বিশেষজ্ঞরা বাইবেলের একটি পাণ্ডুলিপির নতুন তারিখ নির্ণয় করেন
জার্মানির প্যাপিরাস পাণ্ডুলিপির বিশেষজ্ঞ, কার্স্টেন পিটার টেডের মতানুসারে, মথি লিখিত সুসমাচারের তিনটি প্যাপিরাস খণ্ড (যা ম্যাগডেলিন প্যাপিরাস নামে পরিচিত) যে প্রথম শতাব্দীতেই লেখা হয়েছিল তার জোরালো প্রমাণ রয়েছে।
টেডে মিশরে পাওয়া খুব পুরনো একটি ব্যবসায়িক চিঠির সঙ্গে এই খণ্ডগুলিকে (যার মধ্যে মথি ২৬ অধ্যায়ের কিছু অংশ আছে) মিলিয়ে দেখেছিলেন। তিনি লক্ষ্য করেছিলেন যে মিশরীয় দলিলটি “দেখতে ম্যাগডেলিন প্যাপিরাসের মতো একইরকম আর অক্ষরের আকার ও গঠনের দিক দিয়ে ম্যাগডেলিন প্যাপিরাসের সঙ্গে হুবুহু মিলে যায়।” টেডে এবং তার সহলেখক ম্যাথিউ ডি আনকোনা, যীশুর প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী—সুসমাচারগুলির উৎস সম্বন্ধে নতুন পাণ্ডুলিপির বিস্ময়কর সাক্ষ্য (ইংরাজি) নামক বইয়ের শেষে এই কথা বলেন যে দুটি দলিলে যে মিল দেখতে পাওয়া যায় তার থেকে বোঝা যায় যে সেগুলি প্রায় একই সময়ে লেখা হয়েছিল। কখন? ব্যবসায়িক দলিলটি “‘নিরো সম্রাটের ১২তম বছর—ইপিফ ৩০-এ’ লেখা হয়েছিল যেটি আমাদের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী [সা.কা.] ৬৬ সালের জুলাই মাস।”
অধ্যাপক ফিলিপ ডব্লিউ. কমফোর্ট, টিনডেল বুলেটিন নামক বইয়ের একটি প্রবন্ধে মন্তব্য করেন, “এই তারিখটি সঠিক হলে তা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এই তারিখ থেকে বোঝা যায় যে মথি লিখিত সুসমাচারের পাণ্ডুলিপিটি ঠিক সেই শতাব্দীর, যে শতাব্দীতে সুসমাচারের বইটি লেখা হয়েছিল।” এছাড়াও, এই তারিখটি ঠিক হলে ম্যাগডেলিন প্যাপিরাসটি পাণ্ডুলিপিগুলির মধ্যে সবচেয়ে পুরনো বলে চিহ্নিত হবে।
[২৯ পৃষ্ঠার চিত্র]
ম্যাগডেলিন প্যাপিরাসের আসল আকার
[সজন্যে]
By permission of the President and Fellows of Magdalen College, Oxford