ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • g ৭/১৩ পৃষ্ঠা ১৪-১৫
  • আপনার কিশোর বয়সি সন্তানকে যেভাবে শাসন করবেন

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • আপনার কিশোর বয়সি সন্তানকে যেভাবে শাসন করবেন
  • ২০১৩ সচেতন থাক!
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • প্রতিদ্বন্দ্বিতা
  • আপনার কিশোর বয়সি সন্তানের জন্য যেভাবে নিয়ম স্থির করবেন
    ২০১৩ সচেতন থাক!
  • আপনার কিশোরবয়সি সন্তানের সঙ্গে ঝগড়া না করে কথা বলুন
    ২০১৪ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • যখন আপনার কিশোরবয়সি সন্তান আপনার বিশ্বাস ভেঙে ফেলে
    পরিবারের জন্য সাহায্য
  • আপনার কিশোর বয়সি সন্তানকে উন্নতি করতে সাহায্য করুন
    পারিবারিক সুখের রহস্য
আরও দেখুন
২০১৩ সচেতন থাক!
g ৭/১৩ পৃষ্ঠা ১৪-১৫
[১৪ পৃষ্ঠার চিত্র]

পরিবারের জন্য সাহায্য | সন্তান লালন-পালন

আপনার কিশোর বয়সি সন্তানকে যেভাবে শাসন করবেন

প্রতিদ্বন্দ্বিতা

আপনার ঘরের নিয়ম হল, রাত ৯টার পর সেলফোন বন্ধ করে দেওয়া কিন্তু এই সপ্তাহে দু-দু বার আপনি আপনার মেয়েকে মাঝরাতে টেক্সটিং করার সময় ধরে ফেলেছেন। রাত ১০টার মধ্যে আপনার ছেলের ঘরে ফেরার কথা কিন্তু গত রাতে সে আবারও ১১টার পরে ঘরে ফিরেছে।

[১৪ পৃষ্ঠার চিত্র]

এটা ঠিক যে, আপনার সন্তান ভুল করে ফেলেছে। কিন্তু প্রথমে আপনার জানা দরকার যে, কেন সে আপনার দেওয়া আইনগুলো ভঙ্গ করে বলে মনে হয়। এর একটা ভালো দিক কী হতে পারে? আপনি হয়তো বাইরে থেকে যেটাকে বিদ্রোহ বলে মনে করছেন, আসলে বিষয়টা তত গুরুতর না-ও হতে পারে।

যে-কারণে এটা হয়ে থাকে

যখন সীমারেখা স্পষ্ট নয়। কিছু কিশোর-কিশোরীরা নিয়মগুলো ভাঙে কারণ তারা দেখতে চায় যে, এটা না মানলে কী হয়। উদাহরণস্বরূপ, বাবা-মা যদি বলে, কোনো একটা দোষ করলে তাকে নির্দিষ্ট কোনো শাস্তি দেওয়া হবে, তখন একজন কিশোর বা কিশোরী এটা দেখতে চায় যে, বাবা-মা আসলেই তাকে সেই শাস্তি দেয় কি না। এইরকম কিশোর-কিশোরীদের সম্বন্ধে কি বলা যাবে যে, তারা খুবই বিদ্রোহী হয়ে যাচ্ছে? হয়তো-বা না। আসলে, নিয়ম ভাঙার শাস্তি যা হবে বলা হয়েছিল, যখন বাবা-মারা তা দেয় না অথবা যখন সীমারেখা স্পষ্টভাবে বলে দেওয়া হয় না, তখন কিশোর-কিশোরীরা নিয়ম মানার বিষয়টাকে ততটা গুরুত্বের সঙ্গে নেয় না।

কঠোর নিয়মকানুন। কিছু বাবা-মা তাদের কিশোর বয়সি সন্তানদের অজস্র নিয়মকানুন দিয়ে বেঁধে রাখতে চায়। যখন তারা অবাধ্য হয়, তখন বাবা-মারা রেগে গিয়ে এমনকী আরও নিয়মকানুন চাপিয়ে দেয়। অথচ প্রায়ই, তা বিষয়টাকে আরও জটিল করে তোলে। বাবা-মা/কিশোর-কিশোরীদের সম্পর্কের উন্নতি (ইংরেজি) বইটি ব্যাখ্যা করে: ‘আপনি যত বেশি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করবেন, তারা তত আপনার বিরোধিতা করবে। এইভাবে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা, ঠিক যেন নরম পাউরুটিতে ঠান্ডা মাখন লাগানোর মতো। পাউরুটি ছিঁড়ে যাবে কিন্তু মাখন লাগবে না।’

উপযুক্ত শাসন সাহায্য করতে পারে। শাসন করার মানে শুধু “শাস্তি” দেওয়া নয় কিন্তু প্রাথমিকভাবে এর অর্থ হল শেখানো। তাই, কীভাবে আপনি আপনার সন্তানকে নিয়ম মেনে চলতে শেখাতে পারেন?

আপনি যা করতে পারেন

নিয়মগুলো স্পষ্টভাবে জানান। একেবারে সঠিক ভাবে বলুন যে, তাদের কাছ থেকে কী চাওয়া হচ্ছে এবং অবাধ্য হলে এর পরিণতি কী হবে।—বাইবেলের নীতি: গালাতীয় ৬:৭.

পরামর্শ: আপনার ঘরের নিয়মকানুনের একটা তালিকা তৈরি করুন। এরপর নিজেকে জিজ্ঞেস করুন: ‘আমি কি অনেক বেশি নিয়ম তৈরি করেছি? আমি কি অনেক কম নিয়ম তৈরি করেছি? এমন কিছু নিয়ম কি আছে, যেগুলোর আর প্রয়োজন নেই? আমার সন্তান যদি দেখিয়ে থাকে যে তার দায়িত্ববোধ রয়েছে, তবে কি আমার সেই অনুযায়ী রদবদল করা উচিত?’

সামঞ্জস্য বজায় রাখুন। কিশোর-কিশোরীরা হয়তো পার্থক্যটা বুঝে উঠতে পারে না, যখন গত সপ্তাহে কোনো দোষ করার পর আপনি তাদেরকে কিছু বলেননি অথচ এই সপ্তাহে সেই একই দোষের জন্য তাদের শাস্তি দিলেন।—বাইবেলের নীতি: মথি ৫:৩৭.

পরামর্শ: আপনার সন্তান যে-“অপরাধ” করেছে, সেটার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত কোনো শাস্তি দেওয়ার চেষ্টা করুন। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনার সন্তান সময়মতো ঘরে আসার নিয়ম ভাঙে, তবে আরও আগে ঘরে ফেরার বিধি-নিষেধ জারি করা এর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত শাস্তি হতে পারে।

মেনে নিতে ইচ্ছুক হন। যখন তারা প্রমাণ করে যে তারা আরও স্বাধীনতা পাওয়ার যোগ্য, তখন তাদের তা দেওয়ার দ্বারা দেখান যে, আপনি এমন একজন বাবা অথবা মা, যিনি মেনে নিতে ইচ্ছুক।—বাইবেলের নীতি: ফিলিপীয় ৪:৫, NW.

পরামর্শ: আপনার সন্তানদের সঙ্গে বসে নিয়মগুলো আলোচনা করুন। কোনো নিয়ম ভাঙলে তার পরিণতি কী হবে, তা হয়তো তাকেই নির্ণয় করতে বলতে পারেন। পরিণতি কী হবে সেটা বেছে নেওয়ার সঙ্গে যদি তারা নিজেরা যুক্ত থাকে, তবে সন্তানেরা সহজেই সেই নিয়ম মেনে নেবে।

ব্যক্তিত্ব গড়ে তুলতে সাহায্য করুন। আপনার সন্তানদেরকে নিয়ম মেনে চলতে বাধ্য করাই আপনার লক্ষ্য হওয়া উচিত নয় বরং তাদের সাহায্য করা, যাতে তারা সুস্থ বিবেক অর্থাৎ কোনটা ভালো ও কোনটা মন্দ সেই সম্পর্কে সঠিক বিচার করতে পারার ক্ষমতা গড়ে তুলতে পারে। (“ইতিবাচক গুণগুলো গড়ে তুলুন” শিরোনামের বাক্সটা দেখুন।)—বাইবেলের নীতি: ১ পিতর ৩:১৬, ইজি-টু-রিড ভারসন।

পরামর্শ: সাহায্যের জন্য বাইবেলের পরামর্শ নিন। এটি “বিজ্ঞতার আচরণ সম্বন্ধে” শেখার সবচেয়ে ভালো উৎস এবং এর থেকে যে-প্রজ্ঞা পাওয়া যায়, তার দ্বারা “অবোধদিগকে চতুরতা প্রদান করা যায়, যুবক জ্ঞান ও পরিণামদর্শিতা” পায়।—হিতোপদেশ ১:১-৪. ◼ (g১৩-E ০৫)

মূল শাস্ত্রপদগুলো

  • “মনুষ্য যাহা কিছু বুনে তাহাই কাটিবে।”—গালাতীয় ৬:৭.

  • “তোমাদের কথা হাঁ, হাঁ, না, না, হউক।”—মথি ৫:৩৭.

  • “তোমাদের শান্ত ভাব [“যুক্তিবাদিতা,” NW] মনুষ্যমাত্রের বিদিত হউক।”—ফিলিপীয় ৪:৫.

  • “তোমাদের বিবেক শুদ্ধ রেখো।”—১ পিতর ৩:১৬, ইজি-টু-রিড ভারসন।

ইতিবাচক গুণগুলো গড়ে তুলুন

আপনার সন্তানদের এই বিষয়টা চিন্তা করতে সাহায্য করুন যে, অন্যদের সামনে তাদের পরিচিতি কেমন হবে। যখন তারা সমস্যার সম্মুখীন হয়, তখন নীচে দেওয়া প্রশ্নগুলো বিবেচনা করে তারা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে:

  • আমি কোন ধরনের ব্যক্তি হতে চাই?—কলসীয় ৩:১০.

  • খ্রিস্টতুল্য একজন ব্যক্তি যখন এই ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হবেন, তখন তিনি কী করবেন?—হিতোপদেশ ১০:১.

বাইবেলে এমন অনেক পুরুষ ও নারীর উদাহরণ বর্ণনা করা রয়েছে, যারা তাদের কাজের জন্য হয় ভালো নয় খারাপ হিসেবে পরিচিত। (১ করিন্থীয় ১০:১১; যাকোব ৫:১০, ১১) এই উদাহরণগুলোর দ্বারা আপনি আপনার ছেলে বা মেয়ের মধ্যে ইতিবাচক গুণগুলো গড়ে তুলতে সাহায্য করতে পারেন।

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার