যখন মৃত্যু এক প্রিয়জনকে নিয়ে নেয়
“১৯৮১ সালে আমার মা ক্যান্সারে মারা যান। উনি ছিলেন আমার পোষ্য মা। তার মৃত্যু আমার ও আমার পোষ্য ভাইয়ের প্রতি খুব কঠিন ছিল। আমি ১৭ বৎসরের, ও আমার ভাই ১১ বৎসরের ছিলাম। আমি মাকে ভীষণভাবে হারাই। আমি এক ক্যাথলিক রূপে বড় হই এবং আমাকে শিক্ষা দেওয়া হয় যে তিনি স্বর্গে আছেন, তাই আমি আমার জীবন নিয়ে নিতে চাই যেন আমিও তার সাথে থাকতে পারি। তিনি আমার প্রিয় বন্ধু ছিলেন।”—রবার্টা, ২৫ বছর বয়স্ক।
আপনার কি অনুরূপ অভিজ্ঞতা হয়েছে? যদি হয়, আপনি জানেন প্রিয়জনকে হারানো কতটা বেদনাদায়ক। ইহা কতই না অন্যায় বলে মনে হয় যে মৃত্যুর শক্তি আছে আপনি যাকে ভালবাসেন তাকে ছিনিয়ে নিতে। যখন তা ঘটে, আপনার প্রিয়জনদের সাথে আর কখনই কথা বলতে পারবেন না, হাসতে পারবেন না, অথবা স্পর্শ করতে পারবেন না এইরূপ চিন্তা অসহ্য হয়ে উঠতে পারে। আর যেমন রবার্টার কথা ইঙ্গিত দেয়, আপনার প্রিয়জন স্বর্গে আছেন বলার দ্বারা আপনার ব্যাথা মুছে যায় না।
আপনি, কিরূপ অনুভব করবেন, যদি আপনি জানেন যে আপনার প্রিয় মৃত ব্যক্তির সাথে নিকট ভবিষ্যতে পুনর্মিলিত হওয়া সম্ভব, না, স্বর্গে নয় কিন্তু এই পৃথিবীতে শান্তিপূর্ণ, ধার্ম্মিক পরিস্থিতির অধীনে? আর আপনি যদি ইহাও জানতে পারেন যে মনুষ্যদের সেই সময় সিদ্ধ স্বাস্থ্য উপভোগ করার আশা থাকবে ও তারা কখনই মারা যাবে না? আপনি বলতে পারেন, ‘একেবারে খেয়াল খুশী মত চিন্তা!’
অথচ, বিগত প্রথম শতাব্দীতে যীশু খ্রীষ্ট স্পষ্টরূপে বলেন: “আমি পুনরুত্থান ও জীবন; যে আমাতে বিশ্বাস করে, সে মরিলেও জীবিত হইবে।” (যোহন ১১:২৫) এইটি এক প্রতিজ্ঞা যে মৃতব্যক্তিরা পুনরায় জীবিত হবে—এক রোমাঞ্চকর আশা!
হয়তো, আপনি চিন্তা করছেন: ‘এইরূপ প্রতিজ্ঞা বিশ্বাস করার কি দৃঢ় ভিত্তি আছে? আমি কিরূপে নিশ্চিত হব যে ইহা কেবল ইচ্ছামত চিন্তা নয়? আর ইহা বিশ্বাস করতে যদি কোন ভিত্তি থাকে এই প্রতিজ্ঞার পরিপূর্ণতা আমার ও আমার প্রিয়জনদের জন্য কি বুঝায়?’ পরবর্তী প্রবন্ধ এই সকল ও অন্যান্য প্রশ্নগুলি আলোচনা করবে।