ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w৯৪ ২/১ পৃষ্ঠা ২৬-৩১
  • “আমাদিগকে বলুন, এই সকল ঘটনা কখন্‌ হইবে?”

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • “আমাদিগকে বলুন, এই সকল ঘটনা কখন্‌ হইবে?”
  • ১৯৯৪ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • ক্লেশ এবং আকাশমণ্ডলে বিস্ময়কর ঘটনা
  • আকাশমণ্ডলের বিস্ময়কর ব্যাপারের আগে কোন্‌ ক্লেশ?
  • কী আসবে?
  • “আপনার উপস্থিতির চিহ্ন কি?”
    ১৯৯৪ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • “আমাদিগকে বলুন দেখি, এই সকল ঘটনা কখন্‌ হইবে?”
    ২০১৩ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • ঈশ্বর যখন কার্যকারী হবেন তখন আপনি কি রক্ষা পাবেন?
    ১৯৯৬ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • “এ সকল অবশ্যই ঘটিবে”
    ১৯৯৯ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
আরও দেখুন
১৯৯৪ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w৯৪ ২/১ পৃষ্ঠা ২৬-৩১

“আমাদিগকে বলুন, এই সকল ঘটনা কখন্‌ হইবে?”

“আমি নূতন নূতন ঘটনা জ্ঞাত করি, অঙ্কুরিত হইবার পূর্ব্বে তোমাদিগকে তাহা জানাই।”​—⁠যিশাইয় ৪২:⁠৯.

১, ২. (ক) ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে যীশুর শিষ্যেরা কী জানতে চেয়েছিলেন? (খ) একটি যৌগিক চিহ্নের পরিপূর্ণতা সম্বন্ধে যীশু কিভাবে উত্তর দিয়েছিলেন?

ঐশিক শিক্ষা যিহোবা ঈশ্বর ‘যিনি শেষের বিষয় আদি অবধি জ্ঞাত করেন’ তাঁর থেকে নির্গত হয়। (যিশাইয় ৪৬:১০) যেমন পূর্ববর্তী প্রবন্ধে দেখান হয়েছে, প্রেরিতেরা যীশুর কাছে এইরূপ শিক্ষা প্রার্থনা করেছিলেন, এই জিজ্ঞাসা করে, “আমাদিগকে বলুন দেখি, এই সকল ঘটনা কখন্‌ হইবে? আর এই সমস্তের সিদ্ধি নিকটবর্ত্তী হইবার চিহ্নই বা কি?”​—⁠মার্ক ১৩:⁠৪.

২ উত্তরে, যীশু যিহূদী ব্যবস্থা যে শীঘ্রই শেষ হতে চলেছে তার সাক্ষ্যপ্রমাণ দিয়ে বহু ঘটনা সম্বলিত এক যৌগিক “চিহ্নের” বর্ণনা করেছিলেন। সাধারণ শতাব্দীর ৭০ সালে যিরূশালেমের ধ্বংসের সাথে এটি পূর্ণ হয়েছিল। কিন্তু ভবিষ্যতে বহু বছর পরেও যীশুর ভবিষ্যদ্বাণীর এক বৃহত্তর পূর্ণতাপ্রাপ্তি হওয়ার ছিল। “জাতিগণের সময়” ১৯১৪ সালে শেষ হলেই ব্যাপক আকারে এক চিহ্ন প্রকাশ পাবে, এই দেখিয়ে যে শীঘ্রই বর্তমান দুষ্ট বিধি-ব্যবস্থা “মহাক্লেশে”-র মধ্যে শেষ হবে।a (লূক ২১:২৪) বর্তমানে লক্ষ লক্ষ জীবিত ব্যক্তিরা সাক্ষ্য দেবে যে এই চিহ্ন পূর্ণ হয়েছে বিংশ শতাব্দীর বিশ্ব যুদ্ধগুলি ও অন্যান্য সর্বনাশা ঘটনাগুলির মাধ্যমে। আরও এই ঘটনাগুলি যীশুর ভবিষ্যদ্বাণীর বৃহত্তর পূর্ণতাপ্রাপ্তিকে চিহ্নিত করে, যেমন চিত্রিত হয়েছিল ৩৩ থেকে ৭০ সাধারণ শতাব্দীতে হওয়া ঘটনাগুলির দ্বারা।

৩. অন্য চিহ্নের বিষয়ে বলতে গিয়ে যীশু আর কোন্‌ ঘটনাগুলির ভবিষ্যদ্বাণী করেন?

৩ লূকের সুসমাচার জাতিগণের সময় উল্লেখ করার পর, ধারাবাহিকভাবে ঘটা অতিরিক্ত ঘটনাগুলির অনুরূপ আরও বিবরণ পাওয়া যায় মথি, মার্কের ও লূকের সুসমাচারে যার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যৌগিক “যুগান্তের চিহ্ন” ছাড়াও আর একটি চিহ্ন। (মথি ২৪:⁠৩) (পৃষ্ঠা ১৫তে, বিবরণের এই বিষয়টি চিহ্নিত করা হয়েছে ডবল্‌ লাইন দিয়ে।) মথি বলেন: “আর সেই সময়ের ক্লেশের পরেই সূর্য্য অন্ধকার হইবে, চন্দ্র জ্যোৎস্না দিবে না, আকাশ হইতে তারাগণের পতন হইবে ও আকাশমণ্ডলের পরাক্রম সকল বিচলিত হইবে। আর তখন মনুষ্যপুত্ত্রের চিহ্ন আকাশে দেখা যাইবে, আর তখন পৃথিবীর সমুদয় গোষ্ঠী বিলাপ করিবে, এবং “মনুষ্যপুত্ত্রকে আকাশীয় মেঘরথে পরাক্রম ও মহা প্রতাপে আসিতে” দেখিবে। আর তিনি মহা তূরীধ্বনি সহকারে আপন দূতগণকে প্রেরণ করিবেন; তাঁহারা আকাশের এক সীমা অবধি অন্য সীমা পর্য্যন্ত চারি বায়ু হইতে তাঁহার মনোনীতদিগকে একত্র করিবেন।”​—⁠২৪:​২৯-৩১.

ক্লেশ এবং আকাশমণ্ডলে বিস্ময়কর ঘটনা

৪. যীশুর বর্ণিত আকাশমণ্ডলের বিস্ময়কর ব্যাপার সকল বিষয়ে কোন্‌ কোন্‌ প্রশ্ন উত্থিত হয়?

৪ এই বাক্যগুলি কখন পূর্ণ হবে? তিনটি সুসমাচারের বিবরণেই উল্লেখ করা হয়েছে যেগুলিকে আমরা বলতে পারি আকাশমণ্ডলে বিস্ময়কর ব্যাপার​—⁠সূর্য ও চন্দ্র অন্ধকার হচ্ছে এবং তারাগুলি পড়ে যাচ্ছে। যীশু বলেছিলেন যে এ সমস্ত “ক্লেশের পরে ঘটবে। সাধারণ শতাব্দীর ৭০ সালে যে ক্লেশ চূড়ান্তে পৌঁছেছিল যীশুর মনে কি তাই ছিল, অথবা আরও ভবিষ্যতে আমাদের আধুনিক কালে যে মহাক্লেশ ঘটবে তিনি তার সম্বন্ধে বলেছিলেন?​—⁠মথি ২৪:২৯; মার্ক ১৩:২৪.

৫. আধুনিক কালের মহাক্লেশ সম্বন্ধে এক সময়ে কী ধারণা করা হয়েছিল?

৫ জাতিগণের সময় ১৯১৪ সালে শেষ হওয়ার পর থেকেই, ঈশ্বরের লোকেরা “মহাক্লেশের” প্রতি গভীর আগ্রহী হয়েছে। (প্রকাশিত বাক্য ৭:১৪) বহু বছর ধরে তারা মনে করেছিল যে আধুনিক-দিনের মহাক্লেশ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ঠিক সন্ধিক্ষণেই শুরু হয়েছিল, তারপর মাঝখানে তা থেমে যায় এবং শেষ অংশটি হবে “সর্ব্বশক্তিমান্‌ ঈশ্বরের সেই মহাদিনের যুদ্ধে।” তাই যদি হয়, তাহলে “যুগান্তের” মধ্যবর্তী দশকগুলিতে কী ঘটবে?​—⁠প্রকাশিত বাক্য ১৬:১৪; মথি ১৩:৩৯; ২৪:৩ ২৮:২০.

৬. আকাশমণ্ডলের বিস্ময়কর ব্যাপার বিষয়ক যীশুর ভবিষ্যদ্বাণীর পূর্ণতার বিষয়ে কী মনে করা হয়েছিল?

৬ হ্যাঁ, এটি মনে করা হয়েছিল যে, এই মধ্যবর্তী সময়ে যৌগিক চিহ্নটি দেখা যাবে, যার অন্তর্ভুক্ত হল ঈশ্বরের দ্বারা একত্রীত লোকেদের প্রচার কাজ। এটিও মনে করা হয়েছিল যে আকাশমণ্ডলের বিস্ময়কর ব্যাপার সম্বন্ধীয় ভবিষ্যদ্বাণী ১৯১৪-১৮ সালের প্রারম্ভিক ক্ষণের পর মধ্যবর্তী সময়ে ঘটবে। (মথি ২৪:২৯; মার্ক ১৩:​২৪, ২৫; লূক ২১:২৫) মনোযোগ কেন্দ্রীভূত হয়েছিল আকাশমণ্ডলের আক্ষরিক বিষয়গুলির প্রতি​—⁠মহাকাশে যাত্রা, রকেট উৎক্ষেপণ, মহাজাগতিক অথবা তেজষ্ক্রীয় রশ্মি এবং চন্দ্রে অবতরণ ও শিবির স্থাপন।

৭. মহাক্লেশ সম্বন্ধে কী সংশোধিত অর্থ প্রকাশ করা হয়েছে?

৭ কিন্তু ১৯৭০ সালের জানুয়ারী ১৫ এর প্রহরীদুর্গে বিশেষভাবে আগত মহাক্লেশ সম্বন্ধীয় যীশুর ভবিষ্যদ্বাণী পুনর্পরীক্ষা করা হয়। এটি দেখিয়েছিল যে প্রথম শতাব্দীতে যা ঘটেছিল তার পরিপ্রেক্ষিতে আধুনিক দিনের ক্লেশ ১৯১৪-১৮ সালের প্রারম্ভের অংশ হবে না, মধ্যবর্তী দীর্ঘ-দশকগুলিতে বিরতি এবং তারপর পুনরারম্ভ হবে। ঐ পত্রিকাটি সমাপ্তি করে: “‘মহাক্লেশ’ যা আর কখনও হবে না, তা এখনও বাকি রয়েছে, এবং এর অর্থ ‘সর্ব্বশক্তিমান ঈশ্বরের মহাদিনের যুদ্ধে’ হর্‌মাগিদোনে মিথ্যা ধর্মের বিশ্ব সাম্রাজ্যের (যার অন্তর্ভুক্ত খ্রীষ্টীয়জগত) ধ্বংস।”

৮. আধুনিক ক্লেশ সম্বন্ধে সংশোধিত দৃষ্টিভঙ্গির পরিপ্রেক্ষিতে মথি ২৪:২৯ পদকে কিভাবে ব্যাখ্যা করা হয়?

৮ কিন্তু মথি ২৪:২৯ পদ বলে যে আকাশমণ্ডলে বিস্ময়কর ব্যাপারগুলি “ক্লেশের পরেই” ঘটবে। কিভাবে তা হতে পারে? মে ১, ১৯৭৫ সালের প্রহরীদুর্গ ইঙ্গিত দিয়েছিল যে এখানে সেই ক্লেশটিকে বুঝিয়েছিল যা পূর্বে ৭০ সা.শ.-তে চূড়ান্তে পৌঁছেছিল। তাহলে কী অর্থে বলা যেতে পারে যে আমাদের সময়ে আকাশমণ্ডলে বিস্ময়কর ব্যাপারগুলি ৭০ সা.শ.-র একটি ঘটনার ঠিক “পরেই” ঘটেছে? যুক্তি দেওয়া হয়েছিল যে আমাদের ঈশ্বরের কাছে, মাঝখানের শতাব্দীগুলি সামান্য মনে হবে। (রোমীয় ১৬:২০; ২ পিতর ৩:⁠৮) কিন্তু এই ভবিষ্যদ্বাণীর ও বিশেষভাবে মথি ২৪:​২৯-৩১ পদের গভীর পরীক্ষা একটি ভিন্ন ব্যাখ্যার প্রতি নির্দেশ করে। এটি দেখায় যে আমাদের পথ কিভাবে “মধ্যাহ্ন পর্য্যন্ত দেদীপ্যমান” হচ্ছে। (হিতোপদেশ ৪:​১৮, আমেরিকান স্ট্যাণ্ডার্ড ভারসন্‌)b আসুন বিবেচনা করি কেন একটি নতুন অথবা পরিবর্তীত ব্যাখ্যা হল উপযুক্ত।

৯. আকাশমণ্ডলের ঘটনাবলি সম্বন্ধে যীশুর বাক্যের প্রতি ইব্রীয় শাস্ত্রাবলি কীভাবে পটভূমিকা সৃষ্টি করেছে?

৯ তাঁর প্রেরিতদের চারজনের কাছে যীশু সূর্যের অন্ধকার হওয়া, চন্দ্রের জ্যোৎস্না না দেওয়া এবং তারাদের পতন সম্বন্ধে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। যিহূদী হিসাবে, ইব্রীয় শাস্ত্র থেকে এরূপ ভাষার অর্থ তারা বুঝতে পারতেন, যেখানে, উদাহরণস্বরূপ সফনিয় ১:১৫ পদে, ঈশ্বরের বিচারের সময়কে বলা হয়েছিল “সেই দিন নাশের ও সর্ব্বনাশের দিন, অন্ধকারের ও তিমিরের দিন, মেঘের ও গাঢ় তিমিরের দিন।” বিভিন্ন ইব্রীয় ভাববাদিরাও একইভাবে বর্ণনা করেছিলেন সূর্য অন্ধকার হচ্ছে, চন্দ্র জ্যোৎস্না দিচ্ছে না এবং তারারা আলো দিচ্ছে না। এই ধরনের ভাষা আপনি বাবিল, ইদোম, মিশর এবং ইস্রায়েলের উত্তরের রাজ্যের বিরুদ্ধে ঐশিক বার্তাসমূহে পাবেন।​—⁠যিশাইয় ১৩:​৯, ১০; ৩৪:​৪, ৫; যিরমিয় ৪:২৮; যিহিষ্কেল ৩২:​২, ৬-৮; আমোষ ৫:২০; ৮:​২, ৯.

১০, ১১. (ক) আকাশমণ্ডলের বিষয়ে যোয়েল কী ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন? (খ) যোয়েলের ভবিষ্যদ্বাণীর কোন্‌ বিষয়গুলি ৩৩ সা.শ. সালে পূর্ণতা লাভ করেছিল এবং কোন্‌গুলি করেনি?

১০ যখন তারা যীশুর কথা শুনেছিলেন, পিতর এবং অন্য তিনজন সম্ভবত ২:​২৮-৩১ ও ৩:১৫ পদে যোয়েলের ভাববাণী স্মরণ করেন: “আমি মর্ত্ত্যমাত্রের উপরে আমার আত্মা সেচন করিব, তাহাতে তোমাদের পুত্ত্রকন্যাগণ ভাববাণী বলিবে . . . “আমি আকাশে ও পৃথিবীতে অদ্ভুত লক্ষণ দেখাইব, - রক্ত, অগ্নি ও ধূমস্তম্ভ দেখাইব। সদাপ্রভুর ঐ মহৎ ও ভয়ঙ্কর দিনের আগমনের পূর্ব্বে সূর্য্য অন্ধকার ও চন্দ্র রক্ত হইয়া যাইবে।” “সূর্য্য ও চন্দ্র অন্ধকার হইতেছে, নক্ষত্রগণ আপন আপন তেজ গুটাইয়া লইতেছে।”

১১ যেমন আমরা প্রেরিত ২:​১-৪ এবং ১৪-২১ পদে পড়ে, সা.শ. ৩৩ সালের পঞ্চাশত্তমীর দিনে, স্ত্রী ও পুরুষ উভয় মিলে, ১২০ জন শিষ্যের উপরে ঈশ্বর পবিত্র আত্মা সেচন করেছিলেন। সেখানে, প্রেরিত পিতর জানিয়েছিলেন যে এই ঘটনাটি হচ্ছে তাই যা যোয়েল ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। কিন্তু ‘সূর্য অন্ধকার হবে ও চন্দ্র রক্ত হয়ে যাবে ও নক্ষত্রেরা তেজ গুটিয়ে নেবে’ যোয়েলের বাক্যগুলি সম্বন্ধে কী? কিছুই ইঙ্গিত করে না যে ৩৩ সা.শ.-তে অথবা যিহূদী বিধি-ব্যবস্থা শেষ হওয়ার ৩০ বছরেরও বেশি বিস্তৃত সময়ের মধ্যে সেটি পূর্ণ হয়েছিল।

১২, ১৩. কিভাবে আকাশমণ্ডল সম্বন্ধীয় যোয়েলের ভবিষ্যদ্বাণী পূর্ণতা লাভ করেছিল?

১২ স্পষ্টতই যোয়েলের ভাববাণীর ওই পরের অংশ আরও ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত ছিল “সদাপ্রভুর ঐ মহৎ ও ভয়ঙ্কর দিনের আগমনের”​—⁠যিরূশালেমের ধ্বংসের সাথে। নভেম্বর ১৫, ১৯৬৬ সালের প্রহরীদুর্গ যিরূশালেমের উপর ৭০ সা.শ.-তে যে ক্লেশ এসেছিল সে সম্পর্কে বলেছিল: “সেটি নিশ্চিতরূপেই যিরূশালেম ও তার সন্তানদের সম্পর্কে একটি ‘যিহোবার দিন’ ছিল। আর সেই দিনের সাথে সম্বন্ধে রেখে সেখানে প্রচুর পরিমাণে ‘রক্ত, অগ্নি ও ধূমস্তম্ভ’ ছিল, সূর্য দিনের বেলায় নগরের অন্ধকার উজ্জল করতে পারনি, এবং চন্দ্র রাত্রিবেলায় স্নিগ্ধ, রূপালী জ্যোৎস্না নয় কিন্তু পাতিত রক্তকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছিল।”c

১৩ হ্যাঁ, যেমন আমরা লক্ষ্য করেছি, অন্যান্য ভবিষ্যদ্বাণীগুলির মতই, আকাশমণ্ডলে বিস্ময়কর ব্যাপারগুলি যা যোয়েল ভাববাণী করেছিলেন তা পূর্ণ হয়েছিল যখন যিহোবা বিচারাজ্ঞা প্রয়োগ করেছিলেন। যিহূদী বিধি-ব্যবস্থা শেষের সম্পূর্ণ সময়কালের উপর বিস্তৃত হওয়ার পরিবর্তে সূর্য, চন্দ্র ও নক্ষত্রেরা অন্ধকার হয়ে গিয়েছিল যখন ঘাতক শক্তিগুলি যিরূশালেম আক্রমণ করেছিল। যুক্তিযুক্তভাবে, যোয়েলের ভাববাণীর ঐ অংশটির এক বৃহত্তর পরিপূর্ণতা আমরা আশা করতে পারি যখন বর্তমান বিধি-ব্যবস্থার উপরে যিহোবার বিনাশসাধন ঘটতে শুরু করবে।

আকাশমণ্ডলের বিস্ময়কর ব্যাপারের আগে কোন্‌ ক্লেশ?

১৪, ১৫. মথি ২৪:২৯ পদ বুঝতে যোয়েলের ভবিষ্যদ্বাণী আমাদের প্রতি কী প্রভাব আনে?

১৪ যোয়েলের ভাববাণীর পরিপূর্ণতা (অনুরূপ ভাষা ব্যবহৃত অন্যান্য ভাববাণীগুলির সাথে মিল রেখে) আমাদের মথি ২৪:২৯ পদের বাক্যগুলি বুঝতে সাহায্য করে। স্পষ্টতই, যীশু সূর্যের অন্ধকার হওয়া, চন্দ্রের জ্যোৎস্না না দেওয়া এবং তারাদের পতন সম্বন্ধে যা বলেছিলেন সেগুলি এই বিষয়গুলিকে নির্দেশ করে না, যেমন মহাকাশে রকেটযাত্রা, চন্দ্রে অবতরণ ইত্যাদি, যেগুলি বর্তমান বিধি-ব্যবস্থা শেষের বেশ কয়েক দশক ধরে ঘটছে। না, তিনি সেই ঘটনা গুলির প্রতি নির্দেশ করেছিলেন যেগুলি জড়িত আছে “যিহোবার ঐ মহৎ ও ভয়ঙ্কর দিনের আগমনের” সাথে, যে ধ্বংস আসতে এখনও বাকি আছে।

১৫ এটি আমাদের আরও ভালভাবে বুঝতে সাহায্য করে কিভাবে আকাশমণ্ডলে বিস্ময়কর ব্যাপার “ক্লেশের পরেই” ঘটবে। সা.শ. ৭০ সালে যে ক্লেশ শেষ হয়েছিল যীশু সে সম্বন্ধে উল্লেখ করছিলেন না। বরং, সুদূর ভবিষ্যতে জগৎ ব্যবস্থার উপর যে মহাক্লেশ আসবে তার আরম্ভের প্রতি তিনি নির্দেশ করেছিলেন, তাঁর প্রতিজ্ঞাত উপস্থিতির চরম পরিণতির সাথে। (মথি ২৪:⁠৩) সেই ক্লেশ এখনও আমাদের সামনে বাকি রয়েছে

১৬. মার্ক ১৩:২৪ পদে কোন্‌ ক্লেশের কথা বলা হয়েছে এবং কেন?

১৬ মার্ক ১৩:২৪ পদের কথাগুলি সম্পর্কে কী: “আর সেই সময়ে, সেই ক্লেশের পরে, সূর্য্য অন্ধকার হইবে এবং চন্দ্র জ্যোৎস্না দিবে না”? এখানে “সেই” শব্দটি গ্রীক ইকেই’নস্‌-এর একটি রূপ, একটি নির্দেশক সর্বনাম যা সুদূর সময়ের কোনকিছুকে নির্দেশক সর্বনাম যা সুদূর সময়ের কোনকিছুকে নির্দেশ করে। ইকেই’নস্‌ ব্যবহৃত হতে পারে বহু অতীতের (অথবা পূর্বে উল্লেখিত) অথবা সুদূর ভবিষ্যতের কোনকিছু সম্পর্কে। (মথি ৩:১; ৭:২২; ১০:১৯; ২৪:৩৮; মার্ক ১৩:​১১, ১৭, ৩২; ১৪:২৫; লূক ১০:১২; ২ থিষলনীকীয় ১:১০) সুতরাং, মার্ক ১৩:২৪ পদ “সেই ক্লেশের” প্রতি নির্দেশ করে, যা রোমীয়দের দ্বারা শুরু করা ক্লেশ নয়, কিন্তু তা হল বর্তমান বিধি-ব্যবস্থার শেষে যিহোবার পরাক্রম কার্য।

১৭, ১৮. মহাক্লেশ কিভাবে শুরু হবে সেই বিষয়ে প্রকাশিত বাক্য কী আলোকপাত করে?

১৭ প্রকাশিত বাক্যের ১৭-১৯ অধ্যায়, মথি ২৪:​২৯-৩১, মার্ক ১৩:​২৪-২৭ ও লূক ২১:​২৫-২৮ পদের এই কিছুটা পরিবর্তিত উপলব্ধির সাথে মেলে ও তার সত্যতা প্রমাণ করে। কোন্‌ উপায়ে? সুসমাচারগুলি দেখায় যে মহাক্লেশের শুরু ও শেষ সমস্তই একবারে হবে না। এটি শুরু হওয়ার পরে অবাধ্য মনুষ্যসমাজের কিছু ব্যক্তি তখনও জীবিত থাকবে “মনুষ্যপুত্রের চিহ্ন” দেখতে এবং প্রতিক্রিয়া দেখাতে​—⁠শোকপ্রকাশ করতে ও যেমন লূক ২১:২৬ পদে বলা হয়েছে, ‘ভয়ে, এবং ভূমণ্ডলে যাহা ঘটিবে তাহার আশঙ্কায়, তাহাদের প্রাণ উড়িয়া যাইবে।’ সেই সাংঘাতিক ভয়ের কারণ হবে তাদের “চিহ্ন” পরিদর্শন যা তাদের আসন্ন ধ্বংসের লক্ষণ।

১৮ প্রকাশিত বাক্যের বিবরণ দেখায় যে ভবিষ্যৎ মহাক্লেশ শুরু হবে যখন আন্তর্জাতিক “বন্য পশুর” সামরিক “শৃঙ্গগুলি “ঐ মহাবেশ্যা,” মহতী বাবিলের উপর ঝাঁপিয়ে পড়বে এবং তাকে ধ্বংস করবে।d (প্রকাশিত বাক্য ১৭:​১, ১০-১৬) কিন্তু অনেক ব্যক্তি থেকে যাবে, কারণ রাজারা, বণিকেরা, জাহাজের কর্তারা ও অন্যান্যরা মিথ্যা ধর্মের ধ্বংসের জন্য বিলাপ করবে। নিঃসন্দেহে তারা বুঝতে পারবে যে এরপরে তাদের নিজেদের বিচার হবে।

কী আসবে?

১৯. মহাক্লেশ শুরু হলে আমরা কী আশা করতে পারি?

১৯ মথি, মার্ক লূকের সুসমাচারের অংশগুলি প্রকাশিত বাক্যের ১৭ থেকে ১৯ অধ্যায়ের সাথে যুক্ত হয়ে, শীঘ্রই কী ঘটবে তার উপর যথেষ্ট আলোকপাত করে। ঈশ্বরের নির্দিষ্ট সময়ে, মিথ্যা ধর্মের বিশ্ব সাম্রাজ্যের (মহতী বাবিল) বিরুদ্ধে একটি আক্রমণের সঙ্গে মহাক্লেশ শুরু হবে। এটি বিশেষভাবে প্রবল হবে খ্রীষ্টজগতের বিরুদ্ধে, যা অবিশ্বস্ত যিরূশালেম সদৃশ। ক্লেশের এই পর্যায়ের ঠিক “পরেই” সূর্য্যে, চন্দ্র ও নক্ষত্রগণে নানা চিহ্ন প্রকাশ পাইবে, এবং পৃথিবীতে জাতিগণের [অভূতপূর্ব] ক্লেশ হইবে।”​—⁠মথি ২৪:২৯ এবং লূক ২১:২৫.

২০. আকাশে আরও কী কী ঘটবে বলে আমরা আশা করতে পারি?

২০ কি অর্থে ‘সূর্য অন্ধকার হবে, চন্দ্র জ্যোৎস্না দেবে না, স্বর্গ থেকে তারারা খসে পড়বে এবং আকাশমণ্ডলের পরাক্রম বিচলিত হবে’? নিঃসন্দেহে, মহাক্লেশের প্রারম্ভিক অংশে, অনেক জ্যোতিষ্কদের​—⁠ধর্মীয় জগতের বিশিষ্ট যাজকবর্গের​—⁠প্রকাশিত বাক্য ১৭:১৬ পদে উল্লিখিত “দশ শৃঙ্গ” দ্বারা মুখোস উম্মোচিত হবে ও তাদের সরিয়ে দেওয়া হবে। সন্দেহ নেই যে রাজনৈতিক শক্তিগুলিকেও বিচলিত করা হবে। পার্থিব আকাশমণ্ডলেও কি ভয়ঙ্কর ঘটনাগুলি দেখা যাবে? খুব সম্ভবত যাবে এবং যিহূদী ব্যবস্থার শেষের সময়ে যোসিফাস যে ঘটনাগুলির বর্ণনা করেছিলেন তার চেয়েও অনেক বেশি আতঙ্ক-সঞ্চারকারী হবে। আমরা জানি যে প্রাচীনকালে, এরূপ প্রলয়ঙ্কর বিষয়গুলি ঘটিয়ে ঈশ্বর তাঁর শক্তি প্রদর্শন করেছিলেন আর তিনি তা পুনরায় করতে পারেন।​—⁠যাত্রাপুস্তক ১০:​২১-২৩; যিহোশূয় ১০:​১২-১৪; বিচারকর্ত্তৃগণ ৫:২০; লূক ২৩:​৪৪, ৪৫.

২১. ভবিষ্যৎ “চিহ্ন” কিভাবে ঘটবে?

২১ এই বিষয়ে তিনজন সুসমাচার লেখকই পরবর্তী পর্যায়ের সাথে পরিচয় করাতে গ্রীক শব্দ টো’টে (তখন) ব্যবহার করেন। “তখন মনুষ্যপুত্রের চিহ্ন আকাশের দেখা যাইবে।” (মথি ২৪:৩০; মার্ক ১৩:২৬; লূক ২১:২৭) প্রথম বিশ্ব যুদ্ধ থেকেই, যীশুর প্রকৃত শিষ্যেরা তাঁর অদৃশ্য উপস্থিতির যৌগিক চিহ্নটিকে নির্ধারণ করতে পেরেছে, কিন্তু অধিকাংশ লোকেরা তা পারেনি। কিন্তু মথি ২৪:৩০ পদ ভবিষ্যতের দিকে ইঙ্গিত করে জানায় যে আরও একটি “চিহ্ন” দেখা যাবে, যা হবে “মনুষ্যপুত্রের” এবং সমস্ত জাতি তা লক্ষ্য করতে বাধ্য হবে। যীশু যখন মেঘ সহকারে অদৃশ্যভাবে আসবেন, তখন বিশ্বব্যাপী বিরোধী মনুষ্যদের তাঁর রাজকীয় শক্তির অতিপ্রাকৃত প্রকাশের জন্য তাঁর সেই “আগমন” (গ্রীক, আর’খো-মাই)-কে স্বীকার করতেই হবে।​—⁠প্রকাশিত বাক্য ১:⁠৭.

২২. মথি ২৪:৩০ পদের “চিহ্নটি প্রত্যক্ষ” করার প্রভাব কী হবে?

২২ এরপর কী ঘটবে তার পরিচয় করাতে মথি ২৪:৩০ আর একবার টো’টে ব্যবহার করেছে। জাতিগণ তাদের পরিস্থিতির ফল বুঝতে পেরে বুক চাপড়ে বিলাপ করবে সম্ভবত এই ভেবে যে তাদের ধ্বংস আসন্ন। ঈশ্বরের সেবকদের ক্ষেত্রে বিষয়টি কত পৃথক, কারণ মুক্তি সন্নিকট জেনে তারা তাদের মাথা তুলে ধরতে সক্ষম হবে! (লূক ২১:২৮) প্রকাশিত বাক্য ১৯:​১-৬ পদ আরও দেখায় স্বর্গ ও পৃথিবীতে প্রকৃত উপাসকেরা মহাবেশ্যার ধ্বংসের জন্য আনন্দ করছে।

২৩. (ক) মনোনীতদের পক্ষে যীশু কী পদক্ষেপ নেবেন? (খ) অবশিষ্টাংদের স্বর্গে নেওয়ার বিষয়ে কী বলা যেতে পারে?

২৩ যীশুর ভবিষ্যদ্বাণী মার্ক ১৩:২৭ পদে আরও বলে: “তখন [টো’টে] তিনি দূতগণকে প্রেরণ করিয়া পৃথিবীর সীমা অবধি আকাশের সীমা পর্য্যন্ত চারি বায়ু হইতে তাঁহার মনোনীতদিগকে একত্র করিবেন।” যীশু এখানে ১,৪৪,০০০ “মনোনীত” ব্যক্তিদের অবশিষ্টাংশেরা যারা এখন পৃথিবীতে জীবিত রয়েছেন তাদের উপর দৃষ্টিপাত করছেন। যুগান্তের প্রারম্ভিক অংশে যীশুর এই অভিষিক্ত শিষ্যদের ঐশিক একতায় আনা হয়েছিল। কিন্তু, যেভাবে ধারাবাহিকতা দেওয়া হয়েছে, মার্ক ১৩:২৭ এবং মথি ২৪:৩১ পদ আরও অধিক কিছুর বর্ণনা দেয়। “মহা তূরীধ্বনি সহকারে” অবশিষ্ট “মনোনীত” ব্যক্তিরা পৃথিবীর সীমা থেকে একত্রিত হবেন। একত্রিত হবেন কিভাবে? প্রশ্নাতীতভাবে, তারা “মুদ্রাঙ্কিত” হবেন ও যারা “আহূত ও মনোনীত ও বিশ্বস্ত” তাদের অংশরূপে যিহোবার দ্বারা পরিষ্কাররূপে চিহ্নিত হবেন। আর ঈশ্বরের নিরূপিত সময়ে, রাজা-যাজক হওয়ার জন্য তাদের স্বর্গে একত্রিত করা হবে।e এটি তাদের জন্য এবং তাদের বিশ্বস্ত সঙ্গীরা, “বিরাট জনতার” জন্যও আনন্দ আনবে, যারা “মহা ক্লেশের মধ্য হইতে” বার হয়ে এসে এক পরমদেশ পৃথিবীতে অনন্ত আশীর্বাদ উপভোগ করার জন্য চিহ্নিত হবে।​—⁠মথি ২৪:২২; প্রকাশিত বাক্য ৭:​৩, ৪, ৯-১৭; ১৭:১৪; ২০:⁠৬.

২৪. মথি ২৪:২৯-৩১ কিভাবে আগত ঘটনাবলির ধারাবাহিক বর্ণনা দেয়?

২৪ যখন প্রেরিতেরা বলেছিলেন, “আমাদিগকে বলুন . . ,” যীশুর উত্তর তাদের বোধগম্য বিষয়ের বাইরে ছিল। তবুও, তাদের জীবনকালের মধ্যেই, তাঁর ভবিষ্যদ্বাণীর প্রতীকস্বরূপ পূর্ণতা দেখে তারা আনন্দ করেছিলেন। তাঁর উত্তরের উপর আমাদের সমীক্ষা কেন্দ্রীভূত হয়েছে তাঁর ভবিষ্যদ্বাণীর সেই অংশের উপরে যা অদূর ভবিষ্যতে পূর্ণ হবে। (মথি ২৪:​২৯-৩১; মার্ক ১৩:​২৪-২৭; লূক ২১:​২৫-২৮) ইতিমধ্যেই আমরা দেখতে পাচ্ছি যে আমাদের পরিত্রাণ সন্নিকট হচ্ছে। মহাক্লেশের আরম্ভের জন্য, তার পরেই মনুষ্যপুত্রের চিহ্ন এবং তার পরেই ঈশ্বরের দ্বারা মনোনীতদের একত্রিত করার জন্য আমরা সানন্দে অপেক্ষা করতে পারি। পরিশেষে, আমাদের যোদ্ধা-রাজা, সিংহাসনে আসীন যীশু, যিহোবার সংহারকরূপে হর্মাগিদোনে তাঁর “জয় সম্পূর্ণ করবেন।” (প্রকাশিত বাক্য ৬:⁠২) যিহোবার সেই দিন, যখন তিনি প্রতিহিংসা গ্রহণ করবেন, তা আসবে যুগান্তে যা ১৯১৪ সাল থেকে প্রভু যীশুর দিনকে চিহ্নিত করেছে, তার এক অপূর্ব পরিসমাপ্তি হিসাবে।

২৫. লূক ২১:২৮ পদের আগত ভবিষ্যতের পরিপূর্ণতায় আমরা কিভাবে অংশ নিতে পারি?

২৫ ঐশিক শিক্ষা দ্বারা আপনি উপকৃত হতে থাকুন, যাতে যীশুর কথাগুলির এই ভবিষ্যত পরিপূর্ণতার প্রতি সাড়া দিতে পারেন: “এ সকল ঘটনা আরম্ভ হইলে তোমরা ঊর্দ্ধ্বদৃষ্টি করিও, মাথা তুলিও, কেননা তোমাদের মুক্তি সন্নিকট।” (লূক ২১:২৮) যিহোবার তাঁর নিজের পবিত্র নাম আরও পবিত্রীকৃত করার সাথে মনোনীত ব্যক্তিদের ও বিরাট জনতার সামনে কি অপূর্ব ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করে রয়েছে!

[পাদটীকাগুলো]

a আমাদের দিনের পার্থিব ঘটনাগুলি কিভাবে বাইবেলের ভবিষ্যদ্বাণীর পূর্ণতা দেখাচ্ছে, তার প্রমাণ দেখাতে যিহোবার সাক্ষীরা আনন্দিত।

b আরও বিষয়বস্তু প্রকাশ করা হয়েছে ১৯৭৩ সালে ওয়াচটাওয়ার বাইবেল অ্যাণ্ড ট্র্যাক্ট সোসাইটির দ্বারা প্রকাশিত পুস্তক হাজার বছরের ঈশ্বরের রাজ্য এসে গেছে, পৃষ্ঠা ২৯৬-৩২৩ এবং প্রহরীদুর্গ সেপ্টেম্বর ১৫, ১৯৮২, পৃষ্ঠা ১৭-২২-তে.

c যোসিফাস্‌ যিরূশালেমের উপর রোমীয় সৈন্যদলের প্রাথমিক আক্রমণ (৬৬ সা.শ.) এবং ধ্বংস সম্বন্ধে লেখেন: “রাত্রিবেলায় এক বিধ্বংসী ঝড় উঠেছিল; প্রবল সামুদ্রিক বাতাস বয়েছিল, স্রোতের মত বৃষ্টি পড়েছিল, ক্রমাগত বিদ্যুৎ চমকেছিল, বজ্রের আওয়াজগুলি ভয়ঙ্কর হয়েছিল, কানে তালা-লাগনো শব্দের সাথে ভূমিকম্প হয়েছিল। মানবজাতির চরম বিপর্যয়ের স্পষ্ট প্রতিচ্ছবি দেখা গিয়েছিল সমস্ত কাঠামো ব্যবস্থার এই সম্পূর্ণ ভেঙ্গে পড়ার মধ্যে এবং কেউ সন্দেহ করতে পারেনি যে চিহ্নগুলি তুলনাহীন সর্বনাশের এক ভবিষ্যৎ পূর্বলক্ষণকেই সূচিত করেছিল।”

d “মহাক্লেশ” এবং “ক্লেশ” হিসাবে যীশু যা বলেছিলেন, তার প্রথম প্রয়োগ হয়েছিল যিহূদী বিধিব্যবস্থার ধ্বংসে। কিন্তু যে পদগুলি কেবলমাত্র আমাদের দিনে প্রয়োগ হয়, সেগুলিতে তিনি নির্দিষ্ট আর্টিকেল “সেই” ব্যবহার করে বলেছেন “সেই ক্লেশ।” (মথি ২৪:২১, ২৯; মার্ক ১৩:১৯, ২৪) প্রকাশিত বাক্য ৭:১৪ ভবিষ্যতের এই ঘটনাটিকে বলেছে “সেই মহাক্লেশ,” আক্ষরিক অর্থে “সেই ক্লেশ যেটি মহান।”

e আগস্ট ১৫, ১৯৯০ সালের প্রহরীদুর্গে “পাঠকদের থেকে প্রশ্ন” দেখুন।

আপনার কি স্মরণে আছে?

▫ প্রথম শতাব্দীতে যোয়েল ২:২৮-৩১ এবং ৩:১৫ পদ কিভাবে পরিপূর্ণতা লাভ করেছিল?

▫ মথি ২৪:২৯ পদে কোন্‌ মহাক্লেশকে নির্দেশ করা হয়েছে এবং কেন আমরা এই সিদ্ধান্তে আসি?

▫ মথি ২৪:২৯ পদে আকাশমণ্ডলের কী বিস্ময়কর ব্যাপার প্রকাশ করে এবং কিভাবে এটি ক্লেশের পরেই হতে পারে?

▫ লূক ২১:২৬, ২৮ পদ কিভাবে ভবিষ্যতে পূর্ণতা লাভ করবে?

[২৬, ২৭ পৃষ্ঠার চিত্র]

মন্দির এলাকা

[সজন্যে]

Pictorial Archive (Near Eastern History) Est.

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার