ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w৯৯ ১২/১৫ পৃষ্ঠা ১৪-১৯
  • আমরা যেন কখনও বিনাশের জন্য সরে না পড়ি!

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • আমরা যেন কখনও বিনাশের জন্য সরে না পড়ি!
  • ১৯৯৯ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • বিনাশের জন্য সরে পড়া মানে কী
  • সরে পড়ার জন্য খ্রীষ্টানদের যেভাবে চাপ দেওয়া হয়েছিল
  • যে কারণে তাদের কখনও বিনাশের জন্য সরে পড়া উচিত ছিল না
  • কেন আমাদের কখনও বিনাশের জন্য সরে পড়া উচিত নয়
  • আসুন আমরা বিশ্বাসের লোক হই
    ১৯৯৯ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • জীবনের দৌড়ে হাল ছেড়ে দেবেন না!
    ১৯৯৮ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • বিশ্বাসের অভাব সম্পর্কে সতর্ক হোন
    ১৯৯৮ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • যিহোবার আধ্যাত্মিক মন্দিরে উপাসনা করার বিশেষ সুযোগের জন্য কৃতজ্ঞতা দেখান!
    প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য সম্বন্ধে ঘোষণা করে (অধ্যয়ন)—২০২৩
আরও দেখুন
১৯৯৯ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w৯৯ ১২/১৫ পৃষ্ঠা ১৪-১৯

আমরা যেন কখনও বিনাশের জন্য সরে না পড়ি!

“আমরা বিনাশের জন্য সরিয়া পড়িবার লোক নহি।”—ইব্রীয় ১০:৩৯.

১. কোন্‌ পরিস্থিতিতে প্রেরিত পিতর ভয়ের কাছে হার মেনেছিলেন?

প্রেরিতেরা নিশ্চয় খুবই হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলেন, যখন তাদের প্রিয় প্রভু যীশু তাদেরকে বলেছিলেন যে তারা ছিন্নভিন্ন হয়ে পড়বে ও তাঁকে ছেড়ে চলে যাবে। তাদের প্রভুর এত বড় বিপদের সময়ে তারা কীভাবে এমন কাজ করতে পারেন? পিতর খুব জোর গলায় বলেছিলেন: “যদিও সকলে বিঘ্ন পায়, তথাপি আমি পাইব না।” পিতর আসলে একজন সাহসী ব্যক্তি ছিলেন। কিন্তু, যীশুর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে যখন তাঁকে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল তখন পিতর ও অন্যান্য শিষ্যরা ছিন্নভিন্ন হয়ে পড়েছিলেন। এরপর যীশুকে যখন মহাযাজক কায়াফার বাড়িতে জেরা করা হচ্ছিল তখন পিতর খুব অস্থিরভাবে প্রাঙ্গণে অপেক্ষা করছিলেন। ঠাণ্ডা রাত শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পিতরকে হয়তো এই ভয় পেয়ে বসেছিল যে যীশু আর তাঁর সঙ্গে যারা মেলামেশা করেছেন এমন সবাইকে মেরে ফেলা হবে। সেখানে কিছু লোক যখন পিতরকে দেখে যীশুর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু বলে চিনে ফেলেছিল তখন তিনি একেবারে ঘাবড়ে গিয়েছিলেন। তিনি যীশুর সঙ্গে তার কোনরকম সম্পর্ক থাকার কথা তিন বার অস্বীকার করেছিলেন। এমনকি পিতর বলেছিলেন যে তিনি তাঁকে চেনেন না!—মার্ক ১৪:২৭-৩১, ৬৬-৭২.

২. (ক) যীশুকে যে রাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল সেই রাতে পিতরের ভয় পাওয়া কেন তাকে “বিনাশের জন্য সরিয়া পড়িবার লোক” করে তোলেনি? (খ) আমাদের কোন্‌ সংকল্প নেওয়া উচিত?

২ এটা ছিল পিতরের জীবনের একটা দুর্বল মুহূর্ত আর এই মুহূর্তের কথা ভেবে তিনি যে সারা জীবন অনুশোচনা করেছিলেন, সেই বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু, সেই রাতে পিতর যা করেছিলেন তার জন্য কি তাকে কাপুরুষ বলা যায়? এটা কি তাকে এমন এক “লোক” করে তুলেছিল যে সম্বন্ধে পরে প্রেরিত পৌল লিখেছিলেন: “পরন্তু আমরা বিনাশের জন্য সরিয়া পড়িবার লোক নহি”? (ইব্রীয় ১০:৩৯) আমরা প্রায় সবাই স্বীকার করব যে পৌলের এই কথাগুলো পিতরের বেলায় খাটে না। কেন? কারণ পিতরের ভয় ছিল ক্ষণস্থায়ী। তিনি তার জীবনে যে অসীম সাহস ও বিশ্বাস দেখিয়েছিলেন সেই তুলনায় সেটা ছিল এক সামান্য ব্যর্থতা। একইভাবে, আমাদের অনেকের জীবনেই এমন কিছু মুহূর্ত আছে যা মনে করে আমরা হয়তো কিছুটা লজ্জা পাই, যখন আমাদের হয়তো এক অজানা ভয় পেয়ে বসেছিল যাতে করে সত্যের জন্য আমাদের যতটা সাহস দেখানোর দরকার ছিল ততটা আমরা দেখাতে পারিনি। (রোমীয় ৭:২১-২৩ পদের সঙ্গে তুলনা করুন।) এটা জেনে আমরা আশ্বাস পেতে পারি যে ক্ষণিকের জন্য এইরকম সামান্য ব্যর্থতা আমাদেরকে বিনাশের জন্য সরে পড়ার লোক করে তোলে না। তারপরও, আমাদের সংকল্প নেওয়া উচিত যে আমরা যেন কখনও সেরকম লোক না হয়ে পড়ি। কেন? আর এইরকম লোক হওয়া আমরা কীভাবেই বা এড়াতে পারি?

বিনাশের জন্য সরে পড়া মানে কী

৩. ভাববাদী এলিয় ও যোনা কীভাবে ভয়ের কাছে হার মেনেছিলেন?

৩ পৌল যখন “সরিয়া পড়িবার লোক” কথাগুলো লিখেছিলেন তখন তিনি কিছু সময়ের জন্য সাহস হারিয়ে ফেলাকে বোঝাননি। পৌল নিশ্চয়ই পিতরের কথা এবং এইরকম অন্যান্য ঘটনা জানতেন। সাহসী ও স্পষ্টভাষী ভাববাদী এলিয়ও একবার ভয়ের কাছে হার মেনেছিলেন এবং রানি ঈষেবল যখন তাকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছিল তখন তিনি তার জীবন বাঁচানোর জন্য পালিয়ে গিয়েছিলেন। (২ রাজাবলি ১৯:১-৪) ভাববাদী যোনা এর চেয়েও বেশি ভয় পেয়েছিলেন। যিহোবা তাকে হিংস্রতার জন্য কুখ্যাত, দুষ্ট লোকেদের শহর নীনবীতে যেতে বলেছিলেন। কিন্তু যোনা সঙ্গে সঙ্গে নীনবীর প্রায় ৩,৫০০ কিলোমিটার উল্টো দিকে অবস্থিত তর্শীশে যাওয়ার জন্য জাহাজে চড়েছিলেন। (যোনা ১:১-৩) তবুও, এই বিশ্বস্ত ভাববাদীদের অথবা প্রেরিত পিতর কাউকেই সরে পড়ার লোক বলা যায় না। কেন বলা যায় না?

৪, ৫. (ক) ইব্রীয় ১০:৩৯ পদে ‘বিনাশ’ কথার দ্বারা পৌল আসলে কী বোঝাতে চেয়েছেন তা বুঝতে এই প্রসঙ্গ আমাদের কীভাবে সাহায্য করে? (খ) “আমরা বিনাশের জন্য সরিয়া পড়িবার লোক নহি” বলার দ্বারা পৌল কী বোঝাতে চেয়েছিলেন?

৪ পৌল যে কথাগুলো লিখেছেন তা পুরোটা দেখুন: “পরন্তু আমরা বিনাশের জন্য সরিয়া পড়িবার লোক নহি।” (বাঁকা অক্ষরে মুদ্রণ আমাদের।) “বিনাশের” জন্য বলতে তিনি কী বুঝিয়েছিলেন? এটার জন্য তিনি যে গ্রিক শব্দ ব্যবহার করেছেন তা কখনও কখনও চির ধ্বংসকে বোঝায়। পৌলের বলা প্রসঙ্গের সঙ্গে এই অর্থটা মিলে যায়। একটু আগেই পৌল সাবধান করেছিলেন: “সত্যের তত্ত্বজ্ঞান পাইলে পর যদি আমরা স্বেচ্ছাপূর্ব্বক পাপ করি, তবে পাপার্থক আর কোন যজ্ঞ অবশিষ্ট থাকে না, কেবল থাকে বিচারের ভয়ঙ্কর প্রতীক্ষা এবং বিপক্ষদিগকে গ্রাস করিতে উদ্যত অগ্নির চণ্ডতা।”—ইব্রীয় ১০:২৬, ২৭.

৫ তাই পৌল যখন তার খ্রীষ্টান ভাইবোনদের বলেছিলেন যে, “আমরা বিনাশের জন্য সরিয়া পড়িবার লোক নহি,” তখন তিনি বোঝাতে চেয়েছিলেন যে তিনি এবং তার বিশ্বস্ত খ্রীষ্টান পাঠক-পাঠিকারা সংকল্পবদ্ধ ছিলেন যে তারা কখনও যিহোবার পথ থেকে সরে যাবেন না ও তাঁকে সেবা করা বন্ধ করে দেবেন না। কারণ তা করা শুধু চির ধ্বংসের দিকেই নিয়ে যেতে পারে। ঈষ্করিয়োতীয় যিহূদা ছিলেন এমন একজন যিনি বিনাশের জন্য সরে পড়েছিলেন, ঠিক যেমন সত্যের অন্যান্য শত্রুরাও স্বেচ্ছায় যিহোবার আত্মার বিরুদ্ধে কাজ করেছিলেন। (যোহন ১৭:১২; ২ থিষলনীকীয় ২:৩) এরা সেই “ভীরু” ব্যক্তিদের মধ্যে পড়ে যারা রূপক অগ্নিহ্রদে চিরকালের মতো ধ্বংস হয়ে যাবে। (প্রকাশিত বাক্য ২১:৮) না, আমরা কখনও এইরকম লোক হতে চাই না!

৬. শয়তান দিয়াবল আমাদের দিয়ে কোন্‌ কাজ করাতে চায়?

৬ শয়তান দিয়াবল চায় যেন আমরা বিনাশের জন্য সরে পড়ি। ‘সুনিপুণ চাতুরীতে’ ওস্তাদ হওয়ায় সে জানে যে এইরকম ধ্বংসাত্মক কাজ আমাদের ধীরে ধীরে বিনাশের দিকে নিয়ে যায়। (ইফিষীয় ৬:১১, পাদটীকা, NW) সরাসরি তাড়না করে সে যদি তার উদ্দেশ্য হাসিল করতে না পারে, তাহলে সত্য খ্রীষ্টানদের বিশ্বাসকে নষ্ট করে দেওয়ার জন্য সে আরও ধূর্ত চাল খাটায়। সে যিহোবার সাহসী, উদ্যোগী সাক্ষিদের মুখ বন্ধ করে দিতে চায়। আসুন আমরা দেখি যে পৌল যাদের উদ্দেশে লিখেছিলেন, সেই ইব্রীয় খ্রীষ্টানদের বিরুদ্ধে সে কোন্‌ কৌশল ব্যবহার করেছিল।

সরে পড়ার জন্য খ্রীষ্টানদের যেভাবে চাপ দেওয়া হয়েছিল

৭. (ক) যিরূশালেম মণ্ডলীর ইতিহাস কী ছিল? (খ) পৌলের কিছু পাঠক-পাঠিকাদের আধ্যাত্মিক অবস্থা কেমন ছিল?

৭ সাক্ষ্য প্রমাণ দেখায় যে পৌল প্রায় সা.কা. ৬১ সালে ইব্রীয়দের কাছে তার এই চিঠিটা লিখেছিলেন। যিরূশালেম মণ্ডলী ইতিমধ্যেই অনেক খারাপ পরিস্থিতি ভোগ করেছিল। যীশুর মৃত্যুর পর প্রচণ্ড তাড়নার ঢেউ বয়ে গিয়েছিল এবং সেই শহরের অনেক খ্রীষ্টানরা ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শান্তির সময়ও এসেছিল যখন খ্রীষ্টানদের সংখ্যা অনেক বেড়েছিল। (প্রেরিত ৮:৪; ৯:৩১) সময় গড়িয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আবার তাড়না এবং কষ্টকর সময় এসেছিল। পৌল যখন ইব্রীয়দের কাছে এই চিঠি লিখেছিলেন তখন সেই মণ্ডলীতে তুলনামূলকভাবে শান্তির সময় ছিল বলে মনে হয়। তবে, সেখানে বিভিন্ন ধরনের চাপ ছিল। যীশু যখন যিরূশালেমের ধ্বংসের বিষয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন তখন থেকে প্রায় ত্রিশ বছর কেটে গিয়েছিল। আর তাদের মধ্যে কেউ কেউ হয়তো ভেবেছিলেন যে শেষ আসতে শুধু শুধু এত দেরি হচ্ছে এবং তারা বেঁচে থাকতে থাকতে শেষ আসবে না। অন্যরা, বিশেষ করে নতুন বিশ্বাসীদের ওপর তখনও পর্যন্ত কোন বড় তাড়না আসেনি বলে পরীক্ষার সময় যে ধৈর্যের দরকার, সেই সম্বন্ধে তারা কিছু জানতেন না বললেই চলে। (ইব্রীয় ১২:৪) শয়তান নিশ্চয়ই এইরকম অবস্থার সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। সে কোন্‌ ‘সুনিপুণ চাতুরীগুলো’ ব্যবহার করেছিল?

৮. নতুন খ্রীষ্টীয় মণ্ডলীর প্রতি অনেক যিহূদী কোন্‌ মনোভাব দেখিয়েছিল?

৮ যিরূশালেম ও যিহূদিয়ার যিহূদী সমাজ নতুন খ্রীষ্টীয় মণ্ডলীকে অবজ্ঞার চোখে দেখত। পৌলের চিঠি পড়ে, আমরা উদ্ধত যিহূদী ধর্মীয় নেতারা এবং তাদের অনুসারীরা খ্রীষ্টানদেরকে যে বিদ্রূপ করেছিল তার কিছুটা ধারণা পাই। তারা হয়তো বলেছিল: ‘যিরূশালেমে আমাদের শত শত বছরের পুরনো বড় মন্দির আছে! আমাদের একজন মহান মহাযাজক আছেন এবং তার অধীনে আরও অনেক যাজকেরা কাজ করছেন। প্রতিদিন হোমবলি উৎসর্গ করা হয়। আমাদের কাছে ব্যবস্থা আছে যা স্বর্গদূতেরা মোশিকে দিয়েছিলেন আর যখন সেই ব্যবস্থা পালন করা হয়েছিল তখন সীনয় পর্বতে বড় বড় আশ্চর্য ঘটনা ঘটেছিল। আর পূর্বপুরুষদের ধর্ম, যিহূদীধর্ম থেকে সরে আসা এই খ্রীষ্টানেরা নিজেরা এক নতুন দল গড়ে তুলেছে, আমাদের যিহূদী ধর্মের কাছে এরা কিছুই নয়!’ এই ঘৃণাপূর্ণ কথাবার্তা খ্রীষ্টানদের ওপর কীরকম প্রভাব ফেলেছিল? পৌলের চিঠি থেকে বোঝা যায় যে কিছু ইব্রীয় খ্রীষ্টানদের ওপর এটা খুবই খারাপ প্রভাব ফেলেছিল। পৌলের চিঠি একেবারে ঠিক সময়েই তাদের সাহায্যে এসেছিল।

যে কারণে তাদের কখনও বিনাশের জন্য সরে পড়া উচিত ছিল না

৯. (ক) ইব্রীয়দের কাছে লেখা চিঠির মূল বিষয়বস্তু কী? (খ) কোন্‌ অর্থে খ্রীষ্টানেরা যিরূশালেমের চেয়েও ভাল এক মন্দিরে সেবা করেছিলেন?

৯ বিনাশের জন্য সরে না পড়ার পিছনে পৌল যিহূদিয়ার ভাইবোনদের যে দুটো কারণ সম্বন্ধে বলেছিলেন, আসুন আমরা সেগুলো পরীক্ষা করে দেখি। প্রথমটা হল খ্রীষ্টীয় উপাসনা পদ্ধতির শ্রেষ্ঠত্ব, যা ইব্রীয়দের কাছে লেখা তার চিঠির মূল বিষয়বস্তু। পুরো চিঠিতে পৌল এই বিষয়টা নিয়েই আলোচনা করেছেন। যিরূশালেমে যে মন্দির ছিল তা ছিল যিহোবার আত্মিক মন্দিরের এক নমুনা মাত্র যা “অহস্তকৃত।” (ইব্রীয় ৯:১১) ওই খ্রীষ্টানদের যিহোবার আত্মিক মন্দিরে শুদ্ধ উপাসনা করার সুযোগ ছিল। তারা আরও ভাল চুক্তির অধীনে সেবা করতে পেয়েছিলেন, যে নতুন চুক্তির বিষয়ে অনেক দিন ধরে প্রতিজ্ঞা করা হয়েছিল এবং যেটার মধ্যস্থ ছিলেন মোশির চেয়েও শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি, স্বয়ং যীশু খ্রীষ্ট।—যিরমিয় ৩১:৩১-৩৪.

১০, ১১. (ক) যীশুর বংশ বিবরণ কেন তাঁকে আধ্যাত্মিক মন্দিরে মহাযাজক হিসেবে সেবা করার জন্য অযোগ্য করে না? (খ) কোন্‌ অর্থে যীশু যিরূশালেম মন্দিরের মহাযাজকের চেয়ে মহান ছিলেন?

১০ এছাড়াও ওই খ্রীষ্টানদের আরও ভাল এক মহাযাজক, যীশু খ্রীষ্ট ছিলেন। তিনি হারোণের বংশ থেকে আসেননি, কোন অসিদ্ধ রীতি অনুযায়ীও যাজক হননি। বরং তিনি “মল্কীষেদকের রীতি অনুসারে” মহাযাজক ছিলেন। (গীতসংহিতা ১১০:৪) মল্কীষেদকের বংশ বিবরণ সম্বন্ধে বাইবেল কিছু বলে না। বাইবেল শুধু বলে যে তিনি ছিলেন প্রাচীন শালেমের রাজা ও মহাযাজক। একইভাবে যীশু খ্রীষ্টের মহাযাজক পদ কোন অসিদ্ধ মানব পূর্বপুরুষের কাছ থেকে নয় কিন্তু স্বর্গের প্রভু যিহোবা ঈশ্বরের কাছ থেকে এসেছিল। যিহোবা ঈশ্বর নিজে তাঁকে যাজকপদ দেবেন বলে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন। মল্কীষেদকের মতো যীশু শুধু মহাযাজক নন কিন্তু চিরকালীন রাজা।—ইব্রীয় ৭:১১-২১.

১১ এছাড়াও, যিরূশালেম মন্দিরের মহাযাজকের মতো যীশুকে বছর বছর হোমবলি উৎসর্গ করতে হতো না। তাঁর হোমবলি ছিল তাঁর নিজের সিদ্ধ জীবন, যা তিনি চিরকালের জন্য একবারই উৎসর্গ করেছেন। (ইব্রীয় ৭:২৭) মন্দিরে যে সমস্ত হোমবলি উৎসর্গ করা হতো তা যীশু যা উৎসর্গ করেছিলেন তার ছায়া মাত্র ছিল। যারা বিশ্বাস দেখিয়েছিলেন তারা যাতে তাদের পাপ থেকে সত্যিকারের ক্ষমা পান সেইজন্যই এই সিদ্ধ বলিদানের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এছাড়াও, পৌলের কথাগুলো খুবই উৎসাহজনক কারণ তা দেখায় যে এই মহাযাজকও হলেন যীশু, যাঁকে যিরূশালেমের খ্রীষ্টানরা চিনতেন। তিনি ছিলেন নম্র, দয়ালু এবং “আমাদের দুর্ব্বলতাঘটিত দুঃখে দুঃখিত” একজন ব্যক্তি। (ইব্রীয় ৪:১৫; ১৩:৮) ওই অভিষিক্ত খ্রীষ্টানদের খ্রীষ্টের অধীনে যাজক হিসেবে কাজ করার আশা ছিল! কীভাবে তারা কলুষিত যিহূদীধর্মের “দুর্ব্বল অকিঞ্চন” বিষয়ের দিকে আবার সরে পড়ার কথা ভাবতে পারতেন?—গালাতীয় ৪:৯.

১২, ১৩. (ক) কখনও সরে না পড়ার পিছনে দ্বিতীয় কোন্‌ কারণের কথা পৌল বলেছেন? (খ) ধৈর্য ধরার বিষয়ে ইব্রীয় খ্রীষ্টানদের আগেকার ঘটনা কেন তাদেরকে বিনাশের জন্য সরে না পড়তে উৎসাহ দিয়েছিল?

১২ ইব্রীয়রা যাতে কখনও বিনাশের জন্য সরে না পড়ে তার দ্বিতীয় কারণও পৌল বলেছিলেন, যা ছিল তাদের নিজেদের ধৈর্যের বিবরণ। তিনি লিখেছিলেন: “পূর্ব্বকার সেই সময় স্মরণ কর, যখন তোমরা দীপ্তিপ্রাপ্ত হইয়া নানা দুঃখভোগরূপ ভারী সংগ্রাম সহ্য করিয়াছিলে।” পৌল তাদের মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে তারা তিরস্কার ও ক্লেশে “কৌতুকাস্পদ” হয়েছিলেন। কেউ কেউ জেলে গিয়েছিলেন; অন্যেরা তাদের দুঃখে দুঃখী হয়েছিলেন ও তাদের সাহায্য করেছিলেন। হ্যাঁ, তাদের বিশ্বাস ও ধৈর্য সত্যিই দেখার মতো ছিল। (ইব্রীয় ১০:৩২-৩৪) কিন্তু, কেন পৌল তাদের এই দুঃখের অভিজ্ঞতাগুলোকে ‘স্মরণ করতে’ বলেছিলেন? তা করলে কি তারা নিরুৎসাহিত হয়ে পড়বেন না?

১৩ বরং, “পূর্ব্বকার সেই সময় স্মরণ” করা ইব্রীয়দের মনে করিয়ে দেবে যে কীভাবে যিহোবা তাদেরকে পরীক্ষার সময় শক্তি জুগিয়েছিলেন। তাঁর সাহায্যে তারা শয়তানের অনেক বাধাকে প্রতিরোধ করেছিলেন। পৌল লিখেছিলেন: “ঈশ্বর অন্যায়কারী নহেন; তোমাদের কার্য্য, এবং . . . তাঁহার নামের প্রতি প্রদর্শিত তোমাদের প্রেম, এই সকল তিনি ভুলিয়া যাইবেন না।” (ইব্রীয় ৬:১০) হ্যাঁ, যিহোবা তাদের বিশ্বস্ত কাজগুলো মনে রেখেছিলেন, তাঁর বিশাল স্মৃতির ভাণ্ডারে জমা করে রেখেছিলেন। মনে করে দেখুন যে স্বর্গে ধন সঞ্চয় করার বিষয়ে যীশু আমাদেরকে পরামর্শ দিয়েছিলেন। এই ধন কেউ চুরি করতে পারবে না; কোন পোকা বা মরচে সেগুলো ক্ষয় করতে পারবে না। (মথি ৬:১৯-২১) আসলে, এই ধনগুলো একমাত্র তখনই ধ্বংস হবে যদি কোন খ্রীষ্টান বিনাশের জন্য সরে পড়েন। এর ফলে তিনি স্বর্গে যে ধন সঞ্চয় করেছেন তা নষ্ট হয়ে যাবে। ইব্রীয় খ্রীষ্টানেরা যেন কখনও সেই পথে চলতে শুরু না করে তার জন্য কী জোরালো যুক্তিই না পৌল দিয়েছিলেন! তাদের বিশ্বস্ত পরিচর্যার বছরগুলোকে তারা কেন মাটি করবেন? এর চেয়ে বরং ধৈর্য বজায় রাখা আরও অনেক অনেক গুণ ভাল আর তা করাই ঠিক।

কেন আমাদের কখনও বিনাশের জন্য সরে পড়া উচিত নয়

১৪. প্রথম শতাব্দীর খ্রীষ্টানদের মতো আমরা কোন্‌ ধরনের কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হই?

১৪ আজকে সত্য খ্রীষ্টানদেরও সরে না পড়ার পিছনে একইরকম জোরালো কারণ রয়েছে। প্রথমে, আমরা বিশুদ্ধ উপাসনা পদ্ধতি দিয়ে যিহোবা আমাদের যে আশীর্বাদ করেছেন তা মনে করে দেখি। প্রথম শতাব্দীর খ্রীষ্টানদের মতো আমরাও এমন সময়ে বাস করছি যেখানে বিভিন্ন বড় বড় ধর্মের লোকেরা আমাদেরকে টিটকারি দেয় বা উপহাস করে, তাদের উপাসনার বড় বড় জায়গাগুলো সম্বন্ধে গর্ব করে কথা বলে। তারা বলে যে তাদের ধর্মই সবচেয়ে পুরনো ও তাদের রীতিনীতি প্রাচীন কাল থেকে চলে আসছে। কিন্তু যিহোবা আমাদের আশ্বাস দেন যে তিনি আমাদের উপাসনাকে গ্রহণ করেন। সত্যি বলতে কী, আজকে আমরা সেই আশীর্বাদগুলো উপভোগ করি যা প্রথম শতাব্দীর খ্রীষ্টানদের ছিল না। আপনি হয়তো ভাবছেন, ‘তা আবার কীভাবে হতে পারে?’ কারণ আত্মিক মন্দির যখন কার্যকর হয়েছিল তখন তারা বেঁচে ছিলেন। সা.কা. ২৯ সালে খ্রীষ্ট তাঁর বাপ্তিস্মের পর মহাযাজক হয়েছিলেন। আর তাদের মধ্যে কেউ কেউ ঈশ্বরের পুত্রের অলৌকিক কাজও দেখেছিলেন। এমনকি তাঁর মৃত্যুর পরও কিছু অলৌকিক কাজ হয়েছিল। কিন্তু, ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী, এই বরগুলো ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।—১ করিন্থীয় ১৩:৮.

১৫. আজকে খ্রীষ্টানেরা কোন্‌ ভবিষ্যদ্বাণীর পরিপূর্ণতার সময়ে বাস করছেন আর তা আমাদের জন্য কী অর্থ রাখে?

১৫ আজকে আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি যখন যিহিষ্কেল ৪০-৪৮ অধ্যায়েa দেওয়া যিহোবার আত্মিক মন্দির সম্বন্ধীয় ভবিষ্যদ্বাণী বড় আকারে পরিপূর্ণ হচ্ছে। এর মাধ্যমে আমরা বিশুদ্ধ উপাসনাকে পুনর্স্থাপন করতে ঈশ্বরের ব্যবস্থাকে দেখেছি। ওই আত্মিক মন্দির সকল প্রকার ধর্মীয় কলুষতা ও প্রতিমাপূজাকে পরিষ্কার করেছে। (যিহিষ্কেল ৪৩:৯; মালাখি ৩:১-৫) এই পরিষ্কারের কাজ আমাদের যে উপকারগুলো করেছে তা একবার ভেবে দেখুন।

১৬. প্রথম শতাব্দীর খ্রীষ্টানেরা কোন্‌ হতাশাজনক পরিস্থিতির মোকাবিলা করেছিলেন?

১৬ প্রথম শতাব্দীতে, সংগঠিত খ্রীষ্টীয় মণ্ডলীর ভবিষ্যৎ অন্ধকার ছিল বলে মনে হয়েছিল। যীশু ভাববাণী করেছিলেন যে এটা নতুন বোনা গমের জমির মতো হবে যেখানে আগাছার বীজও বোনা হবে আর পরে যখন চারা জন্মাবে তখন আগাছা থেকে গম আলাদা করা যাবে না। (মথি ১৩:২৪-৩০) আর ঠিক তাই হয়েছিল। প্রথম শতাব্দীর শেষ দিকে, বৃদ্ধ প্রেরিত যোহন শেষ ব্যক্তি হিসেবে কলুষতাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন কিন্তু ধর্মভ্রষ্টতা ইতিমধ্যেই জাঁকিয়ে বসেছিল। (২ থিষলনীকীয় ২:৬; ১ যোহন ২:১৮) প্রেরিতদের মৃত্যুর পরপরই এক নতুন যাজকগোষ্ঠীর উদ্ভব হয়েছিল, যারা পালের ওপর অত্যাচার করেছিল এবং যারা বিশেষ ধরনের পোশাক পরত। ধর্মভ্রষ্টতা কুষ্ঠরোগের মতো সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়ছিল। বিশ্বস্ত খ্রীষ্টানদের তা কতই না হতাশ করেছিল! তারা দেখেছিলেন যে বিশুদ্ধ উপাসনার নতুন ব্যবস্থা কলুষতায় ভরে গিয়েছিল। খ্রীষ্ট মণ্ডলী গঠন করার একশ বছরেরও কম সময়ের মধ্যেই তা হয়েছিল।

১৭. কোন্‌ অর্থে আধুনিক দিনের খ্রীষ্টীয় মণ্ডলী প্রথম শতাব্দীর মণ্ডলীর চেয়েও বেশি দিন টিকে আছে?

১৭ এখন এর উল্টো অবস্থাটা বিবেচনা করুন। প্রেরিতদের মৃত্যুর পর যতদিন পর্যন্ত বিশুদ্ধ উপাসনা টিকে ছিল, আজকে তার চেয়েও বেশি সময় ধরে টিকে আছে! সেই ১৮৭৯ সালে যখন এই পত্রিকার প্রথম সংখ্যা ছাপানো হয়েছিল তখন থেকেই যিহোবা আমাদের উপাসনাকে দিন দিন আশীর্বাদ করেছেন আর এই বিশুদ্ধ উপাসনা বেড়েই চলেছে। যিহোবা ও যীশু খ্রীষ্ট ১৯১৮ সালে আত্মিক মন্দিরকে পরিষ্কার করার জন্য মন্দিরে প্রবেশ করেছিলেন। (মালাখি ৩:১-৫) সেই ১৯১৯ সাল থেকে যিহোবা ঈশ্বরের উপাসনা পদ্ধতি বিশোধিত হয়েছে। বাইবেলের ভবিষ্যদ্বাণী এবং নীতিগুলো আমাদের কাছে আরও পরিষ্কার হয়েছে। (হিতোপদেশ ৪:১৮) কিন্তু, এই সমস্ত কিছুর পিছনে কৃতিত্ব কার? এই অসিদ্ধ মানুষদের নয়। একমাত্র যিহোবা এবং মণ্ডলীর মস্তক তাঁর পুত্রই এই কলুষিত সময়ে তাঁর লোকেদেরকে কলুষতা থেকে রক্ষা করতে পারেন। আর আজকে যিহোবা আমাদের বিশুদ্ধ উপাসনায় অংশ নেওয়ার যে সুযোগ করে দিয়েছেন তার জন্য আসুন আমরা যেন কখনও যিহোবাকে ধন্যবাদ দিতে ভুলে না যাই। আর আসুন আমরা এই সংকল্প নিই যে আমরা কখনও বিনাশের জন্য সরে পড়ব না!

১৮. কখনও বিনাশের জন্য সরে না পড়ার কোন্‌ কারণ আমাদের আছে?

১৮ ভয় পেয়ে বিপথে যাওয়া আমাদেরও উচিত নয়। সেই ইব্রীয় খ্রীষ্টানদের মতো বিপথে না যাওয়ার জন্য আমাদেরও কারণ রয়েছে আর তা হল আমাদের নিজেদের ধৈর্যের বিবরণ। আমরা কয়েক বছর ধরে যিহোবাকে সেবা করছি বা বহু বছর ধরে করে আসছি যেটাই হোক না কেন, আমরা খ্রীষ্টীয় কাজের এক নথি গড়ে তুলেছি। আমরা অনেকেই তাড়না সহ্য করেছি, হতে পারে তা জেল খাটা, নিষেধাজ্ঞা, নিষ্ঠুরতা অথবা সম্পত্তির ক্ষতি! অনেকেই পরিবারের বিরোধিতা, উপহাস, বিদ্রূপ এবং উদাসীনতার শিকার হয়েছেন। আমরা সবাই ধৈর্য ধরেছি, জীবনের বিভিন্ন কঠিন পরিস্থিতি ও পরীক্ষা সত্ত্বেও আমরা যিহোবাকে বিশ্বস্তভাবে সেবা করে যাচ্ছি। তা করে আমরা ধৈর্যের এক নথি গড়ে তুলেছি যা যিহোবা কখনও ভুলে যাবেন না আর তা স্বর্গে ধনের এক ভাণ্ডার। অতএব, এটা পরিষ্কার যে কলুষিত পুরনো বিধিব্যবস্থা যা আমরা পিছনে ফেলে এসেছি তার দিকে সরে পড়ার সময় এখন নয়! আমাদের সব কঠোর পরিশ্রমকে আমরা কেন মাটি করব? আর বিশেষ করে যখন আজকে এই কথাটা সত্য যে শেষের আগে “আর অতি অল্প কাল বাকী অছে।”—ইব্রীয় ১০:৩৭.

১৯. আমাদের পরের প্রবন্ধে কোন্‌ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে?

১৯ হ্যাঁ, আসুন আমরা দৃঢ়সংকল্প হই যে “আমরা বিনাশের জন্য সরিয়া পড়িবার লোক নহি”! বরং আসুন আমরা “প্রাণের রক্ষার জন্য বিশ্বাসের লোক” হই। (ইব্রীয় ১০:৩৯) কীভাবে আমরা নিশ্চিত হতে পারি যে এই বর্ণনা আমাদের বেলায় খাটে আর তা করার জন্য আমাদের খ্রীষ্টান ভাইবোনদের আমরা কীভাবে সাহায্য করতে পারি? আমাদের পরের প্রবন্ধে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে।

[পাদটীকাগুলো]

a ১৯৯৯ সালের ১লা মার্চ সংখ্যার প্রহরীদুর্গ এর ৮-২৩ পৃষ্ঠা দেখুন।

আপনার কি মনে আছে?

◻ বিনাশের জন্য সরে পড়ার মানে কী?

◻ প্রেরিত পৌল যাদের কাছে লিখেছিলেন সেই ইব্রীয় খ্রীষ্টানদের কোন্‌ কোন্‌ চাপ ছিল?

◻ বিনাশের জন্য সরে না পড়ার জন্য পৌল ইব্রীয় খ্রীষ্টানদের কোন্‌ কারণগুলোর কথা বলেছিলেন?

◻ বিনাশের জন্য কখনও সরে না পড়তে সংকল্পবদ্ধ হওয়ার পিছনে কোন্‌ কারণগুলো আমাদের আছে?

[১৫ পৃষ্ঠার চিত্র]

ভয়ের কাছে হার মানা পিতরকে “বিনাশের জন্য সরিয়া পড়িবার লোক” করে তোলেনি

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার