ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w৯৭ ৬/১৫ পৃষ্ঠা ১৪-১৯
  • “পুরুষ ও স্ত্রী করিয়া তাহাদিগকে সৃষ্টি করিলেন”

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • “পুরুষ ও স্ত্রী করিয়া তাহাদিগকে সৃষ্টি করিলেন”
  • ১৯৯৭ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • প্রকৃত পুরুষত্ব ও প্রকৃত নারীত্ব
  • বাহ্যিক রূপ
  • খ্রীষ্টীয় পুরুষ ও স্ত্রী—প্রকৃত পুরুষ ও স্ত্রী
  • নারী ও পুরুষ প্রত্যেকের জন্য এক মর্যাদাপূর্ণ ভূমিকা
    ২০০৭ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • যিহোবার উদ্দেশ্যের মধ্যে নারীদের ভূমিকা কী?
    ২০১৪ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • ঈশ্বরের প্রাচীন দাসেদের মধ্যে নারীদের মর্যাদাপূর্ণ ভূমিকা
    ১৯৯৫ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • ঈশ্বর চান যেন নারীদের সম্মান করা হয়
    প্রহরীদুর্গ: ঈশ্বর চান যেন নারীদের সম্মান করা হয়
আরও দেখুন
১৯৯৭ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w৯৭ ৬/১৫ পৃষ্ঠা ১৪-১৯

“পুরুষ ও স্ত্রী করিয়া তাহাদিগকে সৃষ্টি করিলেন”

“ঈশ্বর আপনার প্রতিমূর্ত্তিতে মনুষ্যকে সৃষ্টি করিলেন; ঈশ্বরের প্রতিমূর্ত্তিতেই তাহাকে সৃষ্টি করিলেন, পুরুষ ও স্ত্রী করিয়া তাহাদিগকে সৃষ্টি করিলেন।”—আদিপুস্তক ১:২৭.

১. খ্রীষ্টান পুরুষ ও স্ত্রীদের জন্য সত্য কিভাবে আশীর্বাদস্বরূপ?

যিহোবার লোকেদের মাঝে থাকা এবং সেই সব পুরুষ ও স্ত্রী আর সেইসঙ্গে বালক ও বালিকাদের সাথে মেলামেশা করা কতই না মনোরম, ঈশ্বরকে প্রেম করা ও তাঁর বাধ্য হওয়া যাদের জীবনে অগ্রাধিকার পায়! এছাড়াও, সত্য আমাদের সেই সমস্ত মনোভাব ও আচরণ থেকেও মুক্ত করে যা যিহোবা ঈশ্বরকে অসন্তুষ্ট করে আর খ্রীষ্টান হিসাবে কিভাবে জীবন যাপন করা উচিত সেই সম্বন্ধে এটি আমাদের শিক্ষা দেয়। (যোহন ৮:৩২; কলসীয় ৩:৮-১০) উদাহরণস্বরূপ, পুরুষদের কিভাবে তাদের পুরুষত্ব ও নারীদের তাদের নারীত্ব প্রকাশ করা উচিত সে সম্বন্ধে সর্বস্থানের লোকেদের কিছু প্রথা অথবা ধারণাগুলি আছে। এটি কি কেবলমাত্র এই কারণে যে পুরুষেরা পুরুষোচিত ও স্ত্রীরা নারীসুলভ হয়ে জন্মগ্রহণ করেছে বলে? অথবা আরও অন্য বিষয়গুলি কি আছে যা অবশ্যই বিবেচনাযোগ্য?

২. (ক) কোন্‌ বিষয়টির পুরুষত্ব ও নারীত্বের প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিকে নির্ধারিত করা উচিত? (খ) যৌনতার প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির ক্ষেত্রে কী ঘটেছে?

২ ব্যক্তিগত, সাংস্কৃতিক অথবা প্রথাগত দৃষ্টিভঙ্গি যা হয়ত আমরা অর্জন করেছি তা নির্বিশেষে ঈশ্বরের বাক্য খ্রীষ্টানদের জন্য কর্তৃত্বস্বরূপ যার বশ্যতা আমরা স্বীকার করি। (মথি ১৫:১-৯) বাইবেল পুরুষত্ব ও নারীত্বের সমস্ত দিকগুলি সম্বন্ধে বিস্তারিত বিবরণ দেয় না। বরঞ্চ, যেমন আমরা বিভিন্ন সংস্কৃতিতে দেখে থাকি এটি বৈচিত্র্যের অবকাশ দেয়। ঈশ্বর তাদের যে উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করেছিলেন, তা সম্পন্ন করার জন্য পুরুষকে অবশ্যই পুরুষোচিত এবং স্ত্রীকে নারীসুলভ হতে হবে। কেন? কারণ পুরুষ এবং স্ত্রী দৈহিকভাবে একে অপরের পরিপূরকরূপে নির্মিত হওয়া ছাড়াও তাদের পুরুষোচিত এবং নারীসুলভ গুণাবলির ক্ষেত্রে একে অপরের পরিপূরক হওয়ার ছিল। (আদিপুস্তক ২:১৮, ২৩, ২৪; মথি ১৯:৪, ৫) তবুও, যৌনতা সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি বিকৃত ও ভ্রষ্ট হয়েছে। অনেকেই পুরুষত্বকে রূঢ় কর্তৃত্ব, উগ্রতা অথবা পৌরুষজনিত গর্বের সমকক্ষ হিসাবে গণ্য করে থাকে। কিছু নির্দিষ্ট সংস্কৃতিতে একজন পুরুষের পক্ষে সাধারণ্যে অথবা গোপনে কাঁদা খুবই বিরল অথবা লজ্জাজনক। তবুও, লাসারের সমাধির বাইরে জনতার মাঝে “যীশু কাঁদিলেন।” (যোহন ১১:৩৫) এটি যীশুর পক্ষে অনুপযুক্ত ছিল না, যার পুরুষত্ব ছিল সিদ্ধ। আজকে অনেকে নারীত্বকে কেবলমাত্র শারীরিক ও যৌন আকর্ষণীয়তা বলে বিবেচনা করে এই সম্বন্ধে ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েছে।

প্রকৃত পুরুষত্ব ও প্রকৃত নারীত্ব

৩. কিভাবে পুরুষ ও স্ত্রীরা ভিন্ন?

৩ প্রকৃত পুরুষত্ব এবং প্রকৃত নারীত্ব কী? দ্যা ওয়ার্ল্ড বুক এনসাইক্লোপিডিয়া উল্লেখ করে: “অধিকাংশ পুরুষ ও স্ত্রীরা কেবলমাত্র দৈহিক গঠনপ্রণালীর দিক দিয়েই একে অপরের থেকে পৃথক নয় কিন্তু একইসাথে ব্যবহার এবং আগ্রহের ক্ষেত্রেও তারা ভিন্ন। এই পার্থক্যগুলির কিছু জৈবিকভাবে নির্ধারিত হয়ে থাকে। . . . কিন্তু এটি প্রতীয়মান যে দৈহিক গঠনতন্ত্রজনিত নয় এমন অনেক পার্থক্য যৌন ভূমিকার উপর ভিত্তি করে হয়ে থাকে যা প্রত্যেক ব্যক্তিবিশেষেরা নিজেরা শেখে। লোকেরা পুরুষ অথবা স্ত্রী হয়ে জন্মগ্রহণ করে কিন্তু তারা পুরুষোচিত অথবা নারীসুলভ হতে শেখে।” আমাদের বংশগতির কাঠামো হয়ত বেশ কিছু বিষয়ের ক্ষেত্রে দায়ী, কিন্তু যথার্থ পুরুষত্ব অথবা নারীত্বের বিকাশ, ঈশ্বর কী চান তা শেখা ও জীবনে অনুধাবন করার জন্য কোন্‌ বিষয়টি আমরা নির্বাচন করব তার উপর নির্ভর করে।

৪. পুরুষ এবং স্ত্রীর ভূমিকা সম্বন্ধে বাইবেল কী প্রকাশ করে?

৪ বাইবেলের ইতিহাস প্রকাশ করে যে, মস্তক হিসাবে আদমের ভূমিকা ছিল তার স্ত্রী ও সন্তানদের নেতৃত্ব দেওয়া। এছাড়াও তাকে পৃথিবী পরিপূর্ণ করা, সেটিকে অধীনস্থ করা এবং সমস্ত নিম্নশ্রেণীর সৃষ্টিকে বশীভূত করার ক্ষেত্রে ঈশ্বরের ইচ্ছার সাথে সম্মত থাকতে হয়েছিল। (আদিপুস্তক ১:২৮) হবার জন্য পরিবারে নারীসুলভ ভূমিকা ছিল আদমের “সহকারিণী” এবং “পরিপূরক” হওয়া, তার মস্তকপদের বশীভূত হওয়া, তাদের জন্য ঈশ্বরের ঘোষিত উদ্দেশ্য সম্পাদন করায় তার সাথে সহযোগিতা করা।—আদিপুস্তক ২:১৮, NW; ১ করিন্থীয় ১১:৩.

৫. কিভাবে পুরুষ ও স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল?

৫ কিন্তু আদম তার দায়িত্ব অনুযায়ী জীবন যাপন করেনি আর ঈশ্বরের অবাধ্য হতে তার সাথে যোগ দেওয়ার জন্য আদমকে বিপথগামী করতে হবা তার নারীত্বকে প্ররোচনামূলকভাবে ব্যবহার করেছিল। (আদিপুস্তক ৩:৬) ভুল জেনেও, নিজেকে সেটি করতে দেওয়ার দ্বারা আদম প্রকৃত পুরুষত্ব প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হয়েছিল। তার পিতা এবং সৃষ্টিকর্তা যা বলেছিলেন সেটির পরিবর্তে সে দুর্বলভাবে তার প্রতারক সাথীর কথা গ্রহণ করাকে বেছে নিয়েছিল। (আদিপুস্তক ২:১৬, ১৭) শীঘ্রই এই প্রথম দম্পতি সেই বিষয়টি অভিজ্ঞতা করতে শুরু করে যা ঈশ্বর তাদের অবাধ্যতার পরিণতিস্বরূপ পূর্বেই দেখতে পেয়েছিলেন। আদম, যে পূর্বে তার স্ত্রী সম্বন্ধে আবেগপূর্ণ, কাব্যিক ভাষায় বর্ণনা করেছিল, এখন নিস্তেজভাবে তাকে ‘তুমি আমাকে যে স্ত্রী দিয়াছ’ বলে উল্লেখ করে। তার অসিদ্ধতা এখন তার পুরুষত্বকে ক্ষতিগ্রস্ত ও ভুলভাবে পরিচালিত করেছিল যা তার ‘স্ত্রীর উপরে কর্ত্তৃত্ব করার’ পরিণতিতে পৌঁছায়। অপরপক্ষে, হবার সম্ভবত অত্যধিক অথবা ভারসাম্যহীনভাবে তার স্বামীর প্রতি “বাসনা” ছিল।—আদিপুস্তক ৩:১২, ১৬.

৬, ৭. (ক) জলপ্লাবনের পূর্বে পুরুষত্বের কোন্‌ বিকৃতি গড়ে উঠেছিল? (খ) জলপ্লাবনের পূর্ববর্তী পরিস্থিতি থেকে আমরা কী শিখতে পারি?

৬ পুরুষত্ব এবং নারীত্বের অপব্যবহার জলপ্লাবনের পূর্বে প্রচুরভাবে প্রতীয়মান হয়েছিল। যে দূতেরা স্বর্গে তাদের আদি স্থান ত্যাগ করেছিল তারা স্ত্রীলোকেদের সাথে যৌন সম্পর্ক উপভোগ করার জন্য মানবদেহ ধারণ করেছিল। (আদিপুস্তক ৬:১, ২) বিবরণ উল্লেখ করে যে এইধরনের অস্বাভাবিক সংযোজন থেকে কেবলমাত্র পুরুষ সন্তানেরা জন্মগ্রহণ করেছিল। আর মনে হয় এই সন্তানেরা সঙ্করজাতীয়, বংশ উৎপাদনে অক্ষম ছিল। তারা শক্তিশালী, নেফলিম অথবা পতনকারী হিসাবে পরিচিত ছিল, যেহেতু তারা অন্যদের পতনের কারণ হয়েছিল। (আদিপুস্তক ৬:৪; পাদটীকা, NW) স্পষ্টতই তারা দৌরাত্ম্যপূর্ণ, প্রচণ্ড ছিল আর কোনরকম কোমল সহানুভূতি প্রদর্শন করেনি।

৭ স্পষ্টতই শারীরিক সৌন্দর্য, দেহের গঠন, আকার অথবা শক্তি স্বয়ং গ্রহণযোগ্য পুরুষত্ব অথবা নারীত্ব প্রদান করতে পারে না। যে দূতেরা মানবদেহ ধারণ করেছিল তারা সম্ভবত সুদৃশ্য ছিল। আর নেফলিমরা বৃহদাকৃতি ও বলিষ্ঠ ছিল কিন্তু তাদের মানসিক মনোবৃত্তি বিকৃত ছিল। অবাধ্য দূতেরা ও তাদের সন্তানেরা পৃথিবীকে যৌন অনৈতিকতা ও দৌরাত্ম্যে পরিপূর্ণ করেছিল। সুতরাং, যিহোবা সেই জগতের এক পরিসমাপ্তি নিয়ে এসেছিলেন। (আদিপুস্তক ৬:৫-৭) কিন্তু জলপ্লাবন মন্দ দূতেদের প্রভাবকে সরিয়ে দেয়নি অথবা এটি আদমের পাপের পরিণামকেও অপসারিত করেনি। এক অনুপযুক্ত পুরুষত্ব ও নারীত্ব জলপ্লাবনের পর আবার প্রকট হয়ে ওঠে আর বাইবেলে এইধরনের ভাল এবং মন্দ উভয়প্রকার উদাহরণই আছে যার থেকে আমরা শিখতে পারি।

৮. যথার্থ পুরুষত্বের কোন্‌ উত্তম উদাহরণ যোষেফ স্থাপন করেছিলেন?

৮ যোষেফ আর পোটীফরের স্ত্রী যথার্থ পুরুষত্ব ও জাগতিক নারীত্বের মধ্যে এক শক্তিশালী বৈপরীত্য উপস্থিত করে। পোটীফরের স্ত্রী সুদর্শন যোষেফের প্রতি মোহগ্রস্ত হয়েছিল ও তাকে প্রলোভিত করার চেষ্টা করেছিল। সেই সময়ে ব্যভিচার অথবা পারদারিকতাকে নিষিদ্ধ করে এমন কোন লিখিত ঐশিক ব্যবস্থা ছিল না। তবুও, যোষেফ সেই অনৈতিক স্ত্রীয়ের কাছ থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন এবং নিজেকে এক প্রকৃত ঈশ্বরীয় ব্যক্তি হিসাবে প্রমাণিত করেছিলেন, এমন একজন যিনি সেই পুরুষত্ব দেখিয়েছিলেন যাতে ঈশ্বরের অনুমোদন ছিল।।—আদিপুস্তক ৩৯:৭-৯, ১২.

৯, ১০. (ক) কিভাবে রাণী বষ্টী তার নারীত্বের অপব্যবহার করেছিল? (খ) নারীত্ব সম্বন্ধে ইষ্টের আমাদের জন্য কোন্‌ উত্তম উদাহরণ প্রদান করেছিলেন?

৯ ইষ্টের ও রাণী বষ্টী স্ত্রীদের জন্য এক উল্লেখযোগ্য বৈপরীত্য প্রদান করেছিলেন। স্পষ্টতই বষ্টী মনে করেছিল যে সে খুবই সুন্দর আর তাই রাজা অহশ্বেরশ সর্বদাই তার ইচ্ছা পূর্ণ করবেন। কিন্তু তার সৌন্দর্য আজকের দিনে বিক্রিত অনেক ত্বক পরিচর্যার ক্রিমের মতই বাহ্যিক ছিল। তার শালীনতা ও নারীত্বের অভাব ছিল যে কারণে সে তার স্বামী ও রাজার বশীভূত হতে ব্যর্থ হয়েছিল। রাজা তাকে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন এবং এক প্রকৃত নারীসুলভ স্ত্রীকে তার রাণী হওয়ার জন্য মনোনীত করেছিলেন যিনি বস্তুতপক্ষে যিহোবাকে ভয় করতেন।—ইষ্টের ১:১০-১২; ২:১৫-১৭.

১০ ইষ্টের খ্রীষ্টীয় স্ত্রীলোকেদের জন্য এক অপূর্ব উদাহরণ স্থাপন করেন। তিনি “সুন্দরী ও রূপবতী ছিলেন,” তবুও তিনি ‘হৃদয়ের গুপ্ত মনুষ্য, মৃদু ও প্রশান্ত আত্মার অক্ষয় শোভার’ ভূষণ প্রদর্শন করেছিলেন। (ইষ্টের ২:৭; ১ পিতর ৩:৪) তিনি লোক দেখানো ভূষণকে মুখ্য বিষয় হিসাবে দেখেননি। ইষ্টের তার স্বামী অহশ্বেরশের প্রতি বশীভূত হয়ে কৌশলতা ও আত্মসংযম দেখিয়েছিলেন, এমনকি তখনও যখন তার লোকেদের জীবন বিপদের মধ্যে ছিল। ইষ্টের সেই সময় নীরব ছিলেন যখন সেটি করা বিজ্ঞতার কাজ ছিল কিন্তু সাহসের সাথে কথা বলেছিলেন যখন তা প্রয়োজনীয় ও উপযুক্ত সময় ছিল। (ইষ্টের ২:১০; ৭:৩-৬) তিনি তার পরিপক্ব সম্পর্কীয় দাদা মর্দখয়ের পরামর্শ গ্রহণ করেছিলেন। (ইষ্টের ৪:১২-১৬) তিনি তার লোকেদের প্রতি প্রেম ও নিষ্ঠা প্রদর্শন করেছিলেন।

বাহ্যিক রূপ

১১. বাহ্যিক রূপ সম্বন্ধে আমাদের কোন্‌ বিষয়টি মনে রাখা উচিত?

১১ যথার্থ নারীত্বের মুখ্য বিষয়টি কী? একজন মা উল্লেখ করেছিলেন: “লাবণ্য মিথ্যা, সৌন্দর্য্য অসার, কিন্তু যে স্ত্রী সদাপ্রভুকে ভয় করেন, তিনিই প্রশংসনীয়া।” (হিতোপদেশ ৩১:৩০) সুতরাং ঈশ্বরের প্রতি শ্রদ্ধামিশ্রিত ভয় অত্যাবশ্যকীয় আর প্রেমপূর্ণ-দয়া, রমনীয়তা, শালীনতা এবং এক মৃদুভাষী জিহ্বা নারীত্বের ক্ষেত্রে একজনের শারীরিক সৌন্দর্যের চেয়ে আরও অনেক বেশি অবদান রাখে।—হিতোপদেশ ৩১:২৬.

১২, ১৩. (ক) দুঃখজনকভাবে, অনেক লোকেদের কথাবার্তা কোন্‌ বিষয়টি চিহ্নিত করে? (খ) হিতোপদেশ ১১:২২ পদের অর্থ কী?

১২ এটা দুঃখজনক যে, অনেক পুরুষ ও স্ত্রীরা বিজ্ঞভাবে তাদের মুখকে ব্যবহার করে না অথবা তাদের জিহ্বা প্রেমপূর্ণ-দয়াও প্রদর্শন করে না। তাদের কথা বিকৃত, ব্যঙ্গপূর্ণ, অমার্জিত এবং অবিবেচনাপূর্ণ। অনেক পুরুষেরা মনে করে থাকে যে নোংরা ভাষা ব্যবহার করা পুরুষত্বের চিহ্নস্বরূপ আর কিছু স্ত্রীরা মুর্খতার সাথে তাদের অনুকরণ করে থাকে। তবুও, একজন স্ত্রী যদি সুন্দরী হয়, কিন্তু তার সচেতনতার অভাব থাকে এবং তর্কপ্রবণ, ব্যঙ্গকারী অথবা উদ্ধত হয়, তাহলে প্রকৃত অর্থে সে কি সত্যই সুন্দর হতে পারে, সত্যই নারীসুলভ? “যেমন শূকরের নাসিকায় সুবর্ণের নথ, তেমনি সুবিচার-ত্যাগিনী সুন্দরী স্ত্রী।”—হিতোপদেশ ১১:২২.

১৩ অপরিচ্ছন্ন কথা, ব্যঙ্গোক্তি অথবা সচেতনতার অভাবের সাথে মিশ্রিত সৌন্দর্য যে কোন নারীসুলভ রূপের সাথে সামঞ্জস্যবিহীন যা এক ব্যক্তি হয়ত প্রকাশ করতে পারে। বস্তুতপক্ষে, এইধরনের অধার্মিক আচরণগুলি এমনকি শারীরিকভাবে আকর্ষণীয় ব্যক্তিকেও কুৎসিত করে তুলতে পারে। আমরা সহজেই এটি বুঝতে পারি যে এক পুরুষ অথবা নারীর শারীরিক রূপ, ক্রোধ প্রকাশ, চিৎকার করা অথবা বিকৃত কথাবার্তার ক্ষতিপূরণস্বরূপ হতে অথবা সেগুলিকে ন্যায়সঙ্গত প্রতিপন্ন করতে পারে না। সমস্ত খ্রীষ্টানেরা তাদের বাইবেল-ভিত্তিক কথাবার্তা এবং আচরণের দ্বারা ঈশ্বরের এবং সহমানবদের কাছে তাদের নিজেদের আকর্ষণীয় করতে পারে ও তাদের তা করা উচিত।—ইফিষীয় ৪:৩১.

১৪. ১ পিতর ৩:৩-৫ পদে কোন ধরনের ভূষণকে প্রশংসা করা হয়েছে আর এটি সম্বন্ধে আপনি কী মনে করেন?

১৪ যদিও বৈধ নারীত্ব ও পুরুষত্ব আধ্যাত্মিক গুণাবলি ভিত্তিক তবুও শারীরিক ধরন ও রূপ যার অন্তর্ভুক্ত যে আমরা কী পরিধান করি ও কিভাবে আমরা তা পরিধান করি, আমাদের সম্বন্ধে এক মৌন সাক্ষ্য দেয়। প্রেরিত পিতরের মনে নিঃসন্দেহে প্রথম শতাব্দীর পোশাক ও বেশভূষা-শৈলী সম্বন্ধে নির্দিষ্ট কিছু বিষয় ছিল যখন তিনি খ্রীষ্টীয় স্ত্রীদের পরামর্শ দিয়েছিলেন: “কেশবিন্যাস ও স্বর্ণাভরণ কিম্বা বস্ত্র পরিধানরূপ বাহ্য ভূষণ, তাহা নয়, কিন্তু হৃদয়ের গুপ্ত মনুষ্য, মৃদু ও প্রশান্ত আত্মার অক্ষয় শোভা, তাহাদের ভূষণ হউক; তাহাই ঈশ্বরের দৃষ্টিতে বহুমূল্য। কেননা পূর্ব্বকালের যে পবিত্র নারীগণ ঈশ্বরে প্রত্যাশা রাখিতেন, তাঁহারাও সেই প্রকারে আপনাদিগকে ভূষিত করিতেন, আপন আপন স্বামীর বশীভূত হইতেন।”—১ পিতর ৩:৩-৫.

১৫. খ্রীষ্টীয় স্ত্রীদের তাদের পোশাকের দ্বারা কী প্রদর্শন করার জন্য প্রচেষ্টা করা উচিত?

১৫ ১ তীমথিয় ২:৯, ১০ পদে আমরা নারীর পোশাক সম্বন্ধে পৌলের মন্তব্যগুলি দেখতে পাই: “নারীগণও সলজ্জ ও সুবুদ্ধিভাবে পরিপাটী বেশে আপনাদিগকে ভূষিতা করুক; . . . যাহা ঈশ্বর-ভক্তি অঙ্গীকারিণী নারীগণের যোগ্য—সৎক্রিয়ায় ভূষিতা হউক।” তিনি এখানে শালীনতা এবং সুসজ্জিত পোশাকের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছিলেন যা মনের প্রশান্ত অবস্থাকে প্রতিফলিত করে।

১৬, ১৭. (ক) আজকে কিভাবে অনেক পুরুষ ও স্ত্রীদের দ্বারা পোশাক পরিধান অপব্যবহৃত হয়ে থাকে? (খ) দ্বিতীয় বিবরণ ২২:৫ পদে পাওয়া উপদেশ থেকে আমাদের কোন্‌ উপসংহারে আসা উচিত?

১৬ একজন পুরুষ অথবা স্ত্রী, বালক অথবা বালিকার কোন যৌন উত্তেজনাকর কাজ অথবা পোশাক পরিধান করা প্রকৃত পুরুষত্ব অথবা নারীত্বকে তুলে ধরে না আর এটি নিশ্চিতভাবেই ঈশ্বরের সম্মান নিয়ে আসে না। জগতে অনেক লোকেরা তাদের কাজ ও আচরণে পুরুষোচিত অথবা নারীসুলভ যৌনতাকে প্রদর্শন করার জন্য চূড়ান্ত পর্যায় পর্যন্ত যায়। অন্যেরা অনৈতিক উদ্দেশ্যগুলি চরিতার্থ করতে লিঙ্গের বিভিন্নতাকে অস্পষ্ট করে তোলে। আমরা খ্রীষ্টানেরা কতই না কৃতজ্ঞ হতে পারি কারণ বাইবেল ঈশ্বরের চিন্তাধারা প্রকাশ করে! যিহোবা প্রাচীন ইস্রায়েলে ঘোষণা করেছিলেন: “স্ত্রীলোক পুরুষের পরিধেয়, কিম্বা পুরুষ স্ত্রীলোকের বস্ত্র পরিধান করিবে না; কেননা যে কেহ তাহা করে, সে তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভুর ঘৃণার পাত্র।”—দ্বিতীয় বিবরণ ২২:৫.

১৭ এই বিষয়ে আপনি সম্ভবত ১৯৮৮ সালের আগস্ট ১৫ প্রহরীদুর্গ (ইংরাজি) এর ১৭ পৃষ্ঠায় যা বলা হয়েছিল তার পুনরালোচনাটি উপভোগ করবেন: “বিষয়টি এই নয় যে একটি নির্দিষ্ট রীতি অত্যন্ত আদবকায়দাযুক্ত অথবা নয়, কিন্তু তা হচ্ছে সেটি কী ঈশ্বরের পরিচারক হিসাবে দাবি করে এমন একজনের জন্য উপযুক্ত অথবা নয়। (রোমীয় ১২:২; ২ করিন্থীয় ৬:৩) অতিরিক্ত অগোছাল অথবা আঁটসাট পোশাক আমাদের বার্তার গুরুত্ব কমিয়ে দিতে পারে। যে সাজগুলি অত্যধিক এবং উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে পুরুষকে নারীসুলভ করে অথবা স্ত্রীদের পুরুষোচিত করে তা নিশ্চিতভাবেই অনুপযুক্ত। (দ্বিতীয় বিবরণ ২২:৫ পদের সাথে তুলনা করুন।) অবশ্যই, আবহাওয়া, পেশাগত চাহিদা এবং অন্যান্য আরও এইধরনের বিষয়গুলির কারণে স্থানীয় রীতিনীতি পরিবর্তনশীল হতে পারে আর সেইজন্য খ্রীষ্টীয় মণ্ডলী জগদ্ব্যাপী ভ্রাতৃসমাজের জন্য কোন কঠোর নিয়ম তৈরি করে না।”

১৮. পোশাক ও বেশভূষা সম্বন্ধে বাইবেলের পরামর্শ প্রয়োগ করার ক্ষেত্রে আমরা হয়ত কোন্‌ পদক্ষেপ নিতে পারি?

১৮ কতই না ভারসাম্যপূর্ণ ও উপযুক্ত পরামর্শ! দুঃখের বিষয় এই যে, কিছু খ্রীষ্টান পুরুষ ও নারী, পোশাক ও বেশভূষার ক্ষেত্রে জগৎ যা তুলে ধরে অন্ধভাবে তা অনুসরণ করে থাকে এই বিষয়টি বিবেচনা না করেই যে কিভাবে এটি যিহোবা ও খ্রীষ্টীয় মণ্ডলীকে প্রতিফলিত করতে পারে। আমাদের প্রত্যেকে হয়ত আত্ম-পরীক্ষা করতে পারে এটি দেখার জন্য যে আমরা জগতের চিন্তাধারার দ্বারা প্রভাবিত হয়েছি কি না। অথবা আমরা হয়ত এক সম্মানিত, অভিজ্ঞ ভাই অথবা বোনের কাছে যেতে এবং আমাদের পোশাকের ধরনে কোন সমন্বয়সাধন করার প্রয়োজন আছে কি না সে সম্বন্ধে মন্তব্য করার জন্য বলতে পারি আর তারপর গম্ভীরভাবে সেই পরামর্শগুলিকে বিবেচনা করতে পারি।

খ্রীষ্টীয় পুরুষ ও স্ত্রী—প্রকৃত পুরুষ ও স্ত্রী

১৯. কোন্‌ অবাঞ্ছিত প্রভাবের সাথে আমাদের যুদ্ধ করা প্রয়োজন?

১৯ এই জগতের দেব শয়তান আর তার প্রভাব যৌনতা সম্বন্ধে যে বিভ্রান্তি রয়েছে তাতে দেখা যায় এবং তা পোশাক ছাড়িয়ে অন্যান্য বিষয়েও প্রত্যক্ষ হয়। (২ করিন্থীয় ৪:৪) কিছু দেশে অনেক স্ত্রীলোকেরা বাইবেলের নীতিগুলিকে অবজ্ঞা করে পুরুষের মস্তকপদের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে থাকে। অপরপক্ষে, এক বৃহৎ সংখ্যক পুরুষেরা সাধারণভাবে তাদের মস্তকপদের দায়িত্বগুলি পরিত্যাগ করে থাকে, যেমন আদম করেছিল। এমনকি এমন লোকেরাও আছে যারা তাদের জীবনে যৌন ভূমিকাকে একটি থেকে আরেকটিতে পরিবর্তিত করে। (রোমীয় ১:২৬, ২৭) বাইবেল ঈশ্বরের অনুমোদনযোগ্য বলে কোন বিকল্প জীবনধারা স্থাপন করে না। আর যে কোন ব্যক্তি যারা খ্রীষ্টান হওয়ার পূর্বে তাদের পরিচিতি অথবা যৌন পছন্দের ক্ষেত্রে বিভ্রান্ত ছিল তারা আস্থা রাখতে পারে যে ঈশ্বরের মান অনুযায়ী জীবন যাপন করা তাদের অনন্তকালীন মঙ্গলের জন্য, এমন একটি মান যেটিকে, মানব সিদ্ধতায় পৌঁছাবে এমন সমস্ত মানুষেরা নিশ্চিতভাবেই উপলব্ধি করে।

২০. পুরুষত্ব ও নারীত্ব সম্বন্ধে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির উপর গালাতীয় ৫:২২, ২৩ পদের কোন্‌ প্রভাব বিস্তার করা উচিত?

২০ শাস্ত্র দেখায় যে খ্রীষ্টান পুরুষ ও স্ত্রীদের ঈশ্বরের আত্মার ফল গড়ে তোলা ও প্রদর্শন করা প্রয়োজন—যা হল প্রেম, আনন্দ, শান্তি, দীর্ঘসহিষ্ণুতা, মাধুর্য্য, মঙ্গলভাব, বিশ্বস্ততা, মৃদুতা, ইন্দ্রিয়দমন। (গালাতীয় ৫:২২, ২৩) ঈশ্বর তাঁর মহান প্রজ্ঞা দ্বারা, সেই গুণাবলি উৎপন্ন করার মাধ্যমে পুরুষকে তার পুরুষত্ব ও স্ত্রীকে তার নারীত্ব বিকশিত করার সামর্থ্য দিয়েছেন। একজন পুরুষ যে আত্মার ফল প্রদর্শন করে তাকে সম্মান করা সহজ ও একজন স্ত্রী যে অনুরূপ আচরণ দেখায় তাকে সহজে ভালবাসা যায়।

২১, ২২. (ক) জীবনধারা সম্বন্ধে যীশু কোন্‌ আদর্শ স্থাপন করেছিলেন? (খ) কিভাবে যীশু তাঁর পুরুষত্ব প্রদর্শন করেছিলেন?

২১ সর্বমহান পুরুষ যিনি কখনও জীবিত ছিলেন তিনি যীশু খ্রীষ্ট আর তাঁর জীবনধারা খ্রীষ্টানদের অনুকরণ করা উচিত। (১ পিতর ২:২১-২৩) যীশু যেমন করেছিলেন পুরুষ এবং স্ত্রী উভয়েরই নিজেদের ঈশ্বরের প্রতি নিষ্ঠাবান প্রমাণ করা ও তাঁর বাক্যের বাধ্য হওয়া উচিত। যীশু প্রেম, কোমলতা এবং করুণা এই অপূর্ব গুণাবলি প্রদর্শন করেছিলেন। সত্য খ্রীষ্টান হিসাবে, আমাদের কাছে প্রত্যাশা করা হয় যে আমরা তাঁকে অনুকরণ করব এটি প্রমাণ করার জন্য যে আমরা তাঁর শিষ্য।—যোহন ১৩:৩৫.

২২ যীশু খ্রীষ্ট একজন প্রকৃত পুরুষ ছিলেন আর আমরা তাঁর পুরুষোচিত গুণাবলি দেখতে পারি যখন আমরা শাস্ত্রে উল্লেখিত তাঁর জীবন বিবরণী সম্বন্ধে অধ্যয়ন করি। তিনি কখনও বিবাহ করেননি কিন্তু বাইবেল দেখায় যে তিনি স্ত্রীলোকেদের সাথে ভারসাম্যপূর্ণ সাহচর্য উপভোগ করেছিলেন। (লূক ১০:৩৮, ৩৯) পুরুষ এবং স্ত্রীলোকেদের সাথে তাঁর সম্পর্ক ছিল সর্বদা বিশুদ্ধ ও সম্মানজনক। তিনি হলেন পুরুষত্বের এক নিখুঁত আদর্শ। তিনি—পুরুষ, স্ত্রী অথবা অবাধ্য দূতেদের কাউকেই—তাঁর ধার্মিক পুরুষত্বকে ও যিহোবার প্রতি বিশ্বস্ততাকে হরণ করতে অনুমতি দেননি। তিনি তাঁর দায়িত্বাদি গ্রহণ করতে ইতস্তত করেননি আর তিনি কোনরকম অভিযোগ ছাড়াই এইগুলি করেছিলেন।—মথি ২৬:৩৯.

২৩. যৌনতার ভূমিকার ক্ষেত্রে কিভাবে সত্য খ্রীষ্টানেরা বৈশিষ্ট্যপূর্ণভাবে আশীর্বাদযুক্ত?

২৩ যিহোবার লোকেদের মাঝে থাকা এবং সেই সব পুরুষ ও স্ত্রী আর সেইসঙ্গে বালক ও বালিকাদের সাথে মেলামেশা করা কতই না মনোরম, যিহোবাকে প্রেম করা ও তাঁর বাধ্য হওয়া যাদের জীবনে অগ্রাধিকার পায়! আমরা ঈশ্বরের বাক্যের বাধ্য হওয়ার দ্বারা বন্দীত্বে নেই। বরঞ্চ, আমরা এই জগৎ ও এর পদ্ধতিগুলি থেকে মুক্ত হয়েছি যা যৌনতার সৌন্দর্য, উদ্দেশ্য এবং বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ভূমিকাকে দূষিত করে। আমরা পুরুষ অথবা নারী যাই হই না কেন, আমরা অকৃত্রিম সুখ উপভোগ করতে পারি যা আমাদের জীবনে ঈশ্বর-দত্ত স্থানকে পরিপূর্ণ করার দ্বারা এসে থাকে। হ্যাঁ, আমরা সৃষ্টিকর্তা, যিহোবা ঈশ্বরের প্রতি কতই না কৃতজ্ঞ, আমাদের প্রতি তাঁর সমস্ত প্রেমপূর্ণ ব্যবস্থা এবং আমাদের পুরুষ ও নারী হিসাবে সৃষ্টি করার জন্য!

আপনি কিভাবে উত্তর দেবেন?

◻ পুরুষ ও স্ত্রীদের জন্য বাইবেল কোন্‌ উপযুক্ত ভূমিকা সম্বন্ধে বর্ণনা করে?

◻ জলপ্লাবনের পূর্বে কিভাবে পুরুষত্ব বিকৃত হয়েছিল এবং কিভাবে এটি ও নারীত্ব আমাদের দিনে বিকৃত হয়েছে?

◻ বাহ্যিক রূপ সম্বন্ধে বাইবেলের কোন্‌ পরামর্শটি প্রয়োগ করার জন্য আপনি সচেষ্ট হবেন?

◻ কিভাবে খ্রীষ্টীয় পুরুষ ও স্ত্রীরা নিজেদের প্রকৃত পুরুষ ও স্ত্রী হিসাবে প্রমাণ করতে পারে?

[১৭ পৃষ্ঠার চিত্র]

যদিও তিনি সুন্দরী ছিলেন কিন্তু ইষ্টেরকে বিশেষভাবে তার শালীনতা এবং তার শান্ত ও নম্র মনোভাবের জন্য স্মরণ করা হয়ে থাকে

[১৮ পৃষ্ঠার চিত্র]

অন্তরের সৌন্দর্যের প্রতি বেশি গুরুত্ব দেওয়ার সাথে সাথে বেশভূষার প্রতি যুক্তিপূর্ণ মনোযোগ দিন

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার