ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w৯৩ ৪/১ পৃষ্ঠা ৮-১২
  • মশীহের উপস্থিতি ও তাঁর শাসন

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • মশীহের উপস্থিতি ও তাঁর শাসন
  • ১৯৯৩ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • খ্রীষ্টের প্রত্যাবর্তনের ধরন
  • কখন তা আরম্ভ হয়?
  • কেন দুর্দশার সময়?
  • যখন মশীহ পৃথিবী শাসন করেন
  • কিভাবে তাঁর শাসন আপনাকে প্রভাবিত করে
  • কখন ঈশ্বরের রাজ্য আসবে?
    ২০০৮ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • যীশুর আগমন অথবা যীশুর উপস্থিতি—কোন্‌টি?
    ১৯৯৬ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • মশীহ! পরিত্রাণের জন্য ঈশ্বরের মাধ্যম
    ২০০৯ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • খ্রিস্টের উপস্থিতি —আপনার কাছে এর অর্থ কী?
    ২০০৮ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
আরও দেখুন
১৯৯৩ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w৯৩ ৪/১ পৃষ্ঠা ৮-১২

মশীহের উপস্থিতি ও তাঁর শাসন

“এই যে যীশু তোমাদের নিকট হইতে স্বর্গে ঊর্দ্ধে নীত হইলেন, উহাঁকে যেরূপে স্বর্গে গমন করিতে দেখিলে, সেইরূপে উনি আগমন করিবেন।”—প্রেরিত ১:১১.

১, ২. (ক) যখন যীশু স্বর্গারোহণ করেন তখন যীশুর শিষ্যদের দুটি দূত কিরূপে সান্ত্বনা দেন? (খ) খ্রীষ্টের প্রত্যাবর্তনের আশা সম্বন্ধে কোন্‌ প্রশ্নগুলি উত্থাপিত হয়?

এগারো জন পুরুষ জৈতুন পর্বতের পূর্ব দিকের ঢালু অঞ্চলে দাঁড়িয়ে আকাশের দিকে এক দৃষ্টে তাকিয়ে ছিলেন। ঠিক কয়েক মুহুর্ত পূর্বে, যীশু খ্রীষ্ট তাদের মধ্য থেকে ঊর্দ্ধে নীত হলেন, ও তাঁর অবয়ব মেঘে ঢেকে যাওয়ার সাথে সাথে, ধীরে ধীরে তা অদৃশ্য হয়ে গেল। যীশু যে মশীহ ছিল সেই সম্বন্ধে প্রচুর প্রমাণ যে তিনি দিয়েছিলেন তা এই পুরুষেরা কিছু বছর তাঁর সাথে থাকাকালে দেখেছিলেন; এমনকি তারা তাঁর মৃত্যুতে মর্মাহত হয়েছিলেন এবং তাঁর পুনরুত্থানে পরমানন্দিতও হয়েছিলেন। এখন তিনি চলে গেছেন।

২ দুটি দূতের হঠাৎ আবির্ভাব হয় এবং তারা এই সান্ত্বনাদায়ক কথাগুলি বলেন: “হে গালীলীয় লোকেরা, তোমরা আকাশের দিকে দৃষ্টি করিয়া দাঁড়াইয়া রহিয়াছ কেন? এই যে যীশু তোমাদের নিকট হইতে স্বর্গে ঊর্দ্ধে নীত হইলেন, উহাঁকে যেরূপে স্বর্গে গমন করিতে দেখিলে, সেইরূপে তিনি আগমন করিবেন।” (প্রেরিত ১:১১) কী আশ্বাস প্রদানকারী—যীশুর স্বর্গে আরোহণের অর্থ এই নয় যে তিনি পৃথিবী ও মানবজাতির প্রতি আর চিন্তিত নন। ঠিক বিপরীত, যীশু আবার আসবেন। কোন সন্দেহ নেই যে এই শব্দগুলি প্রেরিতদের আশাতে পূর্ণ করেছিল। বর্তমানে লক্ষ লক্ষ লোকও যীশুর প্রত্যাবর্তনের প্রতিজ্ঞাকে খুব গুরুত্ব দেয়। কিছু ব্যক্তি এই বিষয়কে “দ্বিতীয় আগমন” অথবা “খ্রীষ্টের আবির্ভাব” হিসাবে বলে থাকে। যদিও বা, খ্রীষ্টের প্রত্যাবর্তনের প্রকৃত অর্থ কী সেই সম্বন্ধে অনেকে বিভ্রান্ত। কিরূপে খ্রীষ্ট প্রত্যাবর্তন করবেন? কখন? এবং বর্তমানে তা আমাদের জীবনকে কিভাবে প্রভাবিত করে?

খ্রীষ্টের প্রত্যাবর্তনের ধরন

৩. খ্রীষ্টের প্রত্যাবর্তন সম্বন্ধে অনেকে কি মনে করে?

৩ অ্যান ইভ্যানজেলিকাল ক্রিস্টোলজি, নামক বই অনুসারে, “দ্বিতীয় আগমন অথবা খ্রীষ্টের প্রত্যাবর্তন (পারৌসিয়া) অবশেষে, প্রকাশ্যে চিরকালের জন্য ঈশ্বরের রাজ্যের স্থাপনা করবে।” খ্রীষ্টের প্রত্যাবর্তন প্রকাশ্যে দৃশ্যমান হবে ও পৃথিবীর প্রত্যেকে স্বচক্ষে দেখতে পাবে এই বিশ্বাস ব্যাপকভাবে প্রচলিত। এই ধারনাটি সমর্থন করতে অনেকে প্রকাশিত বাক্য ১:৭ পদকে তুলে ধরে, যেটি বলে: “দেখ, তিনি মেঘ সহকারে আসিতেছেন, আর প্রত্যেক চক্ষু তাঁহাকে দেখিবে, এবং যাহারা তাঁহাকে বিদ্ধ করিয়াছিল, তাহারাও দেখিবে।” কিন্তু এই পদটি কি আক্ষরিকরূপে নেওয়ার যোগ্য?

৪, ৫. (ক) আমরা কি করে বুঝতে পারি যে প্রকাশিত বাক্য ১:৭ পদ আক্ষরিক অর্থে বোঝায়নি? (খ) কিভাবে যীশুর নিজের কথা, এই ধারণার সমর্থন করে?

৪ স্মরণে রাখবেন যে প্রকাশিত বাক্য পুস্তকটি “চিহ্নের” মাধ্যমে প্রদান করা হয়। (প্রকাশিত বাক্য ১:১, NW) তাহলে এই পদটি নিশ্চয় রূপক; তাছাড়া, “যাহারা তাঁহাকে বিদ্ধ করিয়াছিল” তারা তাঁকে কিরূপে দেখবে? তারা মারা যাওয়ার পর, প্রায় ২০ শতাব্দী অতিবাহিত হয়ে গেছে! এছাড়াও দূতেরা বলেন যে, খ্রীষ্ট যেরূপে গমন করেছিলেন ঠিক “সেইরূপে উনি আগমন করিবেন”। কিন্তু কিরূপে তিনি গমন করেন? লক্ষ লক্ষ লোকেরা তা কী দেখেছিল? না, শুধুমাত্র কিছু বিশ্বাসী ব্যক্তিরা সেই ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছিল? যখন দূতেরা প্রেরিতদের সঙ্গে কথা বলছিলেন, তখন কী তারা প্রকৃতই খ্রীষ্টকে স্বর্গ পর্য্যন্ত যাত্রা করতে দেখেছিলেন? না, এক মেঘের আবরণ যীশুকে দৃষ্টি থেকে অস্পষ্ট করে দেয়। তার কিছুক্ষণ পরে হয়ত, তিনি নিশ্চয় আত্মিক স্বর্গে আত্মিক ব্যক্তিরূপে প্রবেশ করেন, যা ছিল মনুষ্য চক্ষুতে অদৃশ্য। (১ করিন্থীয় ১৫:৫০) তাই প্রেরিতেরা শুধু যীশুর যাত্রার আরম্ভ মাত্র দেখেছিলেন; তারা যাত্রার সমাপ্তি দেখতে পারেননি, যা হল তাঁর পিতা যিহোবার স্বর্গীয় উপস্থিতিতে যীশুর প্রত্যাবর্তন। এটি শুধু তাঁরা তাদের বিশ্বাসের চক্ষুর মাধ্যমে নির্ধারণ করতে পারতেন।—যোহন ২০:১৭.

৫ যীশু সেই একই রূপে প্রত্যাবর্তন করবেন বলে বাইবেল শিক্ষা দেয়। যীশু তাঁর মৃত্যুর কিছু পূর্বে নিজেই বলেন: “অল্পকাল গেলে জগৎ আর আমাকে দেখিতে পাইবে না।” (যোহন ১৪:১৯) তিনি আরও বলেন যে “ঈশ্বরের রাজ্য জাঁকজমকের সহিত আইসে না।” (লূক ১৭:২০) তাহলে কোন্‌ অর্থে ‘প্রত্যেক চক্ষু তাঁকে দেখতে পাবে’? এর উত্তর পেতে হলে, যীশু ও তাঁর অনুসরণকারীরা তাঁর প্রত্যাবর্তনের ক্ষেত্রে যে শব্দ ব্যবহার করেন, তার স্পষ্ট অর্থ প্রথমে আমাদের জানা দরকার।

৬. (ক) “প্রত্যাবর্তন,” “আগমন,” “আবির্ভাব,” এবং “আসা,” এই শব্দগুলি কেন গ্রীক শব্দ পা·রৌ·সিʹয়া-র প্রকৃত অনুবাদ নয়? (খ) কি প্রদর্শন করে যে শুধুমাত্র কোন ক্ষণিকের ঘটনার থেকে পা·রৌ·সিʹয়া অথবা উপস্থিতি অনেক বেশী সময়ব্যাপী হয়?

৬ প্রকৃত বিষয়টি হল খ্রীষ্ট শুধুমাত্র “প্রত্যাবর্তন” ছাড়া আরও অধিক কিছু করেন। “আসা,” “আগমন,” অথবা “আবির্ভাব”-এর মতো শব্দের সাধারণত অর্থ হল অল্পক্ষণের মধ্যে একটি ঘটনা। কিন্তু যীশু এবং তাঁর শিষ্যরা যে গ্রীক শব্দ ব্যবহার করেন তার অর্থ এর থেকেও বেশী। শব্দটি পা·রৌ·সিʹয়া যার আক্ষরিক অর্থ হল “সঙ্গে থাকা” অথবা এক “উপস্থিতি”। বেশীরভাগ পণ্ডিত এই বিষয় একমত হন যে এই শব্দটি শুধুমাত্র পৌঁছান বোঝায় না, কিন্তু তারপরের যে উপস্থিতি তাও বোঝায়—যেমন কোন রাজকীয় ব্যক্তির কার্যোপলক্ষে রাজ্য পরিদর্শন। এই উপস্থিতিটি কোন ক্ষণিকের ঘটনা নয়; এটি একটি বিশেষ যুগ, এক চিহ্নিত সময়কাল। মথি ২৪:৩৭-৩৯ পদে যীশু বলেন যে “মনুষ্যপুত্ত্রের আগমনও [পা·রৌ·সিʹয়া]” “নোহের সময়ের” মতো হবে যা জলপ্লাবনের মাধ্যমে সর্ব্বোচ্চ সীমায় পৌঁছায়। নোহ জাহাজ নির্ম্মান করছিলেন ও দুর্নীতিগ্রস্ত তখনকার জগতব্যবস্থাকে প্লাবন এসে ধ্বংস করার পূর্বে, তিনি বহু দশক ধরে দুষ্টদের সাবধান বাণী দিচ্ছিলেন। তাহলে, অনুরূপে, মহা ধ্বংসের সর্ব্বোচ্চ সীমায় পৌঁছানোর পূর্বে খ্রীষ্টের উপস্থিতিও কিছু দশকের সময়কাল অতিবাহিত করবে।

৭. (ক) কি প্রমাণ করে যে পা·রৌ·সিʹয়া মানব চক্ষে দেখা যায় না? (খ) “প্রত্যেক চক্ষু” খ্রীষ্টের প্রত্যাবর্তন দেখবে বলে শাস্ত্র যা বর্ণনা করে তা কখন ও কিভাবে পরিপূর্ণতাপ্রাপ্ত হবে?

৭ পা·রৌ·সিʹয়া সাধারণ চক্ষুতে যে কেউ দেখতে পারবে না, সেই সম্বন্ধে কোন সন্দেহই নেই। যদি তাই হত, তাহলে কেন যীশু তাঁর অনুসরণকারীদের এই উপস্থিতিকে নির্ধারণ করতে সাহায্য করার চিহ্ন প্রদান করতে, যেমন আমরা দেখব, অত সময় ব্যয় করতেন?a যাইহোক, যীশু যখন শয়তানের জগতব্যবস্থাকে ধ্বংস করতে আসবেন, তখন তাঁর উপস্থিতির সত্যতাটি সকলের কাছে অতিমাত্রায় প্রমাণিত হবে। আর তখনই “প্রত্যেক চক্ষু তাঁহাকে দেখিবে।” এমনকি খ্রীষ্টের শত্রুগণও আতঙ্কিত হবে এই জেনে যে খ্রীষ্টের শাসন হল এক বাস্তব বিষয়।—মথি ২৪:৩০ দেখুন; ২ থিষলনীকীয় ২:৮; প্রকাশিত বাক্য ১:৫, ৬.

কখন তা আরম্ভ হয়?

৮. কোন ঘটনা খ্রীষ্টের উপস্থিতির প্রারম্ভকে চিহ্নিত করে, এবং তা কোথায় ঘটে?

৮ একটি ঘটনার মাধ্যমে মশীহের উপস্থিতির প্রারম্ভ হয়, যা মশীহ সম্বন্ধীয় ভাববাণীগুলিতে বারবার বলা বিষয়বস্তুটিকে পরিপূর্ণতা প্রদান করে। তিনি স্বর্গে রাজারূপে অধিকার প্রাপ্ত হন। (২ শমূয়েল ৭:১২-১৬; যিশাইয় ৯:৬, ৭; যিহিষ্কেল ২১:২৬, ২৭) যীশু নিজেই দেখান যে তাঁর উপস্থিতি, তাঁর রাজ্যাধিকারের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। বহু দৃষ্টান্ততে, তিনি নিজেকে এক প্রভুর সঙ্গে তুলনা করেছেন, যে তার ঘর ও দাসেদের ত্যাগ করে “দূরদেশে” “রাজপদ” পেতে দীর্ঘকালীন যাত্রা করেন। যখন প্রেরিতেরা তাঁর পা·রৌ·সিʹয়া সম্বন্ধে তাঁকে প্রশ্ন করেন, তখন তিনি উত্তরের অংশরূপে ওই প্রকৃতির এক দৃষ্টান্ত ব্যবহার করেন; আবার আর একটি দৃষ্টান্ত দেন, যখন তারা “অনুমান করিতেছিল যে, ঈশ্বরের রাজ্যের প্রকাশ তখনই হইবে।” (লূক ১৯:১১, ১২, ১৫; মথি ২৪:৩; ২৫:১৪, ১৯) তাই, মানবরূপে পৃথিবীতে থাকাকালীন, তাঁর রাজ্যাভিষেকের সময় তখনও অনেক দূরে ছিল, যা স্বর্গের “দূরদেশে” ঘটার কথা ছিল। কখন সেটি ঘটবে?

৯, ১০. কি প্রমাণ আছে যে বর্তমানে খ্রীষ্ট স্বর্গে রাজত্ব করছেন, এবং কখন তিনি রাজত্ব করতে আরম্ভ করেন?

৯ যখন যীশুর শিষ্যরা তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন: “আপনার আগমনের এবং যুগান্তের চিহ্ন কি?” ভবিষ্যতের সেই সময় সম্বন্ধে যীশু বিশদ বর্ণনা দিয়ে এর উত্তর দেন। (মথি ২৪ অধ্যায়; মার্ক ১৩ অধ্যায়; লূক ২১ অধ্যায়; আরও দেখুন ২ তীমথিয় ৩:১-৫; প্রকাশিত বাক্য ৬ অধ্যায়।) এই চিহ্ন হল এক অশান্ত যুগের বিশদ প্রাঞ্জল বর্ণনা। এই সময় আর্ন্তজাতিক যুদ্ধগুলি, অপরাধের বৃদ্ধি, পারিবারিক জীবনে অবনতি, মহামারী, দুর্ভিক্ষ ও ভূমিকম্পের দ্বারা চিহ্নিত—স্থানীয় সমস্যারূপে নয় কিন্তু তা জগতব্যাপী সমস্যারূপে। আপনার কাছে কী এই বিষয়গুলি সুপরিচিত? বিগত প্রতিটি দিন প্রমাণ করে যে বিংশ শতাব্দী যীশুর বর্ণনায় যথাযথরূপে মিলে যাচ্ছে।

১০ ঐতিহাসিকগণ স্বীকার করেন যে, ১৯১৪ সালে মানব ইতিহাসের মোড় ঘুরে যায়, একটি কেন্দ্রিক বছর যে সময় থেকে এই সব সমস্যার অনেকগুলি নিয়ন্ত্রনের বাইরে যেতে আরম্ভ করে, যা এখন জগতব্যাপী দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। হ্যাঁ, বাইবেল ভাববাণীর পরিপূর্ণতা হিসাবে পার্থিব জাগতিক ঘটনাসকল ১৯১৪ সালকে সেই বছর হিসাবে সূচিত করে যখন স্বর্গে যীশু রাজা রূপে রাজত্ব করতে শুরু করেন। এছাড়াও, দানিয়েল ৪ অধ্যায়ের এক ভাববাণী আমাদের কালক্রমানুসারী এক প্রমাণ দেয় যা আমাদের সেই একই বছরে পরিচালিত করে—১৯১৪—সেই সময় যখন যিহোবার নিরূপিত রাজা রাজত্ব করতে আরম্ভ করবেন।b

কেন দুর্দশার সময়?

১১, ১২. (ক) খ্রীষ্ট এখনই স্বর্গে রাজত্ব করছেন তা অনেকের কাছে বিশ্বাস করা কষ্টসাধ্য হচ্ছে কেন? (খ) রাজারূপে যীশুর রাজ্যাভিষেক হওয়ার পর কি ঘটে, তা আমরা কিভাবে দৃষ্টান্ত দ্বারা বর্ণনা করতে পারি?

১১ অনেকে বিষ্মিত হয়, ‘যদি মশীহ স্বর্গে রাজত্বই করছেন তাহলে কেন জগতে এত দুর্দশা? তাঁর শাসন কী অকৃতকার্যকারী?’ একটি দৃষ্টান্ত হয়ত এটি বুঝতে সাহায্য করবে। একটি দেশ এক দুষ্ট রাষ্ট্রপতির দ্বারা পরিচালিত হয়। তিনি সেখানে এক দুর্নীতিগ্রস্ত শাসন ব্যবস্থা স্থাপন করেছেন ও সেই ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রনের প্রভাব সেই দেশের প্রতিটি কোনায় বিস্তারিত হয়েছে। কিন্তু একটি নির্বাচন হয়; এক উত্তম ব্যক্তি জয়ী হন। এখন কি ঘটবে? কিছু গণতান্ত্রিক দেশে যা হয়ে থাকে, নতুন রাষ্ট্রপতি কার্যভার নেওয়ার পূর্বে কিছু মাসের এক মধ্যবর্তী সময় রাখা হয়। এই মধ্যবর্তী কালে এই দুইজন ব্যক্তি কিরূপ আচরণ করবে? উত্তম ব্যক্তিটি কী তৎক্ষণাৎ আক্রমণ ও সমস্ত দুষ্টতার নিঃশেষ করবেন যা তার পূর্ববর্তী ব্যক্তি সারা দেশে পরিব্যপ্ত করেছিল? বিপরীতে, নতুন ক্যাবিনেট গঠন করে ও প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির অসাধু অন্তরঙ্গ বন্ধুদের এবং দৃঢ় সমর্থকদের নোটিশ দিয়ে সে কী কেন্দ্রীয় রাজধানীতে প্রথমে মনোনিবেশ করবে না? তা করলে, সে যখন পূর্ণ ক্ষমতায় আসবে, তখন সে উত্তম ও কার্যকারীরূপে তার শক্তি প্রয়োগ করতে পারবে। অপরপক্ষে, দুর্নীতিপরায়ণ রাষ্ট্রপতি তার সকল ক্ষমতা চলে যাওয়ার পূর্বে, যতটা সবে দেশ থেকে মন্দ উপায়ে পাওয়া লাভ আদায় করে নিতে তার অবশিষ্ট সংক্ষিপ্ত কালের সুযোগ গ্রহণ করবে না?

১২ বাস্তবে, এটি খ্রীষ্টের পা·রৌ·সিʹয়া-র অনুরূপ। প্রকাশিত বাক্য ১২:৭-১২ দেখায় যে, যখন খ্রীষ্টকে স্বর্গে রাজা করা হয়, তখন প্রথমে তিনি শয়তান ও তার দুষ্ট দূতদের স্বর্গ থেকে বিতাড়িত করেন, তাঁর সরকারি স্থানকে পরিস্কৃত করেন। এই পৃথিবীতে খ্রীষ্ট তাঁর পূর্ণ ক্ষমতা প্রয়োগ করার পূর্বে, শয়তান এই দীর্ঘ-অপেক্ষারত পরাজয় সহ্য করে, এই ‘সংক্ষিপ্ত কালে’ কিরূপ ব্যবহার করবে? সেই দুর্নীতিপরায়ণ রাষ্ট্রপতির মত, সেও এই পুরনো ব্যবস্থা থেকে যা কিছু পাওয়া যায় তার প্রচেষ্টা করে। সে অর্থের পিছনে নেই; সে মানুষের জীবনের আকাঙ্খী। যিহোবা এবং তাঁর রাজত্বকারী রাজার কাছ থেকে সে যত জন সবে লোকদের সরিয়ে নিতে চায়।

১৩. কিভাবে শাস্ত্র দেখায় যে খ্রীষ্টের শাসনের আরম্ভ এই পৃথিবীতে দুর্দশার সময় হবে?

১৩ তাই, আশ্চর্য নয়, যে মশীহ রাজত্বের আরম্ভের অর্থ হল, “পৃথিবীর সন্তাপ।” (প্রকাশিত বাক্য ১২:১২) সেইভাবে, গীতসংহিতা ১১০:১, ২, ৬ দেখায় যে মশীহ “আপন শত্রুদের মধ্যে” তাঁর রাজত্ব শুরু করেন। কিন্তু, পরবর্তীকালে তিনি শয়তানের দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যবস্থার প্রতিটি দিক সহ “জাতিদের”-ও সম্পূর্ন ধ্বংস করবেন, কোন স্মৃতি মাত্রও থাকবে না!

যখন মশীহ পৃথিবী শাসন করেন

১৪. শয়তানের দুষ্ট বিধিব্যবস্থাকে ধ্বংস করার পর মশীহ কি করতে সক্ষম হবেন?

১৪ শয়তানের ব্যবস্থা এবং যারা সেটিকে সমর্থন করছিল, এ সমস্তই বিনাশ করার পর মশীহ রাজা যীশু খ্রীষ্ট, অবশেষে অপূর্ব বাইবেল ভাববাণীগুলির পরিপূর্ণতা প্রদান করতে পারবেন যা তাঁর সহস্র বছর রাজত্বকালের বর্ণনা করে। মশীহ কি ধরনের শাসক হবেন তা জানতে আমাদের যিশাইয় ১১:১-১০ পদ সাহায্য করে। পদ ২ আমাদের বলে যে তাঁতে অধিষ্ঠান করবে “সদাপ্রভুর আত্মা—প্রজ্ঞার ও বিবেচনার আত্মা, মন্ত্রণার ও পরাক্রমের আত্মা।”

১৫. মশীহ শাসনে “পরাক্রমের আত্মা”-র অর্থ কি হবে?

১৫ যীশুর শাসনকালে “পরাক্রমের আত্মার” অর্থ কি হবে তা বিবেচনা করুন। যখন তিনি পৃথিবীতে ছিলেন তখন তিনি যিহোবার কাছ থেকে কিছুটা পরিমাণ পরাক্রম পেয়েছিলেন, যা তাঁকে আশ্চর্যকাজগুলি করতে সমর্থ করে। আর তিনি লোকেদের সাহায্য করতে আন্তরিক ইচ্ছা প্রকাশ করেন এই বলে, “আমার ইচ্ছা” আছে। (মথি ৮:৩) কিন্তু তাঁর সেই সময়ের আশ্চর্যকাজগুলি ছিল, স্বর্গ থেকে শাসন করার সময় তিনি কী করবেন সে সম্বন্ধে পূর্বাভাস মাত্র। যীশু সমস্ত পৃথিবীব্যাপী আশ্চর্যকাজ করবেন! সর্ব সময়ের জন্য অসুস্থ, অন্ধ, বধির, অক্ষম, এবং খঞ্জ ব্যক্তিরা সুস্থ হবে। (যিশাইয় ৩৫:৫, ৬) প্রচুর খাদ্য, সমবন্টনের ফলে অনন্তকালের জন্য ক্ষুধার অবসান করবে। (গীতসংহিতা ৭২:১৬) অসংখ্য কোটি কোটি সমাধিস্থ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও বা কী, ঈশ্বর যাদের স্মরণ করতে ইচ্ছুক? যীশুর “পরাক্রম”-এর সাথে যুক্ত থাকবে তাদের পুনরুত্থান করার শক্তি, এবং প্রত্যেককে পরমদেশে অনন্তকাল থাকার সুযোগ প্রদান! (যোহন ৫:২৮, ২৯) তবুও, এই সমস্ত পরাক্রম থাকা সত্ত্বেও, মশীহ রাজা সর্বসময় অতি নম্র থাকবেন। তিনি “সদাপ্রভু-ভয়ে আমোদিত” হন।—যিশাইয় ১১:৩.

১৬. মশীহ রাজা কি প্রকৃতির বিচারক হবেন, এবং মানব বিচারকদের বিষয় থেকে তা কিভাবে আলাদা?

১৬ এই রাজা হবেন একজন সিদ্ধ বিচারকও। তিনি “চক্ষুর দৃষ্টি অনুসারে বিচার করিবেন না, কর্ণের শ্রবণানুসারে বিচার করিবেন না।” বর্তমান অথবা অতীতের কোন বিচারকর্তাকে এইভাবে বর্ণনা করা যেতে পারে? এমনকি একজন সুবিচারপূর্ণ মানুষও, যা দেখে বা শোনে তার উপর নির্ভর করে, তার যতটুকু প্রজ্ঞা বা নির্ণয়শক্তি আছে তা ব্যবহার করে সে বিচার করে। তাই এই পুরনো পৃথিবীর বিচারক ও জুরিরা চতুর বাক্‌পটুতায়, কোর্টের নাটকাভিনয়ে অথবা পরস্পর বিরোধী প্রমাণে হয়ত প্রভাবিত বা বিভ্রান্ত হতে পারে। বেশীরভাগ সময়ে, শুধুমাত্র ধনবান ও শক্তিশালী ব্যক্তিরাই কার্যকারী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে, বাস্তবিকপক্ষে ন্যায়কে তারা ক্রয় করে। কিন্তু মশীহ বিচারকের অধীনে তা হবে না! তিনি হৃদয়ে কি আছে তা জানতে পারেন। কোন কিছু তাঁর অলক্ষ্য থাকবে না। প্রেম ও করুণার সাথে সম্মিলিত ন্যায়বিচার, বিক্রয়ের জন্য নয়। এটি সব সময় জয়ী হবে।—যিশাইয় ১১:৩-৫.

কিভাবে তাঁর শাসন আপনাকে প্রভাবিত করে

১৭, ১৮. (ক) যিশাইয় ১১:৬-৯ পদে মানবজাতির ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে কী উজ্জ্বল চিত্রাঙ্কন করা আছে? (খ) এই ভাববাণী প্রধানত কাদের প্রতি প্রযোজ্য এবং কেন সেইরূপ? (গ) কিভাবে এই ভাববাণী আক্ষরিক রূপে পরিপূর্ণ হবে?

১৭ বোধসাধ্য, যে মশীহের শাসন প্রজাদের উপর এক গভীর প্রভাব আনে। এটি লোকেদের পরিবর্তন করে। যিশাইয় ১১:৬-৯ পদ দেখায় যে সেই পরিবর্তনগুলি কত ব্যাপক। এই ভাববাণীটি বিপজ্জনক, শিকারজীবি পশুদের এক মর্মস্পর্শী চিত্রাঙ্কন করে—ভাল্লুক, নেকড়ে, চিতাবাঘ, সিংহ, কেউটিয়া সাপ—নিরীহ গৃহপালিত পশু ও এমনকি শিশুদের সাথে বাস করছে। কিন্তু শিকারজীবি পশুদের থেকে কোন বিপদের আশঙ্কা নেই! কেন? পদ ৯ উত্তর দেয়: “সে সকল আমার পবিত্র পর্ব্বতের কোন স্থানে হিংসা কিম্বা বিনাশ করিবে না; কারণ সমুদ্র যেমন জলে আচ্ছন্ন, তেমনি পৃথিবী সদাপ্রভু বিষয়ক জ্ঞানে পরিপূর্ণ হইবে।”

১৮ সত্য যে ‘সদাপ্রভু বিষয়ক জ্ঞান’ প্রকৃত পশুদের উপর কোন প্রভাব আনবে না; তাই এই পদগুলি প্রধানত লোকেদের প্রতি প্রযোজ্য হবে। লোকেদের যিহোবা এবং তাঁর পথের প্রতি শিক্ষা দিতে এবং প্রত্যেককে সহমানবের সঙ্গে প্রেম, সম্মান ও মর্যাদাপূর্ণ ব্যবহার করতে শিক্ষা দিতে মশীহের শাসন এক পৃথিবীব্যাপী শিক্ষাদানের কার্যক্রমের প্রতিশ্রুতি দেয়। আগত পরমদেশে, মশীহ মানবজাতিকে আশ্চর্যজনকভাবে দৈহিক ও নৈতিক সিদ্ধতায় উত্তীর্ণ করবেন। লুষ্ঠনকারী, পাশবিক গুণগুলি যা অসিদ্ধ মানব স্বভাবকে বিকৃত করে তা চলে যাবে। আক্ষরিক অর্থেও, মানবজাতি পশুদের সাথে শান্তিতে বাস করবে—অবশেষে!—তুলনা করুন আদিপুস্তক ১:২৮.

১৯. এই শেষ কালে কিরূপে মশীহের শাসন লোকেদের জীবনকে প্রভাবিত করবে?

১৯ স্মরণে রাখুন যে, মশীহ এখন রাজত্ব করছেন। যিশাইয় ১১:৬-৯ পদের ভাববাণীর আর এক অর্থে পরিপূর্ণতা প্রদান করে এমনকি এখনই তাঁর রাজ্যের প্রজারা একসঙ্গে শান্তিতে বাস করতে শিখছে। তাছাড়া, প্রায় ৮০ বছর অতিবাহিত হয়ে গেছে যীশু, যিশাইয় ১১:১০ পদের পরিপূর্ণতা প্রদান করছেন “সেই দিন এই ঘটিবে, যিশয়ের মূল, যিনি লোকবৃন্দের পতাকারূপে দাঁড়ান, তাঁহার কাছে জাতিগণ অন্বেষণ করিবে; আর তাঁহার বিশ্রামস্থান প্রতাপান্বিত হইবে।” প্রতিটি জাতির লোকেরা মশীহের প্রতি প্রত্যাবর্তন করছে। কেন? কারণ যখন থেকে তিনি রাজত্ব আরম্ভ করেছেন তখন থেকে তিনি ‘পতাকারূপে দাঁড়িয়ে’ আছেন। উপরে বর্ণিত বৃহৎ শিক্ষাদানের কার্যক্রমের মাধ্যমে তিনি জগতব্যাপী তাঁর উপস্থিতি প্রকাশ করছেন। বাস্তবিক, যীশু ভাববাণী করেন যে, এই পুরনো বিধি ব্যবস্থা শেষ হওয়ার পূর্বে, জগতব্যাপী প্রচারকার্য হবে তাঁর উপস্থিতির এক বিশিষ্ট চিহ্ন।—মথি ২৪:১৪.

২০. মশীহ শাসনের সকল প্রজাদের কিরূপ মনোভাব পরিহার করতে হবে ও কেন?

২০ তাই, রাজ শক্তিতে খ্রীষ্টের উপস্থিতি কোন বহুদূরবর্তী, ধারণাগত বিষয় নয় ও থিওলজিয়ানদের মধ্যে কোন বুদ্ধিগত তর্কের বিষয় মাত্রও নয়। ঠিক যেমন যিশাইয় ভাববাণী করেছিলেন, তাঁর শাসন এই পৃথিবীতে জীবনকে প্রভাবিত করে এবং পরিবর্তিত করে। এই দুর্নীতিগ্রস্ত জগতব্যবস্থার মধ্য থেকে লক্ষ লক্ষ লোকদের যীশু তাঁর রাজ্যের প্রতি পরিচালিত করেছেন। আপনি কি সেইরূপ এক প্রজা? তাহলে আমাদের শাসকের যেরূপ প্রাপ্য, সেইরূপ সমস্ত আনন্দ ও উদ্দীপনার সাথে তাঁকে সেবা করুন! সহজেই ক্লান্ত হয়ে গিয়ে, জগতের বিদ্রূপকারী চিৎকারে যোগ দেওয়া খুবই স্বাভাবিক, যা বলে: “তাঁহার আগমনের প্রতিজ্ঞা কোথায়?” (২ পিতর ৩:৪) কিন্ত যীশু স্বয়ং বলেছিলেন, “যে কেহ শেষ পর্যন্ত স্থির থাকিবে, সেই পরিত্রাণ পাইবে।”—মথি ২৪:১৩.

২১. মশীহ সম্বন্ধীয় আশার প্রতি আমরা সকলে কিভাবে আমাদের উপলব্ধি বৃদ্ধি করতে পারব?

২১ বিগত প্রতিটি দিন আমাদের সেই মহাদিনের সন্নিকটে নিয়ে যায়, যখন যিহোবা তাঁর পুত্রের উপস্থিতি সমস্ত জগতের কাছে প্রকাশ করতে তাকে পরিচালিত করবেন। সেই দিনের প্রতীক্ষার আশাকে কখনও ম্লান হতে দেবেন না। যীশুর মশীহ পরিচয় ও রাজত্বকারী রাজারূপে তাঁর গুণাবলী বিবেচনা করুন। বাইবেলে লিখিত মশীহ সম্বন্ধীয় আশার পরিকল্পক ও লেখক, যিহোবা ঈশ্বরের সম্বন্ধে গভীরভাবে চিন্তা করুন। যদি আপনি তা করেন, তাহলে আপনিও প্রেরিত পৌলের মত নিঃসন্দেহে আরও বেশী অনুভব করবেন, যেমন তিনি লেখেন: “আহা! ঈশ্বরের ধনাঢ্যতা ও প্রজ্ঞা ও জ্ঞান কেমন অগাধ!”—রোমীয় ১১:৩৩. (w92 10⁄1)

[পাদটীকাগুলো]

a বিগত ১৮৬৪ সালে থিওলজিয়ান আর. গভেট্‌ এইভাবে বলেন: “এটি আমার কাছে খুবই নির্ধারণযোগ্য বলে মনে হয়। উপস্থিতি সম্বন্ধে চিহ্ন দেওয়ার অর্থ হল যে এটি গুপ্ত বিষয়। আমরা যা দেখছি তা জানতে আমাদের কোন সঙ্কেতের প্রয়োজন হয় না।”

b বিশদ বিবরণের জন্য, “লেট ইয়োর কিংডম কাম্‌” বইটির ১৩৩-৯ পৃষ্ঠা দেখুন।

আপনি কিরূপে উত্তর দেবেন?

▫ কিরূপে খ্রীষ্ট প্রত্যাবর্তন করেন?

▫ কিভাবে আমরা জানি যে খ্রীষ্টের পা·রৌ·সিʹয়া অদৃশ্য এবং তা বেশ কিছু সময় ব্যাপী থাকবে?

▫ খ্রীষ্টের উপস্থিতি কখন থেকে শুরু হয় এবং আমরা কিভাবে তা বুঝতে পারি?

▫ মশীহ কী ধরনের স্বর্গীয় শাসক?

▫ কী কী উপায়ে খ্রীষ্টের শাসন প্রজাদের প্রভাবিত করে?

[Pictures on page 9]

যীশুর পুনরায় প্রত্যাবর্তনের আশাটি তাঁর বিশ্বস্ত প্রেরিতগণের কাছে অনেক অর্থ রাখে

[Pictures on page 11]

স্বর্গ থেকে শাসনকালে, যীশু পৃথিবীব্যাপী আশ্চর্যকার্য সম্পাদন করবেন

[সজন্যে]

Earth: Based on NASA photo

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার