প্রচার করা আমাদেরকে আধ্যাত্মিক দিক দিয়ে দৃঢ় রাখে
১. প্রচার কাজের ফলে আমরা কোন উপকার লাভ করি?
১ প্রচার কাজে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করা আমাদেরকে আধ্যাত্মিকভাবে শক্তিশালী ও আমাদের সুখকে বৃদ্ধি করতে পারে। এটা ঠিক যে, মূলত যিহোবাকে খুশি করার জন্যই আমরা পরিচর্যায় রত হই। কিন্তু, “বাক্য প্রচার কর,” এই আদেশের প্রতি বাধ্য হওয়ার দ্বারা, আমরা যিহোবার অনেক আশীর্বাদ লাভ করি এবং আরও অন্যান্য উপায়ে নিজেদেরকে উপকৃতও করি। (২ তীম. ৪:২; যিশা. ৪৮:১৭, ১৮) প্রচার করা কীভাবে আমাদেরকে শক্তিশালী ও সুখী করতে পারে?
২. কোন কোন উপায়ে পরিচর্যা আমাদেরকে শক্তিশালী করে?
২ আমরা শক্তিশালী ও আশীর্বাদপ্রাপ্ত হই: প্রচার করা আমাদেরকে বর্তমান সমস্যাগুলোর বদলে রাজ্যের আশীর্বাদগুলোর ওপর মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করতে উৎসাহিত করে। (২ করি. ৪:১৮) বাইবেলের শিক্ষাগুলো ব্যাখ্যা করা যিহোবার প্রতিজ্ঞাগুলোর ওপর আমাদের বিশ্বাসকে শক্তিশালী করে এবং সত্যের প্রতি আমাদের উপলব্ধিবোধ গড়ে তোলে। (যিশা. ৬৫:১৩, ১৪) আমরা যখন অন্যদেরকে আধ্যাত্মিকভাবে বৃদ্ধি পেতে সাহায্য করি যাতে তারা ‘জগতের না হয়,’ তখন জগৎ থেকে পৃথক থাকার বিষয়ে আমরা আমাদের নিজেদের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করি।—যোহন ১৭:১৪, ১৬; রোমীয় ১২:২.
৩. কীভাবে পরিচর্যা আমাদেরকে খ্রিস্টীয় গুণাবলি গড়ে তুলতে সাহায্য করে?
৩ পরিচর্যায় অংশগ্রহণ করা আমাদেরকে খ্রিস্টীয় গুণাবলি গড়ে তুলতে সাহায্য করে। উদাহরণস্বরূপ, ‘সর্ব্বজনের কাছে সর্ব্ববিধ হইবার’ জন্য কঠোর প্রচেষ্টা করা আমাদেরকে আরও বেশি করে নম্রতা গড়ে তুলতে সাহায্য করে। (১ করি. ৯:১৯-২৩) আমরা যখন এমন লোকেদের সঙ্গে কথা বলি, যারা “ব্যাকুল ও ছিন্নভিন্ন . . . যেন পালকবিহীন মেষপাল,” তখন আমরা সহানুভূতি এবং সহমর্মিতা দেখাতে শেখার তাগিদ অনুভব করি। (মথি ৯:৩৬) যখন আমরা উদাসীনতা বা বিরোধিতা সত্ত্বেও লেগে থাকি, তখন আমরা ধৈর্য ধরতে শিখি। আমাদের আনন্দ বৃদ্ধি পায়, যখন অন্যের জন্য আমরা নিজেদের বিলিয়ে দিই।—প্রেরিত ২০:৩৫.
৪. আপনার পরিচর্যা সম্বন্ধে আপনি কেমন বোধ করেন?
৪ যে-পরিচর্যা, একমাত্র যিনি আমাদের উপাসনা পাওয়ার যোগ্য, তাঁকেই প্রশংসা করে, তাতে অংশ নেওয়া কতই না আশীর্বাদের এক বিষয়! এই পরিচর্যা আমাদেরকে শক্তিশালী করে। এটা তাদের জন্য প্রচুর আশীর্বাদ নিয়ে আসে, যারা “সুসমাচারের পক্ষে সাক্ষ্য দিবার” জন্য পুরোপুরিভাবে রত থাকে।—প্রেরিত ২০:২৪.