ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w৯৮ ৮/১ পৃষ্ঠা ৩০
  • পাঠকদের থেকে প্রশ্নসকল

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • পাঠকদের থেকে প্রশ্নসকল
  • ১৯৯৮ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • ভূতগ্রস্ত বালকের আরোগ্যলাভ
    সর্বমহান পুরুষ যিনি কখনও জীবিত ছিলেন
  • পাঠক-পাঠিকাদের থেকে প্রশ্নসকল
    ২০০৩ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
১৯৯৮ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w৯৮ ৮/১ পৃষ্ঠা ৩০

পাঠকদের থেকে প্রশ্নসকল

মথি ১৭:২০ পদ অনুসারে প্রেরিতেরা ‘তাহাদের বিশ্বাস অল্প বলিয়া’ একটি দুর্দশাগ্রস্ত বালককে সুস্থ করতে পারেননি। কিন্তু মার্ক ৯:২৯ পদে তাদের অক্ষমতাকে প্রার্থনা করার প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। বিভিন্ন সুসমাচারের বিবরণে কেন ভিন্ন ভিন্ন কারণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে?

আসলে, দুটি বিবরণই পরিপূরক, পরস্পর-বিরোধী নয়। প্রথমে মথি ১৭:১৪-২০ পদ দেখুন। একজন লোক বিবৃতি দিয়েছিলেন যে তার পুত্র মৃগীরোগগ্রস্ত কিন্তু শিষ্যেরা সেই বালকটিকে সুস্থ করতে পারেননি। এরপর যীশু বালকটির মধ্যে থেকে ভূত ছাড়ানোর মাধ্যমে বালকটিকে সুস্থ করেছিলেন, যেটি তাকে যন্ত্রণা দিচ্ছিল। শিষ্যেরা জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে কেন তারা ভূতটিকে ছাড়াতে পারেননি। মথির বিবরণ অনুযায়ী যীশু উত্তর দিয়েছিলেন: “তোমাদের বিশ্বাস অল্প বলিয়া; কেননা আমি তোমাদিগকে সত্য কহিতেছি, যদি তোমাদের একটী সরিষা-দানার ন্যায় বিশ্বাস থাকে, তবে তোমরা এই পর্ব্বতকে বলিবে, ‘এখান হইতে ঐখানে সরিয়া যাও,’ আর ইহা সরিয়া যাইবে; এবং তোমাদের অসাধ্য কিছুই থাকিবে না।” (বাঁকা অক্ষরে মুদ্রণ আমাদের।)

এখন মার্ক ৯:১৪-২৯ পদ খুলুন, যেখানে আমরা আরও বিস্তারিত বর্ণনা পাই। উদাহরণস্বরূপ, মার্ক ৯:১৭ পদের বিস্তারিত বর্ণনাটি উল্লেখ করে যে এই ক্ষেত্রে মৃগীরোগ একটি অশুচি আত্মার কারণে হয়েছিল। এটি লক্ষণীয় বিষয় যে বাইবেল বলে অন্যান্য স্থানেও যীশু মৃগীরোগী এবং ভূতগ্রস্ত লোকেদের সুস্থ করেছিলেন। (মথি ৪:২৪) এই স্বতন্ত্র পরিস্থিতিতে আকস্মিক আক্রমণ “বধির গোঁগা আত্মা” অর্থাৎ একটি দুষ্ট আত্মার কারণে হয়েছিল যে তথ্যটি চিকিৎসক লূক নিশ্চিত করেন। (লূক ৯:৩৯; কলসীয় ৪:১৪) মার্ক ৯:১৮ পদে বাক্যাংশটি লক্ষ্য করুন, “সেটী [ভূত] তাহাকে যেখানে ধরে।” অর্থাৎ বালকটি সর্বদা ভূতের দ্বারা নাজেহাল হত না কিন্তু মাঝে মাঝে হত। তবুও, শিষ্যেরা ভূতটিকে বের করতে পারেননি ফলে বালকটিকে সুস্থও করতে পারেননি। তারা যখন জিজ্ঞাসা করেছিলেন কেন, যীশু উত্তর দিয়েছিলেন: “প্রার্থনা ভিন্ন আর কিছুতেই এই জাতি বাহির হয় না।”

মার্কের বিবরণটি মনোযোগের সঙ্গে পাঠ করলে তা দেখায় যে মথি যা লিপিবদ্ধ করেছেন তার সঙ্গে প্রকৃতপক্ষে এখানে কোন দ্বন্দ্ব নেই। মার্ক ৯:১৯ পদে আমরা পড়ি যে যীশু সেই বংশের অবিশ্বাসের জন্য শোক করেছিলেন। আর ২৩ পদে লিপিবদ্ধ করা আছে যে তিনি সেই বালকের পিতাকে বলেছিলেন: “যে বিশ্বাস করে, তাহার পক্ষে সকলই সাধ্য।” অতএব, মার্কও বিশ্বাসের গুরুত্বকে জোর দেন। কেবল ২৯ পদে, মার্ক এক অতিরিক্ত বর্ণনা প্রদান করেন। যীশু প্রার্থনার বিষয়ে যা বলেছিলেন তা মার্ক যুক্ত করেন, যে বিষয়টি মথি বা লূক কেউই করেননি।

তাহলে, আমরা কী বলতে পারি? অন্যান্য ঘটনায় ১২ জন প্রেরিত এবং ৭০ জন্য শিষ্য উভয়েই দুষ্ট আত্মাদের বের করেছিলেন। (মার্ক ৩:১৫; ৬:১৩; লূক ১০:১৭) কিন্তু এই ক্ষেত্রে শিষ্যেরা ভূতটিকে ছাড়াতে পারেননি। কেন? বিভিন্ন বিবরণে উল্লেখিত বিস্তারিত বর্ণনাগুলিকে যদি আমরা একত্র করি তাহলে আমরা অবশ্যই উপসংহার করতে পারি যে তারা এই ক্ষেত্রে তা করার জন্য প্রস্তুত ছিলেন না। কোন্‌ জাতির ভূত জড়িত ছিল সম্ভবত সেটিও ছিল আংশিক সমস্যা, কারণ মনে হয় যে ভূতদের বিভিন্ন ব্যক্তিত্ব, আগ্রহ এবং এমনকি ক্ষমতা রয়েছে। এর সঙ্গে বিশেষভাবে দৃঢ় বিশ্বাস এবং ঈশ্বরের সাহায্যের জন্য ঐকান্তিক প্রার্থনার প্রয়োজন ছিল। যীশুর অবশ্যই সেইধরনের বিশ্বাস ছিল। এছাড়া প্রার্থনা শ্রবণকারী অর্থাৎ তাঁর পিতার সাহায্য তাঁর ছিল। (গীতসংহিতা ৬৫:২) ভূতটিকে বের করার দ্বারা যীশু কেবল সেই দুর্দশাগ্রস্ত বালকটিকে আরোগ্য করতেই পারতেন না কিন্তু তিনি তা করেছিলেন।

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার