ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w22 আগস্ট পৃষ্ঠা ২৬-৩১
  • সঠিক কাজ করার সংকল্পকে দৃঢ় করুন!

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • সঠিক কাজ করার সংকল্পকে দৃঢ় করুন!
  • প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য সম্বন্ধে ঘোষণা করে (অধ্যয়ন)—২০২২
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • ধার্মিকতা কী?
  • যিহোবার মান অনুযায়ী জীবনযাপন করার সংকল্পকে দৃঢ় করুন
  • সর্বান্তঃকরণে ধার্মিকতাকে ভালোবাসুন
    ২০১১ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • প্রথমে “তাঁহার ধার্ম্মিকতার” বিষয়ে চেষ্টা করুন
    ২০১০ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • যিহোবার ধার্মিকতায় আনন্দ খুঁজে নিন
    ২০০২ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • ধার্মিকতার বিষয়ে চেষ্টা করা আমাদের রক্ষা করবে
    ২০০৬ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
আরও দেখুন
প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য সম্বন্ধে ঘোষণা করে (অধ্যয়ন)—২০২২
w22 আগস্ট পৃষ্ঠা ২৬-৩১

অধ্যয়ন প্রবন্ধ ৩৬

সঠিক কাজ করার সংকল্পকে দৃঢ় করুন!

“সদাপ্রভু ধার্ম্মিকদিগকে প্রেম করেন।”—গীত. ১৪৬:৮

গান ৪৬ যিহোবা আমাদের রাজা!

সারাংশa

১. যোষেফের প্রতি কী ঘটেছিল আর যোষেফ কী করেছিলেন?

যোষেফ পোটীফরের বাড়িতে কাজ করতেন। একবার পোটীফর কোনো কাজের সূত্রে বাইরে গিয়েছিলেন। তখন পোটীফরের স্ত্রী যোষেফকে বলেছিলেন, “আমার সহিত শয়ন কর।” সেইসময় কেউ যোষেফকে দেখছিল না। আর যোষেফ জানতেন, যদি তিনি তার প্রভুর স্ত্রীর কথা না শোনেন, তা হলে তিনি তার জীবন অতিষ্ঠ করে তুলবেন। তারপরও, যোষেফ স্পষ্টভাবে তাকে বারণ করে দিয়েছিলেন। পোটীফরের স্ত্রী যোষেফের পিছনে পড়ে ছিলেন, কিন্তু যোষেফ তাকে ক্রমাগত বারণ করতে থাকেন। কেন তিনি এমনটা করতে পেরেছিলেন? যোষেফ বলেছিলেন, “আমি কিরূপে এই মহা দুষ্কর্ম্ম করিতে ও ঈশ্বরের বিরুদ্ধে পাপ করিতে পারি?”—আদি. ৩৯:৭-১২.

২. কীভাবে যোষেফ জানতেন, ব্যভিচার করা পাপ?

২ তাহলে কীভাবে যোষেফ জানতেন যে, ব্যভিচার করা যিহোবার দৃষ্টিতে “মহা দুষ্কর্ম্ম?” মোশির ব্যবস্থা তো প্রায় ২০০ বছর পর দেওয়া হয়েছিল, যেখানে এই আজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল, “ব্যভিচার করিও না।” (যাত্রা. ২০:১৪) যদিও যোষেফের কাছে ব্যবস্থা ছিল না, তবে তিনি যিহোবাকে জানতেন। তিনি জানতেন, যিহোবা একজন পুরুষ ও নারীকে বিয়ে দিয়েছিলেন। তাই, তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, শুধুমাত্র একজন স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে যৌনসম্পর্ক করা উচিত। তিনি এও শুনেছিলেন, যখন দুটো পরিস্থিতিতে তার পূর্বপুরুষী সারার উপর দু-জন ব্যক্তি নজর দিয়েছিলেন, তখন যিহোবা কীভাবে সারাকে রক্ষা করেছিলেন। ইস্‌হাকের স্ত্রী রিবিকার প্রতিও এমনই কিছু ঘটেছিল আর সেইসময়েও যিহোবা তাকে রক্ষা করেছিলেন। (আদি. ২:২৪; ১২:১৪-২০; ২০:২-৭; ২৬:৬-১১) এইসমস্ত কিছু চিন্তা করার মাধ্যমে যোষেফ বুঝতে পেরেছিলেন, ব্যভিচার করা যিহোবার দৃষ্টিতে অন্যায়। তিনি যিহোবাকে ভালোবাসতেন এবং যিহোবার দৃষ্টিতে যা সঠিক, কেবল তা-ই করতে চাইতেন। তাই, তিনি সেই অন্যায় কাজ করেননি।

৩. এই প্রবন্ধে আমরা কী জানতে পারব?

৩ আপনিও নিশ্চয়ই ভালো কাজ করতে চান, যে-কাজ যিহোবার দৃষ্টিতে সঠিক। কিন্তু, আমরা সবাই অসিদ্ধ আর কখনো কখনো জগতের লোকদের মতো চিন্তা করতে শুরু করি। তাই, বুঝে উঠতে পারি না যে, কোনটা ভালো এবং কোনটা মন্দ। (যিশা. ৫:২০; রোমীয় ১২:২) এই প্রবন্ধে আমরা জানতে পারব, ধার্মিক বা সঠিক কাজ করার অর্থ কী আর এই কাজ করার মাধ্যমে কোন কোন উপকার লাভ করা যায়। এরপর আমরা এমন তিনটে বিষয় নিয়ে আলোচনা করব, যেগুলো মনে রাখলে যিহোবার মান অনুযায়ী জীবনযাপন করার জন্য আমাদের সংকল্প আরও দৃঢ় হবে।

ধার্মিকতা কী?

৪. কাদের ধার্মিক বলা যেতে পারে না?

৪ কিছু লোক খুবই একগুঁয়ে হয়। তারা নিজেদের একটু বেশিই ধার্মিক বলে মনে করে। কারো দিয়ে একটু ভুল হলেই তাদের বিচার করতে শুরু করে দেয়। যদিও তারা নিজেদের খুব ধার্মিক বলে মনে করে, কিন্তু এটা আসলে ধার্মিকতা নয়। ঈশ্বর এই ধরনের লোকদের একদমই পছন্দ করেন না। যিশুও এমন লোকদের পছন্দ করতেন না। যিশু যখন পৃথিবীতে ছিলেন, তখন তিনি ধর্মীয় গুরুদের বকাঝকা করেছিলেন কারণ তারা নিজেদের খুব ধার্মিক বলে মনে করত আর সঠিক ও ভুলের ব্যাপারে তারা নিজেদের মান তৈরি করেছিল। (উপ. ৭:১৬; লূক ১৬:১৫) তাহলে প্রশ্ন ওঠে, ধার্মিকতা কী?

৫. (ক) বাইবেল অনুযায়ী ধার্মিকতা কী? (খ) একজন ধার্মিক ব্যক্তি কেমন হন?

৫ সহজ ভাষায় বললে ধার্মিকতার অর্থ হল, যিহোবার দৃষ্টিতে যা সঠিক, কেবল তা-ই করা। বাইবেল লেখার সময় ধার্মিকতার ব্যাপারে উল্লেখ করার জন্য যে-শব্দ ব্যবহার করা হয়েছিল, আলাদা আলাদা জায়গায় সেটার অনুবাদ আলাদা আলাদা উপায়ে করা হয়েছে। তবে, প্রতিটা জায়গায় এর অর্থ হল যিহোবা আমাদের জন্য যে-মান স্থির করেছেন, সেই অনুযায়ী জীবনযাপন করা। যেমন, এক জায়গায় বাইবেলে বলা আছে, যিহোবা চেয়েছিলেন যেন ব্যাবসায়িকরা এমন বাটখারা এবং পরিমাপের পাত্র ব্যবহার করে, যেগুলো “ন্যায্য।” (দ্বিতীয়. ২৫:১৫, NW) এখানে যে-ইব্রীয় শব্দকে “ন্যায্য” হিসেবে অনুবাদ করা হয়েছে, সেটার অর্থ ‘ধার্মিকও’ হতে পারে। তাই, আমরা বলতে পারি, একজন ধার্মিক ব্যক্তি সৎ হন এবং সঠিক উপায়ে ব্যাবসা করেন। একজন ধার্মিক ব্যক্তি অন্যায় কাজকেও ঘৃণা করেন এবং চান যেন সবার প্রতি ন্যায়বিচার করা হোক আর কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তিনি চিন্তা করেন যে, যিহোবা কী চান কারণ তিনি তাঁকে “পুরোপুরি খুশি করতে” চান।—কল. ১:১০.

৬. কেন যিহোবার মানগুলো সবসময় সঠিক হয়? (যিশাইয় ৫৫:৮, ৯)

৬ বাইবেল বলে, “ধর্ম্মনিবাস সদাপ্রভুর” অর্থাৎ যিহোবা শুধু ধার্মিকই নন, কিন্তু ধার্মিকতা তাঁর মধ্যে বাস করে। (যির. ৫০:৭) তিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন। তাই, একমাত্র তাঁরই এটা স্থির করার অধিকার রয়েছে যে, আমাদের জন্য কোনটা সঠিক এবং কোনটা ভুল। এ ছাড়া, যিহোবা হলেন সিদ্ধ, তাই তিনি সবসময় জানেন, কোনটা সঠিক এবং কোনটা ভুল। কিন্তু আমরা অসিদ্ধ, তাই কখনো কখনো সঠিক ও ভুলের মধ্যে ভালোভাবে পার্থক্য করতে পারি না। (হিতো. ১৪:১২; পড়ুন, যিশাইয় ৫৫:৮, ৯.) তারপরও, আমরা তাঁর মান অনুযায়ী জীবনযাপন করতে পারি কারণ তিনি আমাদের তাঁর প্রতিমূর্তিতে সৃষ্টি করেছেন। (আদি. ১:২৭) আমরা যখন তাঁর মান অনুযায়ী জীবনযাপন করি, তখন আমরা খুব খুশি হই কারণ আমরা আমাদের পিতাকে খুব ভালোবাসি এবং আমরা তাঁর মতো হতে চাই।—ইফি. ৫:১.

৭. কেন সঠিক ও ভুলের ব্যাপারে মান থাকা জরুরি? উদাহরণের সাহায্যে ব্যাখ্যা করুন।

৭ সঠিক ও ভুলের ব্যাপারে যিহোবা যে-মান স্থির করেছেন, সেই অনুযায়ী জীবনযাপন করলে আমাদেরই মঙ্গল হয়। একটু কল্পনা করুন, যদি প্রতিটা ট্র্যাফিক সিগন্যালে লাল, হলুদ ও সবুজ লাইটের জায়গায় আলাদা আলাদা রঙের লাইট থাকে, তা হলে কতটা গণ্ডগোল হতে পারে আর এমনকী দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে। কিংবা যদি সঠিক পরিমাপ না করে এবং নীচু মানের সামগ্রী ব্যবহার করে কোনো বিল্ডিং তৈরি করা হয়, তা হলে সেটা ভেঙে যেতে পারে আর অনেক লোক মারাও যেতে পারে। আর কল্পনা করুন, যদি কোনো ডাক্তার নিজের মতো করে কোনো রোগের চিকিৎসা করতে শুরু করে, তা হলে কত লোকের জীবন চলে যেতে পারে। এখান থেকে বোঝা যায় যে, এটা খুবই জরুরি যেন কেউ সঠিক ও ভুল এবং ভালো ও মন্দের জন্য মান স্থির করে। এর ফলে, আমরা সুরক্ষিত থাকি। একইভাবে, যিহোবার মান অনুযায়ী জীবনযাপন করলে আমরা সুরক্ষিত থাকি।

৮. আমরা যদি যিহোবার মান অনুযায়ী জীবনযাপন করি, তা হলে আমরা কোন কোন আশীর্বাদ পাব?

৮ আমরা যদি যিহোবার মান অনুযায়ী জীবনযাপন করি, তা হলে তিনি আমাদের প্রচুর আশীর্বাদ করবেন। তিনি প্রতিজ্ঞা করেছেন: “ধার্ম্মিকেরা দেশের অধিকারী হইবে, তাহারা নিয়ত তথায় বাস করিবে।” (গীত. ৩৭:২৯) কল্পনা করুন, যখন প্রত্যেকে যিহোবার মান অনুযায়ী জীবনযাপন করবে, তখন পৃথিবীর অবস্থা কত ভালো হবে। লোকদের মধ্যে শান্তি ও একতা থাকবে এবং প্রত্যেকে আনন্দে থাকবে। যিহোবা চান যেন আপনিও এইরকম জীবনযাপন করেন। তাই, এটা খুবই জরুরি যেন আমরা সঠিক কাজ করি এবং যিহোবার মান অনুযায়ী জীবনযাপন করি। কিন্তু, কীভাবে আমরা যিহোবার মান অনুযায়ী জীবনযাপন করার ব্যাপারে আমাদের সংকল্পকে আরও দৃঢ় করতে পারি? আসুন, তিনটে বিষয়ের উপর মনোযোগ দিই।

যিহোবার মান অনুযায়ী জীবনযাপন করার সংকল্পকে দৃঢ় করুন

৯. কীভাবে আমরা যিহোবার মান অনুযায়ী জীবনযাপন করার জন্য আমাদের সংকল্পকে দৃঢ় করতে পারি?

৯ প্রথম বিষয়: যিহোবাকে ভালোবাসুন। কোনটা সঠিক এবং কোনটা ভুল, এর মান যিহোবা স্থির করেছেন। যখন আমরা যিহোবাকে আরও ভালোবাসব, তখন যিহোবার মান অনুযায়ী জীবনযাপন করার জন্য আমাদের সংকল্প আরও দৃঢ় হবে এবং আমরা সবসময় সঠিক কাজ করব। আদম ও হবার বিষয়ে চিন্তা করুন। তারা যদি যিহোবাকে ভালোবাসতেন, তা হলে তারা কি যিহোবার আজ্ঞার বিপরীত কাজ করতেন?—আদি. ৩:১-৬, ১৬-১৯.

১০. কীভাবে অব্রাহাম যিহোবাকে আরও ভালোভাবে জানতে পেরেছিলেন?

১০ আমরা যদি আদম ও হবার মতো ভুল করতে না চাই, তা হলে যিহোবার প্রতি আমাদের ভালোবাসা বাড়ানো খুবই জরুরি। এমনটা আমরা তখনই করতে পারব, যখন আমরা যিহোবা সম্বন্ধে জানব, তাঁর গুণগুলোর বিষয়ে শিখব আর এটা বোঝার চেষ্টা করব, তিনি কীভাবে চিন্তা করেন। অব্রাহামও ঠিক এমনটাই করেছিলেন। তিনি যিহোবাকে খুব ভালোবাসতেন। অনেকসময় যিহোবা যে-সিদ্ধান্তগুলো নিয়েছিলেন, সেগুলোর পিছনে থাকা কারণ তিনি বুঝতে পারেননি। কিন্তু, তখনও তিনি যিহোবার নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্তের উপর আঙুল তোলেননি বরং এটা বোঝার চেষ্টা করেছিলেন, কেন যিহোবা এই সিদ্ধান্তগুলো নিয়েছেন। যেমন, যখন যিহোবা তাকে বলেছিলেন, তিনি সদোম ও ঘমোরা ধ্বংস করবেন, তখন অব্রাহাম ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন। তার মনে হয়েছিল, “সমস্ত পৃথিবীর বিচারকর্ত্তা” দুষ্ট লোকদের সঙ্গে ধার্মিক লোকদেরও ধ্বংস করে দেবেন না তো? অব্রাহাম চিন্তা করেছিলেন, ‘যিহোবা কীভাবে এমনটা করতে পারেন?’ তাই, তিনি যিহোবাকে কিছু প্রশ্ন জিজ্ঞেস করেছিলেন এবং যিহোবা তাঁর সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলেন। এভাবে, অব্রাহাম যিহোবাকে আরও ভালোভাবে জানতে পেরেছিলেন এবং তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, যিহোবা লোকদের মন দেখেন। তিনি কখনো কোনো নির্দোষ ব্যক্তিকে শাস্তি দিতে পারেন না।—আদি. ১৮:২০-৩২.

১১. কীভাবে অব্রাহাম দেখিয়েছিলেন, তিনি যিহোবাকে ভালোবাসেন এবং যিহোবার উপর তার আস্থা রয়েছে?

১১ সদোম ও ঘমোরার ধ্বংসের বিষয় অব্রাহামের সঙ্গে যিহোবার কথাবার্তা হওয়ার পর অব্রাহাম যিহোবাকে আরও বেশি ভালোবাসতে এবং তাকে আরও সমাদর করতে শুরু করেছিলেন। কিছু বছর পর, যিহোবা তাকে এমন কিছু করতে বলেন, যেটা করা অব্রাহামের জন্য অনেক কঠিন ছিল। যিহোবা তাকে তার প্রিয় পুত্র ইস্‌হাককে বলি দিতে বলেন। কিন্তু, এবার অব্রাহাম যিহোবাকে কোনো প্রশ্ন জিজ্ঞেস করেননি কারণ এখন তিনি যিহোবাকে আগের চেয়ে আরও ভালোভাবে জানেন এবং তিনি যিহোবার কথা শোনার জন্য রাজি হয়ে যান। অব্রাহাম যখন নিজের ছেলেকে বলির জন্য প্রস্তুত করছিলেন, তখন একজন বাবা হিসেবে তিনি কতটা কষ্ট পাচ্ছিলেন, তা কি আপনি অনুভব করতে পারছেন? তবে, সেই সময়ে তিনি যিহোবার বিষয়ে যা জানতেন, তা নিয়ে চিন্তা করেছিলেন। যেমন, তিনি জানতেন যিহোবা কখনো ভুল কাজ করতে পারেন না আর অন্যায়ও করতে পারেন না। সেই সময়ে অব্রাহামের হয়তো যিহোবার সেই প্রতিজ্ঞার কথা মনে পড়ে গিয়েছিল, যেখানে তিনি বলেছিলেন, ইস্‌হাকের বংশ থেকে একটা বড়ো জাতি আসবে। তবে, সেই সময় ইস্‌হাকের কোনো সন্তান ছিল না। তাই, অব্রাহাম নিশ্চিত ছিলেন যে, ইস্‌হাক মারা গেলেও যিহোবা তাকে পুনরুত্থিত করবেন। (ইব্রীয় ১১:১৭-১৯) অব্রাহাম যিহোবাকে খুব ভালোবাসতেন। তাই, তার আস্থা ছিল যিহোবা সবসময় যা সঠিক, তা-ই করবেন। আর এই কারণে অব্রাহাম তার জীবনের বিভিন্ন কঠিন সময়েও যিহোবার আজ্ঞা পালন করতে পেরেছিলেন।—আদি. ২২:১-১২.

১২. কীভাবে আমরা অব্রাহামের মতো হতে পারি? (গীতসংহিতা ৭৩:২৮)

১২ কীভাবে আমরা অব্রাহামের মতো হতে পারি? আমাদের ক্রমাগত যিহোবা সম্বন্ধে শিখতে হবে। এভাবে, আমরা তাঁর আরও নিকটবর্তী হতে পারব এবং তাঁকে আরও ভালোবাসতে পারব। (পড়ুন, গীতসংহিতা ৭৩:২৮.) আমরা যখন জানতে শুরু করি, যিহোবার দৃষ্টিতে কোনটা সঠিক এবং কোনটা ভুল আর তিনি কীভাবে চিন্তা করেন, তখন আমরাও তাঁর মতো করে চিন্তা করতে শুরু করি। (ইব্রীয় ৫:১৪) যিহোবা যে-বিষয়গুলোকে ঘৃণা করেন, আমরাও সেগুলোকে ঘৃণা করতে শুরু করি। আর কেউ যখন আমাদের কোনো ভুল কাজ করতে বলে, তখন আমরা তাকে স্পষ্টভাবে বারণ করে দিই কারণ আমরা যিহোবাকে দুঃখ দিতে চাই না এবং তাঁর সঙ্গে আমাদের সম্পর্ককেও ভেঙে ফেলতে চাই না। আমরা আর কী করতে পারি, যাতে যিহোবার মান অনুযায়ী জীবনযাপন করার জন্য আমাদের সংকল্প দৃঢ় হয়?

১৩. কীভাবে আমরা ‘ধার্ম্মিকতার অনুগামী’ হতে পারি? (হিতোপদেশ ১৫:৯)

১৩ দ্বিতীয় বিষয়: প্রতিদিন যিহোবার মান অনুযায়ী জীবনযাপন করার জন্য প্রচেষ্টা করুন। ঠিক যেমন প্রতিদিন এক্সারসাইজ করলে আমাদের শরীর ভালো থাকে, একইভাবে আমরা যখন প্রতিদিন যিহোবার মান অনুযায়ী জীবনযাপন করার জন্য প্রচেষ্টা করি, তখন সেগুলো মেনে চলার জন্য আমাদের সংকল্প আরও দৃঢ় হয়। যিহোবা আমাদের কখনো এমন কিছু করতে বলবেন না, যেটা আমরা করতে পারব না। তিনি জানেন, আমরা তাঁর মান অনুযায়ী জীবনযাপন করতে পারব। (গীত. ১০৩:১৪) আমরা যখন এমনটা করি এবং সঠিক কাজ করি, তখন যিহোবা খুব খুশি হন। বাইবেলে লেখা আছে, “তিনি ধার্ম্মিকতার অনুগামীকে ভালবাসেন।” (পড়ুন, হিতোপদেশ ১৫:৯.) আমরা যখন যিহোবার আরও সেবা করার জন্য কোনো লক্ষ্য স্থাপন করি, তখন সেই লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য অনেক পরিশ্রম করি। ঠিক একইভাবে, আমাদের সঠিক কাজ করার জন্য অনেক পরিশ্রম করতে হবে অর্থাৎ ধার্মিকতার অনুগামী হতে হবে। আমরা যখন যিহোবার মান অনুযায়ী জীবনযাপন করার জন্য প্রচেষ্টা করব, তখন তিনিও আমাদের সাহায্য করবেন এবং আমরা তাঁর মান অনুযায়ী আরও ভালোভাবে জীবনযাপন করতে পারব।—গীত. ৮৪:৫, ৭.

১৪. “ধার্মিকতার বুকপাটা” কী আর কেন আমাদের এটা পরে থাকা উচিত?

১৪ আমাদের এইরকম চিন্তা করা উচিত নয়, যিহোবার মান আমাদের জন্য বোঝাস্বরূপ কিংবা তা মেনে চলা খুব কঠিন। (১ যোহন ৫:৩) এর পরিবর্তে, আমাদের খেয়াল রাখা উচিত, আমরা যদি প্রতিদিন সেই অনুযায়ী জীবনযাপন করি, তা হলে এটা আমাদের রক্ষা করবে। আপনাদের কি ঈশ্বরের দেওয়া সেই যুদ্ধসজ্জার কথা মনে আছে, যেগুলোর বিষয়ে পৌল উল্লেখ করেছিলেন? (ইফি. ৬:১৪-১৮) সেগুলোর মধ্যে একটা হল, “ধার্মিকতার বুকপাটা” অর্থাৎ সঠিক ও ভুলের ব্যাপারে যিহোবার মান। অতীত কালে, একজন সৈনিক যদি যুদ্ধের সময় বুকপাটা পরতেন, তা হলে শত্রুদের হাত থেকে তিনি তার হৃৎপিণ্ডকে রক্ষা করতে পারতেন। একইভাবে, আমরা যদি ধার্মিকতার বুকপাটা পরে থাকি অর্থাৎ যিহোবার মান অনুযায়ী জীবনযাপন করি, তা হলে শয়তানের হাত থেকে আমরা আমাদের হৃদয়কে রক্ষা করতে পারব। তাই, সবসময় ধার্মিকতার বুকপাটা পরে থাকুন।—হিতো. ৪:২৩.

১৫. কীভাবে আপনি ধার্মিকতার বুকপাটা পরতে পারেন?

১৫ ধার্মিকতার বুকপাটা পরার জন্য আপনার কী করা উচিত? প্রতিদিন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার কিংবা কোনো কাজ করার আগে চিন্তা করুন, এই বিষয়ে যিহোবার মান কী। তাই, কারো সঙ্গে কথা বলার সময়, কোনো গান কিংবা বিনোদন বাছাই করার সময় অথবা কোনো বই পড়ার সময় চিন্তা করুন: ‘এগুলো আমার হৃদয়ের উপর কেমন প্রভাব ফেলবে? এগুলো দেখে যিহোবা কি খুশি হবেন? এগুলোতে কি এমন কিছু আছে, যেগুলো যিহোবার দৃষ্টিতে ভুল, যেমন অনৈতিকতা, হিংসা, লোভ এবং কেবল নিজের বিষয়ে চিন্তা করা?’ (ফিলি. ৪:৮) আপনি যদি যিহোবার মান অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেন, তা হলে আপনি আপনার হৃদয়কে রক্ষা করতে পারবেন।

একজন বোন সমুদ্রের ধার দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। সূর্য অস্ত যাচ্ছে আর বোন দেখছেন যে, একটা পর একটা ঢেউ এসে যাচ্ছে।

আপনার ধার্মিকতা “সমুদ্র-তরঙ্গের ন্যায়” হতে পারে (১৬-১৭ অনুচ্ছেদ দেখুন)

১৬-১৭. যিশাইয় ৪৮:১৮ পদ অনুযায়ী কেন আমরা আস্থা রাখতে পারি, আমরা সবসময় যিহোবার মান অনুযায়ী জীবনযাপন করতে পারব?

১৬ আপনি কি কখনো এই বিষয়ে দুশ্চিন্তা করেন, ‘কী জানি, আমি চিরকাল যিহোবার মান অনুযায়ী জীবনযাপন করতে পারব কি না?’ যদি করে থাকেন, তা হলে যিহোবার সেই প্রতিজ্ঞার উপর মনোযোগ দিন, যেটা যিশাইয় ৪৮:১৮ পদে লেখা আছে। (পড়ুন।) যিহোবা বলেন, ‘আপনার ধার্ম্মিকতা সমুদ্র-তরঙ্গের ন্যায় হইবে।’ চিন্তা করুন, আপনি সমুদ্রের ধারে দাঁড়িয়ে আছেন এবং চারিদিকে খুব শান্তি রয়েছে। আপনি দেখছেন, একটার পর একটা ঢেউ এসেই যাচ্ছে। এইরকম সময় আপনি কি চিন্তা করবেন, এই ঢেউ আসা একদিন বন্ধ হয়ে যাবে না তো? না, কারণ আপনি জানেন, এটা হাজার হাজার বছর ধরে এভাবেই আসছে আর সবসময় এভাবেই থাকবে।

১৭ ‘আপনার ধার্ম্মিকতা সমুদ্র-তরঙ্গের ন্যায়’ হতে পারে। ঠিক যেমন সমুদ্রের তরঙ্গ বা ঢেউ ক্রমাগত আসতে থাকে, একইভাবে আপনিও সবসময় যিহোবার মান অনুযায়ী জীবনযাপন করতে পারেন। যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে চিন্তা করুন, এতে যিহোবার কেমন লাগবে আর তারপর সেই অনুযায়ী কাজ করুন। সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া আপনার পক্ষে যতই কঠিন হোক না কেন, সবসময় একটা বিষয় মনে রাখবেন, আপনার পিতা যিহোবা আপনাকে অনেক ভালোবাসেন। প্রতিটা ক্ষেত্রে যিহোবা আপনার সঙ্গে থাকবেন এবং আপনাকে সাহস জোগাবেন, যাতে আপনি সবসময় তাঁর মান অনুযায়ী জীবনযাপন করতে পারেন।—যিশা. ৪০:২৯-৩১.

১৮. কেন আমাদের নিজেদের মতো করে অন্যদের বিচার করা উচিত নয়?

১৮ তৃতীয় বিষয়: অন্যদের উপর আঙুল তুলবেন না, বিচার করার কাজ যিহোবার। আমাদের যিহোবার মান অনুযায়ী জীবনযাপন করার জন্য কঠোর প্রচেষ্টা করা উচিত। কিন্তু, আমাদের কখনো অন্যদের উপর আঙুল তোলা উচিত নয় আর এইরকম চিন্তা করা উচিত নয়, তারা যিহোবার মান অনুযায়ী ঠিকভাবে জীবনযাপন করছে না। নিজেদের মতো করে অন্যদের বিচার করার পরিবর্তে আমাদের মনে রাখতে হবে, যিহোবা হলেন “সমস্ত পৃথিবীর বিচারকর্ত্তা।” (আদি. ১৮:২৫) নিজেদের মতো করে অন্যদের বিচার করার অধিকার যিহোবা আমাদের দেননি। যিশুও আজ্ঞা দিয়েছিলেন: “তোমরা অন্যদের বিচার কোরো না, যাতে তোমরা বিচারিত না হও।”—মথি ৭:১.b

১৯. যোষেফ জানতেন, বিচার করার অধিকার একমাত্র যিহোবারই রয়েছে, তাই তিনি কী করেছিলেন?

১৯ আরেক বার, যোষেফের বিষয়ে চিন্তা করুন। তিনি একজন ধার্মিক ব্যক্তি ছিলেন। তবে, তার দাদারা তার প্রতি খুবই খারাপ আচরণ করেছিল। তারা যোষেফকে মারধর করেছিল, তাকে দাস হিসেবে বিক্রি করে দিয়েছিল এবং তাদের বাবাকে মিথ্যাভাবে বুঝিয়েছিল যে, যোষেফ মারা গিয়েছে। কয়েক বছর পর, তার দাদাদের সঙ্গে যোষেফের আবারও দেখা হয়। সেই সময় তিনি মিশরের একজন ক্ষমতাশালী শাসক ছিলেন। তিনি চাইলে তার দাদাদের উপর প্রতিশোধ নিতে পারতেন এবং তাদের শাস্তি দিতে পারতেন। তার দাদারা নিজেদের ভুলের জন্য অনুতপ্ত ছিল, কিন্তু তাদের মনে হয়েছিল, যোষেফ হয়তো তাদের উপর প্রতিশোধ নেবেন। তবে, যোষেফ প্রতিশোধ নেননি। তিনি বলেছিলেন, “ভয় করিও না, আমি কি ঈশ্বরের প্রতিনিধি?” (আদি. ৩৭:১৮-২০, ২৭, ২৮, ৩১-৩৫; ৫০:১৫-২১) যোষেফ তার দাদাদের বিচার করেননি কারণ তিনি জানতেন, একমাত্র যিহোবারই এই অধিকার রয়েছে।

২০-২১. আমাদের ভাই-বোন এবং অন্যদের প্রতি কীভাবে আচরণ করা উচিত?

২০ যোষেফের মতো আমাদেরও মনে রাখা উচিত, বিচার করার অধিকার একমাত্র যিহোবারই আছে। এটা আমাদের কাজ নয়। আমরা পুরোপুরিভাবে জানতে পারি না যে, কোনো ভাই কিংবা বোন কেন এইরকম কাজ করেছেন। আমরা তাদের হৃদয় পড়তে পারি না। একমাত্র যিহোবাই তাদের “আত্মা [“উদ্দেশ্য,” বাংলা কমন ল্যাঙ্গুয়েজ ভারশন]” পরীক্ষা করতে পারেন। (হিতো. ১৬:২) যিহোবা আমাদের সবাইকে ভালোবাসেন, তা একজন ব্যক্তি যেকোনো দেশ কিংবা জাতির হন না কেন। তিনি চান যেন আমরাও সমস্ত ভাই-বোনের প্রতি ‘আমাদের ভালোবাসা বৃদ্ধি করি’ আর নিজেদের মান অনুযায়ী তাদের বিচার না করি।—২ করি. ৬:১৩.

২১ ভাই-বোন ছাড়া অন্য ব্যক্তিদেরও আমাদের বিচার করা উচিত নয়। (১ তীম. ২:৩, ৪) যেমন, আমাদের আত্মীয়স্বজনের বিষয়ে এইরকম চিন্তা করা উচিত নয়, ‘সে তো কোনো দিন সত্য শিখবেই না!’ আমাদের মনে রাখা উচিত, যিহোবা আজ ‘সমস্ত লোককে’ অনুতপ্ত হওয়ার সুযোগ দিচ্ছেন। (প্রেরিত ১৭:৩০) তাই, কখনোই অন্যদের বিচার করবেন না আর সেইসঙ্গে কারো সম্বন্ধে এইরকম চিন্তা করবেন না যে, সে কখনো আমাদের বার্তা শুনবে না। মনে রাখবেন, যারা নিজেদের অনেক ধার্মিক বলে মনে করে, যিহোবা তাদের ধার্মিক বলে মনে করেন না।

২২. কেন আপনি যিহোবার মান অনুযায়ী জীবনযাপন করতে চান?

২২ যিহোবার দৃষ্টিতে যা সঠিক, আমরা যেন তা সবসময় করে চলি। এমনটা করলে আমরা আনন্দিত হব। সেইসময় অন্যেরাও আমাদের কাছ থেকে শিখবে আর আমাদের এবং যিহোবাকে আরও বেশি করে ভালোবাসবে। আমরা যখন যিহোবার মান অনুযায়ী জীবনযাপন করার জন্য প্রচেষ্টা করব, তখন যিহোবা আমাদের এই পরিশ্রম দেখে খুশি হবেন। জগতের মান দিনের পর দিন নীচে নেমে যাচ্ছে। তাই আসুন, আমরা যিহোবার মান অনুযায়ী জীবনযাপন করে চলি কারণ তিনি “ধার্ম্মিকদিগকে প্রেম করেন।”—গীত. ১৪৬:৮.

আপনি কীভাবে উত্তর দেবেন?

  • ধার্মিকতা কী?

  • যিহোবার মান অনুযায়ী জীবনযাপন করলে আমরা কোন কোন উপকার পাব?

  • কীভাবে আমরা যিহোবার মান অনুযায়ী জীবনযাপন করার সংকল্পকে দৃঢ় করতে পারি?

গান ৫৫ অবশেষে—অনন্ত এই জীবন!

a এই জগতে দুষ্ট লোকেরা ভরে আছে। কিন্তু, কিছু ধার্মিক লোকও রয়েছে, যারা যিহোবার দৃষ্টিতে যা সঠিক, কেবল তা-ই করে থাকে। আপনিও নিশ্চয়ই তাদের মধ্যে একজন হবেন। এইরকম কাজ করার পিছনে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হল, আপনি যিহোবাকে ভালোবাসেন আর যিহোবা সঠিক কাজ পছন্দ করেন। এই প্রবন্ধে আমরা জানতে পারব, ধার্মিকতা কী আর সঠিক কাজ করলে আমরা কোন কোন উপকার পাই। আমরা এও জানতে পারব, কীভাবে আমরা সঠিক কাজ করার জন্য নিজেদের সংকল্পকে আরও দৃঢ় করতে পারি।

b কিছু ক্ষেত্রে মণ্ডলীর প্রাচীনদের বিচার করতে হয়। যেমন, যখন কেউ কোনো গুরুতর পাপ করে। (১ করি. ৫:১১; ৬:৫; যাকোব ৫:১৪, ১৫) কিন্তু, এমনটা করার সময় প্রাচীনেরা মনে রাখেন, তারা কারো হৃদয় পড়তে পারেন না এবং তারা যিহোবার তরফ থেকে বিচার করছেন। (তুলনা করুন, ২ বংশাবলি ১৯:৬.) তাই, অন্যদের বিচার করার সময় প্রাচীনেরা প্রচেষ্টা করেন যেন তারা যিহোবার মানগুলো মনে রাখেন এবং তাঁর মতো করে বিচার করেন। তারা অন্যদের কাছ থেকে অতিরিক্ত আশা করেন না, পক্ষপাত করেন না এবং সম্ভব হলে দয়া দেখান।

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার