নতুন সীমা সম্মেলন কার্যক্রম
যিহোবা গৌরব পাওয়ার যোগ্য। কীভাবে আমরা যিহোবার গৌরব করি? যিহোবার গৌরব করার ক্ষেত্রে কেউ কেউ কোন প্রতিদ্বন্দ্বিতাগুলোর মুখোমুখি হচ্ছে? যারা এখনই ঈশ্বরের গৌরব করছে, তারা কোন আশীর্বাদগুলো লাভ করে? ২০০৮ সালের পরিচর্যা বছরের সীমা সম্মেলন কার্যক্রম, এই প্রশ্নগুলোর সন্তোষজনক উত্তর জোগাবে। এই সীমা সম্মেলন কার্যক্রমের মূলভাব হল, “সকলই ঈশ্বরের গৌরবার্থে কর।” (১ করি. ১০:৩১) আসন্ন দুই দিনব্যাপী আমাদের প্রচুর আধ্যাত্মিক নির্দেশনা দানের জন্য যে-বিষয়গুলো সঞ্চিত করে রাখা হয়েছে, সেগুলো বিবেচনা করুন।
জেলা অধ্যক্ষ এই বিষয়গুলোর ওপর বক্তৃতা দেবেন যেমন, “কেন ঈশ্বরকে গৌরব প্রদান করবেন?” এবং “ঈশ্বর যা যা চান, সেগুলো পূরণ করার ক্ষেত্রে উদাহরণযোগ্য হোন।” তিনি “কারা সেই লোক, যারা ঈশ্বরকে গৌরবান্বিত করে?” শিরোনামের জনসাধারণের উদ্দেশে বক্তৃতা এবং “পৃথিবীব্যাপী একতাবদ্ধভাবে ঈশ্বরের গৌরব করা” শিরোনামের শেষ বক্তৃতাটি দেবেন। এ ছাড়া, তিনি ঐশিক পরিচর্যা বিদ্যালয়ও পরিচালনা করবেন। সীমা অধ্যক্ষ এই মূলভাবগুলোর ওপর বক্তৃতা দেবেন, যেমন “ঈশ্বরের গৌরব প্রতিফলিত করে আনন্দিত হোন,” “সীমার প্রয়োজনগুলোর দিকে মনোযোগ দেওয়া” এবং “‘সত্যে সুস্থির’ থাকুন,” যা ২ পিতর ১:১২ পদের ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে। অধিকন্তু, আমরা এও শিখব যে, কীভাবে “অগ্রগামী পরিচর্যা ঈশ্বরকে গৌরবান্বিত করে।” ভাবিয়ে তোলার মতো দুটো সিম্পোজিয়ামের মধ্যে প্রথম সিম্পোজিয়ামটি হচ্ছে, “আমাদের জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রে ঈশ্বরের গৌরব করা” আর তা ১ করিন্থীয় ১০:৩১ পদে পাওয়া অনুপ্রাণিত কথাগুলোর অর্থের গভীরতা পরীক্ষা করবে। “যিহোবার প্রশংসার্থে পবিত্র সেবা প্রদান করা” শিরোনামের সিম্পোজিয়ামটি আমাদের উপাসনার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করবে। আমরা দ্বিতীয় দিনে প্রহরীদুর্গ সারাংশ এবং দৈনিক শাস্ত্রপদের আলোচনা করা উপভোগ করব। এ ছাড়া, সেখানে বাপ্তিস্ম নেওয়ার এক সুযোগও থাকবে।
অধিকাংশ মানবজাতি ঈশ্বরকে স্বীকার করতে প্রত্যাখ্যান করে। এ ছাড়া, অনেকে যিহোবার মহত্ত্ব সম্বন্ধে চিন্তা করতে গিয়ে মানব পরিকল্পনাগুলোর দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়ে থাকে। (যোহন ৫:৪৪) কিন্তু, আমরা কীভাবে ‘সকলই ঈশ্বরের গৌরবার্থে করিতে’ পারি, তা বিবেচনা করার জন্য সময় করে নেওয়ার মূল্য সম্বন্ধে দৃঢ়প্রত্যয়ী। উপস্থিত থাকার এবং চারটে অধিবেশন থেকেই পূর্ণরূপে উপকার লাভ করার জন্য পরিকল্পনা করুন।