ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w৯২ ৬/১ পৃষ্ঠা ৫-৭
  • শীঘ্রই রোগব্যাধি এবং মৃত্যু আর থাকবে না!

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • শীঘ্রই রোগব্যাধি এবং মৃত্যু আর থাকবে না!
  • ১৯৯২ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • রোগব্যাধি এবং মৃত্যুর উৎস
  • পৃথিবীতে অথবা স্বর্গে?
  • কেন শীঘ্র?
  • শীঘ্রিই—সবার জন্য ভাল স্বাস্থ্য!
    ২০০১ সচেতন থাক!
  • যখন অসুস্থতা আর থাকবে না!
    ২০০৭ সচেতন থাক!
  • যীশু পরিত্রাণ করেন—কীভাবে?
    ২০০১ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • শেষ শত্রু, মৃত্যুকে বিলুপ্ত করা হবে
    ২০১৪ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
আরও দেখুন
১৯৯২ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w৯২ ৬/১ পৃষ্ঠা ৫-৭

শীঘ্রই রোগব্যাধি এবং মৃত্যু আর থাকবে না!

কেউ অসুস্থ হওয়া পছন্দ করে না, অথবা মানুষ মারা যেতেও চায় না। চিকিৎসাগত সমাজবিজ্ঞানের একজন অধ্যাপক জোর দিয়ে বলেন: “দীর্ঘ জীবনের অনুসন্ধান জগৎ-ইতিহাসে এবং অধিকাংশ সমাজে মনে হয় চিরকাল রয়েছে। এটি জড়িত রয়েছে আত্মসংরক্ষণের মৌলিক প্রচেষ্টার সাথে। . . . পোন্স ডে লিওন বহু লোকের মধ্যে একজন বিখ্যাত লোক যিনি তার জীবন দীর্ঘ জীবনের সন্ধানে কাটিয়েছেন। চিকিৎসাবিজ্ঞানের অধিকাংশই রোগব্যাধি এবং মৃত্যুর বিরুদ্ধে লড়াই করে দীর্ঘ জীবন অর্জনের চেষ্টার প্রতি উৎসর্গীকৃত।”

মৃত্যু আমাদের অন্তরের সত্ত্বাকে এরূপ মর্মাহত করে যে যখন ইহা বন্ধু অথবা পরিবারের কোন সদস্যের উপরে আসে, আমরা স্বতঃস্ফুর্তভাবে চেষ্টা করি এর আঘাত কমিয়ে দিতে। ফিউনেরাল কাস্টমস্‌ দ্যা ওয়ার্ল্ড ওভার বইটি বলে: “যতই আদিম অথবা সভ্য হোক না কেন, এমন কোন দল নেই, যার স্বাধীনতা অথবা সামর্থ্য থাকলে তার সদস্যদের শবদেহগুলি অনুষ্ঠানের সাথে সৎকার করে না। . . . ইহা গভীর সর্বব্যাপী ইচ্ছা সন্তুষ্ট করে। ইহা করা ‘সঠিক’ বলে মনে হয়, আর তা না করা, বিশেষত তাদের প্রতি যারা পরিবার, অনুভূতি, একসঙ্গে থাকা, এক অভিজ্ঞতা অথবা অন্যান্য বন্ধনের দ্বারা আবদ্ধ, ‘ভুল’ মনে হয়, একটি অস্বাভাবিক বিচ্যুতি, যে বিষয়ের জন্য দুঃখিত এবং লজ্জিত হওয়া উচিৎ। . . . [মানুষ] এমন এক জীব যে তার মৃতদের অনুষ্ঠানপূর্বক সমাধিকৃত করতে চায়।”

রোগব্যাধি এবং মৃত্যুর উৎস

রোগব্যাধি এবং মৃত্যু যে একদিন নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে এই ধারনা তাই খুব আকর্ষণীয়, কিন্তু তা বিশ্বাস করার কি কোন ভিত্তি আছে? বাস্তবিকই তা আছে, এবং তা যুক্তিসংগত, নির্ভরযোগ্য এবং অব্যর্থ। ইহা আমাদের সৃষ্টিকর্তার অনুপ্রাণীত বাক্য—পবিত্র বাইবেল।

সেই বই স্পষ্টভাবে মানুষের দুর্দশার উৎস সম্বন্ধে ব্যাখ্যা করে। ইহা আমাদের বলে যে প্রথম মনুষ্য, আদম, ঈশ্বর দ্বারা সৃষ্ট হয় এবং তাকে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত একটি পরমদেশ উদ্যানে রাখা হয়। আদমকে সিদ্ধ সৃষ্টি করা হয়; রোগব্যাধি ও মৃত্যু তার অজানা ছিল। শীঘ্রই তার সঙ্গে যোগ দেয় একই রকম সিদ্ধ একজন স্ত্রী, এবং তাদের সামনে ছিল পৃথিবীতে একত্রে অনন্ত জীবন উপভোগ করার আশা।—আদিপুস্তক ২:১৫-১৭, ২১-২৪.

এই মনোরম পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। কেন? কারণ আদম স্বার্থপরভাবে ঈশ্বরের থেকে স্বাধীন একটি জীবন ধারা বেছে নেয়। কঠোর পরিশ্রম, কষ্ট, অসুস্থতা, এবং অবশেষে মৃত্যু তার ফল হয়। (আদিপুস্তক ৩:১৭-১৯) তার বংশধররা উত্তরাধিকারসূত্রে আদম যে নিরানন্দময় জীবন বেছে নিয়েছে তা লাভ করে। রোমীয় ৫:১২ ব্যাখ্যা করে: “এক মুনষ্য দ্বারা পাপ, ও পাপ দ্বারা মৃত্যু জগতে প্রবেশ করিল, আর এই প্রকারে মৃত্যু সমুদয় মনুষ্যের কাছে উপস্থিত হইল, কেননা সকলেই পাপ করিল।” রোমীয় ৮:২২ যোগ দেয়: “সমস্ত সৃষ্টি এখন পর্য্যন্ত একসঙ্গে আর্ত্তস্বর করিতেছে, ও একসঙ্গে ব্যথা খাইতেছে।”

পৃথিবীতে অথবা স্বর্গে?

যাইহোক, বাইবেল আমাদের নিশ্চয়তা দেয় যে ঈশ্বর আদম এবং হবা যে আনন্দময় পরিস্থিতি হারিয়েছিল, বাধ্য মানবজাতিকে আবার তা ফিরিয়ে দেবেন। প্রকাশিত বাক্য ২১:৩, ৪ বলে: “ঈশ্বর আপনি তাহাদের সঙ্গে থাকিবেন। আর তিনি তাহাদের সমস্ত নেত্রজল মুছাইয়া দিবেন; এবং মৃত্যু আর হইবে না; শোক বা আর্ত্তনাদ বা ব্যথাও আর হইবে না; কারণ প্রথম বিষয় সকল লুপ্ত হইল।” একজন প্রাচীণ ভাববাদী একইভাবে সেই সময়ের পূর্বদর্শন পেয়েছিলেন যখন “নগরবাসী কেহ বলিবে না, ‘আমি অসুস্থ।’”—যিশাইয় ৩৩:২৪, NW.

আপনি কি হাসপাতাল, শবাগার, অথবা সমাধিস্থলবিহীন একটি জগতের কথা চিন্তা করতে পারেন? আপনি কি বছরের পর বছর, কষ্টভোগ এমনকি মৃত্যুর ভয় থেকে মুক্ত হয়ে বেঁচে থাকার কথা চিন্তা করতে পারেন? হ্যাঁ, ঈশ্বরের প্রতিজ্ঞা আমাদের সকলের অন্তরের গভীর অনুভূতিকে স্পর্শ করে। তবুও, কিভাবে আমরা নিশ্চিত হব যে এই অত্যাশ্চর্য্য প্রত্যাশা আমাদের পৃথিবী গ্রহের জন্য—স্বর্গের জন্য নয়? উপরোক্ত শাস্ত্রীয় পদগুলির প্রসঙ্গ লক্ষ্য করুন। প্রকাশিত বাক্য ২১ অধ্যায়ের প্রথম পদগুলি “নূতন আকাশ ও নূতন পৃথিবী”-র কথা বলে। স্পষ্টভাবে উক্তি করা হয় যে ঈশ্বর মানবজাতির সহিত আবাস করবেন এবং তারা তাঁর প্রজা হবে। যিশাইয়ের পুস্তকে যে প্রতিজ্ঞা করা হয়েছে তার পরে “সেই দেশে নিবাসী প্রজাদের” যাদের “অপরাধের ক্ষমা হইবে” তাদের প্রতি উল্লেখ আছে।

তাই এই উৎসাহজনক প্রতিজ্ঞাগুলি পৃথিবীতে জীবন সম্বন্ধে বলছে! আর তার পিতার কাছে যীশুর প্রার্থনার সাথে এইগুলি সমতা রাখে: “তোমার ইচ্ছা সিদ্ধ হউক, যেমন স্বর্গে তেমনি পৃথিবীতেও হউক।”—মথি ৬:১০.

কেন শীঘ্র?

যিহোবার সাক্ষীরা লক্ষ্য লক্ষ্য লোককে বুঝতে সাহায্য করেছে যে এই প্রতিজ্ঞাগুলি অদূর ভবিষ্যতে পূর্ণ হবে। কিসের ভিত্তিতে, যদিও, তারা এই বিষয়ে এত নিশ্চিৎ? আমরা যে পৃথিবীতে বর্তমান জগৎ-ব্যবস্থার, অথবা পরিস্থিতির, “শেষ কালে” বাস করছি তার পক্ষে যে অদম্য প্রমাণ রয়েছে সেই ভিত্তিতে। (২ তীমথিয় ৩:১-৫) যীশুর শিষ্যরা একটি চিহ্ন দেখতে চায় যা দেখাবে কখন এই জগৎ-ব্যবস্থার অন্ত আসবে। উত্তরে যীশু ১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্ব যুদ্ধের শুরু থেকে পৃথিবীতে যে সমস্ত ঘটনা কম্রাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে সেই সম্বন্ধে বিস্তারিত বিবরণ দেন।a তারপর তিনি যোগ দেন: “তোমরা ঐ সকল ঘটনা দেখিলেই জানিবে, তিনি সন্নিকট, এমনকি দ্বারে উপস্থিত। আমি তোমাদিগকে সত্য কহিতেছি, এই কালের লোকেদের লোপ হইবে না, যে পর্য্যন্ত না এ সমস্ত সিদ্ধ হয়।” সুতরাং ১৯১৪ সালে যে বংশ জীবিত ছিল তাদের কিছু লোক বেঁচে থাকবে বর্তমান জগৎ পরিস্থিতির শেষ দেখার জন্য।—মথি ২৪:৩৩, ৩৪.

সেই সময় যিহোবা ঈশ্বর তাঁর পুত্র, খ্রীষ্ট যীশুকে নিযুক্ত করবেন এই সুন্দর গ্রহ পৃথিবী থেকে সমস্ত ব্যথা এবং কষ্টভোগের কারণ ধ্বংস করতে। বাইবেল দুষ্টতার নিশ্চিহ্নকরণকে বলে হর্‌মাগিদোনে “সর্ব্বশক্তিমান ঈশ্বরের মহাদিনের যুদ্ধ।”—প্রকাশিত বাক্য ১৬:১৪, ১৬.

বহু ঈশ্বরভয়শীল ব্যক্তিরা এই ভয়ঙ্কর ঘটনাগুলির মধ্যে সংরক্ষিত থাকবে এবং খ্রীষ্ট যীশুর শান্তিময় রাজত্ব আরম্ভ হতে দেখবে। (প্রকাশিত বাক্য ৭:৯, ১৪; ২০:৪) যদিও তিনি স্বর্গ থেকে রাজত্ব করবেন, তার উপকারজনক ফল পৃথিবীতে বসবাসকারী সকলে উপভোগ করবে—হর্‌মাগিদোনের যুদ্ধে রক্ষাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা এবং যে লক্ষ্য লক্ষ্য ব্যক্তিরা যাদের অবশেষে মৃতদের মধ্য থেকে উঠানো হবে, উভয়ই। এই প্রতিজ্ঞা তখন বাস্তবে পরিণত হবে: “যাবৎ ঈশ্বর সমস্ত শত্রুকে তাঁহার পদতলে না রাখিবেন, তাঁহাকে [খ্রীষ্টকে] রাজত্ব করতেই হবে। শেষ শত্রু যে মৃত্যু, সেও বিলুপ্ত হইবে।”—১ করিন্থীয় ১৫:২৫, ২৬.

আমরা তাই নিশ্চয়তার সাথে বলতে পারি: “শীঘ্রই রোগব্যাধি এবং মৃত্যু আর থাকবে না!” ইহা কোন অবাস্তব সুখকল্পনা, অথবা খেয়ালখুশীমত চিন্তা নয়। ইহা যিহোবা ঈশ্বরের নিশ্চিত প্রতিজ্ঞা, যিনি “মিথ্যাকথনে অসমর্থ।” এই আশার প্রতি আপনি কি বিশ্বাস রাখবেন? তা আপনাকে অনন্তকালের জন্য উপকৃত করতে পারে!—তীত ১:২. (w91 6/15)

[পাদটীকাগুলো]

a মানুষ যে শেষকালে বাস করছে তার আরও প্রমাণের জন্য, ইউ ক্যান লিভ ফরএভার ইন প্যারাডাইস্‌ অন আর্থ বইটির ১৮ অধ্যায় দেখুন, যা ওয়াচ্‌টাওয়ার বাইবেল অ্যাণ্ড ট্র্যাক্ট সোসাইটি অফ নিউ ইয়র্ক, আই এন সি. দ্বারা প্রকাশিত।

[Pictures on page 7]

রোগব্যাধি এবং মৃত্যু শীঘ্রই উত্তম স্বাস্থ্য এবং অনন্ত জীবনের দ্বারা পরিবর্তিত হবে

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার