‘তারা তাদের ধর্মীয় প্রশিক্ষণ মেনে চলেন’
যুক্তরাষ্ট্র, ফ্লোরিডার মিয়ামি থেকে একজন মহিলা একটি স্থানীয় সংবাদপত্রে নিম্নোক্ত চিঠিটি পাঠিয়েছিলেন: “ডিসেম্বরের ১০ তারিখে, পুরনো জিনিসপত্রের একটি খোলা বাজারে আমার ছেলের পকেট থেকে কাগজপত্রসহ টাকার ব্যাগটি চুরি হয়। এর ভিতর তার চালকের অনুমতিপত্র, সামাজিক নিরাপত্তা কার্ড ইত্যাদি আর সেই সাথে ২৬০ মার্কিন ডলার ছিল।
“এই হারানোর সংবাদটি ব্যবস্থাপককে জানানোর পরে সে বাড়ি চলে আসে। সন্ধ্যার আগেই সে এক স্প্যানিশ-ভাষী মহিলার কাছ থেকে ফোন পায়, যিনি অনুবাদক হিসাবে একজন [টেলিফোন] নিয়ন্ত্রককে ব্যবহার করে তাকে জানান যে, তিনি তার কাগজপত্রসহ টাকার ব্যাগটি পেয়েছেন।
“তিনি তাকে তার ঠিকানা দেন। . . . তিনি তাকে ২৬০ মার্কিন ডলার সমেত কাগজপত্রসহ টাকার ব্যাগটি ফেরত দেন।
“তিনি চোরকে তার কাগজপত্রসহ টাকার ব্যাগটি চুরি করতে দেখেছিলেন এবং চিৎকার করেছিলেন। চোরটি সেই কাগজপত্রসহ টাকার ব্যাগটি ফেলে রেখে দেয় ও পালিয়ে যায়। সেই সময়ের মধ্যে আমার ছেলে তার দৃষ্টির বাইরে চলে যায়, তাই তিনি কাগজপত্রসহ টাকার ব্যাগটি বাড়ি নিয়ে যান এবং ফোন করেন।
“তিনি এবং তার পরিবার যিহোবার সাক্ষী। তারা স্পষ্টতই তাদের ধর্মীয় প্রশিক্ষণ মেনে চলেন।”
যিহোবার সাক্ষীরা মানুষের কাছ থেকে প্রশংসা অর্জনের উদ্দেশ্যে সততা প্রদর্শন করে না। (ইফিষীয় ৬:৭) বরঞ্চ, তারা আন্তরিকভাবে তাদের স্বর্গীয় পিতা যিহোবার প্রশংসা আনতে চায়। (১ করিন্থীয় ১০:৩১) ঈশ্বর এবং প্রতিবেশীর প্রতি প্রেম তাদের ঈশ্বরের রাজ্যের “সুসমাচার” ঘোষণা করতে অনুপ্রাণিত করে। (মথি ২৪:১৪) রাজ্যের মাধ্যমে ঈশ্বর পৃথিবীকে এক সুন্দর পরমদেশে রূপান্তরিত করার প্রতিজ্ঞা করেন। তখন পৃথিবী শুধুমাত্র আক্ষরিক সৌন্দর্যেরই নয় বরঞ্চ, নৈতিক উৎকর্ষেরও এক স্থান হয়ে উঠবে যেখানে চিরকাল সততা বিরাজ করবে।—ইব্রীয় ১৩:১৮; ২ পিতর ৩:১৩.