ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w৯৩ ১১/১ পৃষ্ঠা ৬-১১
  • দানিয়েলের ভাববাণীমূলক কাল এবং আমাদের বিশ্বাস

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • দানিয়েলের ভাববাণীমূলক কাল এবং আমাদের বিশ্বাস
  • ১৯৯৩ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • একটি পুনঃস্থাপন আনন্দ নিয়ে আসে
  • সেই ১,২৬০ দিন
  • সেই ১,২৯০ দিন
  • সেই ১,৩৩৫ দিন
  • পাঠকদের থেকে প্রশ্নসকল
    ১৯৯৪ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • আমাদের দিনের জন্য ঈশ্বরের ভবিষ্যদ্বাণীর বাক্য কী বলে
    ২০০০ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • দানিয়েল বইয়ের প্রধান বিষয়গুলো
    ২০০৭ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
১৯৯৩ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w৯৩ ১১/১ পৃষ্ঠা ৬-১১

দানিয়েলের ভাববাণীমূলক কাল এবং আমাদের বিশ্বাস

“ধন্য সেই, যে ধৈর্য্য ধরিয়া সেই এক সহস্র তিন শত পঁয়ত্রিশ দিন পর্য্যন্ত থাকিবে।”—দানিয়েল ১২:১২.

১. কেন অনেকে প্রকৃত আনন্দ খুঁজে পায় না এবং প্রকৃত আনন্দের সাথে কিসের সম্পর্ক আছে?

সকলেই সুখী হতে চায়। কিন্তু বর্তমানে খুব কম লোকই সুখী। কেন? অংশত, কারণ অধিকাংশ লোক ভুল জায়গায় সুখের খোঁজ করে। শিক্ষা, ধনসম্পদ, উচ্চপদ অথবা ক্ষমতা লাভের চেষ্টার মধ্যে সুখ খোঁজা হয়। কিন্তু যীশু, পর্বতে দত্ত উপদেশের শুরুতে, নিজের আত্মিক প্রয়োজন সম্বন্ধে সচেতন থাকা, দয়া দেখানো, নির্মলান্তঃকরণ থাকা, ইত্যাদি গুণাবলির সঙ্গে সুখের সম্পর্ক দেখিয়েছিলেন। (মথি ৫:৩-১০) যে ধরনের সুখের কথা যীশু বলছিলেন, তা প্রকৃত এবং স্থায়ী সুখ।

২. ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী, শেষকালে কোন্‌ বিষয়ে থেকে আনন্দ পাওয়া যাবে, আর এই সম্বন্ধে কোন্‌ কোন্‌ প্রশ্ন উত্থিত হয়?

২ শেষকালে অভিষিক্ত অবশিষ্টাংশদের জন্য, সুখের সঙ্গে আরও বেশি কোনকিছুর সম্পর্ক আছে। দানিয়েলের বইতে লেখা আছে: “হে দানিয়েল, তুমি প্রস্থান কর, কেননা শেষকাল পর্য্যন্ত এই বাক্য সকল রুদ্ধ ও মুদ্রাঙ্কিত থাকিবে। ধন্য সেই, যে ধৈর্য্য ধরিয়া সেই এক সহস্র তিন শত পঁয়ত্রিশ দিন পর্য্যন্ত থাকিবে।” (দানিয়েল ১২:৯, ১২) এই ১,৩৩৫ দিন বলতে কোন্‌ সময়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে? যারা সেই সময়ে থাকবে তারা কেন সুখী হবে? বর্তমানে আমাদের বিশ্বাসের সঙ্গে কি এর কোন সম্পর্ক আছে? বাবিলন থেকে ইস্রায়েল মুক্তি পাওয়ার অল্প কিছুদিন পর এবং পারস্যের রাজা কোরসের রাজত্বকালের তৃতীয় বছরে, দানিয়েল যখন এই কথাগুলি লিখেছিলেন, সেই সময় সম্বন্ধে যদি আমরা চিন্তা করি, তাহলে এই প্রশ্নগুলির উত্তর পেতে সাহায্য পাব।—দানিয়েল ১০:১.

একটি পুনঃস্থাপন আনন্দ নিয়ে আসে

৩. রাজা কোরসের কোন কাজ সা.শ.পূ. ৫৩৭ সালে বিশ্বস্ত যিহূদীদের অত্যন্ত আনন্দ দিয়েছিল, কিন্তু কোন্‌ সুযোগ কোরস যিহূদীদের দেননি?

৩ বাবিলন থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘটনা, যিহূদীদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের সময় ছিল। যিহূদীরা প্রায় ৭০ বছর ধরে নির্বাসনে থাকার পর, যিরূশালেমে ফিরে এসে যিহোবার মন্দির আবার গড়ে তুলতে মহান কোরস তাদের আমন্ত্রণ জানান। (ইষ্রা ১:১, ২) যারা সম্মত হয়েছিল, তারা মনে আশা নিয়ে যাত্রা শুরু করে সা.শ.পূ. ৫৩৭ সালে তাদের মাতৃভূমিতে এসে পৌঁছেছিল। কিন্তু, রাজা দায়ূদের একজন বংশধরের নেতৃত্বে পুনরায় একটি রাজ্য গড়ে তুলবার জন্য কোরস তাদের আমন্ত্রণ জানাননি।

৪, ৫. (ক) দায়ূদের বংশধরদের রাজত্বের পতন কখন হয়েছিল? কেন? (খ) দায়ূদের রাজত্ব যে আবার স্থাপিত হবে, সেই বিষয়ে যিহোবা কী আশ্বাসবাক্য দিয়েছিলেন?

৪ এই বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। প্রায় পাঁচ শতাব্দী পূর্বে, যিহোবা দায়ূদের কাছে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন: “তোমার কুল ও তোমার রাজত্ব তোমার সম্মুখে চিরকাল স্থির থাকিবে; তোমার সিংহাসন চিরস্থায়ী হইবে।” (২ শমূয়েল ৭:১৬) দুঃখের বিষয়, দায়ূদের রাজকীয় উত্তরাধিকারীদের অধিকাংশই বিদ্রোহী মনোভাব দেখিয়েছিলেন, আর সমস্ত জাতির উপরে পাপের বোঝা এত ভারী হয়েছিল যে সা.শ.পূ. ৬০৭ সালে যিহোবা দায়ূদের বংশধরদের রাজত্বকে ক্ষমতাচ্যুত হতে দিয়েছিলেন। ম্যাকাবি পরিবারের নেতৃত্বে অল্প সময় ছাড়া, সেই সময় থেকে সা.শ. ৭০ সালে দ্বিতীয় বার ধ্বংস হওয়া পর্যন্ত, যিরূশালেম বিদেশী শাসনের অধীনে ছিল। সুতরাং, সা.শ.পূ. ৫৩৭ সালে “জাতিগণের সময়” চলছিল, যে সময়ে দায়ূদের কোন বংশধর রাজা হিসাবে রাজত্ব করবে না।—লূক ২১:২৪.

৫ কিন্তু দায়ূদের প্রতি তাঁর প্রতিজ্ঞা যিহোবা ভুলে যাননি। ধারাবাহিকভাবে কিছু দর্শন এবং স্বপ্নের মাধ্যমে তিনি তাঁর ভাববাদী দানিয়েলকে পৃথিবীর ভবিষ্যতের কিছু ঘটনাবলির বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছিলেন, যা বাবিলনের সাম্রাজ্যের সময় থেকে শুরু করে বহু শতাব্দী ধরে পূর্ণ হবে, যতক্ষণ না দায়ূদের বংশের একজন রাজা আবার যিহোবার লোকেদের রাজত্ব গ্রহণ করবেন। দানিয়েল ২, ৭, ৮ এবং ১০-১২ অধ্যায়ে লেখা এই ভবিষ্যদ্বাণীগুলি বিশ্বস্ত যিহূদীদের আশ্বাস দিয়েছিল যে অবশেষে একদিন সত্যিই দায়ূদের “সিংহাসন চিরস্থায়ী হইবে।” সা.শ.পূ. ৫৩৭ সালে যারা তাদের মাতৃভূমিতে ফিরে এসেছিলেন, এই প্রকাশিত সত্য নিশ্চয় সেই যিহূদীদের মধ্যে আনন্দ নিয়ে এসেছিল!

৬. দানিয়েলের ভবিষ্যদ্বাণীগুলির কয়েকটি যে আমাদের দিনে পরিপূর্ণ হবে তা আমরা কিভাবে জানতে পারি?

৬ বাইবেলের উপরে গবেষণাকারীদের অধিকাংশই দাবি করে যে দানিয়েলের ভবিষ্যদ্বাণীগুলি প্রায় সম্পূর্ণরূপে যীশু খ্রীষ্টের জন্মের আগে পরিপূর্ণ হয়ে গেছে। কিন্তু স্পষ্টতই তা নয়। দানিয়েল ১২:৪ পদে, একটি স্বর্গদূত দানিয়েলকে বলেছিল: “শেষকাল পর্যন্ত এই বাক্য সকল রুদ্ধ করিয়া রাখ, এই পুস্তক মুদ্রাঙ্কিত করিয়া রাখ; অনেকে ইতস্ততঃ ধাবমান হইবে, এবং জ্ঞানের বৃদ্ধি হইবে।” দানিয়েলের বই যদি শেষকালে খোলা হওয়ার ছিল—তার অর্থ সম্পূর্ণরূপে প্রকাশিত হওয়ার ছিল—তাহলে সেখানকার অন্তত কিছু ভবিষ্যদ্বাণী সেই সময়ের প্রতি প্রযোজ্য হওয়া উচিত।—দানিয়েল ২:২৮ দেখুন; ৮:১৭; ১০:১৪.

৭. (ক) জাতিগণের নিরূপিত সময় কখন শেষ হয়েছিল এবং তখন কোন্‌ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার প্রয়োজন ছিল? (খ) কারা “বিশ্বস্ত ও বুদ্ধিমান দাস” ছিল না?

৭ জাতিগণের নিরূপিত সময় ১৯১৪ সালে শেষ হয়, আর এই জগতের শেষ হওয়ার সময় তখন থেকে শুরু হয়। দায়ূদের রাজ্য পুনঃস্থাপিত হয়, পার্থিব যিরূশালেমে নয়, কিন্তু “আকাশের মেঘ সহকারে” অদৃশ্যভাবে। (দানিয়েল ৭:১৩, ১৪) সেই সময়ে, যেহেতু নকল খ্রীষ্টধর্মের “শ্যামাঘাস” বেড়ে উঠছিল, সত্য খ্রীষ্টধর্মের পরিস্থিতি সঠিক বোঝা যায়নি—অন্তত মানুষের কাছে নয়। তবুও, একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার প্রয়োজন ছিল: “সেই বিশ্বস্ত ও বুদ্ধিমান্‌ দাস কে?” (মথি ১৩:২৪-৩০; ২৪:৪৫) দায়ূদের পুনঃস্থাপিত রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব পৃথিবীতে কে করবে? দানিয়েলের আক্ষরিক ভাইয়েরা, যিহূদীরা নয়। তাদের পরিত্যাগ করা হয়েছে কারণ তাদের বিশ্বাস ছিল না এবং মশীহের বিষয়ে তারা ভুল পথ বেছে নিয়েছিল। (রোমীয় ৯:৩১-৩৩) সংগঠিত খ্রীষ্টধর্মের মধ্যেও কোনভাবেই বিশ্বস্ত দাসকে খুঁজে পাওয়া যায়নি! তাদের মন্দ কাজ প্রমাণ করে যে যীশু তাদের জানতেন না। (মথি ৭:২১-২৩) তাহলে সেই দাস কে ছিল?

৮. শেষকালে কারা “বিশ্বস্ত ও বুদ্ধিমান দাস” প্রমাণিত হয়েছেন? কিভাবে আমরা তা জানতে পারি?

৮ নিঃসন্দেহে, সেই দাস ছিল যীশুর ভাইদের সেই ছোট দলটি, যারা ১৯১৪ সালে বাইবেল স্টুডেন্টস্‌ নামে পরিচিত ছিলেন কিন্তু ১৯৩১ সাল থেকে যাদের বলা হয় যিহোবার সাক্ষীবৃন্দ। (যিশাইয় ৪৩:১০) দায়ূদের বংশে পুনঃস্থাপিত রাজ্যের কথা একমাত্র তারাই প্রকাশ করেছে। (মথি ২৪:১৪) একমাত্র তারাই জগৎ থেকে পৃথক থেকেছে এবং যিহোবার নাম মহিমান্বিত করেছে। (যোহন ১৭:৬, ১৪) আর শেষকালে ঈশ্বরের লোকেদের সম্বন্ধে বাইবেলের ভবিষ্যদ্বাণীগুলি একমাত্র তাদের ক্ষেত্রেই পরিপূর্ণ হয়েছে। এই ভবিষ্যদ্বাণীগুলির মধ্যে দানিয়েল ১২ অধ্যায়ে দেওয়া বিভিন্ন ভাববাণীমূলক কাল আছে যার অন্তর্ভুক্ত সেই ১,৩৩৫ দিন যা আনন্দ নিয়ে আসবে।

সেই ১,২৬০ দিন

৯, ১০. দানিয়েল ৭:২৫ পদের “এক কাল, [দুই] কাল ও অর্দ্ধ কাল”-কে কোন্‌ ঘটনাগুলি চিহ্নিত করে এবং অন্য কোন্‌ শাস্ত্রে এই একই সময়কালের কথা বলা হয়েছে?

৯ দানিয়েল ১২:৭ পদে ভাববাণীমূলক কালগুলির প্রথমটি সম্বন্ধে বলা হয়েছে: “ইহা এক কাল, [দুই] কাল ও অর্দ্ধ কালে হইবে, এবং পবিত্র জাতির বাহুভঙ্গ সম্পূর্ণ হইলে এই সকল সিদ্ধ হইবে।”a এই একই কালের কথা প্রকাশিত বাক্য ১১:৩-৬ পদে আছে, যেখানে বলা হয়েছে যে ঈশ্বরের সাক্ষীরা চট পরে সাড়ে তিন বছর প্রচার করার পরে নিহত হবে। দানিয়েল ৭:২৫ পদে আরও লেখা আছে: “সে পরাৎপরের বিপরীতে কথা কহিবে, পরাৎপরের পবিত্রগণকে শীর্ণ করিবে, এবং নিরূপিত সময়ের ও ব্যবস্থার পরিবর্ত্তন করিতে মনস্থ করিবে, এবং এক কাল, [দুই] কাল ও অর্দ্ধ কাল পর্য্যন্ত তাহারা তাহার হস্তে সমর্পিত হইবে।”

১০ এই পরবর্তী ভবিষ্যদ্বাণীটিতে, “সে” হল বাবিলন থেকে শুরু করে পঞ্চম বিশ্ব-শক্তি। সে হল সেই ‘ক্ষুদ্র শৃঙ্গ’ যার রাজত্বকালে মনুষ্যপুত্রকে “কর্ত্তৃত্ব, মহিমা ও রাজত্ব” দেওয়া হবে। (দানিয়েল ৭:৮, ১৪) এই রূপক শৃঙ্গ, প্রথমে সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটেন ছিল, প্রথম বিশ্ব যুদ্ধের সময়ে তা ব্রিটেন-আমেরিকা দ্বৈত বিশ্ব-শক্তিতে পরিণত হয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখন যার নেতৃত্ব নিয়েছে। সাড়ে তিন কাল অথবা বছর ধরে এই শক্তি পবিত্রগণকে নির্যাতন করবে এবং সময় ও ব্যবস্থার পরিবর্তন করতে চেষ্টা করবে। অবশেষে, পবিত্রগণকে তাদের হাতে দেওয়া হবে।—প্রকাশিত বাক্য ১৩:৫, ৭ পদও দেখুন।

১১, ১২. কোন্‌ ঘটনাগুলি ১,২৬০ ভাববাণীমূলক দিনের সূচনা করেছিল?

১১ এই সম্পর্কিত ভবিষ্যদ্বাণীগুলি কখন পরিপূর্ণ হয়েছিল? প্রথম বিশ্ব যুদ্ধের বহু বছর আগে থেকে যীশুর অভিষিক্ত ভাইয়েরা সকলকে প্রকাশ্যে সাবধান করে দিয়েছিলেন যে ১৯১৪ সালে জাতিগণের নিরূপিত সময় শেষ হবে। যুদ্ধ যখন শুরু হয়, তখন বোঝাই যায় যে সেই সাবধানবাণী উপেক্ষা করা হয়েছে। “বন্য পশু,” বিশ্ব রাজনৈতিক সংস্থা তখন যার অগ্রভাগে ছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্য, তাকে ব্যবহার করে শয়তান চেয়েছিল “সময়ের ও ব্যবস্থার পরিবর্ত্তন” করতে, ঈশ্বরের রাজ্যের শাসন শুরু করা পিছিয়ে দিতে চেয়েছিল (প্রকাশিত বাক্য ১৩:১, ২) সে সফল হয়নি। মানুষের আয়ত্বের অনেক বাইরে, স্বর্গে ঈশ্বরের রাজ্য স্থাপিত হয়েছিল।—প্রকাশিত বাক্য ১২:১-৩.

১২ বাইবেল স্টুডেন্টস্‌দের জন্য যুদ্ধ ছিল একটি পরীক্ষার সময়। জানুয়ারি ১৯১৪ সাল থেকে তারা দানিয়েলের ভবিষ্যদ্বাণীর উপর ভিত্তি করে বাইবেল থেকে একটি প্রদর্শনী, ফোটো-ড্রামা অফ্‌ ক্রিয়েশন দেখাতে শুরু করেছিলেন। সেই বছরের গ্রীষ্মকালে পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল। অক্টোবরে নিরূপিত সময় শেষ হয়। সেই বছরের শেষ নাগাদ, অভিষিক্ত অবশিষ্টাংশেরা যে নির্যাতনের আশঙ্কা করছিলেন তা দেখা যায় এই বিষয়টি থেকে যে ১৯১৫ সালের বার্ষিক শাস্ত্রের জন্য কিং জেমস্‌ সংস্করণের মথি ২০:২২ পদের উপর ভিত্তি করে শিষ্যদের প্রতি যীশুর এই প্রশ্নটি বেছে নেওয়া হয়েছিল, “আমি যে পাত্রে পান করিতে যাইতেছি, তাহাতে কি তোমরা পান করিতে পার?”

১৩. বাইবেল স্টুডেন্টস্রা ১,২৬০ দিন চলাকালীন কিভাবে চট পরে প্রচার করেছিলেন এবং সেই সময়ের শেষে কী হয়েছিল?

১৩ সুতরাং, ১৯১৪ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে সাক্ষীদের এই ছোট দলটি ‘চট পরে প্রচার করতে’ শুরু করে, যিহোবার বিচারাজ্ঞা ঘোষণা করার সময়ে নম্রতার সাথে ধৈর্য রাখে। ওয়াচ টাওয়ার বাইবেল অ্যাণ্ড ট্র্যাক্ট সোসাইটির প্রথম সভাপতি সি. টি. রাসেল, ১৯১৬ সালে মারা যাওয়ায় অনেকে আঘাত পেয়েছিল। যুদ্ধের উন্মাদনা যত ছড়িয়ে পড়ল, তাদের উপরে নির্যাতন আরও বৃদ্ধি পেতে লাগল। কয়েকজনকে কারাবদ্ধ করা হয়েছিল। নির্মম সরকারি কর্তৃপক্ষরা, ইংল্যাণ্ডে ফ্র্যাঙ্ক প্ল্যাট্‌ এবং ক্যানাডাতে রবার্ট ক্লেগ্‌-এর মত কয়েকজনের উপর অত্যাচার করে। অবশেষে, ১৯১৮ সালের জুন ২১ তারিখে, সংগঠনের নতুন সভাপতি জে. এফ্‌. রাদারফোর্ড এবং ওয়াচ টাওয়ার বাইবেল অ্যান্ড ট্র্যাক্ট সোসাইটির আরও সাতজন পরিচালককে মিথ্যা অভিযোগে দীর্ঘ হাজতবাসের আদেশ দেওয়া হয়েছিল। সুতরাং, ভাববাণীমূলক কালের শেষে, ‘ক্ষুদ্র শৃঙ্গটি’ জনসাধারণের মাঝে সংগঠিত প্রচার কাজকে হত্যা করে।—দানিয়েল ৭:৮, কিং জেমস্‌ সংস্করণ।

১৪. অভিষিক্ত অবশিষ্টাংশদের জন্য ১৯১৯ সালে এবং তারপরে, পরিস্থিতির কিভাবে পরিবর্তন হয়?

১৪ এর পরে কী হয়েছিল, সেই সম্বন্ধে প্রকাশিত বাক্যে ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে। অল্প কিছুক্ষণ নিষ্ক্রিয় থাকার পর—যাকে সাড়ে তিন দিন মৃত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকার সাথে তুলনা করে ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছিল—অভিষিক্ত অবশিষ্টাংশ আবার জীবিত ও সক্রিয় হয়ে উঠেছিল। (প্রকাশিত বাক্য ১১:১১-১৩) মার্চ ২৬ তারিখে, ১৯১৯ সালে ওয়াচ টাওয়ার বাইবেল অ্যাণ্ড ট্র্যাক্ট সোসাইটির সভাপতি এবং পরিচালকদের মুক্তি দেওয়া হয় এবং পরে তাদের বিরুদ্ধে সমস্ত মিথ্যা অভিযোগ তুলে নেওয়া হয়। মুক্তি পাওয়ার পরেই, আবার কাজ শুরু করার জন্য অভিষিক্ত অবশিষ্টাংশেরা নিজেদের প্রস্তুত করতে আরম্ভ করে দেন। সুতরাং, প্রকাশিত বাক্যের প্রথম সন্তাপের পরিপূর্ণতা হিসাবে, তারা আত্মিক পঙ্গপালের মত গাঢ় ধোঁয়ার সাথে নিষ্ক্রিয়তার অগাধলোক থেকে উঠে এসে মিথ্যা ধর্মের ভবিষ্যৎ যে অন্ধকার তা জানাতে লাগলেন। (প্রকাশিত বাক্য ৯:১-১১) পরবর্তী কয়েকটি বছরে, তারা আধ্যাত্মিক বিষয়ে সবল হতে এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হতে লাগলেন। ঈশ্বরের বীণা নামে একটি নতুন বই তারা ১৯২১ সালে প্রকাশিত করেন, ছোটদের এবং নতুন ব্যক্তিদের বাইবেলের মৌলিক সত্য শিক্ষা দেওয়ার জন্য যেটি প্রস্তুত করা হয়েছিল। (প্রকাশিত বাক্য ১২:৬, ১৪) এই সমস্ত কিছু আরেকটি উল্লেখযোগ্য সময়কালের মধ্যে ঘটেছিল।

সেই ১,২৯০ দিন

১৫. আমরা কিভাবে ১,২৯০ দিনের আরম্ভ সম্বন্ধে হিসাব করতে পারি? এই সময়কাল কখন শেষ হয়েছিল?

১৫ স্বর্গদূত দানিয়েলকে বলেছিলেন: “যে সময়ে নিত্য নৈবেদ্য নিবৃত্ত ও ধ্বংসকারী ঘৃণার্হ বস্তু স্থাপিত হইবে, তদবধি এক সহস্র দুই শত নব্বই দিন হইবে।” (দানিয়েল ১২:১১) মোশির নিয়ম অনুযায়ী, যিরূশালেমের মন্দিরের বেদীতে “নিত্য নৈবেদ্য” পোড়ানো হত। খ্রীষ্টানেরা দাহ্য বলি উৎসর্গ করে না কিন্তু তারা আধ্যাত্মিক নিত্য নৈবেদ্য দেয়। পৌল এই বিষয়ে উল্লেখ করে বলেছিলেন: “আইস, আমরা তাঁহারই দ্বারা ঈশ্বরের উদ্দেশে নিয়ত স্তব-বলি, অর্থাৎ তাঁহার নাম স্বীকার-কারী ওষ্ঠাধরের ফল, উৎসর্গ করি।” (ইব্রীয় ১৩:১৫; হোশেয় ১৪:২ তুলনা করুন।) এই নিত্য নৈবেদ্য, ১৯১৮ সালের জুন মাসে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তাহলে, দ্বিতীয় বিষয়টি—“ঘৃণার্হ বস্তু”-টি কী ছিল? প্রথম বিশ্ব যুদ্ধের শেষে বিজয়ী শক্তিগুলির উদ্যোগে স্থাপিত জাতিপুঞ্জ (League of Nations)।b এই সংগঠন ঘৃণার্হ ছিল কারণ খ্রীষ্টজগতের নেতারা সেটিকে ঈশ্বরের রাজ্যের পরিবর্তে স্থান দিয়েছিল, শান্তির জন্য মানুষের একমাত্র আশা হিসাবে জাতিপুঞ্জকে ঘোষণা করেছিল। জাতিপুঞ্জ সৃষ্টি করার প্রস্তাব জানুয়ারি ১৯১৯ সালে উত্থাপন করা হয়েছিল। তখন থেকে যদি আমরা ১,২৯০ দিন (তিন বছর, সাত মাস) গণনা করি, তাহলে আমরা সেপ্টেম্বর ১৯২২ সালে এসে পৌঁছাব।

১৬. এক হাজার দুশো নব্বই দিনের শেষে, অভিষিক্ত অবশিষ্টাংশেরা যে কাজের জন্য প্রস্তুত ছিলেন, তা কিভাবে বোঝা যায়?

১৬ তারপরে কী হয়েছিল? বাইবেল স্টুডেন্টস্‌রা এখন সঞ্জীবিত হয়ে উঠেছিলেন, মহতী বাবিল থেকে মুক্ত হয়েছিলেন এবং কাজে নেমে পড়তে প্রস্তুত ছিলেন। (প্রকাশিত বাক্য ১৮:৪) সেপ্টেম্বর ২২ তারিখে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের সিডার পয়েন্ট, ওহাইও-তে একটি সম্মেলনে, খ্রীষ্টধর্মের প্রতি ঈশ্বরের বিচারাজ্ঞা তারা নিভর্য়ে ঘোষণা করতে শুরু করেছিলেন। (প্রকাশিত বাক্য ৮:৭-১২) পঙ্গপালের হুল সত্যিই যন্ত্রণা দিতে শুরু করেছিল! শুধু তাই নয়, প্রকাশিত বাক্যের দ্বিতীয় সন্তাপও শুরু হয়েছিল। খ্রীষ্টীয় অশ্বারোহী সৈন্যের একটি বিরাট দল—প্রথমে অভিষিক্ত অবশিষ্টাংশ এবং পরে তাদের সাথে যোগদানকারী বিস্তর লোক—সারা পৃথিবীতে কাজ শুরু করে দিয়েছিলেন। (প্রকাশিত বাক্য ৭:৯; ৯:১৩-১৯) হ্যাঁ, ১,২৯০ দিনের শেষ ঈশ্বরের ব্যক্তিদের জন্য আনন্দ নিয়ে এসেছিল।c কিন্তু আরও কিছু ঘটতে বাকি ছিল!

সেই ১,৩৩৫ দিন

১৭. কখন ১,৩৩৫ দিন শুরু ও শেষ হয়?

১৭ দানিয়েল ১২:১২ পদে লেখা আছে: “ধন্য সেই, যে ধৈর্য্য ধরিয়া সেই এক সহস্র তিন শত পঁয়ত্রিশ দিন পর্য্যন্ত থাকিবে।” প্রমাণ অনুযায়ী, এই ১,৩৩৫ দিন অথবা তিন বছর, সাড়ে আট মাস শুরু হয়েছিল পূর্ববর্তী সময়কালের শেষ থেকে। সেপ্টেম্বর ১৯২২ সাল থেকে গণনা শুরু করলে, আমরা ১৯২৬ সালের (উত্তর গোলার্ধে) বসন্ত কালের শেষে এসে পৌঁছাই। সেই ১,৩৩৫ দিনের মধ্যে কী হয়েছিল?

১৮. কোন্‌ বিষয় ইঙ্গিত করে যে ১৯২২ সালে আরও উন্নতি করার প্রয়োজন ছিল?

১৮ অনেকে, ১৯২২ সালের লক্ষণীয় ঘটনাবলী সত্ত্বেও, প্রত্যাশার সাথে অতীতের উপরে নির্ভর করছিলেন। সি. টি. রাসেলের লেখা শাস্ত্র অধ্যয়ন (ইংরাজি) বইগুলি তখনও অধ্যয়নের মুখ্য বিষয় ছিল। আরও, এখন জীবিত লক্ষ লক্ষ লোকের কখনও মৃত্যু হবে না নামে বহু-প্রচলিত পুস্তিকাটি এই ধারণা দিয়েছিল যে পৃথিবীকে পরমদেশে পরিণত করতে এবং প্রাচীনকালের বিশ্বস্ত ব্যক্তিদের পুনরুত্থান করতে ঈশ্বরের উদ্দেশ্য, ১৯২৫ সাল থেকেই পূর্ণ হতে শুরু করবে। অভিষিক্ত ব্যক্তিদের ধৈর্য রাখার সময় প্রায় শেষ হয়ে এসেছে বলে মনে হয়েছিল। কিন্তু, বাইবেল স্টুডেন্টস্‌দের সাথে জড়িত কিছু ব্যক্তি মনে করেনি যে অন্যদের সুসমাচার জানাতে তারা বাধ্য ছিল।

১৯, ২০. (ক) ঈশ্বরের লোকেদের জন্য, ১,৩৩৫ দিনের মধ্যে কিভাবে অনেক কিছু পরিবর্তন হয়েছিল? (খ) কোন্‌ ঘটনাগুলি ১,৩৩৫ দিন সময়কালের শেষ চিহ্নিত করে এবং যিহোবার লোকেদের ক্ষেত্রে সেগুলি কী ইঙ্গিত করে?

১৯ এই সবকিছুরই পরিবর্তন হতে লাগল, যখন ১,৩৩৫ দিনের সময়কাল আরও অতিবাহিত হতে লাগল। ভাইয়েদের শক্তি দেওয়ার জন্য, নিয়মিত দলবদ্ধভাবে প্রহরীদুর্গ পত্রিকা থেকে অধ্যয়নের ব্যবস্থা করা হল। ক্ষেত্রের পরিচর্যার উপরে জোর দেওয়া হল। মে ১৯২৩ থেকে শুরু করে, প্রত্যেক মাসের প্রথম মঙ্গলবারে সকলকে ক্ষেত্রের পরিচর্যায় অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানানো হত এবং এই কাজে উৎসাহ দেওয়ার জন্য সপ্তাহের মাঝে মণ্ডলীর সভাতে সময় আলাদা করে রাখা হত। আগস্ট ১৯২৩ সালে, যুক্তরাষ্ট্রের লস্‌ এঞ্জেলেস্‌, ক্যালিফোর্নিয়াতে একটি সম্মেলনে দেখানো হয় যে মেষ এবং ছাগ সম্বন্ধে যীশুর দৃষ্টান্ত, হাজার বছর রাজত্বের আগেই পূর্ণ হবে। (মথি ২৫:৩১-৪০) রেডিও স্টেশন ডব্লুবিবিআর শুরু হয় ১৯২৪ সালে, যে স্টেশন থেকে বায়ুতরঙ্গের মাধ্যমে সুসমাচার প্রচার করা হত। মার্চ ১, ১৯২৫ সালের প্রহরীদুর্গ সংখ্যায় “একটি জাতির জন্ম” নামে প্রবন্ধে প্রকাশিত বাক্য ১২ অধ্যায় সম্পর্কে সংশোধিত চিন্তাধারা প্রকাশ করা হয়েছিল। অবশেষে, ১৯১৪-১৯১৯ সালের প্রচণ্ড ঘটনাগুলির অর্থ বিশ্বস্ত খ্রীষ্টানেরা সঠিকভাবে বুঝতে পেরেছিলেন।

২০ উনিশ্‌শো পঁচিশ সাল অতিবাহিত হল, কিন্তু শেষ তখনও আসেনি! আঠারোশো সত্তর দশক থেকে শুরু করে, বাইবেল স্টুডেন্ডস্‌রা একটি বিশেষ তারিখ মনে রেখে কাজ করছিলেন—প্রথমে ১৯১৪, তারপরে ১৯২৫ সাল। এখন তারা বুঝতে পারলেন যে যিহোবা যতক্ষণ চাইবেন ততক্ষণ তাদের পরিচর্যা করে যেতে হবে। জানুয়ারি ১, ১৯২৬ সালের প্রহরীদুর্গ সংখ্যায় একটি উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ ছিল, “কারা যিহোবাকে সম্মান দেখাবে?” যেখানে আগের থেকে অনেক ভালভাবে ঈশ্বরের নামের গুরুত্বের উপরে জোর দেওয়া হয়েছিল। আর অবশেষে, মে ১৯২৬ সালে ইংল্যাণ্ডের লণ্ডনে একটি সম্মেলনে, “জগতের নেতাদের প্রতি একটি ঘোষণা” নামে এক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে ঈশ্বরের রাজ্য সম্বন্ধে সত্য এবং শয়তানের জগতের আগত ধ্বংস সম্বন্ধে স্পষ্টভাবে জানানো হয়। সেই একই সম্মেলনে, স্পষ্টভাষী বই পরিত্রাণ (ইংরাজি) প্রকাশিত হয়, যেটি শাস্ত্র অধ্যয়ন-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য অনেকগুলি বইয়ের প্রথমটি ছিল। ঈশ্বরের ব্যক্তিরা এখন ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে রইলেন, অতীতের দিকে নয়। সেই ১,৩৩৫ দিন এখন শেষ হয়।

২১. তখনকার দিনে, ঈশ্বরের লোকেদের জন্য, ১,৩৩৫ দিন সময়কালব্যাপী ধৈর্য রাখার অর্থ কী ছিল আর এই কাল সম্বন্ধে ভবিষ্যদ্বাণীর পরিপূর্ণতা আমাদের জন্য কী অর্থ রাখে?

২১ কেউ কেউ এই পরিবর্তন মেনে নিতে অনিচ্ছুক ছিলেন, কিন্তু যারা ধৈর্য রেখেছিলেন তারা সত্যিই আনন্দিত হয়েছিলেন। এছাড়াও, ভবিষ্যদ্বাণীমূলক এই সময়কালগুলির দিকে আমরা যখন ফিরে দেখি, তখন আমরাও আনন্দিত হই কারণ অভিষিক্ত খ্রীষ্টানদের যে ছোট দলটি সেই সময়গুলির মধ্যে বাস করতেন, তারা যে সত্যিই বিশ্বস্ত এবং বুদ্ধিমান দাস, সেই সম্বন্ধে আমাদের আস্থা আরও দৃঢ় হয়। সেই সময়ের পর থেকে, যিহোবার সংগঠনে প্রচুর বৃদ্ধি হয়েছে, কিন্তু বিশ্বস্ত এবং বুদ্ধিমান দাস এখনও এর কেন্দ্রে রয়েছেন, একে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। অভিষিক্ত ব্যক্তিদের এবং অপর মেষের জন্য যে আরও আনন্দ সঞ্চিত আছে, তা জানতে পারা কত রোমাঞ্চকর! দানিয়েলের আরেকটি ভবিষ্যদ্বাণী বিবেচনা করার সময়ে আমরা তা দেখব। (w93 11/1)

[পাদটীকাগুলো]

a এই ভাববাণীমূলক কালগুলি কিভাবে গণনা করতে হবে সেই বিষয়ে বিবরণের জন্য ওয়াচটাওয়ার বাইবেল অ্যাণ্ড ট্র্যাক্ট সোসাইটি দ্বারা প্রকাশিত আমাদের আগত বিশ্ব সরকার—ঈশ্বরের রাজ্য (ইংরাজিতে পাওয়া যায়) বইটির ৮ অধ্যায় দেখুন।

b অক্টোবর ১, ১৯৮৫ সালের প্রহরীদুর্গ, পৃষ্ঠা ৮-১৮ দেখুন।

c জানুয়ারি ১, ১৯৯১ সালের প্রহরীদুর্গ পত্রিকার পৃষ্ঠা ১২ এবং যিহোবার সাক্ষীদের ১৯৭৫ সালের ইয়ারবুক-এর (ইংরাজি) পৃষ্ঠা ১৩২ দেখুন।

আপনি কি বোঝাতে পারবেন?

▫ দানিয়েলের ভবিষ্যদ্বাণীগুলির কয়েকটি যে আমাদের দিনে পরিপূর্ণ হবে তা আমরা কিভাবে জানতে পারি?

▫ আমরা কেন নিশ্চিত হতে পারি যে অভিষিক্ত অবশিষ্টাংশই হল “বিশ্বস্ত এবং বুদ্ধিমান দাস”?

▫ কখন ১,২৬০ দিন শুরু ও শেষ হয়?

▫ অভিষিক্ত অবশিষ্টাংশের জন্য ১,২৯০ দিন কোন্‌ পরিতৃপ্তি এবং পুনঃস্থাপন নিয়ে এসেছিল?

▫ যারা ১,৩৩৫ দিনের শেষ পর্যন্ত ধৈর্য রেখেছিলেন তারা কেন আনন্দিত হয়েছিলেন?

[Pictures on page 7]

উনিশ্‌শো উনিশ সাল থেকে স্পষ্ট হয়েছে যে “বিশ্বস্ত এবং বুদ্ধিমান দাস” হল অভিষিক্ত অবশিষ্টাংশেরা

[Pictures on page 9]

জেনিভা, সুইজারল্যাণ্ডে জাতিপুঞ্জের প্রধান কার্যালয়

[সজন্যে]

UN photo

[১০ পৃষ্ঠার বাক্স]

দানিয়েলের ভাববাণীমূলক সময়কাল

১,২৬০ দিন:

ডিসেম্বর ১৯১৪ থেকে জুন ১৯১৮

১,২৯০ দিন:

জানুয়ারি ১৯১৯ থেকে সেপ্টেম্বর ১৯২২

১,৩৩৫ দিন:

সেপ্টেম্বর ১৯২২ থেকে মে ১৯২৬

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার