লোকেদেরকে ধর্মান্তরিত করার যে দোষ আমাদের ওপর প্রায়ই চাপানো হয় আমরা কীভাবে তার মোকাবিলা করব?
আমরা বলতে পারি:
▪ “আপনার এই প্রশ্নে আমি বুঝতে পারছি যে আপনি একজন ধর্মমনা ব্যক্তি। দেখুন, আমরা আপনার অনুভূতিকে সম্মান করি আর আমরা আশা রাখি যে আপনিও তা করেন। আসলে আপনার মত লোকেরা যারা ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন তাদের সঙ্গে দেখা করতে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত। লোকেদের সঙ্গে কথা বলতে চাওয়ার পেছনে আমাদের উদ্দেশ্য হল যে আমরা তাদের বিশ্বাসকে শক্তিশালী করতে ও লোকেদের বুঝতে সাহায্য করতে চাই যে মানুষের জন্য ঈশ্বরের একটা উদ্দেশ্য আছে।”
▪ “আসলে, আমরা যতদূর জানি কেউ-ই অন্য একজনকে পরিবর্তিত করতে পারেন না। একজন ব্যক্তি নিজেই নিজেকে পরিবর্তিত করেন। কেউ কি একজন ধূমপায়ীকে ধূমপান বন্ধ করাতে অথবা একজন মদ্যপায়ীকে মদ খাওয়া বন্ধ করাতে পারেন? তাকে নিজেকেই তা করতে হয়। আমরা কেবল তাকে এটুকু বলে সাবধান করতে পারি যে ধূমপান কিংবা মদ্যপান করা তার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।”
▪ “আসলে, আমাদের জীবনযাপনের মান খুবই উচ্চ। আমাদের সংগঠনের একজন সদস্য হতে গেলে একজনকে সৎ ও পরিশ্রমী হতে হবে, তিনি কর ফাঁকি দিতে পারবেন না, মিথ্যা কথা বলতে কিংবা কাউকে ঠকাতে পারবেন না, অশ্লীল কথা বলতে পারবেন না আর একজনকে ঠিক করে তার পরিবারের ভরণপোষণ করতে হবে। কত জন এই পরিবর্তনগুলো করতে ইচ্ছুক হবে বলে আপনি মনে করেন? প্রকৃতপক্ষে, বার বার সাহায্য করার পরও যারা এই উচ্চ মানগুলোকে মেনে চলেন না তাদেরকে সংগঠন থেকে বেরিয়ে যেতে হয়।”
▪ “কিছুজন এইরকম ভেবে থাকেন কিন্তু সত্যি করে আপনার কী মনে হয় যে কেন আমরা এই কাজ করে থাকি। লোকেদের ঘরে আমাদের যাওয়ার উদ্দেশ্য হল তাদেরকে এটা দেখতে সাহায্য করা যে কেন আজকে জগৎ দুর্নীতিতে একেবারে ছেয়ে গিয়েছে। আসলে যে জিনিসটার পরিবর্তন দরকার তা হল এই দুর্নীতিপরায়ণ জগৎ। আপনি কি চান না যে এটা একটা সুন্দর জগতে বদলে যাক? আপনি কি মনে করেন যে এটা ঘটবে?”