ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • g৯৫ ১০/৮ পৃষ্ঠা ২৪-২৭
  • আফ্রিকার স্কুল—এটি কী শিখিয়েছে?

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • আফ্রিকার স্কুল—এটি কী শিখিয়েছে?
  • ১৯৯৫ সচেতন থাক!
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • গৃহ শিক্ষা
  • জীবনের কৌশল
  • সাম্প্রদায়িক দায়িত্ব
  • ধর্মীয় শিক্ষা
  • বর্তমান দিনে পরম্পরাগত শিক্ষা
  • আমার বাচ্চাকে কি স্কুলে পাঠানো উচিত?
    ২০০৩ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • এক উদ্দেশ্যসহ শিক্ষা
    ১৯৯৩ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • শিক্ষা—তা যিহোবাকে প্রশংসা করতে ব্যবহার করুন
    ১৯৯৬ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • যিহোবার সাক্ষীরা শিক্ষাকে কোন্‌ দৃষ্টিতে দেখে থাকেন
    যিহোবার সাক্ষীরা এবং শিক্ষা
১৯৯৫ সচেতন থাক!
g৯৫ ১০/৮ পৃষ্ঠা ২৪-২৭

আফ্রিকার স্কুল—এটি কী শিখিয়েছে?

ঘানার সচেতন থাক! প্রতিনিধি কর্তৃক

আফ্রিকার স্কুল? বাস্তবিকরূপে অতীতকালে যে এইধরনের একটা ব্যবস্থা ছিল এটা জেনে হয়ত পাশ্চাত্য দেশের অনেকে চমকে যাবেন। এটা দুঃখের বিষয় যে, বর্শা হাতে এক বর্বর জাতি হিসাবে আফ্রিকানদের সম্বন্ধে এই যে ধারণা, যা হলিউডবাসীদের মনে গেঁথে আছে তা মন থেকে মুছে যেতে খুবই সময় লাগছে। অনেকে একেবারেই চিন্তা করতে পারে না যে অতীতকালে কিভাবে আফ্রিকানদের শিক্ষিত বলে বিবেচনা করা যেতে পারে।

এটা যদিও সত্য যে আফ্রিকানরা পরাম্পরাগতভাবে এমন এক সমাজ ব্যবস্থার মধ্যে দিয়ে মানুষ হয়ে উঠেছে যে তাদের পক্ষে কোন পুঁথিগত শিক্ষা ও প্রথানুযায়ীরূপে ক্লাসরুমের অনুশীলন পাওয়া সম্ভব ছিল না। কিন্তু এই মহাদেশে ইউরোপীয়দের দ্বারা আনিত আনুষ্ঠানিক শিক্ষা পদ্ধতির প্রচলন হওয়ার অনেক আগে থেকেই, বহু আফ্রিকান সমাজের মধ্যে এক কার্যকারী শিক্ষা পদ্ধতির অস্তিত্ব ছিল যা ছোট ছেলেমেয়েদের সাহায্য করেছিল তাদের স্থানীয় সংস্কৃতির সাথে মানিয়ে চলতে। উদাহরণস্বরূপ, বিবেচনা করে দেখুন আকানদের শিক্ষা ব্যবস্থার কথা, যারা হল ঘানার টুই-ভাষীয় লোক।

গৃহ শিক্ষা

আকানদের মধ্যে, ঘরকেই প্রাথমিক ক্লাসরুম হিসাবে ব্যবহার করা হত। শিশুর শিক্ষা শুরু হত, যখন থেকে সে তার বাবামায়ের সাহায্যে কথা বলতে শিখত। এছাড়াও একই সাথে সে ভদ্র আচরণ সম্বন্ধে তার প্রথম শিক্ষাও পেতে আরম্ভ করত। উদাহরণস্বরূপ, ঘরের অতিথি যখন শিশুটির প্রতি সম্ভাষণ জানাত, তখন কিভাবে সঠিক উপায়ে, নম্রভাবে উত্তর দিতে হয় তা তাকে শিখিয়ে দেওয়া হত। এরপর শিশুটিকে যখন কোন ছোটখাটো কাজ করার জন্য কোথাও পাঠানো হত তখন তাকে এও বলে দেওয়া হত যে সে কিভাবে নম্রতার সাথে সংবাদ জানাবে।

সুতরাং আকানদের শিক্ষাগত ধারণা বাইবেলে উল্লেখিত হিতোপদেশ ২২:৬ পদের তুলনায় কোন প্রভেদ রাখে না যা বলে: “বালককে তাহার গন্তব্য পথানুরূপ শিক্ষা দেও, সে প্রাচীন হইলেও তাহা ছাড়িবে না।” বাবামায়ের মধ্যে বিশেষকরে বাবাই সন্তানকে বড় করে তোলার প্রতি আগ্রহ দেখাত। আকানদের একটি প্রবাদ জানায়: “শিশুটি যদি তার মায়ের মত না হয় তাহলে সে তার বাবার মত হবে।”

যতই শিশুটি বড় হয়ে উঠতে থাকে, ততই তার শিক্ষার গভীরতা বাড়তে থাকে। জীবন সম্বন্ধীয় শিক্ষাগুলি, বইয়ের মাধ্যমে নয়, কিন্তু কাল্পনিক গল্পের মাধ্যমে দেওয়া হত, যেমন কোয়াকু আনানসে নামক রূপকথার মাকর্শার কাহিনী। ছোটরা কতই না এই গল্পগুলি ভাল বাসত! সন্ধ্যার ফুরফুরে হাওয়ায় অথবা শীতকালের চাঁদনি রাতে, তারা একসাথে আগুনের সামনে বসত আর হৃদয়ভরে জয় পরাজয়ের কাহিনীগুলি উপলব্ধি করত।

একটি বিখ্যাত গল্প জানায় যে আনানসে পৃথিবীর প্রজ্ঞাকে একটি পাত্রের মধ্যে রাখবার জন্য তার দৈর্ঘ ও প্রস্থ পরিভ্রমণ করে। সম্ভবত এটি সম্পাদন করার পর সে সেই পাত্রটিকে উঁচু একটি গাছের উপর ঝুলিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নেয় যাতে করে কেউ যেন সেই প্রজ্ঞার নাগাল না পেতে পারে। সে খুব কষ্ট করে দড়ি দিয়ে বাঁধা সেই প্রজ্ঞা-ভরা পাত্রটি নিজের পেটের তলায় ঝুলিয়ে নিয়ে গাছে চড়তে শুরু করে। সে যখন পরিশ্রম করে উপরে ওঠার চেষ্টা করছিল, তখন তার জ্যেষ্ঠ পুত্র, টিকুমা সেখানে এসে উপস্থিত হয় আর আনানসেকে ডেকে ওঠে: “আ, বা, বাবা! পেটের তলায় পাত্র ঝুলিয়ে কে গাছের উপরে ওঠে? তুমি ওটাকে তোমার পিঠে রাখলে, তোমার পক্ষে ওঠা সহজ হবে?” আনানসে তার ছেলের দিকে তাকায় আর চিৎকার করে বলে ওঠে: “আমাকে শিক্ষা দেওয়ার সাহস তোমার কী করে হল?”

কিন্তু এখান থেকে বোঝা যাচ্ছে যে সেই পাত্রের বাইরে এখনও কিছু প্রজ্ঞা বাকি আছে! এটা বুঝতে পারার ফলে রাগান্বিত হয়ে, আনানসে পাত্রটিকে মাটিতে ছুঁড়ে ফেলে আর সমস্ত প্রজ্ঞা চারিদিকে ছড়িয়ে যায়। যারা সেখানে প্রথমে এসে উপস্থিত হয়েছিল তারাই সবচাইতে বুদ্ধিমান ব্যক্তি হয়ে দাঁড়ায়। এর থেকে শিক্ষা: প্রজ্ঞা কারও একচেটিয়া বস্তু নয়। তাই আকানরা বলে থাকে যে: “একটি মাথার মধ্যে সমস্ত বুদ্ধি থাকে না।”​—⁠তুলনা করুন হিতোপদেশ ১৫:২২; ২৪:⁠৬.

জীবনের কৌশল

আকানদের শিক্ষার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল জীবনের কৌশল সম্বন্ধে অনুশীলন। অধিকাংশ ছেলেরা তাদের বাবার জীবিকাকে বেছে নিত​—⁠সাধারণত চাষের কাজ। কিন্তু অন্যান্য কর্মকৌশলতা শেখারও প্রয়োজনীয়তা ছিল যেমন, শিকার করা, তাড়ি বার করা আর ঝুড়ি বানানো। আরও বড় কাজ, যেমন কাঠ খোদাই বা সুতোকাটা শেখার জন্য ছেলেরা অভিজ্ঞ কারিগরের কাছে শিক্ষা নিত। আর মেয়েরা? তাদের অনুশীলন বিশেষকরে গৃহ কলাকৌশলের উপর কেন্দ্রীভূত ছিল যেমন, বনস্পতি তেল ছেঁকে বার করা, সাবান ও মৃত্তিকার পাত্র তৈরি করা, সুতো বোনা ইত্যাদি।

পরাম্পরাগত স্কুলের এই “কার্যকলাপ” এর মধ্যে বিজ্ঞানকে বাদ দেওয়া হয়নি। লতাপাতা সম্বন্ধীয় চিকিৎসাগত জ্ঞান, সেগুলি তৈরি করা ও প্রয়োগ করার রীতিগুলি পিতা থেকে পুত্রের কাছে অথবা প্রপিতামহের কাছ থেকে পৌত্রের কাছে চলে এসেছে। একটি শিশুকে হাতের আঙুল কিম্বা গুলি, পাথরের সাহায্যে ও লাঠির মধ্যে চিহ্ন দেওয়ার দ্বারা সংখ্যা গণনা করা শিখতে হত। ওয়ারে ও ড্রাউট নামক খেলাগুলি গণনা করার কৌশলতাকে বাড়িয়ে তুলত।

জনসাধারণের আদালতে উপস্থিত থাকার দ্বারা, একজন অল্পবয়সী আকান রাজনৈতিক ও বিচার সংক্রান্ত নিয়মগুলি সম্বন্ধেও জ্ঞানার্জন করতে পারত। শোকসভা ও অন্যান্য উৎসবের অনুষ্ঠানগুলি শোকস্তোত্র, কবিতা, ইতিহাস, সঙ্গীত, বাদ্য ও নৃত্যের সুযোগ করে দিত।

সাম্প্রদায়িক দায়িত্ব

আকানদের মধ্যে, একজন শিশু সামাজিকভাবে স্বতন্ত্র হয়ে থাকতে পারত না। জীবনের প্রাথমিক কাল থেকে তাকে সাম্প্রদায়িক দায়িত্বকে উপলব্ধি করতে শিক্ষা দেওয়া হত। বন্ধুদের সাথে খেলায় যোগ দেওয়ার সময়ই এই বিষয়ে সে তার প্রথম শিক্ষাটি পেত। পরবর্তী বছরগুলিতে সে সহযোগিতামূলক কার্যকলাপ যেমন সাম্প্রদায়িক মজদুরীর কাজে অংশ নিত। যখন সে ভুল আচরণ করত তখন তাকে শাস্তি দেওয়া হত, কেবলমাত্র তার বাবামায়ের দ্বারাই নয়, কিন্তু সেই সম্প্রদায়ের প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যেরাও তাকে অনুযোগ করত। অন্যায় আচরণকারী শিশুকে শাসন করা অবশ্যই প্রাপ্তবয়স্কদের এক নৈতিক কর্তব্য বলে বিবেচিত হত।

এই শাসন সঠিক মনোভাবের সাথে গৃহীত হত কারণ বড়দের প্রতি উচ্চসম্মান প্রদর্শন করতে ছোটদের নির্দেশ দেওয়া হত। বস্তুতপক্ষে আকানরা বলে থাকে যে: “বৃদ্ধা মহিলা কোন একজনের দিদিমা নন।” সুতরাং বয়স্কদের প্রতি সম্মান ও তাদের সাহায্য করা হল একটি কর্তব্য। আর যে কোন শিশু যদি কোন যথার্থ কারণ ছাড়া কোন প্রাপ্ত­বয়স্ককে সাহায্য করতে অস্বীকার করত তাহলে তার বাবামায়ের কাছে এই বিষয়ে নালিশ করা হত।

ধর্মীয় শিক্ষা

আকানরা ছিল অত্যন্ত ধার্মিক লোক, প্রকৃতি ও অপরিচিত বিশ্বের প্রতি তাদের এক সম্মানসূচক মনোভাব ছিল। এটা সত্য যে, তারা বহু ঈশ্বরবাদী অর্থাৎ একাধিক দেবতাকে বিশ্বাস করত। কিন্তু তবুও, আকানরা একমাত্র সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তির অস্তিত্বকে বিশ্বাস করত। (রোমীয় ১:২০) আকানরা “ঈশ্বর” এর ক্ষেত্রে অর্থাৎ যে কোন দেবতার ক্ষেত্রে যে শব্দটি ব্যবহার করে তা হল অনিয়ামে। কিন্তু আকানদের কাছে সৃষ্টিকর্তাকে বর্ণনা করার জন্য এই শব্দটি যথার্থ বলে মনে হয়নি। অতএব তারা তাঁকে অনিয়ানকোপোন বলে ডাকতে শুরু করে, যার মানে হল “ঈশ্বর যিনি একাই সবচাইতে মহান।”

দেবতাদের উপাসনা করা হত এই বিশ্বাস নিয়ে যে এটা হল একমাত্র মহান ঈশ্বরেরই ব্যবস্থা। তারা মনে করত যে প্রধান সর্দারকে তার অধীনস্থ সর্দারেরা যে ভাবে সেবা করত এটা সেইরকম। তবে যাই হোক না কেন, প্রত্যেকটি আকান শিশুকে ধর্ম সম্বন্ধে শিক্ষা দেওয়া হত।

বর্তমান দিনে পরম্পরাগত শিক্ষা

সাম্প্রতিক বছরগুলিতে লক্ষ লক্ষ আফ্রিকানরা বড় শহরগুলিতে বসতি স্থাপন করেছে যেখানে পরম্পরাগত স্কুল শিক্ষার পরিবর্তে প্রথানুযায়ী ক্লাসরুম শিক্ষার প্রবর্তন করা হয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও, পরম্পরাগত রীতি অনুসারে এই আফ্রিকান স্কুলের প্রচলন এখনও কয়েকটি সম্প্রদায়, বিশেষকরে গ্রামাঞ্চলের মধ্যে দেখা যায়। এমনকি কিছু আফ্রিকানরা পরম্পরা এবং রীতিগত শিক্ষার উপকার পেয়ে থাকে!

উদাহরণস্বরূপ, অ্যালফ্রেড নামে ঘানার এক খ্রীষ্টীয় পরিচারকের কথা বিবেচনা করে দেখুন। রীতিগত শিক্ষা উপভোগ করা সত্ত্বেও, পরম্পরাগত জীবনধারার বহু ক্ষেত্রের প্রতি তার উচ্চ সম্মান রয়েছে। অ্যালফ্রেড বলে: “আমার অধিকাংশ অশিক্ষিত স্বজাতিরা, যদিও তারা কেবলমাত্র পরম্পরাগত অনুশীলন লাভ করেছে, জীবনের বাস্তব ক্ষেত্রে তারা অবশ্যই উত্তম শিক্ষক। তাদের মধ্যে সহখ্রীষ্টানদের সাথে কাজ করা আমাকে সক্রিয়ভাবে সাধারণ ও বাস্তবধর্মী উপস্থাপনা করতে শিখিয়েছে। সুতরাং আমি পরম্পরাগত পটভূমিকার থেকে আসা লোক এবং রীতিগত শিক্ষায় শিক্ষিত ব্যক্তি উভয়ের সাথেই কথা বলতে পারি। প্রায়ই আমি এদের ব্যবহৃত প্রবাদ অথবা দৃষ্টান্তের সাহায্য নিয়ে থাকি, ভাল করে সেগুলিকে অভ্যাস করি আর বাইবেলের উপর বক্তৃতা দেওয়ার সময় এগুলিকে কাজে লাগাই। আর এটা প্রায়ই শ্রোতাদের মধ্যে উচ্ছাসের সূচনা করে! অতএব, বাস্তবিকভাবে এর জন্য পরম্পরাগত শিক্ষায় শিক্ষিত ব্যক্তিদের অবশ্যই প্রশংসা পাওয়া উচিত।”

সুতরাং এটা স্পষ্ট যে, আফ্রিকার স্কুলব্যবস্থার মধ্যে অনেক প্রশংসাজনক দিক রয়েছে আর এটি অসম্মান নয় বরঞ্চ সম্মান পাওয়ার যোগ্য। এটি হয়ত কোন শিল্পগত ক্ষেত্রে উন্নতি ঘটায়নি, কিন্তু এটি অবশ্যই দৃঢ় পারিবারিক কাঠামো, সাম্প্রদায়িক বোধগম্যতা, আগ্রহমনা মানুষ, কৌতুকরসের প্রতি স্পৃহা এবং উদার ও অতিথিপরায়ণ মনোভাবের সৃষ্টি করেছে। অতএব এটা আশ্চর্যের বিষয় নয় যে অনেক শহুরে আফ্রিকানরা, গ্রামে বসবাসকারী তাদের আত্মীয়স্বজনদের কাছে মাঝেমধ্যে যাওয়া আসা করার দ্বারা যোগাযোগ বজায় রাখে। এই পরিবেশগুলি অনেক সময় লজ্জাস্কর পরিস্থিতির সূচনা করে। পরম্পরাগত রীতি মেনে চলার ক্ষেত্রে প্রায়ই শহরের লোকেরা ভুল ভ্রান্তি করে ফেলে। উদাহরণস্বরূপ, অধিকাংশ সময় তারা ভুলে যায় যে হাত মেলানোর “সঠিক” পদ্ধতি হল ডান দিক দিয়ে বাঁ দিকে যাওয়া। তবুও এইধরনের দেখা সাক্ষাৎ উভয়ের ক্ষেত্রেই সতেজমূলক প্রমাণিত হতে পারে।

তবুও, এটা মানতেই হবে যে যদিও আফ্রিকার পরম্পরাগত স্কুল ব্যবস্থা সম্মান ও ভক্তি প্রদর্শন করতে শিক্ষা দেয় কিন্তু এটি যিহোবা ও তাঁর পুত্র, যীশু খ্রীষ্ট সম্বন্ধীয় জীবন-দায়ক জ্ঞান দেয় না। (যোহন ১৭:⁠৩) যিহোবার সাক্ষীরা এই আকান ও অন্যান্য আফ্রিকার সম্প্রদায়ের সাথে কাজ করার দ্বারা এই গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ দিতে পারাকে এক সুযোগ বলে মনে করে। তারা হাজার হাজার আফ্রিকান, যারা কোন প্রথাগত শিক্ষা পায়নি, তাদের পড়তে ও লিখতে শিক্ষা দিয়েছে যাতে করে তারা ঈশ্বরের বাক্য সরাসরি অধ্যয়ন করতে পারে। যারা “তাদের আধ্যাত্মিক প্রয়োজনীয়তার প্রতি সচেতন,” তাদের জন্য এটা হল সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা যা একজন পেতে পারে।​—⁠মথি ৫:⁠৩, NW.

[২৫ পৃষ্ঠার চিত্র

আকানদের মধ্যে, শিশুদের শিক্ষা দেওয়া হয় সাম্প্রদায়িক দায়িত্বকে উপলব্ধি করতে

[২৬ পৃষ্ঠার চিত্র

যিহোবার সাক্ষীদের কিংডম হল সাক্ষরতা শিক্ষা প্রদানের ব্যবস্থা করে থাকে

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার