ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • g৯৮ ১০/৮ পৃষ্ঠা ১৩-১৫
  • কিভাবে আমি সত্যকে নিজের করে নিতে পারি?

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • কিভাবে আমি সত্যকে নিজের করে নিতে পারি?
  • ১৯৯৮ সচেতন থাক!
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • নিজে পরীক্ষা করো
  • অধ্যয়ন করার মতো সময় পাও না?
  • যা শিখেছ তা অন্যদের জানাও
  • তোমার বন্ধুবান্ধবদের বিষয়ে সতর্ক হও
  • খ্রীষ্টানরা আত্মায় ও সত্যে উপাসনা করেন
    ২০০২ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • “আমি তোমার সত্যে চলিব”
    প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে (অধ্যয়ন)—২০১৮
  • ‘সত্যে চলতে’ থাকুন
    প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য সম্বন্ধে ঘোষণা করে (অধ্যয়ন)—২০২২
  • সত্যের ঈশ্বরকে অনুকরণ করা
    ২০০৩ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
আরও দেখুন
১৯৯৮ সচেতন থাক!
g৯৮ ১০/৮ পৃষ্ঠা ১৩-১৫

যুবক-যুবতীদের জিজ্ঞাস্য. . . .

কিভাবে আমি সত্যকে নিজের করে নিতে পারি?

“আমি একজন যিহোবার সাক্ষী হিসাবে মানুষ হয়েছি আর সবসময়ই ভেবেছি যে আমার মাবাবা যিহোবার সাক্ষী তাই আমি ঠিকই যিহোবাকে জানি, কী ভুলই না আমি করেছিলাম!”—অ্যান্টোইনেট।

“সত্য কি?” এই সুপরিচিত প্রশ্নটি পন্তীয় পীলাত করেছিলেন যার হাতে যীশুর মৃত্যু হয়েছিল। (যোহন ১৮:৩৮) কিন্তু পীলাত কথোপকথন শুরু করার জন্য নয় বরং কথোপকথনকে শেষ করে দেওয়ার জন্যই উপহাস করে প্রশ্নটি করেছিলেন। আসলে, ‘সত্যের’ প্রতি তার কোন আগ্রহই ছিল না। কিন্তু তোমার সম্বন্ধে কী? তুমি কি সত্যের প্রতি আগ্রহী?

সত্য কী সেই সম্বন্ধে দার্শনিকেরা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে চিন্তা করেছেন কিন্তু তাদের পরিশ্রম খুব বেশি ফল নিয়ে আসেনি। তবে তুমি, পীলাতের প্রশ্নটির উত্তর খুঁজে পেতে পার। যীশু খ্রীষ্ট শিখিয়েছিলেন যে ঈশ্বরের বাক্যই হল সত্য। এছাড়াও তিনি নিজের সম্বন্ধে বলেছিলেন যে তিনিই “সত্য।” আর প্রেরিত যোহন লিখেছিলেন: “সত্য যীশু খ্রীষ্ট দ্বারা উপস্থিত হইয়াছে।” (যোহন ১:১৭; ১৪:৬; ১৭:১৭) তাই সমস্ত খ্রীষ্টীয় শিক্ষা যা পরবর্তী সময়ে বাইবেলের অংশ হয়েছে, সেগুলিকে প্রকৃতই “সত্য” অথবা “সুসমাচারের সত্য” হিসাবে অভিহিত করা যায়। (তীত ১:১৪; গালাতীয় ২:১৪; ২ যোহন ১, ২) এই খ্রীষ্টীয় শিক্ষাগুলি হল ঈশ্বরের ব্যক্তিগত নাম, ঈশ্বরের রাজ্যের প্রতিষ্ঠা, পুনরুত্থান এবং যীশুর মুক্তির মূল্য।—যাত্রাপুস্তক ৩:১৫; মথি ৬:৯, ১০; ২০:২৮; যোহন ৫:২৮, ২৯.

হাজার হাজার যুবক-যুবতী তাদের খ্রীষ্টান বাবামায়ের কাছ থেকে বাইবেলের সত্য শিখেছে। কিন্তু এর অর্থ কি এই যে এই ব্যক্তিরা ‘সত্যে চলিতেছে’? (৩ যোহন ৩, ৪) সম্ভবত না। উদাহরণস্বরূপ, কুড়ি বছর বয়সী জেনিফার একজন যিহোবার সাক্ষী হিসাবে বড় হয়েছিল। সে তার ছোটবেলার স্মৃতি সম্বন্ধে বলে: “মা আমাকে যিহোবার সাক্ষীদের সম্মেলনগুলিতে নিয়ে যেতেন আর তিনি আমাকে আভাস দিতেন যে বাপ্তিস্মের বিষয়ে আমার চিন্তা করা উচিত। কিন্তু আমি মনে মনে ভেবেছিলাম, ‘আমি কখনই একজন সাক্ষী হতে চাই না। আমি শুধু মজা করেই জীবন কাটাতে চাই!’”

আবার এমন কিছু যুবক-যুবতী আছে যারা, তারা যা শিখেছে তা বিশ্বাস করে ঠিকই কিন্তু বাইবেল প্রকৃতপক্ষে যা শিক্ষা দেয় সেই বিষয়গুলির প্রতি এক গভীর উপলব্ধিবোধ গড়ে তুলতে পারেনি। এর ফলে কোন্‌ বিপদ আসতে পারে? যীশু সতর্ক করেছিলেন যে কিছু ব্যক্তির “অন্তরে মূল নাই।” এইধরনের ব্যক্তিরা “অল্প কালমাত্র স্থির থাকে, পরে সেই বাক্য হেতু ক্লেশ কিম্বা তাড়না ঘটিলে তৎক্ষণাৎ বিদ্ধ পায়।” (মার্ক ৪:১৭) অন্যেরা তাদের বাইবেল ভিত্তিক বিশ্বাসকে কিছুটা ব্যাখ্যা করতে পারে কিন্তু ঈশ্বরের সঙ্গে তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে ওঠেনি। আনিসা নামে এক যুবতী বলে: “আমি যখন ছোট ছিলাম তখন যিহোবার সঙ্গে আমার সত্যিকারের কোন সম্পর্ক ছিল বলে আমার মনে হয় না . . . বোধহয় আমি যিহোবাতে বিশ্বাস করতাম এই কারণে যে আমার বাবামা তাঁকে বিশ্বাস করতেন।”

এই ক্ষেত্রে তোমার অবস্থা কী? যিহোবা কি কেবল তোমার বাবমায়ের ঈশ্বর? নাকি, বাইবেলের গীতরচকের মতো তুমিও বলতে পার: “সদাপ্রভু, আমি তোমার উপরে নির্ভর করিলাম; আমি কহিলাম, তুমিই আমার ঈশ্বর”? (গীতসংহিতা ৩১:১৪) এই বাস্তব বিষয়টির মুখোমুখি হওয়ার জন্য সাহসের প্রয়োজন হতে পারে। যুবক আলেকজান্ডার বলে: “প্রথম যে কাজটা আমি করেছিলাম তা ছিল অকৃত্রিম আত্ম-পরীক্ষা।” নিজেকে খুব কাছ থেকে পরীক্ষা করার পর তুমি হয়তো উপলব্ধি করেছো যে তুমি কখনই সত্যকে (সমগ্র খ্রীষ্টীয় শিক্ষাকে) প্রকৃতপক্ষে নিজে পরীক্ষা করে দেখনি। তোমার হয়তো দৃঢ়বিশ্বাসের অভাব আছে আর তাই তোমার জীবন হয়তো লক্ষ্যহীন, প্রকৃত নির্দেশনাহীন বলে মনে হতে পারে।

যিহোবার সাক্ষীরা তাদের খ্রীষ্টীয় সভাগুলিতে প্রায়ই একটি গান গেয়ে থাকেন যেটির শিরোনাম “সত্যকে নিজের করে নিন।”a সেই উপদেশ হয়তো তোমার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কিন্তু কিভাবে তুমি তা করতে পার? কোথা থেকে তুমি শুরু করবে?

নিজে পরীক্ষা করো

রোমীয় ১২:২ পদে আমরা প্রেরিত পৌলের পরামর্শ পাই: “তোমরা পরীক্ষা করিয়া জানিতে পার, ঈশ্বরের ইচ্ছা কি, যাহা উত্তম ও প্রীতিজনক ও সিদ্ধ।” কিন্তু কিভাবে তুমি তা করতে পার? “সত্যের তত্ত্বজ্ঞান” লাভ করার মাধ্যমে। (তীত ১:১) বিরয়া নগরের প্রাচীন অধিবাসীরা যা শুনেছিলেন, বিনা প্রশ্নেই তা মেনে নেননি। বরং, তারা “এ সকল [তারা যা শিখছিলেন] বাস্তবিকই এইরূপ কি না, তাহা জানিবার জন্য প্রতিদিন শাস্ত্র [পরীক্ষা করেছিলেন]।”—প্রেরিত ১৭:১১.

ইরিন নামে একজন খ্রীষ্টান যুবতী এই বিষয়টিই করার প্রয়োজন অনুভব করেছিল। সে বর্ণনা করে: “আমি গবেষণা করেছিলাম। নিজেকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, ‘কিভাবে আমি জানব যে এটিই সঠিক ধর্ম? কিভাবে আমি জানব যে একজন ঈশ্বর আছেন যাঁর নাম যিহোবা?’” তুমি নিজে ব্যক্তিগত অধ্যয়ন শুরু কর না কেন? তুমি হয়তো জ্ঞান যা অনন্ত জীবনে পরিচালিত করেb বাইবেল ভিত্তিক এই বইটি দিয়ে শুরু করতে পার। খুব মন দিয়ে এটি পড়। উল্লেখিত প্রত্যেকটি পদ পড় এবং লক্ষ্য কর যে বর্ণিত বিষয়গুলির সঙ্গে সেগুলি কিভাবে সম্পর্কযুক্ত। যখন তুমি ‘এমন কার্য্যকারী হবে যাহার লজ্জা করিবার প্রয়োজন নাই, যে সত্যের বাক্য যথার্থরূপে ব্যবহার করিতে জানে’ তখন সত্য সম্বন্ধে তোমার অনুভূতি কতটা বদলে গেছে তা দেখে হয়তো তুমি নিজেই আশ্চর্য হয়ে যাবে!—২ তীমথিয় ২:১৫.

প্রেরিত পিতর বলেছিলেন যে বাইবেলের কিছু কিছু বিষয় “বুঝা কষ্টকর” আর তুমিও দেখতে পাবে যে সত্যিই তাই। (২ পিতর ৩:১৬) কিন্তু ঈশ্বরের আত্মা তোমাকে এমনকি কঠিন বিষয়গুলিও বুঝতে সাহায্য করবে। (১ করিন্থীয় ২:১১, ১২) যদি তোমার কোন কিছু বুঝতে অসুবিধা হয় তবে ঈশ্বরের সাহায্য চেয়ে প্রার্থনা কর। (গীতসংহিতা ১১৯:১০, ১১, ২৭) ওয়াচ টাওয়ার সোসাইটির প্রকাশনাগুলির সাহায্যে আর একটু বেশি গবেষণা করার চেষ্টা কর। কিভাবে তা করতে হয় তা যদি তুমি না জান, তবে সাহায্য চাও। তোমার বাবামা অথবা খ্রীষ্টীয় মণ্ডলীর অন্যান্য পরিপক্ব খ্রীষ্টানেরা তোমাকে সাহায্য করবেন।

মনে রাখবে, অন্যদের কাছে তোমার জ্ঞান জাহির করার জন্য তুমি অধ্যয়ন করছ না। যুবক কলিন বলে: “তুমি যিহোবার গুণাবলি সম্বন্ধে জ্ঞান অর্জন করছ।” যা পড়েছ তার উপর ধ্যান করার জন্য সময় করে নাও, যাতে তা তোমার হৃদয়ের গভীরে পৌঁছায় ও মনে গেঁথে যায়।—গীতসংহিতা ১:২, ৩.

খ্রীষ্টীয় সভাগুলিতে মণ্ডলীর ভাইবোনেদের সঙ্গে মেলামেশাও তোমাকে সাহায্য করতে পারে। সবচেয়ে বড় বিষয় হল, প্রেরিত পৌল যেমন লিখেছিলেন, মণ্ডলী “সত্যের স্তম্ভ ও দৃঢ় ভিত্তি।” (১ তীমথিয় ৩:১৫) কিছু যুবক-যুবতী খ্রীষ্টীয় সভাগুলিকে একঘেঁয়ে বলে অভিযোগ করে। কোলিন মনে করিয়ে দেয় “কিন্তু তুমি যদি সভার জন্য প্রস্তুত না হও, তাহলে তোমার তা ভাল লাগবে না আর তুমি খুব বেশি উপকারও পাবে না।” তাই আগে থেকেই সভার জন্য তৈরি হও। সভাগুলি আরও অনেক বেশি আগ্রহজনক হয়ে উঠবে যখন তুমি কেবল একজন দর্শক না হয়ে একজন অংশগ্রহণকারী হবে।

অধ্যয়ন করার মতো সময় পাও না?

এটি সত্য যে বিদ্যালয়ের কাজ ও ঘরের বিভিন্ন কাজকর্ম করার পর অধ্যয়নের জন্য সময় বের করে নেওয়া হয়তো খুবই কঠিন। সুজান লেখে: “আমি জানতাম যে সভার জন্য প্রস্তুত হওয়া খুবই দরকার, ব্যক্তিগত অধ্যয়ন খুবই জরুরি কিন্তু কত বছর ধরে আমি কখনও তা করে উঠতে পারিনি।”

সুজান কম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি থেকে ‘সুযোগ কিনে নিতে’ শিখেছিল। (ইফিষীয় ৫:১৫, ১৬) প্রথমে, যে বিষয়গুলি তার অধ্যয়ন করা দরকার তার একটি তালিকা সে তৈরি করেছিল। তারপর তা অধ্যয়ন করার জন্য সে সময় ঠিক করেছিল। কিন্তু সে তার তালিকায় আমোদপ্রমোদের জন্যও কিছু সময় রেখেছিল। সে পরামর্শ দেয়: “সব অবসর মুহূর্তগুলিকেই অধ্যয়নের জন্য রেখো না। আমাদের সবারই বিশ্রাম ও আমোদপ্রমোদেরও দরকার আছে।” একটি তালিকা তৈরি করা, সম্ভবত তোমার জন্যও ভাল হবে।

যা শিখেছ তা অন্যদের জানাও

তুমি যা শিখেছ তা ব্যবহার করা খুবই জরুরি কারণ তাহলে সেটা মনে একেবারে গেঁথে যাবে। অন্যকে শেখাতে চেষ্টা কর। গীতরচক বলেছিলেন: “আমার মুখ প্রজ্ঞার কথা কহিবে, আমার চিত্তের আলোচনা বুদ্ধির ফল হইবে।”—গীতসংহিতা ৪৯:৩.

তুমি যদি সুসমাচার সম্বন্ধে লজ্জিত না হও, তাহলে তোমার সহপাঠী এবং অন্য যে কারও সঙ্গে তোমার দেখা-সাক্ষাৎ হয়, তাদের সবাইকে সুসমাচার সম্বন্ধে বলতে তুমি ইতস্তত করবে না। (রোমীয় ১:১৬) অন্যদের কাছে সত্য বলার এই সুযোগগুলিকে কাজে লাগিয়ে তুমি যা শিখছ তা ব্যবহার করবে; আর এভাবেই তোমার মন ও হৃদয়ে সত্য দৃঢ় শিকড় বিস্তার করবে।

তোমার বন্ধুবান্ধবদের বিষয়ে সতর্ক হও

প্রথম শতাব্দীর কিছু খ্রীষ্টান খুবই ভাল আধ্যাত্মিক অগ্রগতি করেছিলেন। কিন্তু অল্প দিনের মধ্যেই প্রেরিত পৌলকে তাদের এই কথা জিজ্ঞাসা করে লিখতে হয়েছিল: “কে তোমাদিগকে বাধা দিল যে, তোমরা সত্যের দ্বারা প্রবর্ত্তিত হও না?” (গালাতীয় ৫:৭) অল্পবয়স্ক অ্যালেক্সের এইরকমই হয়েছিল। সে স্বীকার করে যে “দুষ্ট সঙ্গীদের সঙ্গে সময় কাটানোর ফলে” তার বাইবেল অধ্যয়নে বাধা আসছিল। আধ্যাত্মিকতায় বেড়ে ওঠার জন্য তোমারও হয়তো এখানে কিছু পরিবর্তন করার প্রয়োজন হতে পারে।

অন্যদিকে, ভাল সাথী তোমাকে উন্নতি করতে সত্যই সাহায্য করতে পারে। হিতোপদেশ ২৭:১৭ পদ বলে: “লৌহ লৌহকে সতেজ করে, তদ্রূপ মনুষ্য আপন মিত্রের মুখ সতেজ করে।” যে লোকেরা তাদের নিজেদের জীবনে সত্যকে কাজে লাগান এমন উত্তম আদর্শ ব্যক্তিদের খুঁজে নাও। আর তা খোঁজার জন্য তোমাকে হয়তো ঘরের বাইরে যেতে হবে না। ছোট্ট জেনিফার স্মরণ করে: “আমার দাদুই ছিলেন আমার জন্য সবচেয়ে ভাল উদাহরণ। তিনি সবসময় তিন ঘন্টা ধরে রবিবারের মণ্ডলীর বাইবেল অধ্যয়ন প্রস্তুত করতেন। তিনি সেই বিষয়টিতে দেওয়া প্রত্যেকটি শাস্ত্রপদ বিভিন্ন বাইবেল অনুবাদের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতেন এবং তার অভিধান থেকে শব্দগুলি পরীক্ষা করতেন। বাইবেলের কম পরিচিত ঘটনাগুলির বিষয়েও তিনি খুব ভালভাবে জানতেন। আপনি তাকে যে কোন প্রশ্নই করুন না কেন, তিনি আপনাকে সেটির উত্তর বলে দিতে পারতেন।”

তুমি যখন সত্যকে একান্তভাবে নিজের করে নাও, তুমি এক মূল্যবান সম্পদ পাও—এমন কিছু যা কোন মূল্যের বিনিময়েই তুমি ছাড়তে বা হারিয়ে ফেলতে চাইবে না। তাই সত্যকে কখনও কেবল “আমার বাবামার ধর্ম” বলে দেখবে না। তোমার দৃঢ়বিশ্বাস গীতরচকের মতো হওয়া উচিত, যিনি বলেছিলেন: “আমার পিতামাতা আমাকে ত্যাগ করিয়াছেন, কিন্তু সদাপ্রভু আমাকে তুলিয়া লইবেন।” (গীতসংহিতা ২৭:১০) বাইবেলের শিক্ষাগুলিকে ঠিক করে জেনে, তা বিশ্বাস করে, অন্যদেরকে তোমার বিশ্বাস সম্বন্ধে বলে এবং সর্বোপরি, এই বিশ্বাস অনুযায়ী কাজ করে তুমি দেখাবে যে তুমি সত্যকে নিজের করে নিয়েছ।

[পাদটীকাগুলো]

a ওয়াচটাওয়ার বাইবেল অ্যান্ড ট্র্যাক্ট সোসাইটির দ্বারা প্রকাশিত যিহোবার প্রশংসা গান গাও (ইংরাজি) নামক গান বই থেকে নেওয়া হয়েছে।

b ওয়াচটাওয়ার বাইবেল অ্যান্ড ট্র্যাক্ট সোসাইটির দ্বারা প্রকাশিত।

[১৪ পৃষ্ঠার চিত্র]

নিজে গবেষণা এবং ব্যক্তিগত অধ্যয়ন করে সত্যকে নিজের করে নাও

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার