আপনার কি ত্রিত্বে বিশ্বাস করা উচিৎ?
ওয়েস্ট ইণ্ডিজের জামাইকার দি সানডে গ্লীনার-এর ধর্মীয় লেখক ইয়ান বয়েন, যিহোবার সাক্ষীদের দ্বারা প্রকাশিত এক ব্রোসারের সম্বন্ধে সম্প্রতি যা বলেছেন তার কিছু অংশ:
“সাক্ষীরা এই তথ্য সমূহ লেখার জন্য ‘A’ পাবার যোগ্যতা রাখে, যদিও এত সহজ ভাষায় লেখা, এক কিশোর বয়স্কও এটি পড়তে পারবে—অতিরঞ্জনমুক্তভাবে—স্বনামধন্য বিজ্ঞ ব্যক্তি ও অন্যান্য উৎস থেকে উদ্ধৃতিগুলিও এতে আছে। . . . আপনার কি ত্রিত্ব বিশ্বাস করা উচিৎ? নামে পুস্তিকাটি সাক্ষীদের এক অতিশয় নিপুণতার কাজ এবং এখন আর ত্রিত্ত্ববাদী—এবং—দ্বৈতবাদীদের নিরাপদ স্থান নেই। এই বুকলেটটি ঐতিহাসিক ও ঐশিক উৎস থেকে এতো উদ্ধৃতির পর উদ্ধৃতি তুলে ধরেছে, যা দেখিয়ে দিচ্ছে ত্রিত্ত্ব মতবাদ বাইবেল থেকে নেওয়া হয়নি। কর্ত্তৃত্ত্বাধিকার সম্পন্ন এনসাইক্লোপিডিয়া অফ রিলিজিয়ন-এর যে উদ্ধৃতি বইটি দিচ্ছে তা জানায়, ‘থিওলজিয়ানরা একমত যে নূতন নিয়মে স্পষ্টভাবে ত্রিত্ত্ববাদের উল্লেখ নেই।’
বয়েন আরও বলেন: “এই ধর্মীয় মতবাদী লেখকদের পক্ষে সত্যই কষ্টকর এটি দেখা যে চার্চের সাধারণ সংখ্যা—বা তার বেশী সংখ্যার—সদস্যরা সাক্ষীদের এই যে মতবাদ অর্থাৎ যীশু ঈশ্বর নন, তার পক্ষে তাদের কাছে যে স্পষ্ট ও পরিষ্কার প্রমাণ রয়েছে, তার উত্তর দিতে পারে না।
আপনি যদি এই ব্রোসারের একটি কপি পেতে চান, দয়া করে সঙ্গে দেওয়া কুপনটি ভর্ত্তি করে ডাকযোগে পাঠান।
আমি ৩২ পৃষ্ঠার ব্রোশার আপনার কি ত্রিত্ত্বে বিশ্বাস করা উচিৎ? পেতে চাই। আমি ৩.০০ টাকা পাঠালাম।
[৩২ পৃষ্ঠার চিত্র সৌজন্য]
Musée du Louvre, Paris
Museo Egizio, Turin
Musée des Beaux-Arts de Troyes
Museo Bardini, Florence
Musée du Louvre, Paris