ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w৯৮ ৪/১ পৃষ্ঠা ৩-৫
  • পরিবার—এক সংকটজনক অবস্থা!

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • পরিবার—এক সংকটজনক অবস্থা!
  • ১৯৯৮ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • হুমকিটি কী?
  • একক অভিভাবক পরিবারগুলি বৃদ্ধিরত
  • ভালবাসা নেই এমন এক বিয়ের ফাঁদে আটকা পড়া
    ২০০১ সচেতন থাক!
১৯৯৮ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w৯৮ ৪/১ পৃষ্ঠা ৩-৫

পরিবার—এক সংকটজনক অবস্থা!

“তারপর তারা সুখে শান্তিতে বাস করতে লাগল।” রূপকথার এই সমাপ্তি আজকের দিনে খুবই অল্প কয়েকটি বিবাহের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ‘উভয়ে যতদিন বেঁচে থাকব সুখে দুঃখে’ একে অপরকে ভালবাসব, বিবাহের এই অঙ্গীকারটি আজ প্রায়ই কেবল এক কৃত্রিম বাগাড়ম্বরপূর্ণ উক্তি। একটি সুখী পরিবারের সম্ভাবনা মনে হয় যেন এক জুয়া যাতে হেরে যাওয়ার ঝুঁকিগুলি খুবই প্রবল।

প্রাচ্যের অধিকাংশ শিল্পসমৃদ্ধ দেশগুলিতে ১৯৬০ থেকে ১৯৯০ সালের মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদের হার দ্বিগুণের চেয়েও বৃদ্ধি পেয়েছিল। কিছু দেশে সেগুলি চতুর্গুণ বৃদ্ধি পেয়েছিল। উদাহরণস্বরূপ, সুইডেনে প্রতি বছর প্রায় ৩৫,০০০ বিবাহ সংঘটিত হয়ে থাকে এবং সেগুলির প্রায় অর্ধেকই ভেঙ্গে যায় যা ৪৫,০০০ এরও বেশি সন্তানদের উপর প্রভাব ফেলে। এছাড়াও হাজার হাজার সন্তানদের ক্ষতিসাধন করে বিবাহ ছাড়া বসবাসকারী দম্পতিদের বিচ্ছেদ এমনকি আরও অধিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশ্বের সর্বত্র এক অনুরূপ প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যেমন পাঁচ পৃষ্ঠায় দেওয়া বাক্স থেকে দেখা যেতে পারে।

এটি সত্য যে, বিভক্ত পরিবার এবং বিবাহের অবসান ইতিহাসে নতুন নয়। সা.কা.পূ. অষ্টাদশ শতাব্দীর হাম্মুরাবির প্রচলিত নিয়ম সেই আইনগুলি অন্তর্ভুক্ত করে যা বাবিলনিয়ায় বিবাহবিচ্ছেদকে অনুমোদন করেছিল। এমনকি সা.কা.পূ. ষোড়শ শতাব্দীতে প্রবর্তিত মোশির ব্যবস্থাও ইস্রায়েলে বিবাহবিচ্ছেদকে অনুমোদন করেছিল। (দ্বিতীয় বিবরণ ২৪:১) কিন্তু, পারিবারিক বন্ধন এই বিংশ শতাব্দীর মত আর কখনও এতটা ভঙ্গুর ছিল না। এক দশকের কিছু বেশি আগে সংবাদপত্রের এক বিভাগীয় লেখক লিখেছিলেন: “আজ থেকে পঞ্চাশ বছরের মধ্যে পরম্পরাগত অর্থে আমাদের হয়ত কোন পরিবারই থাকবে না। সেগুলি হয়ত বিভিন্ন প্রকারের দলগুলি দ্বারা স্থানান্তরিত হবে।” আর মনে হয় যেন তারপর থেকেই এই প্রবণতা তার ধারণাকে দৃঢ়ভাবে নিশ্চিত করেছে। পরিবার নামক প্রতিষ্ঠানটির অবনতি এত দ্রুত ঘটে চলেছে যে “এটি কি রক্ষা পাবে?” এই প্রশ্নটি ক্রমবর্ধিষ্ণুভাবে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে।

অনেক দম্পতির পক্ষে একে অপরের প্রতি আসক্ত থাকা এবং এক ঐক্যবদ্ধ পরিবার বজায় রাখা কেন অত্যন্ত কঠিন? তাদের রহস্যটি কী যারা এক দীর্ঘ জীবনকালব্যাপী পরস্পরের প্রতি আসক্ত থেকেছেন ও আনন্দের সাথে তাদের বিবাহ বার্ষিকীর রজত ও সুবর্ণ জয়ন্তীগুলি উদ্‌যাপন করেছেন? প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ্য, ১৯৮৩ সালে একটি বিবৃতি জানিয়েছিল যে প্রাক্তন সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র আজারবাইজানে একজন পুরুষ ও মহিলা তাদের ১০০তম বিবাহ বার্ষিকী উদ্‌যাপন করেছিলেন—১২৬ এবং ১১৬ বছর বয়সে।

হুমকিটি কী?

অনেক দেশে আইনসম্মত বিবাহবিচ্ছেদের কয়েকটি ভিত্তি হল ব্যভিচার, মানসিক অথবা শারীরিক নির্যাতন, পালিয়ে যাওয়া, মদ্যাসক্তি, পুরুষত্বহীনতা, মানসিক ভারসাম্যহীনতা, একাধিক বিবাহ এবং মাদকাসক্তি। কিন্তু, আরও সাধারণ কারণটি হল যে বিবাহ এবং পারম্পরিক পরিবার জীবন সম্বন্ধে মৌলিক ধারণার আমূল পরিবর্তন হয়েছে, বিশেষভাবে সাম্প্রতিক দশকগুলিতে। বহুকাল ধরে পবিত্র বলে গণ্য হয়ে আসা ব্যবস্থাটির প্রতি সম্মান লোপ পেয়েছে। সংগীত, চলচ্চিত্র, টিভির ধারাবাহিক অনুষ্ঠানের লোভী প্রযোজকেরা ও জনপ্রিয় সাহিত্যাদি তথাকথিত যৌন স্বাধীনতা, অনৈতিকতা, অভদ্র আচরণ এবং এক আত্ম-কেন্দ্রিক জীবনধারাকে প্রশ্রয় দিয়েছে। তারা এমন এক কৃষ্টিকে উন্নীত করেছে যা যুবক ও বৃদ্ধ উভয়ের মন ও হৃদয়কে সমভাবে কলুষিত করেছে।

১৯৯৬ সালের একটি তালিকা দেখিয়েছিল যে শতকরা ২২ ভাগ আমেরিকাবাসী বলেন, বিবাহের বাইরে সহবাস একটি বিবাহের জন্য কখনও কখনও উপকারী হতে পারে। সুইডেনের সর্ববৃহৎ সংবাদপত্রগুলির একটির এক বিশেষ সংখ্যা, এফ্‌টোনব্লেডেট নারীদের বিবাহবিচ্ছেদ করার জন্য পরামর্শ দিয়েছিল কারণ “একমাত্র এটিই সর্বোত্তম পথ হতে পারে।” এমনকি কয়েকজন বিখ্যাত মনোবিজ্ঞানী ও নৃবিজ্ঞানী অনুমান করেছিলেন যে কয়েক বছর অন্তর অন্তর তার সাথী পরিবর্তনের জন্য মানুষ ক্রমবিবর্তনের মাধ্যমেই “পরিকল্পিত।” অন্য কথায় তারা পরামর্শ দিয়েছেন যে বিবাহের বাইরে সহবাস ও বিবাহবিচ্ছেদ স্বাভাবিক। এমনকি কেউ কেউ এই যুক্তি দেখান যে পিতামাতাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়ত সন্তানদের জন্য ভাল হতে পারে, কারণ সেটি ভবিষ্যতে তাদের নিজেদের বিবাহবিচ্ছেদের সাথে মোকাবিলা করতে তাদের প্রস্তুত করবে!

অনেক যুবক-যুবতী এখন আর বাবা, মা ও সন্তানদের নিয়ে গঠিত পারম্পরিক পারিবারিক জীবনে বাস করার আকাঙ্ক্ষা পোষণ করে না। “একই সাথীর সাথে চিরকাল বাস করার কথা আমি কল্পনাই করতে পারি না,” হচ্ছে একটি জনপ্রিয় দৃষ্টিভঙ্গি। “বিবাহ বড়দিনের মত, কেবল এক রূপকথা। আমি এতে একেবারেই বিশ্বাসী নই,” ১৮ বছর বয়স্ক এক ড্যানিশ যুবক বলেছিল। “অনুভূতিটি হল, কেন [পুরুষদের] সাথে বাস করা ও তাদের মোজা কেচে মরা,” আয়ারল্যান্ডের জাতীয় নারী পরিষদের নরেন বার্ন ঘোষণা করেছিলেন। “কোন প্রকার প্রতিশ্রুতি ছাড়াই কেবল তাদের সঙ্গ উপভোগ করুন। . . . এক বিরাট সংখ্যক নারী সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন যে বেঁচে থাকার জন্য তাদের কোন পুরুষের প্রয়োজন নেই।”

একক অভিভাবক পরিবারগুলি বৃদ্ধিরত

ইউরোপের সর্বত্র এই মনোভাবটি তড়িৎগতিতে একক মাতৃত্বকে দ্রুত বৃদ্ধির দিকে পরিচালিত করেছে। এই একক পিতামাতাদের কেউ কেউ কিশোর বয়সী যারা মনে করে যে অপরিকল্পিত গর্ভসঞ্চার কোন ভুল নয়। কিছু মহিলা একা তাদের সন্তানকে প্রতিপালন করতে চান। অধিকাংশ মায়েরা বিবাহ করার কোন পরিকল্পনা ছাড়াই সন্তানের বাবার সাথে কিছু সময়ের জন্য স্বামী-স্ত্রীরূপে সহবাস করেন। গত বছর নিউজউইক পত্রিকা “বিবাহের মৃত্যু?” প্রশ্নটির উপর একটি প্রচ্ছদ কাহিনী প্রকাশ করেছিল। এটি উল্লেখ করেছিল যে ইউরোপে বিবাহের বাইরে শিশুদের জন্ম দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে আর দেখা যায় যে তাদের যত্ন নেওয়ার মত কেউ নেই। এই তালিকায় সুইডেন হয়ত শীর্ষ স্থানে আছে, যেখানে শতকরা ৫০ ভাগ শিশুই বিবাহের বাইরে জন্মগ্রহণ করে। ডেনমার্ক ও নরওয়েতে শতকরা প্রায় ৫০ ভাগ এবং ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডে প্রায় তিনটির মধ্যে একটি শিশু বিবাহের বাইরে জন্ম নেয়।

গত কয়েক দশকে যুক্তরাষ্ট্রে, পিতামাতাসহ পরিবারগুলির সংখ্যা নাটকীয় হারে হ্রাস পেয়েছে। একটি বিবৃতি বলে: “১৯৬০ সালে, . . . সমস্ত সন্তানদের শতকরা নয় ভাগ একক অভিভাবক পরিবারে বাস করত। ১৯৯০ সালের মধ্যে সেই সংখ্যা শতকরা ২৫ ভাগে বৃদ্ধি পেয়েছিল। আজকে, আমেরিকার সমস্ত সন্তানদের শতকরা ২৭.১ ভাগ একক অভিভাবক গৃহে জন্মগ্রহণ করে, যে সংখ্যাটি কেবলই বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। . . . ১৯৭০ সাল থেকে একক অভিভাবক পরিবারগুলির সংখ্যা দ্বিগুণের চেয়েও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। পারম্পরিক পরিবার আজকে এতটাই হুমকির সম্মুখীন যে এটি ধ্বংসের প্রান্তসীমায় এসে উপস্থিত হয়েছে, কিছু গবেষকেরা বলেন।”

যে দেশগুলিতে রোমান ক্যাথলিক গির্জা তার নৈতিক কর্তৃত্বকে অনেকখানি হারিয়ে ফেলেছে, সেখানে একক অভিভাবক পরিবারগুলির সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। ইতালির অর্ধেকের চেয়েও কমসংখ্যক পরিবারগুলি মা, বাবা ও সন্তানদের নিয়ে গঠিত আর পারম্পরিক পরিবার নিঃসন্তান দম্পতি এবং একক অভিভাবক নিয়ে গড়ে ওঠা পরিবারগুলির দ্বারা স্থানান্তরিত হয়েছে।

কিছু দেশে নাগরিক কল্যাণ ব্যবস্থা লোকেদের প্রকৃতপক্ষে বিবাহ না করার জন্য উৎসাহ দেয়। একক মায়েরা যারা সামাজিক সাহায্য পান, তারা সেটি থেকে বঞ্চিত হবেন যদি তারা বিবাহ করেন। ডেনমার্কে একক মায়েরা সন্তান প্রতিপালনের জন্য অতিরিক্ত অর্থ পান এবং কিছু সম্প্রদায়ে অপ্রাপ্তবয়স্ক মায়েরা অতিরিক্ত নগদ অর্থ পান ও তাদের বাড়িভাড়া পরিশোধ করা হয়। অতএব, অর্থ জড়িত। আল্ফ বি. ভেন্সসন দাবি করেন যে সুইডেনে বিবাহবিচ্ছেদের কারণে কর দাতাদের রাজস্ব, গৃহ ভাতা ও সামাজিক সহযোগিতা বাবদ ২৫০ হাজার থেকে ৩৭৫ হাজার ডলার মূল্য দিতে হয়।

পরিবারগুলির এই ধ্বংসাত্মক প্রবণতার বিরুদ্ধে খ্রীষ্টীয় জগতের গির্জাগুলি মনে হয় যেন খুব অল্পই বা বলতে গেলে কোন চেষ্টাই করে না। অনেক পুরোহিত ও পাদ্রিরা তাদের নিজেদের পরিবারের সংকটের সাথে সংগ্রাম করছেন, ফলে অন্যদের সাহায্য করার ক্ষেত্রে তারা নিজেদের অযোগ্য বোধ করেন। এমনকি কেউ কেউ বিবাহবিচ্ছেদকে সমর্থন করেন। ১৯৯৬ সালের ১৫ই এপ্রিলের এফ্‌টোনব্লেডেট বিবৃতি দিয়েছিল যে ইংল্যান্ডের ব্রেডফোর্ডের পুরোহিত স্টিভেন অ্যালেন এক বিশেষ বিবাহবিচ্ছেদ অনুষ্ঠান উদ্‌যাপন করা স্থির করেছিলেন, যেটি সম্বন্ধে তিনি পরামর্শ দেন যে তা সকল ব্রিটিশ গির্জাগুলিতে এক আধিকারিক কার্যক্রম হিসাবে কাজ করবে। “এটি একটি সান্ত্বনাদায়ক প্রক্রিয়া যা তাদের প্রতি যা ঘটেছে তা মেনে নিতে তাদের সাহায্য করবে। এটি তাদের উপলব্ধি করতে সাহায্য করবে যে ঈশ্বর এখনও তাদের ভালবাসেন এবং যন্ত্রণা থেকে তাদের উদ্ধার করেন।”

সুতরাং পরিবার ব্যবস্থা কোন্‌ দিকে অগ্রসর হচ্ছে? এটির রক্ষা পাওয়ার কি কোন আশা আছে? এইধরনের এক ব্যাপক হুমকির মুখে কি স্বতন্ত্র পরিবারগুলি সংরক্ষিত থাকতে পারে? দয়া করে পরবর্তী প্রবন্ধটি বিবেচনা করুন।

[৫ পৃষ্ঠার তালিকা]

কিছু দেশের বিবাহবিচ্ছেদের সাথে তুলনা করে বার্ষিক বিবাহগুলি

দেশ বছর বিবাহ বিবাহবিচ্ছেদ

অস্ট্রেলিয়া ১৯৯৩ ১,১৩,২৫৫ ৪৮,৩২৪

ইস্টোনিয়া ১৯৯৩ ৭,৭৪৫ ৫,৭৫৭

কানাডা ১৯৯২ ১,৬৪,৫৭৩ ৭৭,০৩১

কিউবা ১৯৯২ ১,৯১,৮৩৭ ৬৩,৪৩২

চেক প্রজাতন্ত্র ১৯৯৩ ৬৬,০৩৩ ৩০,২২৭

জার্মানী ১৯৯৩ ৪,৪২,৬০৫ ১,৫৬,৪২৫

জাপান ১৯৯৩ ৭,৯২,৬৫৮ ১,৮৮,২৯৭

ডেনমার্ক ১৯৯৩ ৩১,৫০৭ ১২,৯৯১

নরওয়ে ১৯৯৩ ১৯,৪৬৪ ১০,৯৪৩

পুয়ের্টো রিকো ১৯৯২ ৩৪,২২২ ১৪,২২৭

ফ্রান্স ১৯৯১ ২,৮০,১৭৫ ১,০৮,০৮৬

মালদ্বীপ ১৯৯১ ৪,০৬৫ ২,৬৫৯

যুক্তরাজ্য ১৯৯২ ৩,৫৬,০১৩ ১,৭৪,৭১৭

যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯৩ ২৩,৩৪,০০০ ১১,৮৭,০০০

রাশিয়ান ফেডারেশন ১৯৯৩ ১১,০৬,৭২৩ ৬,৬৩,২৮২

সুইডেন ১৯৯৩ ৩৪,০০৫ ২১,৬৭৩

(১৯৯৪ সালের জনসংখ্যা বিষয়ক বর্ষপুস্তক (ইংরাজি) এর উপর ভিত্তি করে, রাষ্ট্রসংঘ, নিউ ইয়র্ক ১৯৯৬)

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার