ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • ijwbq প্রবন্ধ ৩৫
  • বড়োদিনের বিষয়ে বাইবেল কী বলে?

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • বড়োদিনের বিষয়ে বাইবেল কী বলে?
  • বাইবেলের প্রশ্নের উত্তর
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • বাইবেলের উত্তর
  • বড়োদিনের সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন রীতিনীতি কীভাবে শুরু হয়েছিল?
  • বড়দিন—প্রাচ্যেও কেন পালন করা হয়?
    ১৯৯৯ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • বড়দিন—জাগতিক ছুটির দিন অথবা ধর্মীয় পবিত্র দিন?
    ১৯৯৭ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • আধুনিক বড়দিন—এর উৎসগুলি
    ১৯৯৭ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • কেন আপনারা বড়োদিন পালন করেন না?
    যিহোবার সাক্ষিদের সম্বন্ধে প্রায়ই জিজ্ঞাস্য প্রশ্ন
বাইবেলের প্রশ্নের উত্তর
ijwbq প্রবন্ধ ৩৫

বড়োদিনের বিষয়ে বাইবেল কী বলে?

বাইবেলের উত্তর

বাইবেলে যিশুর জন্মের তারিখ লেখা নেই আর এটি আমাদের যিশুর জন্মদিন পালন করার জন্যেও বলে না। ম্যাকক্লিনটক ও স্ট্রংয়ের সাইক্লোপিডিয়া বলে: “বড়োদিন পালন করার রীতি ঈশ্বর শুরু করেননি এবং বাইবেলের নতুন নিয়মেও এর কোনো উল্লেখ নেই।”

এর বিপরীতে, ইতিহাসের পাতা ওলটালে আমরা বুঝতে পারি, বড়োদিনের উৎস খ্রিস্ট ধর্ম নয় বরং অন্যান্য ধর্মের রীতিনীতির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। বাইবেল স্পষ্টভাবে জানায়, ঈশ্বর যেভাবে চান, আমরা যদি সেভাবে তাঁর উপাসনা না করি, তা হলে তিনি অসন্তুষ্ট হন।—যাত্রাপুস্তক ৩২:৫-৭.

বড়োদিনের সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন রীতিনীতি কীভাবে শুরু হয়েছিল?

  1. যিশুর জন্মদিন পালন করা: “যিশুর প্রাথমিক শিষ্যেরা [যিশুর] জন্মদিন পালন করত না কারণ তারা জন্মদিন পালন করাকে এমন এক রীতিনীতি হিসেবে দেখত, যা খ্রিস্টানেরা পালন করত না।”—দ্যা ওয়ার্ল্ড বুক এনসাইক্লোপিডিয়া।

  2. পঁচিশে ডিসেম্বর: এই বিষয়ে কোনো প্রমাণ নেই যে, যিশু এই তারিখে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। এই তারিখে অথবা এটার আশেপাশের তারিখে অর্থাৎ ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে খ্রিস্টান নয় এমন লোকেরা বিভিন্ন উৎসব পালন করত আর এই কথা মাথায় রেখে গির্জার যাজকেরা সম্ভবত এই দিনটা বেছে নিয়েছিল।

  3. উপহার দেওয়া, পার্টি করা, আনন্দফুর্তি করা: দি এনসাইক্লোপিডিয়া অ্যামেরিকানা বলে, “স্যাটারনেলিয়া রোমীয়দের একটা পর্ব ছিল, যেটা ১৫ ডিসেম্বরের আশেপাশে উদ্‌যাপন করা হত। এই পর্বেরই বেশিরভাগ রীতিনীতি বড়োদিনে পালন করা হয়। যেমন অনেক আনন্দফুর্তি করা, বড়ো বড়ো ভোজের ব্যবস্থা করা, উপহার দেওয়া এবং মোমবাতি জ্বালানো।” এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা বলে, স্যাটারনেলিয়ার সময় “সমস্ত কাজ ও ব্যাবসা বন্ধ রাখা হত।”

  4. বড়োদিনে আলোর ব্যবহার: দি এনসাইক্লোপিডিয়া অভ্‌ রিলিজিয়ন অনুযায়ী, ইউরোপের লোকেরা ডিসেম্বর মাসের শেষের দিনগুলোতে নিজেদের বাড়ি “আলো দিয়ে এবং সমস্ত ধরনের সবুজ গাছ দিয়ে” সাজাত। এর পিছনে একটা কারণ ছিল আর সেটা হল তারা এভাবে মন্দ আত্মাদের তাড়াত।

  5. গুল্মলতা, সবুজ গাছ: “আগেকার সময়ের পুরোহিতেরা মনে করত, গুল্মলতা গাছে অলৌকিক শক্তি রয়েছে। এই বিশেষ সবুজ গাছের পুজো এই বিষয়ে নিশ্চয়তা দেওয়ার জন্য করা হত যে, সূর্য আবারও ফিরে আসবে।”—দি এনসাইক্লোপিডিয়া অ্যামেরিকানা।

  6. ক্রিসমাস ট্রি: “ইউরোপে খ্রিস্টান নয় এমন লোকদের মধ্যে গাছের উপাসনা করার একটা প্রথা ছিল আর খ্রিস্ট ধর্ম গ্রহণ করার পরও তাদের মধ্যে এই প্রথা রয়ে গিয়েছিল।” “শীতকালে উৎসবের সময়ে দরজায় অথবা বাড়ির ভিতরে ইউল ট্রি রাখা” এই বিষয়টার প্রমাণ যে, গাছের উপাসনা করার প্রথা আজও রয়ে গিয়েছে।—এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার