ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w৯২ ৪/১ পৃষ্ঠা ২৪-২৮
  • রক্তের মাধ্যমে জীবন রক্ষা করা–কি করে?

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • রক্তের মাধ্যমে জীবন রক্ষা করা–কি করে?
  • ১৯৯২ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • ঈশ্বর রক্ত সম্বন্ধে অটলভাবে দাঁড়ান
  • রক্ত ঔষধ হিসাবে ব্যবহার করা
  • চিকিৎসাবিদ্যায় জীবনরক্ষাকারী?
  • রক্তের কি কোন বিকল্প আছে?
  • সব থেকে মূল্যবান রক্ত
  • आपके जीवन को लहू कैसे बचा सकता है? ब्रोशर से अध्ययन के लिए सवाल
    ২০০১ আমাদের রাজ্যের পরিচর্যা
  • উপহার হিসেবে আপনার জীবনকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করুন
    ২০০৪ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
১৯৯২ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w৯২ ৪/১ পৃষ্ঠা ২৪-২৮

রক্তের মাধ্যমে জীবন রক্ষা করা–কি করে?

“জীবন মনোনীত কর . . . তাঁহার [ঈশ্বরের] রবে অবধান কর . . . কেননা তিনি তোমার জীবন ও তোমার দীর্ঘ পরমায়ুস্বরূপ।—দ্বিতিয় বিবরণ ৩০:১৯, ২০.

১. সত্য খ্রীষ্টানরা জীবন সম্বন্ধে সম্মান দেখানোর ব্যাপারে কেন অদ্বিতীয়?

অনেক ব্যক্তিরা দাবী করে থাকে যে তারা জীবনকে সম্মান করে, তাদের মতামতের পক্ষে প্রমাণ দেখাতে গিয়ে তারা মৃত্যু দণ্ড, গর্ভপাত, ও শিকার সম্বন্ধে তাদের মতামত জানায়। যাহাহোক, একটি বিশেষ উপায়ে সত্য খ্রীষ্টানরা জীবনের প্রতি তাদের সম্মান দেখায়। গীতসংহিতা ৩৬:৯ বলে: “কারণ তোমার [ঈশ্বর] কাছেই জীবনের উনুই আছে।” জীবন ঈশ্বরের নিকট থেকে একটি দান, আর খ্রীষ্টানরা জীবনদায়ী রক্ত সম্বন্ধে তাঁর দৃষ্টিকোণ গ্রহণ করে।

২, ৩. কেন আমরা রক্তের ব্যাপারে ঈশ্বরকে বিবেচনায় রাখব? (প্রেরিত ১৭:২৫, ২৮)

২ আমাদের জীবন রক্তের উপর নির্ভর করে, যা আমাদের সমস্ত শরীরে অম্লজান বয়ে নিয়ে যায়, কার্বণ ডায়ক্‌সাইডকে সরিয়ে দেয়, ও সাহায্য করে আমরা যে আবহাওয়ার তাপমাত্রায় আছি তার সাথে খাপ খাওয়াতে পারি, এবং আমাদের সাহায্য করে যাতে আমরা রোগের বিপক্ষে লড়াই করতে পারি। যিনি আমাদের এই জীবন দিয়েছেন ও তার নকশা তৈয়ারি করেছেন তিনি আমাদের জন্য অপূর্ব, জীবন-বহনকারী তরল কোষসমূহ দিয়েছেন যাকে আমরা রক্ত বলি। ইহা দেখায় তিনি আগ্রহী যাতে মানুষের জীবন রক্ষিত হয়।—আদিপুস্তক ৪৫:৫; দ্বিতীয় বিবরণ ২৮:৬৬; ৩০:১৫, ১৬.

৩ খ্রীষ্টানরা ও অন্যান্য সাধারণ ব্যক্তিরা নিজেদের জিজ্ঞাসা করতে পারে: ‘রক্ত কি আমার জীবনকে রক্ষা করতে পারে কেবলমাত্র তার সাধারণ কাজের মাধ্যমে, অথবা রক্ত কি জীবনকে আরও গভীরভাবে রক্ষা করতে পারে?’ যদিও বেশীরভাগ লোকে জীবন ও রক্তের সাধারণ প্রবাহের মধ্যে সংযোগ দেখতে পায়, বাস্তবপক্ষে কিন্তু এর সাথে আরও অনেক কিছু জড়িত আছে। খ্রীষ্টান, মুসলীম, ও যিহুদীদের নীতিশাস্ত্র দৃষ্টি আকর্ষণ করে একজন জীবন-দাতার উপর যিনি নিজের মত প্রকাশ করেছেন জীবন ও রক্ত সম্বন্ধে। হ্যাঁ, আমাদের সৃষ্টিকর্ত্তার রক্ত সম্বন্ধে অনেক কিছু বলার আছে।

ঈশ্বর রক্ত সম্বন্ধে অটলভাবে দাঁড়ান

৪. মানব ইতিহাসের আদিতে, ঈশ্বর রক্ত সম্বন্ধে কি বলেন?

৪ ঈশ্বরের বাক্য, বাইবেল ৪০০ বারের উপর রক্ত সম্বন্ধে বর্ণনা দেয়। যিহোবার আইনের সব থেকে প্রথম একটি হল: “প্রত্যেক জীব যা চলাচল করে ও ঘোরে তা তোমার খাদ্য হইবে। . . . কিন্তু যে মাংসে জীবনদায়ী রক্ত আছে তা ভোজন করিও না।” তিনি যোগ দেন: “কারণ তোমার রক্তের কৈফিয়ৎ নেওয়া হবে।” (আদিপুস্তক ৯:৩-৫, নিউ ইন্টারন্যাশানাল ভারসন) এই কথাগুলি যিহোবা নোহকে বলেন, যিনি ছিলেন মনুষ্য পরিবারের জনক। সেইকারণে, সমস্ত মনুষ্যজাতিকে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয় যে সৃষ্টিকর্তা রক্তকে জীবন হিসাবে দেখেন। তাই যে কেউ দাবী করে যে ঈশ্বর হচ্ছে জীবন-দাতা তাকে মেনে নিতে হবে যে তিনি জীবনদায়ী রক্ত সম্বন্ধে দৃঢ় দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করেন।

৫. কি বিশেষ কারণে ইস্রায়েলিয়রা রক্ত নিত না?

৫ ঈশ্বর আবার রক্তের কথা বর্ণনা করেন যখন তিনি ইস্রায়েলকে নিয়মাবলী দেন। লেবীয় পুস্তক ১৭:১০, ১১, যিহুদীদের যে তানাখ সংস্করণ আছে সেই অনুসারে এইভাবে পড়ে: “যদি ইস্রায়েলের ঘরের কেউ অথবা তাদের মধ্যে যে বিদেশীরা বাস করছে তাদের মধ্যে কেউ রক্ত গ্রহণ করে, আমি সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে রক্ত গ্রহণ করে আমার মুখ বিমুখ করব আর তার জ্ঞাতিবর্গ থেকে তাকে উচ্ছিন্ন করব। কারণ যে কোন মাংসে তার জীবন তার রক্তে থাকে।” এই আইনের হয়ত স্বাস্থ্যগত উপকার থাকতে পারে, কিন্তু আরও কিছু এর সাথে জড়িত ছিল। রক্তকে এইরূপ গুরুত্বপূর্ণ ভাবে দেখার দ্বারা প্রদর্শন করবে যে জীবনের জন্য তারা ঈশ্বরের উপরে নির্ভরশীল। (দ্বিতীয় বিবরণ ৩০:১৯, ২০) হ্যাঁ, প্রধাণ কারণ কেন তারা রক্ত নেওয়া এড়িয়ে চলবে, এইজন্য নয় যে তা অস্বাস্থ্যকর কিন্তু ঈশ্বরের কাছে রক্তের বিশেষ অর্থ আছে।

৬. কেন আমরা নিশ্চিত হতে পারি যে যীশু রক্ত সম্বন্ধে ঈশ্বরের মান তুলে ধরেন?

৬ মনুষ্য জীবনকে রক্ত দিয়ে রক্ষা করার ব্যাপারে খ্রীষ্টতত্ত্বের মান কি? যীশু জানতেন তার পিতা রক্তের ব্যবহার সম্বন্ধে কি বলেছেন। যীশু “তিনি পাপ করেন নাই, তাহার মুখে কোন ছলও পাওয়া যায় নাই।” এর অর্থ যে তিনি আইন সিদ্ধ ভাবে পালন করেন, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল রক্তের সম্বন্ধেও আইন। (১ পিতর ২:২২, নক্স) তিনি তাই অনুগামীদের জন্য এক আদর্শ স্থাপন করেন, যার অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে জীবন ও রক্তকে সম্মান করার আদর্শ।

৭, ৮. ইহা কি ভাবে পরিষ্কার হয় যে রক্ত সম্বন্ধে ঈশ্বরের মান খ্রীষ্টানদের প্রতিও প্রযোজ্য?

৭ ইতিহাস দেখায় যে পরবর্ত্তিকালে কি হয় যখন খ্রীষ্টীয় গভর্নিং বডির পরিষদকে নির্ণয় করতে হয় যে খ্রীষ্টানদের সব ইস্রায়েলের আইন রাখতে হবে কিনা। ঐশিক পরিচালনায় তারা বলেন যে খ্রীষ্টানেরা মোশির আইনের অধীনে নেই কিন্তু তাদের উচিত “প্রয়োজনীয়” বিষয়গুলি থেকে দূরে থাকা “প্রতিমার প্রসাদ এবং রক্ত ও গলা টিপিয়া মারা প্রাণীর মাংস [যার রক্ত নির্গত হয় নাই] ও ব্যভিচার থেকে তোমাদের দূরে থাকা উচিত।” (প্রেরিত ১৫:২২-২৯) তারা পরিস্কার করে দেয় যে রক্ত থেকে দূরে থাকা একই রকম গুরুত্বপূর্ণ যেমন প্রতিমাপূজা ও লজ্জাকর ব্যভিচার।a

৮ প্রাচীন খ্রীষ্টানেরা এই ঐশিক বিধিনিষেধ মেনে চলে। এই বিষয়ের উপর উক্তি করতে গিয়ে, বৃটিশ পণ্ডিত যোষেফ বেনসন বলেন: “রক্ত না খাওয়া সম্বন্ধে এই বিধিনিষেধ, যা দেওয়া হয় নোহ ও তার বংশধরগণকে, এবং ইস্রায়েলিয়দের কাছে আবার পুনঃউক্ত হয় . . . তা কখন বাতিল করা হয়নি, তার পরিবর্ত্তে, নতুন নিয়মে তা দৃঢ় করা হয়েছে, প্রেরিত ১৫ অধ্যায়; ইহাকে চিরস্থায়ী বাধ্যবাধকতা করা হয়েছে।” কিন্তু, বাইবেল যা বলে রক্ত সম্বন্ধে তা কি আধুনিক দিনে ঔষধরূপে রক্তের ব্যবহারের ক্ষেত্রে খাটে, যেমন রক্ত দেওয়া (ট্র্যানসফিউশন), যা অবশ্যই নোহর দিনে বা প্রেরিতদের দিনে ছিলনা?

রক্ত ঔষধ হিসাবে ব্যবহার করা

৯. প্রাচীণকালে রক্ত কি ভাবে ঔষধরূপে ব্যবহৃত হয়, খ্রীষ্টীয় মানের সাথে এর পার্থক্য কোথায়?

৯ রক্ত ঔষধ রূপে ব্যবহার করা কোন আধুনিক পদ্ধতি নয়। ফ্লেশ অ্যাণ্ড ব্লাড বলে যে বই রিয়ে টেনাহিল লিখেছেন, তাতে দেখান হয় যে প্রায় ২,০০০ বৎসর ধরে, মিশর এবং অন্যান্য স্থানে, “রক্তকে মনে করা হত কুষ্ঠরোগের একমাত্র উপসম।” রোমীয়রা মনে করত যে মানুষের রক্ত কেবলমাত্র মৃগী রোগ ভাল করতে পারে। টারটুলিয়ান রক্তের এই “ঔষধরূপে” ব্যবহার সম্বন্ধে লেখেন: “তাদের কথা চিন্তা করুন যারা আকুল আকাঙ্ক্ষায়, যখন তারা মল্লক্রীড়াদির কেন্দ্রস্থলে, যে দুষ্ট অপরাধীরা যুদ্ধে রত তাদের, তাজা রক্ত . . . তা নিয়ে যেত যেন তাদের মৃগী রোগ ভাল হয়।” খ্রীষ্টানরা যা করত ইহা ছিল একেবারে তার বিপরীত: “আমরা আমাদের খাদ্যে পর্য্যন্ত কোন পশুর রক্ত ভোজন করি না . . . যখন তাদের বিচার করা হয় তখন তোমরা তাদের রক্তে ভরা সসিজে দিয়ে থাক। যদিও তোমরা এই সম্বন্ধে নিশ্চিত যে [তা] তাদের জন্য বেআইনি।” অর্থপ্রকাশ লক্ষ্য করুন: রক্ত গ্রহণ করা অপেক্ষা, পূর্বের খ্রীষ্টানরা তাদের জীবনকে মৃত্যুর বিপদে ফেলতে রাজি ছিল।—তুলনা করুন ২ শমূয়েল ২৩:১৫-১৭.

১০, ১১. কেন আমরা বলতে পারি যে রক্ত সম্বন্ধে ঈশ্বরের মান রক্ত গ্রহণ করা বাতিল করে?

১০ অবশ্য, পূর্বে রক্ত শিরায় প্রবেশ করার প্রথা শুরু হয়নি, কারণ এই ব্যাপারে পরীক্ষা শুরু হয় কেবলমাত্র ১৬ শতাব্দীতে। অবশ্য তবুও ১৭ শতাব্দীতে, একজন কোপেনহেগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গব্যবচ্ছেদ-বিদ্যার অধ্যাপক এর প্রতিবাদ করেন: ‘যারা মানুষের রক্ত ভেতরকার রোগের জন্য ব্যবহার করতে চায় তারা এর অপব্যবহার করছে ও গুরুতর পাপ করছে। যারা নর মাংস ভক্ষন করে তাদের আমরা অপরাধী বলিয়া থাকি। তাহলে কেন আমরা তাদের ঘৃণা করব না যারা তাদের অন্ননালী রক্তে পরিপূর্ণ করেছে? একইরূপে অন্য বিদেশী রক্তের ব্যাপারেও তাই আমরা অন্য কাটা শিরা থেকে, মুখের মাধ্যমে বা কোন যন্ত্রের সাহায্যে গ্রহণ করি। যে ব্যক্তিরা এইরূপ অপারেশন করে থাকে তাদের ঐশিক আইন সন্ত্রাসযুক্তভাবে দেখে থাকে।’

১১ হ্যাঁ, যে শতাব্দীগুলি পার হয়ে গেছে, লোকেরা দেখেছেন যে ঈশ্বরের আইন রক্ত মুখ দিয়ে নেওয়া অথবা শিরায় নেওয়া উভয় বেআইনি বলেছে। এই বিষয় উপলব্ধি করা লোকেদের আজ সাহায্য করতে পারে যিহোবার সাক্ষীরা যে বিষয় অটল ভাবে দাঁড়ায় তা বুঝতে, যে মান ঈশ্বরের মানের সাথে মিল রাখে। যদিও তারা জীবনকে খুব মূল্যবান দেখে থাকে এবং চিকিৎসার যে যত্ন তা উপলব্ধি করে থাকে, সত্য খ্রীষ্টানরা জীবনকে তাদের সৃষ্টিকর্ত্তার কাছ থেকে এক দানস্বরূপ দেখে থাকে, তাই তারা জীবনকে বাঁচিয়ে রাখতে চায় না রক্ত নিয়ে।—১ শমূয়েল ২৫:২৯.

চিকিৎসাবিদ্যায় জীবনরক্ষাকারী?

১২. চিন্তাশীল ব্যক্তিরা রক্ত গ্রহণ করা সম্বন্ধে কি বিবেচনা করে?

১২ অনেক বৎসর ধরে বিশেষজ্ঞরা দাবী করেছেন যে রক্ত জীবন রক্ষাকারী। ডাক্তাররা হয়ত সেই ঘটনাগুলি দেখাবেন যেখানে একজন ব্যক্তির হয়ত অনেক রক্ত ক্ষয় হয়েছে এবং রক্ত নেওয়ার পর সে ভাল হয়েছে। তাই লোকেরা হয়ত চিন্তা করতে পারে যে ‘খ্রীষ্টানের জন্য এই মান চিকিৎসাবিদ্যার দিক থেকে কতটা বুদ্ধির কাজ হবে অথবা হবে না?’ কোন গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসার পদ্ধতি গ্রহণ করার পূর্বে একজন, চিন্তাশীল ব্যক্তি ভেবে দেখবে তার উপকারিতা ও যে সম্ভাব্য বিপদগুলি আছে সেইগুলি। রক্ত নেওয়া সম্বন্ধেই বা কি? বাস্তব হল যে রক্ত নেওয়া অনেক বিপদে পরিপূর্ণ। আর তা নিয়তিমূলক হতে পারে।

১৩, ১৪. (ক) কোন কোন ক্ষেত্রে রক্ত গ্রহণ করা খুব বিপদজনক প্রমাণিত হয়েছে? (খ) কি ভাবে পোপের রক্ত নেওয়ার অভিজ্ঞতা রক্তের দ্বারা স্বাস্থ্যের যে ক্ষতি হয় তা দেখায়?

১৩ সম্প্রতি, ডাক্তার. এল. টি. গুডনাফ এবং জে. এম. শুখ লক্ষ্য করেন: “ডাক্তারী মহল অনেক কাল ধরে অবগত আছে যে আমরা রক্তকে যতই সুরক্ষিত করে রাখি না কেন, রক্ত দেওয়ার এক বিপদ থেকেই যায়। রক্ত দেওয়ায় বারংবার যে জটিলতা দেখা যায় তা হল নন-এ, নন-বি হেপাটাইটিস (এন এ এন বি এইচ); অন্য যে জটিলতা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা আছে তা হল হেপাটাইটিস বি, এলোইমুনাইজেসন, রক্ত নেওয়ার প্রতিক্রিয়া, ইমিউনোলজিক সাপ্রেশন, ও আইরন ওভারলোড।” ‘সংরক্ষণশীল’ ভাবে কেবল একটি এইরূপ সঙ্কটজনক বিপদের যদি পরিসংখ্যান করা হয়, তাহলে সেই রিপোর্ট যোগ দেয়: “যে আশা করা যাচ্ছে বাৎসরিক প্রায় ৪০,০০০ লোকের [কেবলমাত্র যুক্তরাষ্ট্রে] এন এ এন বি এইচ হবে এবং প্রায় ১০% এর মধ্যে সিরোসিস হবে/অথবা হেপাটোমা হবে [লিভার ক্যানসার]।”—দ্যা অ্যামেরিকান জারন্যাল অফ সারজারি, জুন ১৯৯০.

১৪ রক্ত দেওয়ার থেকে যে রোগ আসে তা যত বিস্তৃতভাবে জানা যাচ্ছে, লোকেরা তাদের দৃষ্টিভঙ্গি রক্ত নেওয়ার ব্যাপারে আবার চিন্তা করছে। উদাহরণস্বরূপ ১৯৮১ সালে যখন পোপকে গুলি করা হয়, তাকে এক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় ও চিকিৎসা করার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। তারপর তাকে আবার ফিরে যেতে হয় দুই মাসের জন্য, এবং তার পরিস্থিতি এত খারাপ হয় যে মনে হয় তাকে পঙ্গু হিসাবে অবসর গ্রহণ করতে হবে। কেন? কারণ যে রক্ত তাকে দেওয়া হয় তার থেকে সে সাইটোমেগালোভাইরাসে আক্রান্ত হয়। অনেকে চিন্তা করে যে ‘যদি পোপকে যে রক্ত দেওয়া হয়েছে তা যদি নিরাপদ না হয়, তাহলে আমাদের সাধারণ লোককে যে রক্ত দেওয়া হয় তা কত নিরাপদ?’

১৫, ১৬. কেন রক্ত নেওয়া নিরাপদ নয় যদিও তা রোগের জন্য স্ক্রিনিং করে থাকা হয়?

১৫ কেউ হয়ত প্রশ্ন করতে পারে, ‘তারা কি রক্তে কোন রোগ আছে কি না সেই সম্বন্ধে স্ক্রিনিং করতে পারে না?’ তাহলে, উদাহরণস্বরূপ চিন্তা করুন যে স্ক্রিনিং করা হয় হেপাটাইটিস বি-র জন্য। পেশেন্ট কেয়ার (ফেব্রুয়ারী ২৮, ১৯৯০) সংকেত করে: “যদিও বিশ্বব্যাপী রক্ত স্ক্রিনিং [করার] ফলে রক্ত দেওয়ার পরে হেপাটাইটিস দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে গেছে, তবুও ৫-১০% ক্ষেত্রে রক্ত দেওয়ার পর হেপাটাইটিস বি. হয়েছে।”

১৬ এই পরীক্ষার ভ্রমপ্রবণতা দেখা যায় আরও এক রক্ত-বহন করে এমন রোগ—এইডস এর ক্ষেত্রে। এইডস যা পৃথিবীব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে, যেন প্রতিশোধ নেওয়ার অভিপ্রায়ে, লোককে জাগিয়ে তুলেছে সংক্রামিত রক্ত সম্বন্ধে। এটা ঠিক যে, এখন পরীক্ষার পদ্ধতি রয়েছে যার মাধ্যমে দেখা যেতে পারে যে এই বিজানু আছে কি না। যাহাহোক, সব জায়গায় স্ক্রিনিং করা হয় না, আর এমন মনে হয় যে অনেকে এই এইডস বিজানু অনেক বৎসর ধরে তাদের রক্তে নিয়ে বেড়াবে যা বর্তমানে যে পরীক্ষাগুলি আছে তাতে ধরা পড়বে না। তাই রোগীরা এইডস পেতে পারে—তারা এইডস পেয়েছে—সেই রক্ত থেকে যা স্ক্রিনিং করে পাশ করা হয়!

১৭. কি করে রক্ত নেওয়া ক্ষতি করতে পারে যা হয়ত সঙ্গে সঙ্গে দেখা নাও যেতে পারে?

১৭ ডাক্তার গুডনাফ এবং সুখ আরও বর্ণনা করেন “ইমুনোলজিকল সাপ্রেসন” সম্বন্ধে। হ্যাঁ, প্রমাণ গড়ে উঠছে যে ভালভাবে রক্ত পরীক্ষা করলেও রক্ত একজনের শরীরে বিজানুর আক্রমন রোধ করার যে পদ্ধতি আছে তাকে নষ্ট করে দিতে পারে, যা ক্যানসার ও মৃত্যুর জন্য দরজা খুলে দিতে পারে। সেইকারণে, এক কেনেডিয়ান অধ্যয়ণ “সেই রোগীদের নিয়ে যাদের মাথা ও ঘাড়ে ক্যানসার দেখা গেছে লক্ষ্য করা যায় যে যারা তাদের [একটি] টিউমার সরানোর সময় রক্ত গ্রহণ করে তাদের রোগ প্রতিরোধক প্রণালী তা দারুণভাবে কমে গেছে।” (দ্যা মেডিকেল পোস্ট, জুলাই ১০, ১৯৯০) সাদারণ ক্যালিফরনিয়ার ইউনিভার্সিটির ডাক্তাররা রির্পোট করেন: “যারা রক্ত নেননি তাদের মধ্যে লারিনক্স ক্যানসার ১৪% আবার হয় এবং যারা রক্ত গ্রহণ করে তাদের মধ্যে ৬৫% তা আবার হয়। অন্ননালীর, নাকের অথবা সপূয নালী যে ক্যানসার হয়, যারা রক্ত নেননি তাদের ক্ষেত্রে পুনর্বার তা আবার দেখা দেয় ৩১% ক্ষেত্রে এবং যারা নেন তাদের ক্ষেত্রে তা দেখা যায় ৭১% ক্ষেত্রে।” (এনালস্‌ অফ ওটোলজি, রাইনোলজি অ্যাণ্ড লারিনোলজি, মার্চ ১৯৮৯) সাপ্রেসড ইমিউনোলজি এই বিষয়ও দেখায় যে যারা অপারেশনের সময় রক্ত নেয় তাদের সংক্রামন হওয়ার সম্ভাবনা বেশী।—দেখুন পৃষ্ঠা ১০-এর বাক্সে।

রক্তের কি কোন বিকল্প আছে?

১৮. (ক) রক্ত দেওয়ায় যে ঝুকি আছে তা চিকিৎসকদের কোন দিকে তাকানো করাচ্ছে? (খ) আপনার চিকিৎসকের সাথে আপনি বিকল্প ব্যবস্থা সম্বন্ধে আপনি কি আলোচনা করতে পারেন?

১৮ অনেকে মনে করেন যে ‘রক্ত নেওয়া বিপদজনক কিন্তু তার কি কোন বিকল্প আছে?’ আমরা অবশ্যই কার্য্যকারী চিকিৎসা চাই যা খুব উচু মানের হবে, সেই কারণে ন্যায়সংঙ্গত এবং কার্য্যকারী উপায় আছে কিনা যাতে গুরুতর চিকিৎসার সমস্যা পরিচালনা করা যায় রক্ত বিনা? আনন্দের সাথে বলা যেতে পারে, হ্যাঁ। দ্যা নিউ ইংল্যাণ্ড জারনাল অফ মেডিসিন (জুন ৭, ১৯৯০) রিপোর্ট করে: “যে চিকিৎসকরা, [এইডস] এবং অন্যান্য সংক্রামক রোগ সম্বন্ধে অবহিত আছেন যা রক্ত দেওয়ার মাধ্যমে একজন থেকে অন্যের কাছে বয়ে যায়, তারা রক্ত দেওয়ার উপকারিতা ও বিপদ সম্বন্ধে চিন্তা করছেন এবং এর বিকল্প সম্বন্ধে চিন্তা করছেন, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রক্ত দেওয়া একেবারে এড়িয়ে চলা।”b

১৯. কেন আপনি আশাবাদী হতে পারেন যে রক্ত প্রত্যাখ্যান করেও আপনি চিকিৎসায় সফল হতে পারেন?

১৯ যিহোবার সাক্ষীরা অনেক সময় ধরে রক্ত নেওয়ার বিরোধিতা করে এসেছে, কেবলমাত্র স্বাস্থ্যের কারণে নয়, কিন্তু ঈশ্বরের আইন রক্ত সম্বন্ধে যা বলে তার প্রতি বাধ্যতা হেতু। (প্রেরিত ১৫:২৮, ২৯) অথচ, দক্ষ ডাক্তাররা সাফল্যের সাথে সাক্ষী রোগীদের যত্ন নিয়েছে কোন রক্ত ব্যবহার না করে, যদিও তাতে সম্ভাব্য ঝুঁকি ছিল। যেমন অনেক ঘটনা যা চিকিৎসা সাহিত্যাদিতে রিপোর্ট করা হয়েছে তার মধ্যে একটি, আরকাইভস্‌ অফ সারজারি (নভেম্বর ১৯৯০) সংখ্যায় আলোচনা করা হয় সাক্ষীদের হার্ট ট্র্যানসপ্লান্ট সম্বন্ধে যাদের বিবেক তাদের এই পদ্ধতি কেবল একভাবে করতে দিতে অনুমতি দেয় এবং তা হল রক্ত না নিয়ে। রিপোর্ট বলে: “যে ২৫ বৎসরের অভিজ্ঞতা দেখায় যিহোবার সাক্ষীদের উপর যে কার্ডিয়াক ট্রান্সপ্লান্ট তা সফল হয়েছে কোন রক্ত জাতিয় কিছু ব্যবহার না করে . . . অপারেশনের পরে কোন মৃত্যু হয়নি, এবং এই রোগীদের অধ্যয়ন দেখায় যে অন্য অঙ্গ গ্রহণ করা প্রত্যাখান করার যে হার তাও এদের মধ্যে বেশী নয়।”

সব থেকে মূল্যবান রক্ত

২০, ২১. কেন খ্রীষ্টানরা সতর্ক থাকবে যে তারা এই দৃষ্টিভঙ্গি নেবে না যে “রক্ত খারাপ ঔষধ”?

২০ যাহাহোক, একটি আত্মপরীক্ষামূলক প্রশ্ন যা আমাদের প্রত্যেকে নিজেকে জিজ্ঞাসা করা উচিত। ‘যদি আমি রক্ত নেবনা ঠিক করেছি, তবে কেন? সততার সাথে, আমার প্রধাণ, ও মৌলিক কারণ কি?’

২১ আমরা বর্ণনা করেছি যে রক্তের অনেক বিকল্প আছে যা একজনকে রক্ত নেওয়ার যে অনেক বিপদ আছে তার সাথে যোগাযোগে আসতে দেয় না। হেপাটাইটিস ও এইডস জনিত বিপদ অনেককে আজ ধর্ম্মিয় কারণ ছাড়াই রক্ত নেওয়া প্রত্যাখ্যান করতে পরিচালিত করেছে। এই ব্যাপারে অনেকে বেশ সোচ্চার, যেন তারা এক বেনারের পিছনে পিছনে হাঁটছে, “রক্ত খারাপ ঔষধ।” ইহা সম্ভব যে একজন খ্রীষ্টান এই যাত্রায় সামিল হতে পারে। কিন্তু এই যাত্রা আপনাকে এক মৃত্যুই-শেষ এই পথে নিয়ে যাবে। কি করে?

২২. জীবন ও মৃত্যু সম্বন্ধে আমাদের কি বাস্তব চিন্তাধারা গ্রহণ করতে হবে?

২২ সত্য খ্রীষ্টানরা উপলব্ধি করে যে ভাল যত্ন পাওয়া ও সব থেকে ভাল হাঁসপাতালে থাকা সত্ত্বেও, কোন এক সময় লোকে মারা যায়। রক্ত গ্রহণ করে বা না করেও লোকে মারা যায়। ইহা বলা এই নয় যে আমরা চরমতায় বিশ্বাসী। এর অর্থ হচ্ছে বাস্তববাদী হওয়া। মৃত্যু আজ জীবনের এক বাস্তব ঘটনা। লোকেরা যারা আজ ঈশ্বরের আইন অমান্য করে তারা হয় সঙ্গে সঙ্গে না হয় পরে রক্ত নেওয়ার যে ক্ষতি তা ভোগ করে। অনেকে রক্ত নেওয়ার দরুণ মারা যায়। তবুও, আমাদের সকলের উপলব্ধি করা উচিত, যারা রক্ত নিয়ে বেঁচে গেছে তারা অনন্ত জীবন পায়নি, সেইকারণে রক্ত তাদের জীবন চিরকালের জন্য রক্ষা করতে পারে না। অন্যদিকে, বেশীর ভাগ যারা রক্ত নেওয়া প্রত্যাখ্যান করে, ধর্ম্মিয় অথবা/চিকিৎসার কারণে, কিন্তু অন্য বিকল্প নেয় তারা চিকিৎসাগত ভাবে ভালই করে। তারা সেই কারণে কেবল তাদের জীবনের অনেক দিন যে বৃদ্ধি করে তা নয়—কিন্তু তা অন্তহীন করেনা।

২৩. কি করে ঈশ্বরের আইন রক্ত সম্বন্ধে দেখায় যে আমরা পাপী এবং আমাদের মুক্তির মূল্যের প্রয়োজন আছে?

২৩ আজ যে মনুষ্যেরা বেঁচে আছে তারা অসিদ্ধ ও আস্তে আস্তে মরণের দিকে যাচ্ছে তা আমাদের এক কেন্দ্রীয় বিষয়ের দিকে নিয়ে যায় তা হল রক্ত সম্বন্ধে বাইবেল কি বলে। ঈশ্বর সব মানবজাতিকে বলেন রক্ত না খেতে। কেন? কারণ তা জীবনকে চিত্রিত করে। (আদিপুস্তক ৯:৩-৬) আইন ব্যবস্থায়, তিনি নিয়ম স্থাপন করেন যা এই বিষয়কে পরিষ্কার করে যে মনুষ্যরা সকলে পাপী। ঈশ্বর ইস্রায়েলিয়দের বলেন যে পশু বলি দেওয়ার মাধ্যমে, তারা প্রদর্শণ করবে যে তাদের পাপকে মোচন করার প্রয়োজন আছে। (লেবীয়পুস্তক ৪:৪-৭, ১৩-১৮, ২২-৩০) যদিও আজ তিনি আমাদের কাছ থেকে তাই চান না, তার এক অর্থ আজও আছে। ঈশ্বরের উদ্দেশ্য যেন এমন এক বলি দেওয়া হয় যা সকল বিশ্বাসীর পাপের জন্য ক্ষমাস্বরূপ হবে—মুক্তির মূল্য। (মথি ২০:২৮) সেইকারণে আমাদের রক্ত সম্বন্ধে ঈশ্বরীয় দৃষ্টিভঙ্গি রাখতে হবে।

২৪. (ক) কেন কেবল স্বাস্থ্যের ঝুকি রক্ত না নেওয়ার প্রধাণ বিষয় করা ভুল হবে? (খ) রক্ত সম্বন্ধে কি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিকে পরিচালনা করা উচিত?

২৪ কেবলমাত্র রক্তের মধ্যে স্বাস্থ্যর যে ঝুকি আছে তার উপর চিন্তা করলে চলবে না, কারণ ঈশ্বর তার উপর কেবল দৃষ্টি আকর্ষণ করেননি। ইস্রায়েলিয়রা হয়ত কিছু স্বাস্থ্যগত সুবিধা পেয়েছিল রক্ত গ্রহণ না করার দ্বারা, যেমন তারা উপকার পায় শুয়র ও যে কোন পশু আবর্জনাদি খেয়ে জীবন ধারণ করে তাদের মাংস ভক্ষন না করার দ্বারা। (দ্বিতীয় বিবরণ ১২:১৫, ১৬; ১৪:৭, ৮, ১১, ১২) মনে রাখতে হবে, যদিও যে ঈশ্বর যখন নোহকে মাংস খাবার অনুমতি দেন, তখন কিন্তু তিনি ঐরূপ পশুর মাংস খাওয়া বারণ করেননি। কিন্তু তিনি অবশ্যই আজ্ঞা দেন যে মনুষ্য যেন রক্ত না ভোজন করে। ঈশ্বর কেবল স্বাস্থ্যগত যে ঝুকি ছিল তার উপর আলোকপাত করছিলেন না। রক্ত সম্বন্ধে আজ্ঞা দেওয়ার ব্যাপারে তাহাই প্রধাণ কারণ ছিল না। তার উপাসকেরা জীবন রক্তের দ্বারা বাঁচিয়ে রাখতে চাইবে না, এইজন্য নয় যে তা করা অস্বাস্থ্যকর, কিন্তু তা ছিল অপবিত্র। তারা রক্ত প্রত্যাখ্যান করে, এই জন্য নয় যে তা দুষিত, কিন্তু তা খুব মূল্যবান। কেবল বলির রক্তের মাধ্যমেই তারা ক্ষমা পেতে পারে।

২৫. কি করে রক্ত আমাদের জীবনকে চিরকালের জন্য রক্ষা করতে পারে?

২৫ আমাদের ক্ষেত্রেও একই সত্য। ইফিষীয় ১:৭ পদে, প্রেরিত পৌল বর্ণনা করেন: “যাঁহাতে আমরা তাঁহার [খ্রীষ্টের] রক্ত দ্বারা মুক্তি, অর্থাৎ অপরাধ সকলের মোচন পাইয়াছি; ইহা তাঁহার সেই অনুগ্রহ-ধন অনুসারে হইয়াছে।” যদি ঈশ্বর কারো পাপ ক্ষমা করেন এবং তাকে ধার্ম্মিকরূপে দেখেন, তাহলে সেই ব্যক্তির আশা রয়েছে অন্তহীন জীবনের। তাই যীশুর মুক্তির মূল্যরূপী রক্ত জীবন রক্ষা করতে পারে—চিরকালের জন্য, বাস্তবে অনন্তকালের জন্য। (w91 6/15)

[পাদটীকাগুলো]

a সেই আদেশ এইভাবে শেষ হয়: “এই সকল হইতে আপনাদিগকে সযত্নে রক্ষা করিলে, তোমরা উন্নতি করবে। তোমাদের উত্তম স্বাস্থ্য হোক!” (প্রেরিত ১৫:২৯, NW) এই উক্তি “তোমাদের উত্তম স্বাস্থ্য হোক” এখানে এই প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে না যে, ‘যদি আপনি রক্ত অথবা ব্যভিচার থেকে দূরে থাকেন, তাহলেই আপনার ভাল স্বাস্থ্য হবে।’ এটা কেবলমাত্র চিঠির শেষে লেখা, এক ‘বিদায় সম্ভাষণ।’

b রক্তের অনেক বিকল্প আলোচনা করা হয়েছে হাউ ক্যান ব্লাড সেভ ইওর লাইফ? প্রকাশিত ১৯৯০ ওয়াচটাওয়ার বাইবেল অ্যাণ্ড ট্র্যাক্ট সোসাইটি অফ নিউ ইয়র্ক, আই এন সি.

আপনি কি ব্যাখ্যা করতে পারেন?

▫ কি প্রধাণ কারণের জন্য যিহোবার সাক্ষীরা রক্ত নেওয়া প্রত্যাখ্যান করে?

▫ কি প্রমাণ দেখায় যে বাইবেল রক্ত সম্বন্ধে যে মান দেয় তা চিকিৎসা বিদ্যার দিক দিয়ে অযৌক্তিক নয়?

▫ মুক্তির মূল্য কি করে বাইবেলের রক্তের নিয়মের সাথে যুক্ত?

▫ একমাত্র কি উপায়ে রক্ত স্থায়ীরূপে জীবন রক্ষা করতে পারে?

[২৪ পৃষ্ঠার চিত্র]

লাল রক্তের কণাগুলি যা বড় করা হয়েছে। “প্রত্যেক মাইক্রোলিটারে (০.০০০০৩ আউন্স) রক্তে থাকে ৪ মিলিয়ান থেকে ৬ মিলিয়ান লাল রক্ত কণা।”—“দ্যা ওয়ার্ল্ড বুক এনসাইক্লোপিডিয়া”

[সজন্যে]

Kunkel-CNRI/PHOTOTAKE NYC

[২৬ পৃষ্ঠার বাক্স]

রক্ত নেওয়া ও সংক্রমণ

রক্ত নেওয়ার মাধ্যমে একজন রোগীর সংক্রমণের আশঙ্কা বেড়ে যায় কিনা এই সম্বন্ধে, ডাক্তার. নিল ব্লামবার্গ কর্তৃক একটি পুনর্বিচার জানায়: “১২টি হাসপাতালে রোগীদের অধ্যায়ন করার মাধ্যমে দেখা যায় [এই ব্যাপারে], ১০টি রক্ত দেওয়ার ক্ষেত্রে দেখা যায় যে তা উল্লেখযোগ্য ও নিরপেক্ষ ভাবে জীবাণুঘটিত যে সংক্রামণের ঝুকি তাকে বাড়িয়ে দিয়েছে . . . আরও রক্ত যা হয়ত অনেক আগে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে অপারেশনের আগে তা রোগীর যে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা দারুণভাবে কমিয়ে দিতে পারে যেমন ইমিনোলোজির উপর প্রভাব যদি দীর্ঘস্থায়ী হয় যেমন কিছু অধ্যয়ন ইংগিত করে . . . যদি যে তথ্য দেওয়া হয়েছে তাকে আরও বাড়ানো হয় তাহলে ইহা নিশ্চিত যে, অপারেশনের পর যে সমস্যাগুলি দেখা যায় তার সব থেকে সাধারণ ও উল্লেখযোগ্য যোগসূত্র হল হোমোলোগাস ট্রান্সফিউশন।”—ট্রান্সফিউশন মেডিসিন রিভউজ, অক্টোবর ১৯৯০.

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার