ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w৯২ ৬/১ পৃষ্ঠা ৮-৯
  • ফরীশীদের একগুঁয়ে অবিশ্বাস

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • ফরীশীদের একগুঁয়ে অবিশ্বাস
  • ১৯৯২ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • ফরীশীদের স্বেচ্ছাকৃত অবিশ্বাস
    সর্বমহান পুরুষ যিনি কখনও জীবিত ছিলেন
  • জন্মান্ধের আরোগ্যকরণ
    সর্বমহান পুরুষ যিনি কখনও জীবিত ছিলেন
  • একজন জন্মান্ধ ব্যক্তিকে সুস্থ করা
    ১৯৯২ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • যিশু বিশ্রামবারে সুস্থ করেন
    বাইবেল থেকে তুমি যা শিখতে পার
আরও দেখুন
১৯৯২ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w৯২ ৬/১ পৃষ্ঠা ৮-৯

যীশুর জীবন ও পরিচর্য্যা

ফরীশীদের একগুঁয়ে অবিশ্বাস

পূর্বে অন্ধ সেই ভিক্ষুকের পিতা-মাতা ভীত হয় যখন তাদের ফরীশীদের সামনে ডাকা হয়। তারা জানে যে কেউ যীশুর প্রতি বিশ্বাস প্রদর্শন করবে তাকে সমাজগৃহ থেকে বহিষ্কৃত করা হবে। অন্যদের থেকে মেলামেশা করা এইভাবে বন্ধ করলে সাংঘাতিক অভাব আসতে পারে, বিশেষত দরিদ্র পরিবারে। তাই তার পিতামাতা সাবধান হয়।

“এ কি তোমাদের পুত্র, যাহার বিষয়ে তোমরা বলিয়া থাক, এ অন্ধই জন্মিয়াছিল?” ফরীশীরা জিজ্ঞাসা করে, “তবে এখন কি প্রকারে দেখিতে পাইতেছে?”

“আমরা জানি, এ আমাদের পুত্র, এবং অন্ধই জন্মিয়াছিল,” তার পিতামাতা স্বীকার করে। “কিন্তু এখন কি প্রকারে দেখিতে পাইতেছে, তাহা জানি না, এবং কেই বা ইহার চক্ষু খুলিয়া দিয়াছে, তাহাও আমরা জানি না।” অবব্যই তাদের পুত্র যা কিছু ঘটেছে তাদের জানিয়েছে, কিন্তু তার পিতামাতা সন্তর্পণে বলে: “ইহাকেই জিজ্ঞাসা কর, এ বয়ঃপ্রাপ্ত, আপনার কথা আপনি বলিবে।”

তাই, ফরীশীরা আবার সেই লোকটিকে ডেকে পাঠায়। এইবার তারা তাকে ভয় দেখায় যে যীশুর বিরুদ্ধে তারা দোষারোপমূলক অভিযোগ পেয়েছে। “ঈশ্বরের গৌরব স্বীকার কর,” তারা দাবী করে। “আমরা জানি যে, সেই ব্যক্তি পাপী।”

একসময়কার সেই অন্ধ ব্যক্তি তাদের অভিযোগ অস্বীকার করে না, সে বলে: “তিনি পাপী কি না, তাহা জানি না।” কিন্তু সে যোগ দেয়: “একটী বিষয় জানি, আমি অন্ধ ছিলাম, এখন দেখিতে পাইতেছি।”

এই সাক্ষ্যের কোন খুঁত বের করার চেষ্টায়, ফরীশীরা আবার জিজ্ঞাসা করে: “সে তোমার প্রতি কি করিয়াছিল? কি প্রকারে তোমার চক্ষু খুলিয়া গেল?”

“একবার আপনাদিগকে বলিয়াছি,” সেই লোকটি অভিযোগ করে, “আপনারা শুনেন নাই; তবে আবার শুনিতে চাহেন কেন?” ব্যঙ্গের স্বরে সে জিজ্ঞাসা করে: “আপনারাও কি তাঁহার শিষ্য হইতে চাহেন?”

এই উত্তর ফরীশীদের ক্রুদ্ধ করে। “তুই সেই ব্যক্তির শিষ্য,” তারা অভিযোগ করে, “আমরা মোশির শিষ্য। আমরা জানি, ঈশ্বর মোশির সঙ্গে কথা বলিয়াছিলেন; কিন্তু এ কোথা হইতে আসিল, তাহা জানি না।”

বিস্ময় প্রকাশ করে সেই নম্র ভিক্ষুকটি উত্তর দেয়: “ইহার মধ্যে ত আশ্চর্য্য এই যে, তিনি কোথা হইতে আসিলেন, তাহা আপনারা জানেন না, তথাপি তিনি আমার চক্ষু খুলিয়া দিয়াছেন।” এর থেকে কোন উপসংহারে আসা যায়? সেই ভিক্ষুক প্রচলিত আশ্রয়বাক্যের প্রতি ইঙ্গিত করে: “আমরা জানি, ঈশ্বর পাপীদের কথা শুনেন না, কিন্তু যদি কোন ব্যক্তি ঈশ্বর-ভক্ত হয়, আর তাঁহার ইচ্ছা পালন করে, তিনি তাহারই কথা শুনেন। কখনও শুনা যায় নাই যে, কেহ জন্মান্ধের চক্ষু খুলিয়া দিয়াছে।” তাই, উপসংহার স্পষ্ট হওয়া উচিৎ: “তিনি যদি ঈশ্বর হইতে না আসিতেন, তবে কিছুই করিতে পারিতেন না।”

ফরীশীদের কাছে এইরকম অবান্তরবিষয়হীন, স্পষ্ট যুক্তির বিরুদ্ধে কোন উত্তর ছিল না। তারা সত্যের সম্মুখে দাঁড়াতে পারত না, আর তাই তারা সেই ব্যক্তিটিকে গালি দেয়: “তুই একেবারে পাপেই জন্মিয়াছিস্‌, আর তুই আমাদিগকে শিক্ষা দিতেছিস্‌?” এই বলে, তারা সেই ব্যক্তিটিকে বাইরে ফেলে দেয়, হয়তো সমাজগৃহ থেকে তাকে বহিষ্কার করে।

তারা কি করেছে তা যখন যীশু জানতে পারেন, তিনি লোকটিকে খুঁজে বের করেন এবং জিজ্ঞাসা করেন: “তুমি কি মনুষ্যপুত্রে বিশ্বাস করিতেছ?”

“প্রভু, তিনি কে,” সেই একসময়কার অন্ধ ভিক্ষুকটি জিজ্ঞাসা করে, “আমি যেন তাঁহাতে বিশ্বাস করি?”

“তিনিই তোমার সঙ্গে কথা কহিতেছেন,” যীশু উত্তর দেন।

অবিলম্বে লোকটি যীশুর সামনে নতজানু হয় এবং বলে: “বিশ্বাস করিতেছি, প্রভু।”

যীশু তারপর ব্যাখ্যা করেন: “এই বিচারের জন্য আমি এ জগতে আসিয়াছি, যেন যাহারা দেখে না, তাহারা দেখিতে পায়, এবং যাহারা দেখে, তাহারা যেন অন্ধ হয়।”

তখন, ফরীশীরা, যারা শুনছিল, তারা বলে: “আমরাও কি অন্ধ না কি?” যদি তারা মেনে নেয় যে মানসিক দিক দিয়ে তারা অন্ধ, তাহলে যীশুর বিরোধিতা করার জন্য তাদের কিছু কারণ থাকত। যেমন যীশু তাদের বলেন: “যদি অন্ধ হইতে, তোমাদের পাপ থাকিত না।” তবুও, তারা শক্তগ্রীব হয়ে নাছোড়বান্দা ভাবে জানায় যে তারা অন্ধ নয় এবং তাদের কোন আত্মিক জ্ঞানলাভের প্রয়োজন নেই। তাই যীশু মন্তব্য করেন: “এখন তোমরা বলিয়া থাক, ‘আমরা দেখিতেছি।’ তোমাদের পাপ রহিয়াছে।” যোহন ৯:১৯-৪১.

◆ একসময়ের অন্ধ ব্যক্তিটির পিতামাতা কেন ভীত হয় যখন তাদের ফরীশীদের সামনে ডাকা হয়, আর তাই কিভাবে তারা সন্তর্পনে উত্তর দেয়?

◆ পূর্বে অন্ধ ব্যক্তিটিকে কিভাবে ফরীশীরা ভয় দেখাতে চেষ্টা করে?

◆ লোকটির কোন যুক্তিসংগত তর্কে ফরীশীরা ক্রুদ্ধ হয়?

◆ যীশুর প্রতি তাদের বিরোধীতার কোন অযুহাত ফরীশীদের কাছে নেই কেন? (w88 6/15)

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার