ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w৯২ ৫/১ পৃষ্ঠা ২১-২৬
  • বিশুদ্ধ ওষ্ঠে কথা বলুন ও চিরকাল বেঁচে থাকুন!

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • বিশুদ্ধ ওষ্ঠে কথা বলুন ও চিরকাল বেঁচে থাকুন!
  • ১৯৯২ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • কি করে বিশুদ্ধ ওষ্ঠ শেখা যায়
  • অপবিত্রতার অনুপ্রবেশ
  • বিশুদ্ধ ওষ্ঠ বিশ্বব্যাপী শোনা যায়
  • হয় ব্যবহার করুন নয় হারান
  • আমরা ঐক্যে থাকি
  • আপনি কি সাবলীলভাবে ‘বিশুদ্ধ ওষ্ঠে’ কথা বলছেন?
    ২০০৮ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • বিশুদ্ধ ওষ্ঠের মাধ্যমে এক হোন
    ১৯৯২ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • ‘সমস্ত পৃথিবীতে এক ভাষা ছিল’
    আমাদের খ্রিস্টীয় জীবন ও পরিচর্যা—সভার জন্য অধ্যয়ন পুস্তিকা ২০২০
  • যিহোবার সংগৃহীত লোকেরা সারা পৃথিবীতে তাঁর প্রশংসা করেন
    ২০০১ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
আরও দেখুন
১৯৯২ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w৯২ ৫/১ পৃষ্ঠা ২১-২৬

বিশুদ্ধ ওষ্ঠে কথা বলুন ও চিরকাল বেঁচে থাকুন!

“তোমরা যিহোবার অন্বেষণ কর . . . ধার্ম্মিকতার অন্বেষণ কর, নম্রতার অনুশীলন কর; হয়ত যিহোবার ক্রোধের দিনে তোমরা গুপ্ত স্থানে রক্ষা পাইবে।”—সফনিয় ২:৩, NW.

১. (ক) কি পদ্ধতি ছাত্ররা ব্যবহার করে থাকে বিদেশী ভাষা শেখার ক্ষেত্রে? (খ) কেন আমরা বিশুদ্ধ ওষ্ঠ বলব?

ছাত্ররা একটি নতুন ভাষা শিখতে পারে ব্যাকরণ পদ্ধতি ব্যবহার করে অথবা কথা-বলে ভাষা শেখার যে পদ্ধতি আছে তা ব্যবহার করে। ব্যাকরণ পদ্ধতির অধীনে, সাধারণতঃ প্রধান কোন নীতি-সংবলিত পুস্তক ব্যবহার করা হয় এবং তার থেকে ব্যাকরণের নিয়মসকল শিখতে হয়। কথা-বলে ভাষা শেখার পদ্ধতিতে, তারা যে ভাবে শিক্ষক কথা বলে ও উচ্চারণ করে তা অনুকরণ করে। এই উভয় পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় “বিশুদ্ধ ওষ্ঠ” শেখবার জন্য। আর ইহা খুব গুরুত্বপূর্ণ যে আমরা এই ভাষায় কথা বলি যদি আমরা আশা রাখতে চাই “যিহোবার ক্রোধের দিনে গুপ্ত স্থানে রক্ষা পাবার।”—সফনিয় ২:১-৩; ৩:৮, ৯.

২. বিশুদ্ধ ওষ্ঠের ব্যাকরণ যাকে বলা যেতে পারে আমরা তা কি করে শিখতে পারি?

২ যে প্রধান গ্রন্থ ব্যবহার করা হয় বিশুদ্ধ ওষ্ঠ শেখবার জন্য তা হল বাইবেল। সেটিকে এবং বাইবেল-ভিত্তিক সাহিত্যগুলিকে ভাল করে অধ্যয়ন করা বলা যেতে পারে আপনাকে শিক্ষা দেবে যা হল বিশুদ্ধ ওষ্ঠের ব্যাকরণের নিয়ম। একজন যিহোবার সাক্ষীর দ্বারা পরিচালিত গৃহ বাইবেল অধ্যয়ন ভাল আরম্ভ। যারা নিজেদের ঈশ্বরের কাছে উৎসর্গ করেছে, তাদের নিয়মিত ভাবে এবং অধ্যাবসায় সহকারে শাস্ত্র পাঠ করতে হবে। কিন্তু বিশেষ কার্য্যকারি মাধ্যমগুলি আছে কি বিশুদ্ধ ওষ্ঠ শেখবার জন্য? এবং তা বলার মাধ্যমে কি উপকার সকল আসে?

কি করে বিশুদ্ধ ওষ্ঠ শেখা যায়

৩. বিশুদ্ধ ওষ্ঠ শেখার একটি উপায় কি?

৩ একটি উপায় বিশুদ্ধ ওষ্ঠ শেখার হল যে সত্য আপনি শিখছেন সেইগুলিকে যে বিষয়গুলিকে আপনি জানেন তার সাথে মেলানো, যেমন একজন ভাষার ছাত্র ধীরে ধীরে বিভিন্ন ব্যাকরণের যে নিয়ম তা মিলিয়ে দেখেন। উদাহরণস্বরূপ, এক সময় আপনি হয়ত জানতেন যে যীশু খ্রীষ্ট হচ্ছে ঈশ্বরের পুত্র, কিন্তু তার কাজগুলি কি কি সেই সম্বন্ধে হয়ত আপনি খুব অল্পই জানতেন। তারপর থেকে, বাইবেল অধ্যয়ন আপনাকে শিক্ষা দিয়েছে যে খ্রীষ্ট এখন রাজত্ব করেন স্বর্গীয় রাজা হিসাবে এবং তার সহস্র বৎসরের রাজত্বকালে, তিনি বাধ্য মানবজাতিকে সিদ্ধতায় তুলে আনবেন। (প্রকাশিত বাক্য ২০:৫, ৬) হ্যাঁ, যে বিষয়গুলিকে আপনি জানেন তার সাথে নতুন চিন্তাধারা যোগ করা বিশুদ্ধ ওষ্ঠের উপর আপনার দখলকে আরও বৃদ্ধি করে।

৪. (ক) আর একটি পদ্ধতি কি বিশুদ্ধ ওষ্ঠের ‘ব্যাকরণের নিয়ম’ সকল শেখার, এবং বাইবেলের কোন বিবরণ ব্যবহার করা হয়েছে তা উদাহরণস্বরূপ দেখাবার জন্য? (খ) গিদিয়োন ও তার তিনশত লোক যখন কাজ করে তখন কি ঘটে? (গ) গিদিয়োনের বিবরণ আমাদের কি শিক্ষা দেয়?

৪ আরও একভাবে বিশুদ্ধ ওষ্ঠের ‘ব্যাকরণের নিয়ম শেখা’ হল বাইবেলের যে ঘটনাগুলি ঘটে গেছে সেগুলিকে কল্পনার দৃষ্টিতে দেখা। উদাহরণস্বরূপ: ‘দেখতে ও শুনতে’ চেষ্টা করুন বিচারকর্ত্তৃগণের বিবরণ ৭:১৫-২৩ লিপিবদ্ধ ঘটনার বিবরণ। দেখুন! ইস্রায়েলিয় বিচারকর্ত্তা গিদিয়োন তার সৈন্যদের তিন দলে ভাগ করে প্রত্যেক দলে একশত লোক রাখেন। রাতের অন্ধকারে, তারা ধীরে ধীরে গিলবোয়া পর্বত থেকে নামে এবং ঘুমন্ত সেই মিদিয়নীয়দের শিবির ঘিরে ফেলে। এই তিনশত ব্যক্তি কি ভালভাবে অস্ত্রসজ্জিত? সামরিক দিক দিয়ে নয়। কেন, যারা গর্বিত সৈন্য তাদের নিকট থেকে এরা বিদ্রুপের অট্টহাসি আমন্ত্রণ করবে! প্রত্যেক ব্যক্তির কাছে কেবল একটি তুরী, একটি বিরাট শুন্য ঘট, এবং ঘটের মধ্যে একটি করে মশাল আছে। কিন্তু শুনুন! যে সংকেত দেওয়া হয় তাতে, গিদিয়োনের সাথে যে একশত ব্যক্তিরা আছে তারা সেই তুরী বাজায় ও তাদের ঘট ভেঙ্গে ফেলে। দুই শত অন্য ব্যক্তিরাও ঐরূপ করে। তারা সকলে তাদের হাতের জ্বলন্ত মশালগুলিকে তুলে ধরে, আপনি তাদের চিৎকার শুনতে পান: “যিহোবার ও গিদিয়োনের খড়গ!” ইহা মিদিয়নীয়দের কি ভয় না পাইয়ে দেয়! তারা তাড়াহুড় করে তাদের শিবির থেকে বেরোয়, তাদের ঘুমন্ত চোখ ভয়ে বড় হয়ে দেখে সেই জ্বলন্ত অগ্নি শিখাগুলিকে যার মধ্যে বড় হয়ে উঠেছে সেই ছায়াবৎ আকৃতিগুলি আর তা তাদের মধ্যে কুসংস্কারাচ্ছন্ন ভয়কে প্রজ্বলিত করে। মিদিয়নীয়রা যখন পালাতে আরম্ভ করে, গিদিয়োনের লোকেরা তাদের তুরী বাজাতে থাকে, আর ঈশ্বর তাদের একজনের বিপক্ষে আরেকজনকে তোলেন। বিশুদ্ধ ওষ্ঠে কি এক শক্তিশালী শিক্ষা! ঈশ্বর তাঁর সেবকদের কোন সৈন্য বল ছাড়াই উদ্ধার করতে পারেন। আরও, “যিহোবা আপন মহা নামের গুণে আপন প্রজাদিগকে ত্যাগ করিবেন না।”—১ শমূয়েল ১২:২২, NW.

৫. আমাদের ভাষাকে শোধন করার ব্যাপারে খ্রীষ্টীয় সভাগুলি কি ভাবে সাহায্য করতে পারে?

৫ যখন ছাত্রদের কোন বিদেশী ভাষা শেখান হয় কথা-বলে পদ্ধতির মাধ্যমে তারা শিক্ষকের যে কথার উচ্চারণ ও ধরন তা পুনরায় সঠিকভাবে বলার চেষ্টা করে। কি উত্তম সুযোগ না আছে খ্রীষ্টীয় সভাগুলিতে এই বিশুদ্ধ ওষ্ঠ বলার! সেখানে আমরা শুনতে পাই অন্যদের তারা কি ভাবে এই বিশুদ্ধ সত্যের ভাষায় নিজেদের প্রকাশ করছে, এবং আমরা নিজেরা সুযোগ পাই মন্তব্য করার। আমরা কি ভয় পাই যে আমরা কিছু ভুল বলব? তা যেন আমাদের প্রধান চিন্তার কারণ না হয়, কারণ আমাদের যদি কোন ভুল হয় আর তা সেই প্রাচীণ যিনি সেই সভা পরিচালনা করেন, যেমন সাপ্তাহিক প্রহরীদুর্গের পাঠ, প্রেমের সাথে শুধরে দেন তা আমাদের ভাষাকে শোধন করতে পারে। সেই কারণে, খ্রীষ্টীয় সভায় নিয়মিত যোগ দিন ও সহভাগিতা করুন।—ইব্রীয় ১০:২৪, ২৫.

অপবিত্রতার অনুপ্রবেশ

৬. যিহোবার সাক্ষী এবং খ্রীষ্টীয় জগতের অন্যান্য ধর্ম্মীয় সংগঠনের মধ্যে এত পার্থক্য কেন?

৬ যারা যিহোবার উদ্দেশ্য ঘোষণা করে ও তাঁর স্বর্গীয় রাজ্য সম্বন্ধে প্রচার করে তারা তাঁর সাক্ষী হিসাবে বিশুদ্ধ ওষ্ঠ বলে। তারা তাঁর নাম জানায় এবং তাকে সেবা করে “স্কন্ধে স্কন্ধ মিলিয়ে,” অথবা ঐক্যমতে। (সফনিয় ৩:৯, NW) যদিও খ্রীষ্টীয় জগতের ধর্ম্মগুলির কাছে বাইবেল আছে, তারা বিশুদ্ধ ওষ্ঠ বলে না অথবা ঈশ্বরের নামে বিশ্বাসের সাথে ডাকেও না। (যোয়েল ২:৩২) তাদের কাছে শাস্ত্রের উপর ভিত্তি করে কোন একমতযুক্ত সংবাদ নেই। কেন? কারণ তারা ধর্ম্মীয় পরম্পরাকে, জাগতিক দর্শনশাস্ত্রকে, এবং রাজনৈতিক বিশ্বস্ততাকে ঈশ্বরের বাক্যের উপর স্থান দিয়েছে। তাদের উদ্দেশ্য, আশা, এবং পদ্ধতিগুলি এই মন্দ জগতের।

৭. যিহোবার সাক্ষী ও মিথ্যা ধর্ম্মের মধ্যে কি পার্থক্যগুলি ১ যোহন ৪:৪-৬ পদে ইঙ্গিত করা আছে?

৭ খ্রীষ্টীয় জগত—বাস্তবে, সমস্ত মিথ্যা ধর্ম্মের বিশ্ব সাম্রাজ্য—যিহোবার সাক্ষীরা যে ভাষা বলে তারা তা বলে না। আগ্রহজনক ভাবে, যারা বিশুদ্ধ ভাষা বলে, তাদের জন্য প্রেরিত যোহন লেখেন: “তোমরা ঈশ্বর হইতে, . . . এবং ওই ব্যক্তিদের জয় করিয়াছ, কারণ যিনি তোমাদের মধ্যবর্ত্তী, তিনি জগতের মধ্যবর্ত্তী ব্যক্তি অপেক্ষা মহান্‌। উহারা জগৎ হইতে, এই কারণে জগতের কথা কহে এবং জগৎ উহাদের কথা শুনে। আমরা ঈশ্বর হইতে। ঈশ্বরকে যে জানে সে আমাদের কথা শুনে; যে ঈশ্বর হইতে নয় সে আমাদের কথা শুনে না।” (১ যোহন ৪:৪-৬, NW) যিহোবার সেবকেরা মিথ্যা শিক্ষকদের জয় করেছে কারণ ঈশ্বর, যিনি তাঁর লোকদের সাথে ঐক্যে আছেন, “তিনি সেই [সেই দিয়াবল, যে] তার থেকে মহান্‌ যে এই জগতের সাথে ঐক্যে আছে,” এই অধার্ম্মিক মনুষ্য সমাজের সাথে। যেহেতু খ্রীষ্টারিরা “জগতের হইতে” এবং তার যে মন্দ আত্মা তা পোষন করে, “তারা জগতের কথা কহে ও জগত তাদের কথা শুনে।” কিন্তু যারা মেষতুল্য ব্যক্তি তারা ঈশ্বর থেকে যার আরম্ভ সেই কথা শুনে, তারা উপলব্ধি করে যে যিহোবার লোকেরা বিশুদ্ধ ওষ্ঠ বলে বাইবেলের সত্যের যা তিনি প্রদান করেন তাঁর সংগঠনের দ্বারা।

৮. পাপপুরুষের পরিচয় কি?

৮ এক বিরাট ধর্মভ্রষ্টতার কথা বলা ছিল, এবং ‘পাপ-পুরুষের নিগূঢ়তত্ব’ সাধারণ শতাব্দীর প্রথম শতাব্দীতে কাজ করছিল। পরবর্ত্তি সময়ে, যে লোকেরা মণ্ডলীতে শিক্ষা দেবার পদ গ্রহণ করে—অথবা দখল করে—তারা অনেক মিথ্যা মতবাদ শিক্ষা দেয়। তাদের যে ভাষা তা বিশুদ্ধ হওয়া থেকে অনেক দূরে ছিল। তাই এক সম্পূর্ণ “পাপ-পুরুষ” গড়ে ওঠে, তা হল খ্রীষ্ট জগতের পাদ্রী শ্রেণী, যারা মিথ্যা ধর্ম্মীয় রীতিনীতিতে, জাগতিক দর্শনবিদ্যায়, এবং অশাস্ত্রিয় শিক্ষায় বদ্ধ।—২ থিষলনীকীয় ২:৩, ৭.

বিশুদ্ধ ওষ্ঠ বিশ্বব্যাপী শোনা যায়

৯. উনিশ শতাব্দীতে কি উন্নতিগুলি ঘটে?

৯ খুব অল্প সংখ্যক ঈশ্বর-ভয়শীল ব্যক্তিরা ‘কঠিন লড়াই করে যাতে যে বিশ্বাস পবিত্রগণের কাছে দেওয়া হয়েছিল তা ধরে রাখতে পারে।’ (যিহুদা ৩) এইরূপ বিশ্বাসীদের কোথায় পাওয়া যাবে? বহু শতাব্দী ধরে মিথ্যা ধর্ম্ম বহুসংখ্যক ব্যক্তিদের আত্মিক অন্ধকারে রাখে, কিন্তু ঈশ্বর সেই অল্প কয়েকজনকে জানতেন যাদের প্রতি তাঁর অনুগ্রহ ছিল। (২ তীমথিয় ২:১৯) তারপর, যে বাণিজ্যিক, শিল্পসংক্রান্ত, ও সামাজিক পরিবর্ত্তনগুলি ১৯ শতাব্দীতে ঘটে, তার মাঝে কিছু কণ্ঠস্বর শোনা যায় যা সাধারণ বাবিলনীয় যে বিভ্রান্তি তার থেকে আলাদা। ছোট দলগুলি চেষ্টা করে সময়ের চিহ্নগুলি পড়তে এবং যীশুর দ্বিতীয় আগমন সম্বন্ধে ভবিষ্যদ্বাণী করতে, কিন্তু সকলে বিশুদ্ধ ওষ্ঠ বলছিল না।

১০. “দ্বিতীয় আগমনের” কোন দলকে ঈশ্বর মনোনীত করেন বিশুদ্ধ ওষ্ঠ বলার জন্য, এবং কেন ইহা পরিষ্কার যে ঈশ্বরের হাত তাদের সাথে আছে?

১০ ১৮৭৯ সালে, যাহাহোক, এটা পরিষ্কার হয় যে যিহোবা কোন কণ্ঠকে মনোনীত করেছিলেন “দ্বিতীয় আগমনের” সময় তাঁর সাক্ষী হিসাবে বিশুদ্ধ ওষ্ঠ বলার জন্য। সেই সময় একটি ছোট বাইবেল-অধ্যয়নের দল তৈরী হয় যার পরিচালনা দেন চার্লস টেজ রাসেল, তারা একত্র হত পিটসবার্গ, পেনসিলভেনিয়া, ইউ. এস. এ.-তে। তারা নিশ্চিৎ ছিল যে যীশুর দ্বিতীয় আগমন তার অদৃশ্য উপস্থিতির আরম্ভ বোঝাবে, এবং জগত সংকটের এক সময় নিকটে ছিল, এবং এর পরে আসবে খ্রীষ্টের হাজার বৎসরের রাজত্ব যা পৃথিবীতে পরমদেশ ফিরিয়ে আনবে, এবং বাধ্য মানবজাতির জন্য তা নিয়ে আসবে অনন্ত জীবন। জুলাই ১৮৭৯ সালে এই বাইবেল স্টুডেন্টরা একটি পত্রিকা ছাপতে আরম্ভ করে যা আজ দ্যা ওয়াচটাওয়ার নামে পরিচিত। কেবলমাত্র ৬,০০০ কপি প্রথম সংখ্যা বেরোয়। কিন্তু “যিহোবার হস্ত” সেই সাক্ষীদের সাথে ছিল, কারণ এই পত্রিকা এখন ১১১ ভাষায় প্রকাশিত, এবং এর প্রত্যেক সংখ্যার ছাপার গড় ১৫,০০০,০০০।—তুলনা করুন প্রেরিত ১১:১৯-২১.

১১, ১২. যারা বিশুদ্ধ ওষ্ঠ বলে তারা শাস্ত্রিয় সত্য সম্বন্ধে কতগুলি বিষয় কি বুঝেছে?

১১ বাইবেল এবং যিহোবার সাক্ষীদের সাহিত্যাদি, এবং বিশেষ করে উৎসাহী খ্রীষ্টানদের সুসমাচার প্রচারের দ্বারা বিশুদ্ধ ওষ্ঠ সমস্ত পৃথিবীতে জানানো হয়েছে। আর যারা তা বলছে তাদের জন্য তা কি বিরাট উপকার না নিয়ে এসেছে! এই রকম না বলে যে ‘ঈশ্বর হচ্ছে ঈশ্বর, খ্রীষ্ট হচ্ছেন ঈশ্বর, এবং পবিত্র আত্মা ঈশ্বর’ যা ত্রিত্ববাদীদের ভাষায় এক নিগূড়তত্ব, তারা বাইবেলের যে মান তার সাথে মিল রেখে একমত যে যিহোবা হচ্ছেন সর্বমহান্‌ ঈশ্বর, যীশু খ্রীষ্ট তাঁর পুত্র তাঁর থেকে ছোট, এবং পবিত্র আত্মা হল ঈশ্বরের আশ্চর্য্য কার্য্যকারী শক্তি। (আদিপুস্তক ১:২; গীতসংহিতা ৮৩:১৮; মথি ৩:১৬, ১৭) যারা বিশুদ্ধ ওষ্ঠ বলে তারা জানে যে মানুষ কোন নিম্ন জাতীয় প্রাণী থেকে ক্রমবিকাশের মাধ্যমে আসেনি কিন্তু প্রেমময় সৃষ্টিকর্ত্তার দ্বারা সৃষ্ট। (আদিপুস্তক ১:২৭; ২:৭) তারা উপলব্ধি করে যে মৃত্যুতে প্রাণ আর বেঁচে থাকে না—এবং তা মৃতদের যে ভয় তা দূর করে। (উপদেশক ৯:৫, ১০; যিহিষ্কেল ১৮:৪) নরককে বোঝা গেছে মানুষের সাধারণ কবর হিসাবে, কোন অগ্নিময় যন্ত্রনার স্থান নয় যা কোন চরম নিষ্ঠুর দেবতা তৈরী করে রেখেছেন। (ইয়োব ১৪:১৩) তারা এও জানে যে পুনরুত্থান হল মৃতদের জন্য ঈশ্বর-দত্ত আশা।—যোহন ৫:২৮, ২৯; ১১:২৫; প্রেরিত ২৪:১৫.

১২ যারা বিশুদ্ধ ওষ্ঠ বলে তারা রক্ত ও জীবনের জন্য সম্মান দেখায়। (আদিপুস্তক ৯:৩, ৪; প্রেরিত ১৫:২৮, ২৯) তারা উপলব্ধি করে যে খ্রীষ্টের পার্থিব জীবন মুক্তির মূল্যরূপে বাধ্য মনুষ্যদের জন্য দেওয়া হয়েছে। (মথি ২০:২৮; ১ যোহন ২:১, ২) তারা কোন “সাধুদের” কাছে কখন প্রার্থনা করে না, তারা জানে যে তাদের প্রার্থনা যিহোবার কাছে পরিচালিত হওয়া উচিত যীশু খ্রীষ্টের মাধ্যমে। (যোহন ১৪:৬, ১৩, ১৪) যেহেতু ঈশ্বরের বাক্য প্রতিমাপূজা খণ্ডন করে, তারা তাদের উপাসনায় প্রতিমার ব্যবহার করে না। (যাত্রাপুস্তক ২০:৪-৬; ১ করিন্থীয় ১০:১৪) আর তারা প্রেতাদির যে বিপদ্‌ তা এড়িয়ে চলে কারণ তারা মন্দ আত্মাদের সাথে সব রকম যোগ পরিত্যাগ করে, কারণ বাইবেলও তা খণ্ডন করে।—দ্বিতীয় বিবরণ ১৮:১০-১২; গালাতীয় ৫:১৯-২১.

১৩. কেন যারা বিশুদ্ধ ওষ্ঠ বলে তারা বিভ্রান্তিতে নেই?

১৩ যিহোবার সেবকেরা, যারা বিশুদ্ধ ওষ্ঠ বলে, তারা এই বিষয় বিভ্রান্ত নয় যে সময়ের ধারায় তারা কোথায় রয়েছে। যিহোবা তাদের শিক্ষা দিয়েছেন তারা “শেষের সময়” আছে, যখন যীশু উপস্থিত গৌরবান্বিত অদৃশ্য আত্মারূপে। (দানিয়েল ১২:৪; মথি ২৪:৩-১৪; ২ তীমথিয় ৩:১-৫; ১ পিতর ৩:১৮) শক্তিশালী স্বর্গীয় বাহিনী নিয়ে, খ্রীষ্ট ঈশ্বরের সেই যুদ্ধে এই বিধিব্যবস্থার বিপক্ষে তাঁর বিচারাজ্ঞা প্রয়োগ করতে চলেছেন। (দানিয়েল ২:৪৪; প্রকাশিত বাক্য ১৬:১৪, ১৬; ১৮:১-৮; ১৯:১১-২১) হ্যাঁ, যারা বিশুদ্ধ ওষ্ঠ বলে তারা বলতে ব্যস্ত সেই সুসমাচার যে ঈশ্বরের রাজ্য খ্রীষ্টের অধীনে খুব শীঘ্র মহান্‌ আশির্বাদসকল নিয়ে আসবে সমস্ত বাধ্য মানবজাতির জন্য এক পরমদেশরূপ পৃথিবীতে। (যিশাইয় ৯:৬, ৭; দানিয়েল ৭:১৩, ১৪; মথি ৬:৯, ১০; ২৪:১৪; লূক ২৩:৪৩) এই সবকিছু, আর আমরা কেবল উপরিভাগে আচড় কেটেছি! অবশ্যই, পৃথিবীতে বিশুদ্ধ ওষ্ঠ হল সব থেকে সমৃদ্ধ, এবং মূল্যবান ভাষা!

১৪. অন্য আর কি উপকারগুলি যারা বিশুদ্ধ ওষ্ঠ বলে তারা উপভোগ করে?

১৪ যারা বিশুদ্ধ ওষ্ঠ বলে এবং তার মধ্যে যে উপকারগুলি জড়িত তা হল “ঈশ্বরের শান্তি” যা আমাদের হৃদয় ও মনকে রক্ষা করে। (ফিলিপীয় ৪:৬, ৭) তারা বাইবেলের যে আইনগুলি আছে তা পালন করে, যা নিয়ে আসে উত্তম স্বাস্থ্য, সুখ, আর সেই পরিতৃপ্তি যা আসে যিহোবা যাতে প্রীত হন তা সাধন করে। (১ করিন্থীয় ৬:৯, ১০) হ্যাঁ, যারা বিশুদ্ধ ওষ্ঠ বলে তাদের আশা রয়েছে ঈশ্বরের প্রতিজ্ঞাত নতুন জগতে অনন্ত জীবনের।—২ পিতর ৩:১৩.

হয় ব্যবহার করুন নয় হারান

১৫. বিশুদ্ধ ওষ্ঠকে ভাল করে করায়ত্ত করার দ্বারা আপনি কি উপকার পাবেন?

১৫ যদি আপনি বিশুদ্ধ ওষ্ঠে নতুন জগতে কথা বলতে চান, তাহলে তা আপনাকে এত ভালভাবে জানতে হবে যে সেই ভাষায় আপনি চিন্তা করবেন। যখন একজন ব্যক্তি কোন ভাষা শেখে, সে প্রথমে তার মাতৃভাষায় বিষয়টি চিন্তা করে নেয় তারপর সেটা নতুন ভাষায় ভাষান্তর করে। কিন্তু নতুন ভাষায় সে যত দক্ষ হয়ে ওঠে, ভাষান্তর না করেই সে চিন্তা করতে আরম্ভ করে। তদ্রুপ, অধ্যবসায়ী হয়ে, আপনি বিশুদ্ধ ওষ্ঠকে এমনভাবে করায়ত্ত করতে পারবেন যে আপনি জানবেন কি করে বাইবেলের আইন ও নীতি ব্যবহার করা যায় যাতে আপনার সমস্যাগুলির সমাধান করতে পারেন এবং “জীবনের পথে” থাকতে পারেন।—গীতসংহিতা ১৬:১১.

১৬. যদি আপনি নিয়মিত বিশুদ্ধ ওষ্ঠ ব্যবহার না করেন তাহলে কি হতে পারে?

১৬ আপনার বিশুদ্ধ ওষ্ঠকে নিয়মিত ব্যবহার করা উচিত, নাহলে আপনি তা ভাল করে বলার ক্ষমতা হারাবেন। উদাহরণস্বরূপ: অনেক বৎসর পূর্বে আমরা হয়ত কোন বিদেশী ভাষা শিখেছিলাম। আমরা হয়ত সেই ভাষায় কিছু শব্দ মনে করতে পারি কিন্তু সেই ভাষার উপর আমাদের দখল তা হারিয়েছি কারণ আমরা তা নিয়মিত ব্যবহার করিনি। একই জিনিষ ঘটতে পারে বিশুদ্ধ ওষ্ঠের ব্যাপারে। যদি আমরা তা নিয়মিত ব্যবহার না করি, আমরা তার উপর আমাদের যে দখল তা হারাতে পারি, আর তা আমাদের আত্মিকতার জন্য খুব দুঃখদায়ক পরিণতি নিয়ে আসতে পারে। সেই কারণে আমরা যেন তা নিয়মিত বলি সভায় এবং খ্রীষ্টীয় পরিচর্য্যায়। এই কার্য্যগুলি, যার সাথে যুক্ত ব্যক্তিগত অধ্যয়ন, আমাদের সাহায্য করবে বিষয়গুলিকে সঠিকভাবে বিশুদ্ধ ওষ্ঠে বলতে। আর তা কত গুরুত্বপূর্ণ!

১৭. কি দেখায় যে কথা জীবন রক্ষাকারী বা মৃত্যুর কারণ হতে পারে?

১৭ কথা জীবন রক্ষাকারী হতে পারে অথবা মৃত্যুও নিয়ে আসতে পারে। এই বিষয়টি দেখা যায় যখন ইস্রায়েলের বংশ ইফ্রয়িম ও বিচারকর্ত্তা গিলিয়দের যিপ্তহের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। যাতে চেনা যেতে পারে ইফ্রয়িমিয় কারা যারা যর্দ্দন পার হয়ে পালাতে চাইছে, গিলিয়দবাসীরা একটি সংকেতশব্দ ব্যবহার করে “শিব্বোলেৎ” যার অগ্রভাগে ছিল “শি” শব্দ। ইফ্রয়িমের লোকেরা নিজেদের গিলিয়দের প্রহরীদের কাছে ধরা দেয় যারা যর্দ্দনের নদ্যাদির অগভীর অংশগুলির কাছে ছিল যখন তারা বলে “সিব্বোলেৎ”, “শিব্বোলেৎ” না বলে, তারা প্রথম শব্দের উচ্চারণ সঠিকভাবে করতে পারত না। ফলস্বরূপ, ৪২,০০০ ইফ্রয়িমিয় হত হয়! (বিচারকর্ত্তৃগণের বিবরণ ১২:৫, ৬) ঠিক সেইভাবেই, খ্রীষ্টীয় জগতের পুরোহিত শ্রেণী তারা যা শিক্ষা দেয় তা হয়ত বিশুদ্ধ ওষ্ঠের মত শোনাতে পারে তাদের কাছে যারা বাইবেলের সত্যের সাথে ভালভাবে পরিচিত নয়। কিন্তু যিহোবার ক্রোধের দিনে মিথ্যা ধর্ম্মীয় পথে কথা বলা মারাত্মক হবে।

আমরা ঐক্যে থাকি

১৮, ১৯. সফনিয় ৩:১-৫ এর গুরুত্ব কি?

১৮ প্রাচীণকালের যিরূশালেম এবং তার বর্ত্তমান কালের প্রতিরূপ, খ্রীষ্টীয় জগত, সম্বন্ধে উল্লেখ করতে গিয়ে সফনিয় ৩:১-৫-এ বলা হয়: “ধিক্‌ সেই বিদ্রোহিণী ও ভ্রষ্টাকে, সেই অত্যাচার-কারিণী নগরীকে! সে রব শুনে নাই, শাসন গ্রহণ করে নাই। যিহোবাতে নির্ভর করে নাই, আপন ঈশ্বরের নিকটে আইসে নাই। তাহার মধ্যস্থিত অধ্যক্ষগণ গর্জ্জনকারী সিংহ, তাহার বিচারকর্ত্তৃগণ সায়ংকালীন কেন্দুয়া ব্যাঘ্র; তাহারা প্রাতঃকালের জন্য কিছুমাত্র অবশিষ্ট রাখে না। তাহার ভাববাদিগণ দাম্ভিক ও বিশ্বাসঘাতক, তাহার যাজকগণ পবিত্রকে অপবিত্র করিয়াছে, তাহারা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে অত্যাচার করিয়াছে। তাহার মধ্যবর্ত্তী যিহোবা ধর্ম্মশীল; তিনি অন্যায় করেন না; প্রতি প্রভাতে তিনি আপন বিচার আলোকে স্থাপন করেন, ত্রুটি করেন না; কিন্তু অন্যায়াচারী লজ্জা জানে না।” এই কথাগুলি কি অর্থ রাখে?

১৯ প্রাচীণকালের যিরূশালেম এবং বর্ত্তমান-দিনের খ্রীষ্টীয়জগত যিহোবার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছে এবং নিজেদের কলুষিত করেছে মিথ্যা উপাসনার মাধ্যমে। তাদের নেতাদের ভুল কাজের ফলস্বরূপ তারা দুর্দশাগ্রস্ত হয়। যদিও ঈশ্বর তাদের বার বার সতর্ক করেন, তারা তা অবধান করেনি ও তাঁর নিকটে আসেনি। তাদের অধ্যক্ষগণ গর্জ্জনকারী সিংহের ন্যায় যারা শক্তগ্রীব হয়ে ধার্ম্মিকতাকে উপেক্ষা করে। তারা কেন্দুয়া ব্যাঘ্রের মত, তাদের বিচারকেরা ন্যায়বিচারকে ছিড়ে ফেলেছে। তাদের যাজকেরা ‘তারা যা পবিত্র তাকে কলঙ্কিত করেছে এবং আইনের সাথে দৌরাত্ব করেছে’ যা ঈশ্বরের। তাই যিহোবা এখন ‘জাতিগুলিকে এবং রাজ্যগুলিকে একত্র করবেন, যাতে তাদের উপরে তাঁর ক্রোধ, তাঁর সমস্ত কোপাগ্নি ঢেলে দেন।’—সফনিয় ৩:৮.

২০. (ক) কি করা প্রয়োজন যাতে যিহোবার ক্রোধের দিনে রক্ষা পাওয়া যায়? (খ) ঈশ্বরের কাছ থেকে অনন্ত আশির্বাদ উপভোগ করা আপনি কি করে আশা করতে পারেন?

২০ যিহোবার ক্রোধের দিন খুব তাড়াতাড়ি এগিয়ে আসছে। সেই কারণে ঈশ্বরের নতুন পরিস্থিতিতে রক্ষা পেয়ে যাবার জন্য, এখন, দেরি না করে বিশুদ্ধ ওষ্ঠ শিখুন ও বলুন। কেবলমাত্র তা করার দ্বারা আপনি রক্ষা পেতে পারেন এখন আত্মিক বিপদ থেকে এবং দ্রুত-আগত যে বিশ্বব্যাপী বিপর্যয় আসছে তার থেকে। যিহোবার সাক্ষীরা ঈশ্বরের সেই ক্রোধের দিন ও হৃদয়গ্রাহী রাজ্যের সংবাদ ঘোষণা করছে। তার রাজারূপ গৌরবের বর্ণনা করে এখন তারা আনন্দিত হয়! (গীতসংহিতা ১৪৫:১০-১৩) তাদের সাথে ঐক্যে আসুন, আর আপনি আশা রাখতে পারেন অনন্ত জীবন উপভোগ করার এবং অন্যান্য আশির্বাদসকল উপভোগ করার সেই বিশুদ্ধ ওষ্ঠের সৃষ্টিকর্ত্তার কাছ থেকে, সেই সার্বভৌম প্রভু যিহোবার কাছ থেকে। (w91 5/1)

আপনি কি ভাবে উত্তর দেবেন?

▫ বিশুদ্ধ ওষ্ঠ শেখার কতগুলি উপায় কি?

▫ বিশুদ্ধ ওষ্ঠ বলা কেন এত উপকারী?

▫ আপনি যদি নিয়মিতভাবে বিশুদ্ধ ওষ্ঠ ব্যবহার না করেন তাহলে কি হতে পারে?

▫ কি করে একজন যিহোবার ক্রোধের দিনে বেঁচে যেতে পারে ও অনন্ত আশির্বাদ লাভ করতে পারে?

[Pictures on page 22]

গিদিয়োন ও তার লোকেরা তুরী বাজায় ও তাদের মশালগুলি তুলে ধরে

[Pictures on page 24]

১৮৭৯ সাল থেকে এটা পরিষ্কার হয় যে চার্লস টেজ রাসেল ও তার সহকর্ম্মীরা ঈশ্বরের দ্বারা পরিচালিত হন যাতে বিশুদ্ধ ওষ্ঠকে অগ্রসর করতে পারেন

[Pictures on page 26]

আপনি কি যিহোবার সাক্ষীদের সাথে বিশুদ্ধ ওষ্ঠে কথা বলতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন?

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার