ষে ছয় মাস ধরে বাপ্তাইজিত হতে হবে, আপনার উত্তম নৈতিক মান থাকতে হবে এবং নিজেকে একজন উদাহরণযোগ্য প্রকাশক হিসেবে দেখাতে হবে। আপনাকে অবশ্যই একটা ব্যবহারিক তালিকা অনুসরণ করতে হবে, যা আপনাকে ক্ষেত্রের পরিচর্যায় প্রয়োজনীয় ঘন্টা ব্যয় করতে সমর্থ করবে।

বিশেষ অগ্রগামীদের সাধারণত সেইসমস্ত নিয়মিত অগ্রগামীদের মধ্যে থেকে বেছে নেওয়া হয়, যারা পরিচর্যায় তাদের কার্যকারিতা প্রদর্শন করেছে এবং যারা শাখা অফিস তাদেরকে যেখানেই কার্যভার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিক না কেন, সেখানে সেবা করতে সমর্থ। প্রায়ই তা এক বিছিন্ন এলাকা হয়ে থাকে, যেখানে তারা আগ্রহী ব্যক্তিদের খুঁজে পেতে ও নতুন মণ্ডলী গড়ে তুলতে পারে। মাঝে মাঝে বিশেষ অগ্রগামীদের এমন মণ্ডলীগুলোতে নিযুক্ত করা হয়, যেখানে নিয়মিতভাবে তাদের এলাকা শেষ করার জন্য সাহায্যের প্রয়োজন। কিছু বিশেষ অগ্রগামী, যারা প্রাচীন হিসেবেও নিযুক্ত আছে, তাদেরকে ছোট মণ্ডলীগুলোতে এমনকি যেখানে ক্ষেত্রে আরও কর্মীর বিশেষ প্রয়োজন নেই, সেখানেও সাহায্য করার জন্য নিযুক্ত করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় জীবনযাপনের খরচের জন্য বিশেষ অগ্রগামীরা একটা পরিমিত ভাতা লাভ করে থাকে।

মিনিস্টিরিয়াল ট্রেনিং স্কুল

প্রতি বছর গঠিত নতুন মণ্ডলীগুলোতে নিয়মিত বৃদ্ধি রাজ্যের সুসমাচার প্রচার করার বিষয়ে তাঁর লোকেদের প্রচেষ্টার ওপর যিহোবার আশীর্বাদের প্রমাণ দেয়। (প্রেরিত ১৬:৫) মণ্ডলীতে বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আরও প্রাচীন ও পরিচারক দাসের প্রয়োজনও বৃদ্ধি পায়। যে-অবিবাহিত ভাইয়েরা যোগ্য, তাদেরকে যিহোবার প্রতি এই কথা বলার মাধ্যমে সেই প্রয়োজন পূরণ করতে উৎসাহিত করা হয়: “এই আমি, আমাকে পাঠাও।” (যিশা. ৬:৮) মিনিস্টিরিয়াল ট্রেনিং স্কুলে যোগ দেওয়ার জন্য আবেদন করে অনেকে এইভাবে সাড়া দিয়েছে, যা সেইসমস্ত অবিবাহিত পরিচারক দাস ও প্রাচীনদের জন্য নির্ধারিত, যারা যেখানে বেশি প্রয়োজন, সেখানে সেবা করার জন্য ইচ্ছুক ও সমর্থ। এই ধরনের ব্যক্তিরা মিনিস্টিরিয়াল ট্রেনিং স্কুল সম্বন্ধে আগ্রহী ভাইদের জন্য করা সভাগুলোতে যোগ দিয়ে সেই চাহিদাগুলো সম্বন্ধে আরও জানতে পারে, যে-সভাগুলো বিভিন্ন সীমা সম্মেলনগুলোতে হয়ে থাকে।

এই স্কুল বাইবেলের শিক্ষা ও সাংগঠনিক বিষয়গুলো সম্বন্ধে নির্দেশনা দিয়ে থাকে, যাতে যোগ্য পুরুষদের মাণ্ডলিক পালকীয় কাজ ও অন্যান্য দায়িত্ব পালন করার জন্য সজ্জিত করা যায়। (যির. ২৩:৪) এই ধরনের প্রশিক্ষণের ফলে কাউকে কাউকে তাদের নিজ দেশে, যেখানে বেশি প্রয়োজন, সেখানে সেবা করার জন্য নিযুক্ত করা হয় আর অন্যেরা বিদেশে কার্যভার লাভ করে। কাউকে কাউকে তাদের নিজের দেশের মণ্ডলীতে সাহায্য করার ও স্থানীয় ভাই ও বোনদের উৎসাহিত করার জন্য ফিরে আসতে বলা হয়। যারা প্রশিক্ষণ লাভ করে, তারা ঈশ্বরের লোকেদের আধ্যাত্মিক ও সাংগঠনিক সাহায্য প্রদান করার জন্য আরও বেশি সুসজ্জিত।—২ তীম. ৩:১৬, ১৭.

মিশনারি সেবা

শেষ আসার আগে “পৃথিবীর প্রান্ত পর্যন্ত” রাজ্যের সুসমাচার ঘোষণা করার জন্য মিশনারিদের অনেক দেশে পাঠানোর প্রয়োজন হয়েছে। (প্রেরিত ১:৮; মথি ২৪:১৪) এটা হাজার হাজার যিহোবার সাক্ষির জন্য বিশেষভাবে যারা ইতিমধ্যেই নিজেদেরকে উদ্যোগী, তাদের ভক্তির ক্ষেত্রে পূর্ণহৃদয়ের ব্যক্তি এবং রাজ্যের সেবায় কার্যকারী হিসেবে প্রমাণ করেছে, তাদের জন্য প্রসারিত বিশেষ সেবার সুযোগগুলো খুলে দিয়েছে। যাদেরকে মিশনারি কাজে রত হওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়, তাদেরকে সাধারণত ওয়াচটাওয়ার বাইবেল স্কুল অভ্‌ গিলিয়েড থেকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

একজন ব্যক্তিকে মিশনারি কাজের জন্য যোগ্য হতে অবশ্যই সুস্বাস্থ্যের অধিকারী ও মানসিক শক্তিসম্পন্ন থাকতে হবে, যেহেতু অনেক মিশনারিকে এমন দেশগুলোতে পাঠানো হয়, যেখানে জীবনযাপনের অবস্থা অনেক কঠিন। রোগব্যাধির দ্বারা প্রভাবিত হওয়া ছাড়াও একজন মিশনারিকে হয়তো ভিন্ন জীবনযাপনের মান ও সম্পূর্ণ নতুন সংস্কৃতির সঙ্গে সমন্বয় করার প্রয়োজন হয়।

আপনি যদি ইতিমধ্যেই পূর্ণসময়ের সেবায় রত থাকেন এবং একজন মিশনারি হিসেবে আরও বিশেষ সুযোগ পেতে চান, তা হলে যারা মিশনারি পরিচর্যার জন্য আগ্রহী তাদের জন্য জেলা সম্মেলনগুলোতে যে-সভাগুলো হয়ে থাকে, সেখানে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে চাহিদাগুলো সম্বন্ধে আরও জানতে পারেন। আপনার সীমা অধ্যক্ষও হয়তো আপনাকে উত্তম উপদেশ দিতে পারেন। আপনি যদি যোগ্য হয়ে থাকেন, তা হলে আপনাকে হয়তো সেবার এই পথটা বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হতে পারে, যা পৃথিবীব্যাপী সত্য উপাসনাকে প্রসারিত করার জন্য অনেক সাহায্য করেছে।

বেথেল সেবা

সারা পৃথিবীর যেকোনো একটা বেথেল হোমে সেবা করা এক বিশেষ সুযোগ। বেথেল শব্দটির অর্থ হল, “ঈশ্বরের গৃহ” আর সেই নাম নিশ্চিতভাবেই উপযুক্ত কারণ এগুলো হল ঈশতান্ত্রিক কাজের কেন্দ্র। বেথেল সেবায় ভাই ও বোনেরা পৃথিবীব্যাপী যিহোবার সাক্ষিদের দ্বারা ব্যবহৃত সাহিত্যাদি উৎপন্ন ও বিতরণ করার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত এক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। ব্রুকলিন বেথেল থেকে পরিচালক গোষ্ঠী পৃথিবীব্যাপী মণ্ডলীগুলোর দেখাশোনা করে থাকে এবং নির্দেশনা দিয়ে থাকে।

বেথেলে সম্পাদিত অধিকাংশ কাজই কঠোর দৈহিক পরিশ্রমের কাজ। এই কারণে যাদেরকে বেথেলে সেবা করার জন্য ডাকা হয়, তারা মূলত উৎসর্গীকৃত বাপ্তাইজিত ভাইয়েরা, যাদের বয়স কম, সুস্বাস্থ্যের অধিকারী এবং শারীরিকভাবে শক্তিশালী। আপনার দেশে যদি প্রয়োজন হয়ে থাকে আর আপনি বেথেলে সেবা করতে চান, তা হলে জেলা সম্মেলনগুলোতে যখন বেথেল সেবার সভাগুলো হয়ে থাকে, তখন সেই বিশেষ সভাগুলোতে যোগ দিয়ে চাহিদাগুলো সম্বন্ধে আরও জানতে পারেন। এই ক্ষেত্রে আপনার সীমা অধ্যক্ষও সাহায্য করতে পারেন।

নির্মাণ কাজের স্বেচ্ছাসেবক

কিংডম হল ও সম্মেলন হল নির্মাণ এক ধরনের পবিত্র সেবা, যা শলোমনের মন্দির নির্মাণকাজের অনুরূপ। (১ রাজা. ৮:১৩-১৮) এই কাজকে সমর্থন করার ও এতে অংশ নেওয়ার জন্য তাদের সময় ও সম্পদকে স্বেচ্ছায় বিলিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে অনেক ভাই ও বোন যিহোবার সংগঠনের জন্য উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ দেখিয়েছে।

আপনি কি পবিত্র সেবার এই দিকটায় সাহায্য করতে সমর্থ? আপনি যদি একজন বাপ্তাইজিত প্রকাশক হয়ে থাকেন ও এই ধরনের কাজে অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক হয়ে থাকেন, তা হলে রিজিওনাল বিল্ডিং কমিটি আপনার সাহায্য করার মনোভাবকে অনেক উপলব্ধি করবে। আপনি যদি নির্মাণ কাজের ক্ষেত্রে দক্ষ হয়ে না থাকেন অথবা অবাপ্তাইজিত প্রকাশক হিসেবে মণ্ডলীতে আপনার সুনাম রয়েছে, তা হলে আপনি হয়তো আপনার এলাকায় কিংডম হল নির্মাণে সাহায্য করতে পারেন। আপনি যে সাহায্য করতে পারেন, তা আপনার স্থানীয় প্রাচীন ও সীমা অধ্যক্ষকে জানান না কেন? কিছু বাপ্তাইজিত প্রকাশক, যারা যোগ্য তারা এমনকি অন্যান্য দেশে কিংডম হল ও সম্মেলন হল প্রকল্পে আন্তর্জাতিক নির্মাণ কাজে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করে আসছে।

আপনার আধ্যাত্মিক লক্ষ্যগুলো কী?

আপনি যদি যিহোবার কাছে আপনার জীবন উৎসর্গ করে থাকেন, তা হলে আপনার প্রকাশিত ইচ্ছা হল চিরকাল যিহোবাকে সেবা করা। কিন্তু, আপনার চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছানোর আগে আপনার আধ্যাত্মিক লক্ষ্যগুলো কী? আধ্যাত্মিক লক্ষ্য থাকা আপনার শক্তি ও অন্যান্য সম্পদকে বিজ্ঞতার সঙ্গে কাজে লাগাতে সাহায্য করবে। (১ করি. ৯:২৬) আপনি উপযুক্ত কোনোকিছুর জন্য কাজ করতে সমর্থ হবেন। এই ধরনের লক্ষ্যগুলো আপনার আধ্যাত্মিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে এবং আপনি যখন আরও বিশেষ সুযোগের জন্য আকাঙ্ক্ষা করেন, তখন আপনাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে মনোযোগ দিতে সমর্থ করবে।—ফিলি. ১:১০, NW; ১ তীম. ৪:১৫, ১৬.

বীজবাপকের দৃষ্টান্তে যিশু জোর দিয়েছিলেন যে, উত্তম ভূমি বিভিন্ন পরিমাণ ফল উৎপাদন করে। তিনি বলেছিলেন: “আর যে উত্তম ভূমিতে উপ্ত, এ সেই, যে সেই বাক্য শুনিয়া তাহা বুঝে, সে বাস্তবিক ফলবান্‌ হয়, এবং কতক শত গুণ, কতক ষাট গুণ, ও কতক ত্রিশ গুণ ফল দেয়।” (মথি ১৩:২৩) আমরা যদি সত্যিই এই কথার অর্থ বুঝতে পারি, তা হলে আমাদের কি নিজেদের বিলিয়ে দেওয়া উচিত নয়, যাতে যিহোবার প্রশংসায় আমরা প্রচুর ফল উৎপাদন করতে পারি? পরিচর্যায় উদ্যোগের সঙ্গে অংশগ্রহণ করার সময় আমরা কি প্রচুর রাজ্যের ফল উৎপন্ন করতে চাই না? আর আমরা কি প্রতিদিন আমাদের জীবনে ঈশ্বরের আত্মার ফল প্রচুররূপে উৎপন্ন করতে চাই না? (যোহন ১৫:২, ৩; গালা. ৫:২২, ২৩) আধ্যাত্মিক লক্ষ্যগুলো থাকা আমাদেরকে এই সমস্তকিছু করতে সাহায্য করতে পারে।

প্রেরিত পৌল ঈশ্বরের প্রতি আমাদের সেবায় আমাদের জন্য অনুকরণযোগ্য এক উত্তম উদাহরণ স্থাপন করেছেন। (১ করি. ১০:৩৩) পৌল যিহোবাকে তার ক্ষমতার যথাসাধ্য সেবা করায় নিজেকে প্রাণপণ বিলিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে, যিহোবার সেবা তাকে অনেক সুযোগ প্রদান করেছে। করিন্থের ভাইদের কাছে পৌল লিখেছিলেন: “আমার সম্মুখে এক দ্বার খোলা রহিয়াছে, তাহা বৃহৎ ও কার্য্যসাধক।” আমাদের ক্ষেত্রেও কি তা সত্য নয়? মণ্ডলীর সঙ্গে বিশেষ করে রাজ্যের সুসমাচার ঘোষণা করার ক্ষেত্রে যিহোবাকে সেবা করার জন্য আমাদের জন্য কি অনেক সুযোগ নেই? কিন্তু, পৌলের মতো আমাদের মনে রাখতে হবে যে, সেই ‘বৃহৎ দ্বারের’ মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সঙ্গে ‘অনেক বিপক্ষের’ মোকাবিলা করাও জড়িত। (১ করি. ১৬:৯) পৌল নিজেকে ক্রমাগত শাসন করার জন্য ইচ্ছুক ছিলেন, ঠিক একজন ক্রীড়াবিদের মতো যার হৃদয়ের আকাঙ্ক্ষা ছিল খেলার সেই মুকুট জয় করা, যে-মুকুট শীঘ্রই ম্লান হয়ে যাবে। লক্ষ করুন যে, পৌল কী বলেছিলেন: “আমার নিজ দেহকে প্রহার করিয়া দাসত্বে রাখিতেছি।” (১ করি. ৯:২৪-২৭) আমাদের কি সেই একই মনোভাব রয়েছে?

অনেকে তাদের বাবামা এবং অন্যদের কাছ থেকে উৎসাহ পেয়েছে বলে আজকে মিশনারি হিসেবে সেবা করছে, তারা জীবনের প্রথম দিকে এমনকি অল্পবয়সি থাকতেই গিলিয়েড ট্রেনিং ও মিশনারি কাজকে ঈশতান্ত্রিক লক্ষ্য হিসেবে স্থাপন করেছে। একইভাবে, আজকে অনেকে যারা বেথেলে সেবা করছে তারা বেথেল সেবাকে একটা লক্ষ্য হিসেবে রেখেছে, হয় তারা অনেক ছোট থাকতেই অথবা তারা যখন প্রথম সুসমাচারের সঙ্গে পরিচিত হয়েছে এবং সেবার এই বিশেষ সুযোগ সম্বন্ধে জানতে পেরেছে, তখন থেকেই।

জীবনের বিভিন্ন ব্যক্তিগত পরিস্থিতি অনুসারে প্রত্যেককে ঈশতান্ত্রিক লক্ষ্যগুলোতে পৌঁছানোর জন্য উৎসাহিত করা হয়েছে। কিছু লক্ষ হতে পারে প্রতি সপ্তাহে ক্ষেত্রের পরিচর্যায় যোগ দেওয়া, একটা গৃহ বাইবেল অধ্যয়ন শুরু ও তা পরিচালনা করা, মণ্ডলীর সভাগুলোর জন্য প্রস্তুত হতে আরও বেশি সময় দেওয়া, সহায়ক অথবা নিয়মিত অগ্রগামী হিসেবে নাম লেখানো, যেখানে বেশি প্রয়োজন, সেখানে সেবা করা, কিংডম হল ও সম্মেলন হল নির্মাণ করা, বেথেলে অথবা মিশনারি ক্ষেত্রে সেবা করা। অবশ্যই, মণ্ডলীর সভাগুলোতে, সম্মেলনে, যিহোবার সাক্ষিদের প্রকাশনায় অন্যান্য ঈশতান্ত্রিক লক্ষ্যগুলোর প্রতিও মনোযোগ আকর্ষণ করানো হতে পারে, যেগুলোকে আপনি হয়তো আপনার নিজের ব্যক্তিগত পরিস্থিতি অনুযায়ী বিবেচনা করতে পারেন ও তাতে পৌঁছানোর চেষ্টা করতে পারেন। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টা হল যে, আপনি অটল থাকুন এবং আপনার পরিচর্যা পূর্ণরূপে সম্পন্ন করুন। আপনি যদি তা করেন, তা হলে আপনি ঈশ্বরকে সম্মান করবেন এবং আপনার চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছাবেন, যা হল চিরকাল যিহোবাকে সেবা করা।—লূক ১৩:২৪; ১ তীম. ৪:৮.

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার