বিশ্ব নিরীক্ষা
ফুটবলকে আরও উচ্চ পর্যায়ে তোলা
ইংলান্ডের কিছু ফুটবল প্রেমিকরা তাদের ভালবাসা চরম পর্যায়ে নিয়ে গেছে: যে দল তাদের সবচেয়ে প্রিয় তারা চায় সেই দলের ফুটবল মাঠে যেন তারা মারা যাওয়ার পর তাদের ছাই সেখানে ছড়ানো হয়। একটি জনপ্রিয় দল বছরে ২৫টি এইরকমের অনুরোধ পায়। এই বিষয়টি এত লোকপ্রিয় হয়ে উঠেছে যে কিভাবে মানবদেহের অবশিষ্ট গচ্ছিত করা হবে সে বিষয়ে ইংলিশ ফুটবল আ্যসোসিয়েসেনকে একটি সাবধানবাণী দিতে হয়। দ্যা মেডিক্যাল পোস্ট অনুযায়ী, তাদের উপদেশে অন্তর্ভুক্ত হল এই বিষয়গুলি: “সম্পূর্ণ ছাই ছড়ানোর কোন দরকার নেই। স্যামপেল হিসাবে কিছুটা ছড়াতে পারো। অনেকখানি ঘাসকে মেরে ফেলতে পারে। . . . ছাইগুলোকে ঝাঁটার সাহায্যে চারিদিকে হাল্কাভাবে ছড়িয়ে দিন।” (g94 10/8)
একটি “দিয়াবল” কম
টোকিওর এক দম্পতি তাদের নবজাত শিশুর নাম রাখে ওকুমা যার অর্থ হল “দিয়াবল”। “এর এমন প্রভাব যে, যদি একবার শোনো তাহলে কখনও ভুলবে না,” বাবা বলেন। “যখন সে বড় হবে এই নাম তাকে অনেক লোকেদের সাথে পরিচিত করতে সাহায্য করবে।” প্রথমে স্থানীয় আধিকারিকরা নামটি রেজিস্ট্রি করবে বলে ঠিক করেন, কিন্তু পরে বাদ দিয়ে দেন, কারণ তা হয়ত উপহাস আর প্রভেদ নিয়ে আসবে। মাসের পর মাস আদালতে লড়াই করার পরে পিতামাতা মেনে নেন এবং বলেন যে তার ছেলের নামকে অন্য কোন নামে রেজিস্ট্রি করবেন যাতে তারা স্বাভাবিকভাবে জীবনযাপন করতে পারেন এবং যাতে তাদের ছেলেকে সরকারীভাবে নামবিহীন না রাখতে হয়। কিন্তু এই বিষয়গুলি ঘরের পরিস্থিতি পরিবর্তন করেনি। “দৈনন্দিন আমরা এখনও তাকে ওকুমা বলেই ডাকব,” বাবা বলেন এবং এই নামে শিশুটি সাড়া দেয়। (g94 9/22)
রাগ এবং হার্ট আট্যাক
দ্যা নিউ ইয়র্ক টাইমস্ রিপোট করে, যে লোকেরা হৃদরোগের অসুখে ভোগে, যখন রেগে যায় তাদের হার্ট আ্যটাক হওয়ার সম্ভাবনা দুইগুণের থেকে বেশি বেড়ে যায় এবং এই পরিস্থিতি দুই ঘন্টার বেশি থাকে।” আগের পরীক্ষাগুলি দেখায় যে রাগের সাথে যে বাড়তি হৃৎস্পন্দনের, রক্তচাপ বৃদ্ধি, ধমনী বাধা প্রাপ্ত হওয়ার সম্পর্ক আছে, এই নতুন পরীক্ষা প্রথমবার বৈজ্ঞানিক প্রমাণ দেখায় যে রাগ তৎক্ষণাৎ হার্ট আ্যটাক নিয়ে আসতে পারে। ডাঃ. মারে মিটেলম্যান এই পরীক্ষার মুখ্য লেখক বলেন যে, মানসিক বিরোধের সম্মুখীন হওয়ার সময় ঠাণ্ডা হওয়ার চেষ্টা করুন, তাহলে সেই সম্ভাবনা কমিয়ে দিতে পারে। “বিশেষজ্ঞরা এও লক্ষ্য করেছেন যে যারা আ্যসপিরিন নেয় তাদের হার্ট আ্যটাক হওয়ার সম্ভবনা কম, তার জন্য তারা হয়ত হঠাৎ রাগ হওয়ার ফলাফল থেকে আংশিকভাবে রক্ষা পায়,” প্রবন্ধটি বলে, হয়ত আ্যসপিরিন ধমনীর মধ্যে প্লেটেলেট জমে যেতে ও বাধা হওয়ার ক্ষমতাকে কম করে দেওয়া এর কারণ হতে পারে। তাই ডাঃ. মিটেলম্যান বলেন রাগ হয়ত প্লেটেলেটকে প্রভাবিত করে। (g94 9/22)
ঘুম আর কনট্যাক্ট লেন্স মেলে না
সম্প্রতি একটি গবেষণা বলে, যে লোকেরা নিয়মিতরূপে কনট্যাক্ট লেন্স পরে ঘুমান তাদের আটবার বেশি সম্ভাবনা আছে চোখে রোগের সংক্রমণ হওয়ার তাদের থেকে যারা তা পরেন না। ইন্টারন্যাশনাল হেরাল্ড ট্রিবিউন রিপোর্ট করে যে গবেষকেরা লক্ষ্য করেছেন যে সঠিকভাবে লেন্স পরিষ্কার করা সত্ত্বেও সারারাত লেন্স পরে থাকায় চোখের ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থেকে রক্ষা করে না। তা যে ধরনের লেন্স হোক না কেন, সারারাত পরে থাকার ফলে কর্ণিয়া নামক চোখের উপরের স্তরে জীবাণু আর রোগজীবাণু দ্বারা সংক্রমণ হতে পারে। ঘুমানোর আগে খুলে রাখলে যারা লেন্স পরে তারা ৭৪ শতাংশ কর্ণিয়া ফুলে ওঠা কমিয়ে দিতে পারে। (g94 9/22)
উৎকৃষ্টতা না স্বাস্থ্য?
“সাধারণত উচ্চ পর্যায়ে খেলাধূলা ক্রীড়াবিদ্দের শুধু উৎকৃষ্টতা বাড়াবার দিকে মনোযোগ দেয়, খুব কমই সময় স্বাস্থ্যের দিকে মনোযোগ দেয়,” ওরথোপেডিস্ট ভিক্টর মাতসুদো ভেজ্হা-তে বলেন। “কাউকে ক্রীড়াবিদ হতে হবে না স্বাস্থ্য উন্নতি করার জন্য।” ডাঃ. মাতসুদো বলেন, “যে ব্যক্তি ঠিকমত ব্যায়াম করে না সে যে ব্যক্তি শুধু বসে থাকে তার থেকে আগে মারা যায়।” তিনি আরও বলেন: “অনেক লোকে এখনও এই মনে করেন যে সঠিক ব্যায়াম কঠিন, ঘাম ধরানো এবং কষ্টকর হওয়া উচিত। সেটি সঠিক নয়। সঠিক ব্যায়াম হাল্কা হওয়া উচিত যা ব্যথা, অস্বস্তি কিংবা খিল ধরার কারণ না হয় . . . হাঁটা হল প্রথম পদক্ষেপ যারা বসে কাজ করে এবং আরও উত্তম দৈহিক পরিস্থিতির দিকে এগোতে চায়।” যে ব্যক্তি সপ্তাহে দুই কিংবা তিনবার আধ ঘন্টার জন্য হাঁটেন, যে ব্যক্তি বসে থাকেন তার থেকে ১৫ শতাংশ কম সম্ভাবনা থাকে মারা যাওয়ার। ডাঃ. মাতসুদো প্রস্তাব দেন যে সমতলভূমিতে হাঁটা উচিত এবং এমন গতিতে যাতে করে স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নেওয়া এবং অপরের সাথে কথা বলা যায়। (g94 9/22)