নতুন সীমা সম্মেলন কার্যক্রম
সেই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কীভাবে দৃঢ় থাকা সম্ভব, যারা সত্য উপাসনার প্রচণ্ড বিরোধিতা করে? কীভাবে আমরা সেই বাহিনীকে পরাজিত করতে পারি, যারা আমাদেরকে ঈশ্বরভক্তিহীন জগতে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ক্রমাগত চেষ্টা করে? ২০০৯ সালের পরিচর্যা বছরের সীমা সম্মেলন কার্যক্রম, এই অতীব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর উত্তর জোগাবে। এটির মূলভাব হল, “উত্তমের দ্বারা মন্দকে পরাজয় কর।” (রোমীয় ১২:২১) সেখানে যা উপস্থাপিত হবে, তা বিবেচনা করুন।
জেলা অধ্যক্ষ “উত্তমের দ্বারা মন্দকে পরাজয় করার জন্য শক্তিশালী,” “অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হওয়ার ব্যাপারে সাবধান হোন!,” “শীঘ্রই সমস্ত মন্দতার শেষ!” এবং “জগৎকে জয় করার জন্য আমাদের বিশ্বাসকে শক্তিশালী করা” শিরোনামের বক্তৃতাগুলো দেবেন। সীমা অধ্যক্ষ আমাদের উদ্দেশে রোমীয় ১৩:১১-১৩ পদের ওপর ভিত্তি করে “এখনই জেগে থাকার কাল!” এবং হিতোপদেশ ২৪:১০ পদের ওপর ভিত্তি করে “সঙ্কটের দিনে নিজেকে অবসন্ন দেখাবেন না,” এই মূলভাবগুলোর ওপর বক্তৃতা দেবেন। এ ছাড়া, আমরা সীমা অধ্যক্ষের “সীমার প্রয়োজনগুলোর দিকে মনোযোগ দেওয়া,” শিরোনামের বক্তৃতার জন্যও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে আছি। আরেকটা অত্যন্ত উৎসাহজনক বক্তৃতা হবে, “আপনি কি ‘সেই পরিচর্যায় নিবিষ্ট হইতে’ পারেন—অগ্রগামীর কাজের মাধ্যমে?” দুটো সিম্পোসিয়ামের প্রথমটার শিরোনাম হচ্ছে, “দিয়াবলের নানাবিধ চাতুরীর বিরুদ্ধে দাঁড়ান।” এটি আমাদেরকে প্রযুক্তি, বিনোদন এবং শিক্ষার ক্ষেত্রে দিয়াবলের সূক্ষ্ম চাতুরীগুলোকে শনাক্ত ও প্রত্যাখ্যান করতে সাহায্য করবে। “এই মন্দ দিনে প্রতিরোধ করতে শক্তি অর্জন করুন” শিরোনামের সিম্পোসিয়ামটি, ইফিষীয় ৬:১০-১৮ পদে দেওয়া অনুপ্রাণিত পরামর্শকে কীভাবে আরও পূর্রূপে কাজে লাগানো যায়, তা আমাদেরকে দেখাবে।
মূল থেকে মন্দতাকে জয় ও রাজ্যের বার্তা প্রচার করার মধ্যে এক সরাসরি সংযোগ রয়েছে। (প্রকা. ১২:১৭) এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই যে, শয়তান অবিশ্রান্তভাবে যিহোবার সাক্ষিদেরকে আক্রমণ করে! (যিশা. ৪৩:১০, ১২) কিন্তু, দিয়াবল শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হবে, কারণ আমরা “উত্তমের দ্বারা মন্দকে পরাজয় করিবার” জন্য দৃঢ়সংকল্পবদ্ধ। এই সীমা সম্মেলনের চারটে অধিবেশন থেকেই পূর্ণরূপে উপকার লাভ করার জন্য সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থাগুলো করুন।