ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w26 জানুয়ারি পৃষ্ঠা ২-৭
  • ক্রমাগত “ঈশ্বরের কাছ থেকে নির্দেশনা” লাভ করুন

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • ক্রমাগত “ঈশ্বরের কাছ থেকে নির্দেশনা” লাভ করুন
  • প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য সম্বন্ধে ঘোষণা করে (অধ্যয়ন)—২০২৬
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • ফৈনীকীয় মহিলার কাছ থেকে শিখুন
  • পিতরের মতো—আপনার আধ্যাত্মিক আকাঙ্ক্ষাকে বাড়িয়ে চলুন
  • পৌলের মতো নতুন ব্যক্তিত্বকে কাপড়ের মতো পরিধান করুন
  • দায়ূদের মতো—যিহোবার সুরক্ষিত আশ্রয়ে থাকুন
  • ঈশ্বরের কাছ থেকে নির্দেশনা নিয়ে চলুন
  • নম্র হোন এবং মেনে নিন যে, আপনি কিছু বিষয় জানেন না
    প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য সম্বন্ধে ঘোষণা করে (অধ্যয়ন)—২০২৫
  • যিহোবা ও যিশুর মতো মনোভাব রাখুন
    প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য সম্বন্ধে ঘোষণা করে (অধ্যয়ন)—২০২৫
  • যে-সিদ্ধান্তগুলো দেখায়, আমরা যিহোবার উপর নির্ভর করি
    আমাদের খ্রিস্টীয় জীবন ও পরিচর্যা—সভার জন্য অধ্যয়ন পুস্তিকা ২০২৩
  • এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজুন
    ২০২৫-২০২৬ সালের সীমা সম্মেলনের বিষয়সূচি—সীমা অধ্যক্ষের সঙ্গে
আরও দেখুন
প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য সম্বন্ধে ঘোষণা করে (অধ্যয়ন)—২০২৬
w26 জানুয়ারি পৃষ্ঠা ২-৭

মার্চ ২-৮, ২০২৬

গান ৯৭ জীবন ঈশ্বরের বাক্যের উপর নির্ভর করে

ক্রমাগত “ঈশ্বরের কাছ থেকে নির্দেশনা” লাভ করুন

২০২৬ সালের জন্য আমাদের বার্ষিক শাস্ত্রপদ: “সুখী সেই ব্যক্তিরা, যারা ঈশ্বরের কাছ থেকে নির্দেশনা লাভ করার জন্য আকাঙ্ক্ষী।”—মথি ৫:৩.

আমরা কী শিখব?

যিহোবা যে-ব্যবস্থাগুলো করেছেন, তা থেকে আমরা কীভাবে যিহোবার নির্দেশনা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা বাড়াতে পারি, নতুন ব্যক্তিত্বকে কাপড়ের মতো পরিধান করতে পারি এবং যিহোবার আশ্রয়ে থাকতে পারি?

১. বেঁচে থাকার জন্য আমাদের কোন বিষয়গুলোর প্রয়োজন? (মথি ৫:৩)

যিহোবা আমাদের এমনভাবে সৃষ্টি করেছেন যে, বেঁচে থাকার জন্য আমাদের খাদ্য, বস্ত্র ও বাসস্থানের প্রয়োজন হয়। এগুলোর মধ্যে যদি কোনো একটা জিনিস কিছু সময়ের জন্য আমাদের কাছে না থাকে, তা হলে বেঁচে থাকা খুবই কঠিন হয়ে উঠতে পারে। এটা ঠিক যে, আমাদের খাদ্য, বস্ত্র ও বাসস্থানের প্রয়োজন, কিন্তু সুখী হওয়ার জন্য আমাদের ঈশ্বরের কাছ থেকে নির্দেশনা পাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। (পড়ুন, মথি ৫:৩.) তাই, আমরা যেন এই বিষয়টা বোঝার চেষ্টা করি এবং ক্রমাগত ঈশ্বরের কাছ থেকে নির্দেশনা লাভ করি।

২. “ঈশ্বরের কাছ থেকে নির্দেশনা লাভ করার জন্য আকাঙ্ক্ষী” হওয়ার মানে কী? একটা উদাহরণ দিন।

২ “ঈশ্বরের কাছ থেকে নির্দেশনা লাভ করার জন্য আকাঙ্ক্ষী” হওয়ার মানে কী? গ্রিক ভাষায় এই বিষয়টার জন্য যে-শব্দের ব্যবহার হয়েছে, সেটা থেকে আমাদের মনে এমন একজন ব্যক্তির ছবি ভেসে ওঠে, যিনি পবিত্র শক্তির জন্য ভিক্ষা চাইছেন। উদাহরণ স্বরূপ, একজন ভিখারির কথা চিন্তা করুন, যিনি রাস্তার ধারে ভিক্ষা করছেন। তার কাছে খাওয়ার জন্য কিছুই নেই এবং তিনি একটা ছেঁড়া কাপড় পরে আছেন। যাতায়াতের পথে লোকেরা তার দিকে একবার ফিরেও তাকাচ্ছে না। তার কাছে মাথা গোঁজার মতো কোনো জায়গা নেই। কখনো তিনি রোদের প্রচণ্ড তাপ সহ্য করেন, আবার কখনো তিনি ভীষণ ঠাণ্ডায় কাঁপতে থাকেন। তিনি জানেন যে, তার পরিস্থিতিকে যদি বদলাতে হয়, তা হলে তাকে কারো কাছ থেকে সাহায্য নিতে হবে। ঠিক একইভাবে, যে-ব্যক্তি ঈশ্বরের কাছ থেকে নির্দেশনা লাভ করার জন্য আকাঙ্ক্ষী, তিনি জানেন সুখী হওয়ার জন্য তাকে ঈশ্বরের কাছ থেকে সাহায্য নিতে হবে। তাই, যিহোবা আমাদের নির্দেশনা দেওয়ার জন্য যে-সমস্ত ব্যবস্থা করেছেন, সেগুলো থেকে উপকার লাভ করার জন্য সেই ব্যক্তিকে পুরোপুরি চেষ্টা করতে হবে।

৩. এই প্রবন্ধে আমরা কী জানব?

৩ এই প্রবন্ধে আমরা সবচেয়ে প্রথমে সেই ফৈনীকীয় মহিলার বিষয়ে জানব, যিনি যিশুর কাছে সাহায্যের জন্য ভিক্ষা চেয়েছিলেন। আমরা এই মহিলার তিনটে গুণ নিয়ে আলোচনা করব, যেগুলো ঈশ্বরের নির্দেশনা লাভ করার জন্য আমাদের মধ্যেও থাকা উচিত। এরপর আমরা প্রেরিত পিতর, প্রেরিত পৌল এবং রাজা দায়ূদের উদাহরণের উপর মনোযোগ দেব, যারা সবসময় ঈশ্বরের কাছ থেকে নির্দেশনা লাভ করার চেষ্টা করেছিলেন।

ফৈনীকীয় মহিলার কাছ থেকে শিখুন

৪. একজন ফৈনীকীয় মহিলা কেন যিশুর কাছে এসেছিলেন?

৪ একবার একজন ফৈনীকীয় মহিলা যিশুর কাছে আসেন। সেই মহিলার মেয়েকে ‘মন্দ স্বর্গদূতে পেয়েছিল আর সে ভীষণ কষ্ট পাচ্ছিল।’ (মথি ১৫:২১-২৮) তিনি হাঁটু গেড়ে যিশুর কাছে সাহায্যের জন্য ভিক্ষা চান। সেই বিদেশি মহিলার মধ্যে এমন কিছু গুণ ছিল, যেগুলো থেকে আমরা অনেক কিছু শিখতে পারি। আসুন, আমরা তার তিনটে গুণ নিয়ে আলোচনা করি।

৫. সেই বিদেশি মহিলার মধ্যে কোন গুণগুলো ছিল এবং যিশু তার জন্য কী করেছিলেন? (ছবিও দেখুন।)

৫ যখন সেই বিদেশি মহিলা যিশুর কাছে সাহায্য চান, তখন যিশু তাকে বলেন: “সন্তানদের রুটি নিয়ে কুকুরছানাদের সামনে ফেলে দেওয়া ঠিক নয়।” যিশুর এই কথা শুনে যে-কেউ খারাপ মনে করতে পারত। সে হয়তো ভাবতে পারত, যিশু তাকে একটা গৃহপালিত পশুর সঙ্গে তুলনা করে অপমান করছেন। কিন্তু, সেই মহিলা যিশুর কথায় কিছু মনে করেননি। এর থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় যে, সেই মহিলা কতটা নম্র ছিলেন। একবার চিন্তা করে দেখুন, তিনি যিশুর এই কথাগুলো শুনে সেখান থেকে চলে না গিয়ে তাঁর কাছে সাহায্য চাইতেই থাকেন। তিনি সহজে হাল ছেড়ে দেওয়ার মতো মহিলা ছিলেন না। এর কারণ, তার বিশ্বাস এতটাই দৃঢ় ছিল যে, তিনি জানতেন যিশু তার মেয়েকে সুস্থ করে দেবেন। সেই মহিলার অসাধারণ বিশ্বাস যিশুর হৃদয় স্পর্শ করেছিল এবং তিনি তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছিলেন। এটা সত্যি যে, যিশু সবেমাত্র বলেছিলেন, তাঁকে “কেবল ইজরায়েল জাতির হারানো মেষদের কাছেই পাঠানো হয়েছে,” তা সত্ত্বেও তিনি সেই বিদেশি মহিলার মেয়েকে সুস্থ করেছিলেন।

একজন ফৈনীকীয় মহিলা হাঁটু গেড়ে যিশুর কাছে সাহায্যের জন্য ভিক্ষা চাইছেন। যিশু এবং তাঁর তিন জন শিষ্য খাবারের টেবিলে বসে সেই মহিলার কথা শুনছেন।

ফৈনীকীয় মহিলা নম্র ছিলেন, হাল ছেড়ে দেননি এবং বিশ্বাস বজায় রেখেছিলেন বলেই, তিনি যিশুর কাছে সাহায্য চাইতে পেরেছিলেন (৫ অনুচ্ছেদ দেখুন)


৬. ফৈনীকীয় মহিলার বিবরণ থেকে আমরা কী শিখতে পারি?

৬ ঈশ্বরের কাছ থেকে ক্রমাগত নির্দেশনা পাওয়ার জন্য আমাদের মধ্যেও এই তিনটে গুণ থাকা দরকার। আমাদের নম্র হওয়া উচিত, হাল ছেড়ে দেওয়া উচিত নয় এবং নিজেদের বিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করা উচিত। আমরা যদি নম্র হই, তা হলে সহজে হাল ছেড়ে দেব না এবং ঈশ্বরের কাছে ক্রমাগত সাহায্য চাইব। শুধু তা-ই নয়, আমরা যিশুর উপর এবং সেই সমস্ত ভাইয়ের উপর আস্থা রাখব, যাদের মাধ্যমে যিশু আজ আমাদের পথ দেখাচ্ছেন। (মথি ২৪:৪৫-৪৭) আমাদের মধ্যে যদি ঈশ্বরের নির্দেশনা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা থাকে এবং এই বিষয়ে আমরা যদি বিনতি করি, তা হলে তিনি অবশ্যই আমাদের সাহায্য করবেন। আর এটা করতে পেরে যিহোবা এবং যিশু খুবই খুশি হবেন। (তুলনা করুন, যাকোব ১:৫-৭.) এখন আসুন আমরা দেখি, যিহোবা কীভাবে আমাদের আধ্যাত্মিক অর্থে খাদ্য, বস্ত্র এবং আশ্রয় জোগান। আমরা এটাও জানব যে, যিহোবার এই ব্যবস্থাগুলো থেকে উপকার লাভ করার জন্য আমাদের কী করতে হবে। আর এর জন্য আমরা প্রেরিত পিতর, প্রেরিত পৌল এবং রাজা দায়ূদের উদাহরণের উপর মনোযোগ দেব।

পিতরের মতো—আপনার আধ্যাত্মিক আকাঙ্ক্ষাকে বাড়িয়ে চলুন

৭. পিতর কোন দায়িত্ব পেয়েছিলেন এবং তার কোন বিষয়ে সচেতন থাকার প্রয়োজন ছিল? বুঝিয়ে বলুন। (ইব্রীয় ৫:১৪–৬:১)

৭ প্রেরিত পিতর বুঝতে পেরেছিলেন যে, যিশুই হলেন মশীহ এবং যিহোবা তাঁর মাধ্যমেই লোকদের “অনন্তজীবনের কথা” শেখাচ্ছেন। (যোহন ৬:৬৬-৬৮) স্বর্গে যাওয়ার আগে যিশু পিতরকে বলেছিলেন, “আমার মেষশাবকদের চরাও।” (যোহন ২১:১৭) আর পিতর সেই দায়িত্ব খুব ভালোভাবে পালন করেছিলেন। মণ্ডলীগুলোকে উৎসাহিত করার জন্য পিতর দুটো চিঠি লিখেছিলেন, যেটা পরে বাইবেলের অংশ হয়ে উঠেছিল। কিন্তু, পিতর এই বিষয়ে সচেতন ছিলেন যে, ঈশ্বরের নির্দেশনা লাভ করার জন্য তার আকাঙ্ক্ষা যেন কোনোভাবে কমে না যায়। আর পিতর তার এই আকাঙ্ক্ষাকে কোনোভাবেই কমে যেতে দেননি। তিনি প্রেরিত পৌলের লেখা চিঠিগুলো নিয়ে গভীরভাবে অধ্যয়ন করেছিলেন। যদিও পিতর বলেছিলেন যে, পৌলের চিঠির “কোনো কোনো বিষয় বোঝা কঠিন” ছিল, তবুও তিনি হাল ছেড়ে দেননি। (২ পিতর ৩:১৫, ১৬) পিতরের এই বিষয়ে দৃঢ় বিশ্বাস ছিল যে, “শক্ত খাবার” অর্থাৎ পৌলের লেখা গভীর বিষয়গুলোকে বোঝার জন্য যিহোবা অবশ্যই তাকে সাহায্য করবেন।—পড়ুন, ইব্রীয় ৫:১৪–৬:১.

৮. পিতর যখন যিহোবার কাছ থেকে একটা নতুন নির্দেশনা পান, তখন তিনি কী করেন?

৮ যিহোবার উপর পিতরের সম্পূর্ণ বিশ্বাস ছিল আর তাই তিনি যিহোবার কাছ থেকে পাওয়া সমস্ত নির্দেশনার বাধ্য হয়েছিলেন। আসুন, আমরা একটা ঘটনার উপর মনোযোগ দিই। পিতর যখন যাফোতে ছিলেন, তখন সেখানে তিনি একটা দর্শন পেয়েছিলেন। সেই দর্শনে তাকে বলা হয়েছিল, যেন তিনি এমন কিছু প্রাণীর মাংস খান, যেগুলো মোশির ব্যবস্থা অনুযায়ী অশুচি ছিল। একজন যিহুদি এই প্রাণীগুলো খাওয়ার কথা কখনো কল্পনাও করতে পারত না, তাই পিতর বলেছিলেন: “কোনোমতেই না প্রভু, কারণ আমি ব্যবস্থায় নিষিদ্ধ এবং ব্যবস্থা অনুযায়ী অশুচি এমন কিছু কখনো খাইনি।” তখন পিতরকে বলা হয়েছিল: “ঈশ্বর যেগুলোকে শুচি করেছেন, তুমি সেগুলোকে অশুচি বোলো না।” (প্রেরিত ১০:৯-১৫) পিতর কি এই দর্শনের অর্থ বুঝতে পেরেছিলেন? হ্যাঁ, অবশ্যই! লক্ষ করুন, এরপর কী ঘটে। এই দর্শনের কিছু সময় পরই, তিন জন ব্যক্তি পিতরের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিল, যাদের কর্ণীলিয় নামে একজন ন-যিহুদি পাঠিয়েছিলেন। তারা পিতরকে তাদের সঙ্গে কর্ণীলিয়ের বাড়িতে যাওয়ার জন্য বলে। সাধারণত, পিতর একজন ন-যিহুদির বাড়িতে কখনোই যেতেন না কারণ যিহুদিরা ন-যিহুদিদের অশুচি হিসেবে দেখত। (প্রেরিত ১০:২৮, ২৯) কিন্তু, এই দর্শনের পর পিতর বুঝতে পেরেছিলেন যে, তাকে কী করতে হবে। তাই, তিনি তাদের সঙ্গে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হন। আমরা স্পষ্ট দেখতে পাই, পিতর ঈশ্বরের কাছ থেকে পাওয়া নির্দেশনা দ্রুত মেনে নিয়েছিলেন। (হিতো. ৪:১৮) পিতর, কর্ণীলিয় এবং তার পুরো পরিবারের কাছে সাক্ষ্য দেন। তারা সত্য গ্রহণ করে, পবিত্র শক্তি লাভ করে এবং বাপ্তিস্ম নেয়। একটু চিন্তা করুন, এই সমস্ত কিছু দেখে পিতর কতই-না খুশি হয়েছিলেন!—প্রেরিত ১০:৪৪-৪৮.

৯. আমরা যদি শক্ত খাবারের জন্য নিজেদের খিদে বাড়াই, তা হলে আমরা কোন কোন উপকার লাভ করব?

৯ আমরা পিতরের কাছ থেকে কী শিখতে পারি? আমাদের বাইবেলের মৌলিক শিক্ষাগুলো নিয়ে ক্রমাগত অধ্যয়ন করতে হবে কারণ সেগুলো দুধের মতো আমাদের পুষ্টি জোগায়। কিন্তু এর পাশাপাশি, শক্ত খাবার খাওয়ার জন্য আমাদের খিদে বাড়াতে হবে অর্থাৎ বাইবেলের গভীর বিষয়গুলো বোঝার জন্য আমাদের মধ্যে জোরালো আকাঙ্ক্ষা গড়ে তুলতে হবে। আমরা যদি বাইবেলে দেওয়া বিষয়গুলো গভীরভাবে বুঝতে চাই, তা হলে এর জন্য আমাদের সময় বের করতে হবে এবং ক্রমাগত প্রচেষ্টা করতে হবে। এটা করলে অন্ততপক্ষে আমাদের দুটো উপকার হতে পারে। একটা হল, আমরা যিহোবা সম্বন্ধে এমন বিষয়গুলো শিখতে পারব, যেগুলো তাঁর প্রতি আমাদের ভালোবাসা বাড়াবে এবং আমাদের হৃদয় কৃতজ্ঞতায় ভরে যাবে। আর দ্বিতীয় বিষয়টা হল, আমরা অন্যদের এটা বলতে অনুপ্রাণিত হব যে, ঈশ্বর কতটা মহান এবং তিনি আমাদের কতটা ভালোবাসেন। (রোমীয় ১১:৩৩; প্রকা. ৪:১১) পিতরের কাছ থেকে আমরা আরও একটা বিষয় শিখি। যখন বাইবেলের শিক্ষাগুলোর বিষয়ে আমাদের বোধগম্যতায় কোনো রদবদল হয়, তখন আমাদের দ্রুত সেটা গ্রহণ করা উচিত এবং আমাদের চিন্তাধারা পালটানো উচিত আর এরপর সেই নতুন চিন্তাধারা অনুযায়ী কাজ করাও উচিত। আমরা যদি তা করি, তা হলে আমরা পিতরের মতো নিজেদের আধ্যাত্মিক আকাঙ্ক্ষাকে বাড়াতে পারব এবং যিহোবার কাজে ব্যবহৃত হতে পারব।

পৌলের মতো নতুন ব্যক্তিত্বকে কাপড়ের মতো পরিধান করুন

১০. নতুন ব্যক্তিত্বকে কাপড়ের মতো পরিধান করার অর্থ কী? (কলসীয় ৩:৮-১০)

১০ আসুন, ঈশ্বরের কাছ থেকে পাওয়া আরও একটা ব্যবস্থা সম্বন্ধে দেখি, যেটা হল: এক নতুন ব্যক্তিত্ব। এই বিষয়ে পৌল বলেছিলেন, আমরা যেন আমাদের ‘পুরোনো ব্যক্তিত্বকে কাপড়ের মতো খুলে ফেলি’ এবং “নতুন ব্যক্তিত্বকে কাপড়ের মতো পরিধান” করি। (পড়ুন, কলসীয় ৩:৮-১০.) কখনো কখনো নিজেদের মধ্যে কিছু পরিবর্তন আনা সহজ হয় না, এর জন্য সময় ও প্রচেষ্টার প্রয়োজন। একটু চিন্তা করুন, আমরা যদি নতুন ব্যক্তিত্বকে কাপড়ের মতো পরিধান করি, তা হলে যিহোবা কতই-না খুশি হবেন! প্রেরিত পৌলের কথা ভেবে দেখুন। তিনি যুবক বয়স থেকেই ঈশ্বরকে খুশি করার জন্য অনেক পরিশ্রম করেছিলেন। (গালা. ১:১৪; ফিলি. ৩:৪, ৫) কিন্তু, তিনি জানতেন না, ঈশ্বরকে উপাসনা করার সঠিক উপায় কী। তিনি খ্রিস্টের শিক্ষাগুলো পুরোপুরিভাবে বুঝতে পারেননি। এ ছাড়া, তিনি এতটাই গর্বে অন্ধ ছিলেন যে, নিজেকে একজন “অহংকারী” ব্যক্তি বলেছিলেন।—১ তীম. ১:১৩.

১১. পৌলকে তার কোন দুর্বলতার সঙ্গে লড়াই করতে হয়েছিল? বুঝিয়ে বলুন।

১১ খ্রিস্টান হওয়ার আগে পৌল খুব বদমেজাজি ছিলেন। প্রেরিত বইতে বলা হয়েছে, খ্রিস্টানদের প্রতি পৌলের এতটাই রাগ ছিল যে, তিনি তাদের “হুমকি দেওয়ার এবং তাদের হত্যা করার জন্য প্রচণ্ড উন্মত্ত হয়ে ছিলেন।” (প্রেরিত ৯:১) কিন্তু, খ্রিস্টান হওয়ার পর পৌল নিজেকে পরিবর্তন করার জন্য অনেক প্রচেষ্টা করেন। তিনি তার পুরোনো ব্যক্তিত্বকে কাপড়ের মতো খুলে ফেলে নতুন ব্যক্তিত্বকে পরিধান করেন। (ইফি. ৪:২২, ৩১) কিন্তু এর পরও, পৌল ও বার্ণবার মধ্যে কোনো একটা বিষয় নিয়ে একবার প্রচণ্ড কথা কাটাকাটি হয়, যেটা ‘ঝগড়ায়’ পরিণত হয়েছিল। (প্রেরিত ১৫:৩৭-৩৯) এই ঘটনার পর, পৌল হয়তো খুব নিরুৎসাহিত হয়ে পড়েছিলেন, তবে তিনি হাল ছেড়ে দেননি। তিনি তার নিজের “দেহকে কঠোরভাবে শাসন” করেছিলেন অর্থাৎ তার নিজের দুর্বলতাগুলোর সঙ্গে লড়াই করে চলেছিলেন, যেন যিহোবাকে খুশি করতে পারেন।—১ করি. ৯:২৭, পাদটীকা।

১২. পৌল কেন তার পুরোনো ব্যক্তিত্বকে কাপড়ের মতো খুলে ফেলতে পেরেছিলেন?

১২ পৌল নম্র ছিলেন বলেই, তার পুরোনো ব্যক্তিত্বকে কাপড়ের মতো খুলে ফেলে, তার নতুন ব্যক্তিত্বকে পরিধান করতে পেরেছিলেন। নিজেকে পরিবর্তন করার জন্য তিনি নিজের উপর নয় বরং যিহোবার উপর আস্থা রেখেছিলেন। (ফিলি. ৪:১৩) পিতরের মতো পৌলও “ঈশ্বরের দেওয়া শক্তির উপর নির্ভর” করেছিলেন। (১ পিতর ৪:১১) কিন্তু, এর পরও তিনি অনেক বার ভুল করেছিলেন এবং নিরুৎসাহিত হয়ে পড়েছিলেন। এইরকম পরিস্থিতিতে পৌল চিন্তা করতেন যে, যিহোবা তার জন্য কী কী করেছেন। এর ফলে, পৌলের হৃদয় কৃতজ্ঞতায় ভরে যেত এবং নিজেকে পরিবর্তন করার আর যিহোবাকে খুশি করার সংকল্প তার আরও দৃঢ় হয়ে যেত।—রোমীয় ৭:২১-২৫.

১৩. পৌলের কাছ থেকে আমরা কী শিখতে পারি?

১৩ পৌলের কাছ থেকে আমরা কী শিখতে পারি? আমরা যত বছর ধরেই, যিহোবার সেবা করি না কেন, আমাদের পুরোনো ব্যক্তিত্বকে কাপড়ের মতো খুলে ফেলে, নতুন ব্যক্তিত্বকে পরিধান করার জন্য ক্রমাগত পরিশ্রম করতে হবে। কিন্তু, এই সময় আমরা কিছু ভুলও করে ফেলতে পারি। যেমন, আমরা হয়তো কাউকে কোনো উলটোপালটা কথা বলে ফেলতে পারি অথবা প্রচণ্ড রেগে যেতে পারি। এইরকম পরিস্থিতিতে আমাদের এমনটা চিন্তা করা উচিত নয় যে, আমরা কখনো যিহোবাকে খুশি করতে পারব না। আমাদের হাল ছেড়ে দেওয়া উচিত নয় বরং নিজেকে সংশোধন করার জন্য প্রচেষ্টা করা উচিত। (রোমীয় ১২:১, ২; ইফি. ৪:২৪) কিন্তু, এটা করার সময় আমাদের একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। যিহোবা আমাদের যে-ব্যক্তিত্ব দিয়েছেন, সেটা কোনো সত্যিকারের কাপড়ের মতো নয় যে, আমরা আমাদের মাপ অনুযায়ী সেটা পরিবর্তন করতে পারব। এটা পরার জন্য আমাদের নিজেদের মধ্যে পরিবর্তন আনতে হবে। আমরা এটা আশা করতে পারি না যে, যিহোবা আমাদের জন্য তাঁর মান পরিবর্তন করবেন বরং আমাদের যিহোবার মান অনুযায়ী নিজেদের পরিবর্তন করতে হবে।

দায়ূদের মতো—যিহোবার সুরক্ষিত আশ্রয়ে থাকুন

১৪-১৫. যিহোবা কোন কোন উপায়ে তাঁর লোকদের সুরক্ষা জোগান? (গীতসংহিতা ২৭:৫) ( ছবিও দেখুন।)

১৪ আমরা যদি প্রকৃত সুখ পেতে চাই, তা হলে আধ্যাত্মিক আকাঙ্ক্ষা বাড়ানো এবং নতুন ব্যক্তিত্ব পরিধান করা ছাড়াও আমাদের যিহোবার আশ্রয় নিতে হবে। কিন্তু, যিহোবার আশ্রয়ে থাকার অর্থ কী এবং তাঁর আশ্রয়ে থাকার জন্য আমাদের কী করতে হবে?

১৫ দায়ূদের কথাগুলো থেকে জানা যায় যে, যিহোবার আশ্রয়ে থাকার অর্থ কী। (পড়ুন, গীতসংহিতা ২৭:৫.) যিহোবা তাঁর লোকদের সেই সমস্ত বিপদ থেকে রক্ষা করেন, যেগুলো তাদের বিশ্বাসকে পুরোপুরিভাবে দুর্বল করে দিতে পারে। যেমন, অন্যেরা যখন আমাদের উপর বিপদ নিয়ে আসে, তখন যিহোবা আমাদের তাদের হাত থেকে রক্ষা করেন। যিহোবা আমাদের প্রতিজ্ঞা করেছেন যে, আমাদের বিরুদ্ধে গঠিত কোনো অস্ত্রই সফল হবে না। (গীত. ৩৪:৭; যিশা. ৫৪:১৭) যদিও এটা ঠিক যে, শয়তান এবং তার দুষ্ট জগৎ খুবই শক্তিশালী, কিন্তু আমরা যতক্ষণ যিহোবার আশ্রয়ে থাকব, ততক্ষণ কেউ আমাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। এমনকী আমাদের জীবনও যদি চলে যায়, তা হলেও যিহোবা আমাদের আবারও জীবিত করবেন। (১ করি. ১৫:৫৫-৫৭; প্রকা. ২১:৩, ৪) আমাদের নিজস্ব দুর্বলতা বা দুশ্চিন্তার কারণে যে-বিপদগুলো আসে, সেগুলোর সঙ্গেও মোকাবিলা করতে যিহোবা আমাদের সাহায্য করতে পারেন। এই বিপদগুলো আমাদের বিশ্বাসকে সম্পূর্ণভাবে নষ্ট করে দিতে পারে। (হিতো. ১২:২৫; মথি ৬:২৭-২৯) আমাদের সাহায্য করার জন্য যিহোবা একটা প্রেমময় ভ্রাতৃসমাজ দিয়েছেন, যেখানে ভাই-বোনেরা আমাদের বিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করে তোলে। তিনি প্রাচীনদেরও দিয়েছেন, যারা আমাদের পালকের মতো যত্ন নেয়। (যিশা. ৩২:১, ২) আর সভাগুলোর মাধ্যমে যিহোবা বার বার আমাদের এটা মনে করিয়ে দেন যে, তিনি কোন কোন উপায়ে আমাদের সুরক্ষা দেন এবং সেই সুরক্ষা পাওয়ার জন্য আমাদের কী করতে হবে।—ইব্রীয় ১০:২৪, ২৫.

একজন বোন “প্রহরীদুর্গ” অধ্যয়ন চলাকালীন উত্তর দেওয়ার জন্য হাত তুলেছেন। অন্যান্য ভাই-বোনেরাও হাত তুলে রয়েছে।

ঈশ্বরের কাছ থেকে নির্দেশনা লাভ করার জন্য একজন বোন মণ্ডলীর ভাই-বোনদের সঙ্গে সভা উপভোগ করছেন (১৪-১৫ অনুচ্ছেদ দেখুন)


১৬. যিহোবার আশ্রয়ে থাকার জন্য দায়ূদ কী করেছিলেন?

১৬ চিন্তা করুন, যিহোবার আশ্রয়ে থাকার জন্য দায়ূদ কী করেছিলেন। তিনি যিহোবার আজ্ঞা মেনে চলেছিলেন এবং এর ফলে তিনি এমন কিছু ভালো সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছিলেন, যেগুলো তাকে অনেক বিপদ এড়াতে এবং যিহোবার সুরক্ষা পেতে সাহায্য করেছিল। (তুলনা করুন, হিতোপদেশ ৫:১, ২.) কিন্তু, অনেক সময় দায়ূদ যিহোবার আজ্ঞা পালন করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন, এক অর্থে তিনি তাঁর আশ্রয় থেকে দূরে চলে গিয়েছিলেন। এর ফলে, তিনি যে-ভুল সিদ্ধান্তগুলো নিয়েছিলেন, সেগুলোর পরিণতি তাকে ভোগ করতে হয়েছিল। (২ শমূ. ১২:৯, ১০) কিন্তু অনেকসময় এমনটাও হয়েছিল, যখন অন্যদের কারণে দায়ূদ সমস্যায় পড়েছিলেন। এইরকম পরিস্থিতিতে দায়ূদ কী করেছিলেন? তিনি প্রার্থনার মাধ্যমে যিহোবার কাছে খোলাখুলিভাবে তার মনের কথা জানিয়েছিলেন এবং সমস্ত চিন্তা যিহোবার উপর ফেলে দিয়েছিলেন। আর যিহোবাও দায়ূদকে এই নিশ্চয়তা দিয়েছিলেন যে, তিনি তাকে খুব ভালোবাসেন এবং তিনি দায়ূদকে সবসময় রক্ষা করবেন।—গীত. ২৩:১-৬.

১৭. কীভাবে আমরা দায়ূদকে অনুকরণ করতে পারি?

১৭ দায়ূদের মতো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, আমরা যিহোবার ইচ্ছা জানার চেষ্টা করতে পারি। এর ফলে, আমরা ভালো সিদ্ধান্ত নিতে পারব এবং সুরক্ষিত থাকব। কিন্তু, কখনো কখনো আমরা কিছু ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি, যেটার কারণে আমরা সমস্যায় পড়ি। কিন্তু, এর মানে এই নয় যে, যিহোবা আমাদের সুরক্ষা জোগাননি। আসলে আমরা নিজেদের ভুল সিদ্ধান্তের পরিণতি ভোগ করি। (গালা. ৬:৭, ৮) আর যখন আমরা অন্যদের কারণে সমস্যায় পড়ি, তখন আমরা কী করতে পারি? আমরা যিহোবার কাছে মন খুলে প্রার্থনা করতে পারি, আমাদের চিন্তাভাবনার কথা তাঁকে জানাতে পারি এবং এই বিষয়ে আস্থা রাখতে পারি, যিহোবা আমাদের মন ও হৃদয়কে সুরক্ষিত রাখবেন।—ফিলি. ৪:৬, ৭.

ঈশ্বরের কাছ থেকে নির্দেশনা নিয়ে চলুন

১৮. (ক)আজ আমরা কোন ধরনের লোকদের সঙ্গে বাস করি? (খ) আর এই বিষয়ে আমাদের কী করতে হবে? (ছবিগুলোও দেখুন।)

১৮ ২০২৬ সালের জন্য আমাদের বার্ষিক শাস্ত্রপদ হল, “সুখী সেই ব্যক্তিরা, যারা ঈশ্বরের কাছ থেকে নির্দেশনা লাভ করার জন্য আকাঙ্ক্ষী।” বর্তমানে, যিহোবার কাছ থেকে নির্দেশনা লাভ করা আগের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কেন? কারণ আজ আমরা এমন কিছু লোকের সঙ্গে বাস করি, যারা মনে করে তাদের জীবনে ঈশ্বরের কোনো প্রয়োজন নেই। অন্যদিকে আবার এমন কিছু লোক রয়েছে, যারা আধ্যাত্মিক খিদে মেটানোর জন্য নিজেদের ইচ্ছামতো উপাসনা করে অথবা অন্যদের পরামর্শের উপর নির্ভর করে। সত্যি কথা বলতে গেলে, এদের মধ্যে কেউই প্রকৃত অর্থে সুখী নয়। লোকদের এই চিন্তাধারা যেন আমাদের উপর প্রভাব না ফেলে, এর জন্য আমাদের কী করতে হবে? আমাদের যিহোবার কাছ থেকে নির্দেশনা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা বাড়াতে হবে,পুরোনো ব্যক্তিত্বকে ছেড়ে নতুন ব্যক্তিত্বকে কাপড়ের মতো পরিধান করতে হবে এবং সুরক্ষিত থাকার জন্য আমাদের যিহোবার কাছে আশ্রয় নিতে হবে।

কোলাজ: আগের ছবিতে দেখানো সেই বোন ক্রমাগত আধ্যাত্মিক নির্দেশনা লাভ করার চেষ্টা করছেন। ১. তিনি “প্রহরীদুর্গ” পত্রিকার একটা প্রবন্ধ নিয়ে অধ্যয়ন করছেন। ২. তিনি একটা দম্পতির জন্য তাদের বাড়িতে খাবার নিয়ে এসেছেন। সেই পরিবারের স্বামী হুইলচেয়ারে বসে আছে এবং তার মাথায় ব্যান্ডেজ বাঁধা রয়েছে আর তার হাতের মধ্যে একটা আইভি চ্যানেল লাগানো রয়েছে। ৩. একজন বোন দু-জন ভাইয়ের পালকীয় সাক্ষাৎ উপভোগ করছেন।

ঈশ্বরের নির্দেশনা লাভ করার জন্য আমাদের আধ্যাত্মিক আকাঙ্ক্ষাকে বাড়িয়ে তুলতে হবে, নতুন ব্যক্তিত্বকে কাপড়ের মতো পরিধান করতে হবে এবং যিহোবার কাছে আশ্রয় নিতে হবে (১৮ অনুচ্ছেদ দেখুন)a

যিহোবার আধ্যাত্মিক ব্যবস্থার মাধ্যমে আমরা কীভাবে . . .

  • আমাদের আধ্যাত্মিক আকাঙ্ক্ষাকে বাড়াতে পারি?

  • নতুন ব্যক্তিত্বকে পরিধান করতে পারি?

  • যিহোবার আশ্রয়ে থাকতে পারি?

গান ১৬২ তোমাকে জানার আকাঙ্ক্ষা

a ছবি সম্বন্ধে বর্ণনা, প্রচ্ছদ: ঈশ্বরের কাছ থেকে নির্দেশনা লাভ করার জন্য একজন বোন মণ্ডলীর ভাই-বোনদের সঙ্গে সভা উপভোগ করছেন। পৃষ্ঠা ৬: আগের ছবিতে দেখানো সেই একই বোন তার আধ্যাত্মিক আকাঙ্ক্ষাকে বাড়ানোর জন্য প্রহরীদুর্গ অধ্যয়ন করছেন, নতুন ব্যক্তিত্বকে পরিধান করে অন্যদের সাহায্য করছেন এবং যিহোবার কাছে আশ্রয় নেওয়ার জন্য প্রাচীনদের কাছ থেকে সাহায্য নিচ্ছেন।

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার