ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • g৯৮ ৭/৮ পৃষ্ঠা ২৬-২৮
  • প্রেমের ভান করার মধ্যে দোষের কী আছে?

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • প্রেমের ভান করার মধ্যে দোষের কী আছে?
  • ১৯৯৮ সচেতন থাক!
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • একজন যদি বিবাহিত হন
  • আবেগগত প্রণয়
  • অবিবাহিত ব্যক্তিদের সম্বন্ধে কী?
  • ফ্লার্ট বা প্রেমের ভান করলে কি কোনো ক্ষতি হবে?
    যুবক-যুবতীদের জিজ্ঞাস্য
  • আপনার হৃদয়কে রক্ষা করে শুদ্ধতা বজায় রাখুন
    ২০০৪ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • এক বিচার্য বিষয় যা আপনাকে জড়িত করে
    ২০০৬ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • “তুমি আপন যৌবনের ভার্য্যায় আমোদ কর”
    ২০০৬ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
আরও দেখুন
১৯৯৮ সচেতন থাক!
g৯৮ ৭/৮ পৃষ্ঠা ২৬-২৮

বাইবেলের দৃষ্টিভঙ্গি

প্রেমের ভান করার মধ্যে দোষের কী আছে?

“প্রেমের ভান করাকে কেন আমরা অশোভন অথবা প্রতারণা কিংবা অন্যায় বলে ভাবি? আসলে এটি তা নয়! এটি একটি খেলার মত! আর এই খেলায় উভয় পক্ষই আনন্দ পায় কারণ আপনি অন্য লোককে আনন্দ দিচ্ছেন।”—নিউ ইয়র্ক সিটি, স্কুল অফ ফ্লার্টিং এর পরিচালিকা, সুজান রাবিন।

অনেকে প্রেমের ভান করাকে স্বাভাবিক, দোষের নয় এবং এমনকি মানব সম্পর্ক গড়ে তোলা ও তা অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য প্রয়োজনীয় বিষয় বলে মনে করেন। পশ্চিমী দেশগুলিতে, সম্প্রতি প্রচুর সংখ্যক বই, পত্রিকার প্রবন্ধ এবং বিশেষ শিক্ষাপর্ব রয়েছে যা ইশারা, দৈহিক অঙ্গভঙ্গি, এক ঝলক দৃষ্টি এবং বিভিন্ন রকমের স্থিরদৃষ্টি সম্বন্ধে শিক্ষা দেয় যেগুলি “প্রেমের ভান করার শিল্পের” অবিচ্ছেদ্য অংশ।

প্রেমের ভান করা বলতে কী বোঝায়? এই সম্বন্ধে বিভিন্ন সংজ্ঞা এবং ব্যাখ্যা রয়েছে। একটি অভিধান এটিকে “চপল প্রণয় অথবা যৌন প্রলোভনজনক” আচরণ বলে। আরেকটি অভিধান প্রেমের ভান করাকে “গুরুগম্ভীর উদ্দেশ্যহীন প্রণয়” বলে সংজ্ঞায়িত করে। তাই, সর্বসাধারণ্যে স্বীকৃত একটি ধারণা হল, তিনিই প্রেমের ভানকারী ব্যক্তি যিনি বিবাহের কোন পরিকল্পনা ছাড়া একজনের সঙ্গে রোমান্টিক সম্পর্কের ইঙ্গিত দেন। প্রেমের ভান করাকে কি দোষের কিছু নয় এমনভাবে দেখা উচিত? প্রেমের ভান করার ব্যাপারে বাইবেলের দৃষ্টিভঙ্গি কী?a

যদিও প্রেমের ভান করার বিষয়ে শাস্ত্র নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করে না, তবুও আমরা ঈশ্বরের দৃষ্টিভঙ্গি জানতে পারি। কিভাবে? বাইবেলের সেই নীতিগুলি পরীক্ষা করে যেগুলি এই বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এভাবে আমরা আমাদের ‘জ্ঞানেন্দ্রিয় সকল . . . সদ্‌সৎ বিষয়ের বিচারণের জন্য’ পটু করে তুলি। (ইব্রীয় ৫:১৪) আসুন আমরা প্রথমে বিবেচনা করে দেখি যে প্রেমের ভান করা, বিবাহিত ব্যক্তিদের জন্য যথার্থ আচরণ কি না।

একজন যদি বিবাহিত হন

বিবাহিত দম্পতিরা একান্তে একে অপরের প্রতি প্রণয়সুলভ আচরণ করবেন এটিই স্বাভাবিক। (আদিপুস্তক ২৬:৮ পদের সঙ্গে তুলনা করুন।) কিন্তু বিবাহের বাইরের কোন ব্যক্তির প্রতি এইধরনের মনোযোগদান ঈশ্বরের নীতির বিপরীত। যিহোবার উদ্দেশ্য ছিল যে বিবাহিত দম্পতিরা এক নিবিড় এবং আস্থাযোগ্য সম্পর্ক উপভোগ করবেন। (আদিপুস্তক ২:২৪; ইফিষীয় ৫:২১-৩৩) তিনি বিবাহকে এক পবিত্র, স্থায়ী বন্ধন হিসাবে মূল্যায়ন করেন। মালাখি ২:১৬ পদ ঈশ্বরের সম্বন্ধে বলে: “আমি স্ত্রীত্যাগ ঘৃণা করি।”b

একজন বিবাহিত ব্যক্তির প্রেমের ভান করা কি বিবাহ সম্বন্ধে ঈশ্বরের দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে মানানসই? একেবারেই নয়, কারণ বিবাহিত প্রেমের ভানকারী ব্যক্তি, ঈশ্বরের বৈবাহিক ব্যবস্থার পবিত্রতার প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করেন। তাই, ইফিষীয় ৫:৩৩ পদ খ্রীষ্টীয় স্বামীদের “স্ত্রীকে . . . আপনার মত প্রেম” করতে এবং স্ত্রীদের “স্বামীকে ভয় করতে আদেশ দেয়। প্রেমের ভান করা, যা ঈর্ষার উদ্রেগ করে তা কি একজনের সাথীর প্রতি প্রেম বা সম্মান দেখায়?

অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ কারণটি হল যে প্রেমের ভান করা পারদারিকতার দিকে পরিচালিত করতে পারে, যে পাপকে যিহোবা অত্যন্ত নিন্দা করেন ও বিশ্বাসঘাতকতা হিসাবে বর্ণনা করেন। (যাত্রাপুস্তক ২০:১৪; লেবীয় পুস্তক ২০:১০; মালাখি ২:১৪, ১৫; মার্ক ১০:১৭-১৯) বস্তুত, যিহোবা পারদারিকতাকে এত গুরুতর পাপ হিসাবে বিবেচনা করেন যে তিনি বৈবাহিক অবিশ্বস্ততার শিকার ব্যক্তিদের বিবাহবিচ্ছেদ করার অনুমতি দেন। (মথি ৫:৩২) তাই, আমরা কি এটি মনে করব যে প্রেমের ভান করার মত বিপদজনক একটি অবসর বিনোদনকে যিহোবা অনুমোদন করবেন? ঈশ্বর কখনও এটিকে অনুমোদন করবেন না, ঠিক যেভাবে প্রেমময় পিতা বা মাতা তার ছোট সন্তানটিকে রান্নাঘরের একটি ধারালো ছুরি নিয়ে খেলতে অনুমতি দেবেন না।

পারদারিকতা সম্বন্ধে বাইবেল সতর্ক করে: “কেহ যদি বক্ষঃস্থলে অগ্নি রাখে, তবে তাহার বস্ত্র কি পুড়িয়া যাইবে না? কেহ যদি জ্বলন্ত অঙ্গারের উপর দিয়া চলে, তবে তাহার পদতল কি পুড়িয়া যাইবে না? তদ্রূপ যে প্রতিবাসীর স্ত্রীর কাছে গমন করে; যে তাহাকে স্পর্শ করে, সে অদণ্ডিত থাকিবে না।” (হিতোপদেশ ৬:২৭-২৯) এমনকি যদি কখনও পারদারিকতা না-ও করা হয় তবুও একজন বিবাহিত ব্যক্তি যখন প্রেমের ভান করেন, তিনি আরও অধিক বিপদ ডেকে আনেন—তিনি “এক আবেগগত প্রণয়”-এ জড়িত হয়ে পড়েন।

আবেগগত প্রণয়

কিছু ব্যক্তি তাদের বিবাহের বাইরে সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন যেখানে যৌন সম্পর্ক না থাকলেও, রোমান্টিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু যীশু সতর্ক করেছিলেন: “যে কেহ কোন স্ত্রীলোকের প্রতি কামভাবে দৃষ্টিপাত করে, সে তখনই মনে মনে তাহার সহিত ব্যভিচার করিল।” (মথি ৫:২৮) যীশু কেন কামেচ্ছার বিরুদ্ধে আপত্তি করেছেন যা হৃদয়ের মধ্যেই থাকে?

একটি কারণ হল যে “অন্তঃকরণ হইতে . . . ব্যভিচার . . . আইসে।” (মথি ১৫:১৯) সুতরাং, এইধরনের সম্পর্ক ক্ষতিকর যদিও তা এমন এক অবস্থায় পৌঁছায়নি যেখানে পারদারিকতা অবশ্যম্ভাবী। তা কিভাবে? এই বিষয়ের উপর একটি বই ব্যাখ্যা করে: “যে কাজ অথবা সম্পর্ক আপনার সাথীর সঙ্গে আপনার জীবন থেকে অনেক সময় ও শক্তি শোষণ করে নেয় তা এক প্রকারের অবিশ্বস্ততা।” হ্যাঁ, আবেগগত প্রণয় একজনের সাথীর কাছ থেকে সময়, মনোযোগ এবং অনুরাগ হরণ করে নেয়। আমরা যেমন চাই যে লোকে আমাদের প্রতি করুক তেমনই অন্যদের প্রতি আচরণ করা সম্বন্ধে যীশুর সেই আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে, বিবাহিত প্রেমের ভানকারী ব্যক্তি নিজেকে এই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করলে ভাল করবেন, ‘আমার সাথী যদি অন্যের সঙ্গে এরূপ ব্যবহার করত তাহলে আমি কেমন বোধ করতাম?’—হিতোপদেশ ৫:১৫-২৩; মথি ৭:১২.

কোন ব্যক্তি যদি অন্যের প্রতি এইধরনের এক অন্যায় আবেগগত বন্ধন গড়ে তোলেন তবে তার কী করা উচিত? অন্যায় আবেগগত অনুরাগসম্পন্ন একজন বিবাহিত ব্যক্তি এমন একজন চালকের মত যিনি গাড়ি চালানোর সময়ই ঘুমিয়ে পড়ছেন। তার নিজের পরিস্থিতি সম্বন্ধে সম্পূর্ণরূপে উপলব্ধি করা এবং তার বিবাহ ও ঈশ্বরের সঙ্গে তার সম্পর্ক বিপন্ন হওয়ার পূর্বেই অবিলম্বে, স্থির পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। যীশু দৃষ্টান্তের সাহায্যে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছিলেন যখন তিনি এমনকি চোখের মত মূল্যবান অঙ্গও উপড়ে ফেলতে কিংবা হাত কেটে ফেলতে বলেছিলেন, যদি তা ঈশ্বরের সঙ্গে কারও উত্তম সম্পর্ককে ধ্বংস করে দেয়।—মথি ৫:২৯, ৩০.

অতএব, অন্য ব্যক্তিটির সঙ্গে আপনার কোথায় ও কতবার দেখা হয় সেই বিষয়ে সীমা আরোপ করা বিজ্ঞতার কাজ হবে। নিশ্চিতরূপে, সেই ব্যক্তির সঙ্গে একাকী থাকা এড়িয়ে চলুন আর যদি তা কর্মস্থলে হয় তবে কথা বলার স্বভাবে সীমা বজায় রাখুন। এমনকি সেই ব্যক্তির সঙ্গে সমস্ত রকম যোগাযোগও বন্ধ করে দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। সেই অনুযায়ী, একজনের দৃষ্টি, চিন্তাধারা, অনুভূতি এবং আচরণে অবশ্যই কঠোর আত্মসংযম প্রয়োগ করা উচিত। (আদিপুস্তক ৩৯:৭-১২; গীতসংহিতা ১৯:১৪; হিতোপদেশ ৪:২৩; ১ থিষলনীকীয় ৪:৪-৬) একজন বিবাহিত ব্যক্তি, ইয়োব এক চমৎকার উদাহরণ স্থাপন করেছিলেন যখন তিনি বলেছিলেন: “আমি নিজ চক্ষুর সহিত নিয়ম করিয়াছি; অতএব যুবতীর প্রতি কটাক্ষপাত কেন করিব?”—ইয়োব ৩১:১.

স্পষ্টতই, একজন বিবাহিত ব্যক্তির পক্ষে প্রেমের ভান করায় জড়িত হওয়া বিপদজনক এবং অশাস্ত্রীয়। কিন্তু, যারা অবিবাহিত তাদের ক্ষেত্রে প্রেমের ভান করা সম্বন্ধে বাইবেলের দৃষ্টিভঙ্গি কী? এটি কি স্বাভাবিক, দোষের নয় কিংবা বিপরীত লিঙ্গের ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় বিষয় হিসাবে বিবেচনা করা উচিত? এর থেকে প্রকৃতই কি কোন ক্ষতি হতে পারে?

অবিবাহিত ব্যক্তিদের সম্বন্ধে কী?

দুইজন অবিবাহিত ব্যক্তি যারা বিবাহ করার বিষয়ে চিন্তা করছেন ও যারা অনৈতিক আচরণ এড়িয়ে চলেন তাদের একে অপরের প্রতি রোমান্টিক আগ্রহ দেখানোর মধ্যে দোষের কিছু নেই। (গালাতীয় ৫:১৯-২১) এইধরনের আগ্রহ বিবাহপূর্ব মেলামেশার প্রাথমিক পর্যায়ে দেখা যেতে পারে যখন বিবাহ হওয়ার এক ক্ষীণ সম্ভাবনা থাকে। উদ্দেশ্য ভাল হলে, এই রোমান্টিক আগ্রহ সর্বদা অন্যায় হয় না। এইধরনের আচরণ প্রকৃতপক্ষে প্রেমের ভান করা নয়।

কিন্তু, অবিবাহিত ব্যক্তিরা যদি কেবল মজা করার জন্য একে অপরের প্রতি রোমান্টিক ইঙ্গিত দেন সেই সম্বন্ধে কী বলা যায়? যেহেতু তারা অবিবাহিত তাই এটি হয়ত দোষের নয় বলে মনে হতে পারে। কিন্তু, আবেগগত আঘাতের সম্ভাবনা সম্বন্ধে বিবেচনা করুন। প্রেমের ভানকারী ব্যক্তির আচরণ যদি তাদের উদ্দেশ্যের চেয়ে অধিকতর গুরুত্বপূর্ণরূপে নেওয়া হয়, তবে এর ফলে অতি বেদনাদায়ক যন্ত্রণা ও মর্মবেদনা ভোগ করতে হতে পারে। হিতোপদেশ ১৩:১২ পদের বাক্যগুলি কতই না সত্য, যেখানে বলে: “আশাসিদ্ধির বিলম্ব হৃদয়ের পীড়াজনক; কিন্তু বাঞ্ছার সিদ্ধি জীবনবৃক্ষ!” যদিও দুইজন ব্যক্তিই দাবি করেন যে তারা উভয়েই জানেন, তাদের কারোরই অপরের প্রতি প্রকৃত আগ্রহ নেই—কিন্তু তারা দুইজনই কি নিশ্চিত যে অন্য ব্যক্তিটি আসলে কী চিন্তা করছেন বা কেমন অনুভব করছেন? বাইবেল উত্তর দেয়: “অন্তঃকরণ সর্ব্বাপেক্ষা বঞ্চক, তাহার রোগ অপ্রতিকার্য্য, কে তাহা জানিতে পারে?”—যিরমিয় ১৭:৯. ফিলিপীয় ২:৪ পদের সঙ্গে তুলনা করুন।

এছাড়া ব্যভিচারের সম্ভাব্য পরিণতি যেমন রোগ অথবা অবাঞ্ছিত গর্ভধারণের বিপদ সম্বন্ধেও বিবেচনা করুন। ব্যভিচার করা শাস্ত্রীয়ভাবে নিষিদ্ধ এবং যারা স্বেচ্ছায় তা অভ্যাস করেন তারা ঈশ্বরের অনুগ্রহ হারান। প্রেরিত পৌল বিজ্ঞতার সঙ্গে খ্রীষ্টানদের সাবধান করেছিলেন যে প্রলোভন প্রতিরোধ করতে তাদের “অঙ্গ সকল . . . যথা বেশ্যাগমন “মৃত্যুসাৎ” করা উচিত এবং ‘কামাভিলাষ’ যা ব্যভিচারের দিকে নিয়ে যায় তা পরিহার করা উচিত। (কলসীয় ৩:৫; ১ থিষলনীকীয় ৪:৩-৫) ইফিষীয় ৫:৩ পদে, তিনি আমাদের উপদেশ দেন যে ব্যভিচারের “নামও যেন তোমাদের মধ্যে না হয়” অর্থাৎ এমনভাবে নয় যা অন্যায় আকাঙ্ক্ষার উদ্রেক করতে পারে। প্রেমের ভান করা এই পরামর্শের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। ঈশ্বর এমনকি যৌনতার বিষয়ে অস্বাস্থ্যকর কথাবার্তা বলতেও নিষেধ করেন।

বাইবেলের নীতিগুলি প্রকাশ করে যে প্রেমের ভান করা সহমানবদের জন্য নিষ্ঠুর এবং বিবাহের উদ্যোক্তা যিহোবার প্রতি অসম্মানজনক হতে পারে। অন্যায়ভাবে প্রেমের ভান করা সম্বন্ধে বাইবেলের দৃষ্টিভঙ্গি নিশ্চিতরূপে প্রেমপূর্ণ এবং যুক্তিসংগত কারণ তা লোকেদের আঘাত থেকে সুরক্ষা করে। তাই ঈশ্বরকে যারা প্রেম করেন, তারা অন্যায় প্রেমের ভান করা থেকে দূরে থাকবেন এবং বিপরীত লিঙ্গের ব্যক্তিদের সঙ্গে বিশুদ্ধ ও সম্মানজনক আচরণ করবেন।—১ তীমথিয় ২:৯, ১০; ৫:১, ২.

[পাদটীকাগুলো]

a প্রেমের ভান করাকে প্রণয়ঘটিত কোন উদ্দেশ্য ছাড়া বন্ধুত্ব কিংবা সঙ্গলিপ্সুতার সঙ্গে মিলিয়ে ফেলা উচিত নয়।

b সচেতন থাক! ফেব্রুয়ারি ৮, ১৯৯৪ (ইংরাজি), সংখ্যার “ঈশ্বর কিধরনের বিবাহবিচ্ছেদ ঘৃণা করেন?” নামক প্রবন্ধটি দেখুন।

[২৬ পৃষ্ঠার চিত্র সৌজন্যে]

© The Curtis Publishing Company

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার