ঘোষণাবলি
▪ জানুয়ারি মাসের জন্য সাহিত্য অর্পণ: ১৯২ পৃষ্ঠার যেকোনো বই যা হলুদ বর্ণের বা বিবর্ণ হয়ে গিয়েছে অথবা ১৯৯১ সালের আগে ছাপানো যেকোনো বই অর্পণ করা যেতে পারে। যদি মণ্ডলীতে এই ধরনের কোনো পুরাতন বই মজুত না থাকে, তা হলে তারা জ্ঞান বইটি অথবা জেগে থাকুন! ব্রোশারটি ব্যবহার করতে পারে। ফেব্রুয়ারি: যিহোবার নিকটবর্তী হোন বইটি তুলে ধরুন। মার্চ: বাইবেল শিক্ষা দেয় বইটি তুলে ধরুন এবং বাইবেল অধ্যয়ন শুরু করার জন্য এক অধ্যবসায়ী প্রচেষ্টা করুন। এপ্রিল ও মে: প্রহরীদুর্গ এবং সচেতন থাক! উভয় পত্রিকার আলাদা আলাদা কপি তুলে ধরা হবে। স্মরণার্থ সভা এবং/বা ঈশতান্ত্রিক অন্যান্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিল অথচ সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে মেলামেশা করছে না এমন ব্যক্তিসহ আগ্রহী লোকেদের সঙ্গে পুনর্সাক্ষাৎ করার সময় তাদের সঙ্গে একটা বাইবেল অধ্যয়ন শুরু করার লক্ষ্যের কথা মনে রেখে বাইবেল শিক্ষা দেয় বইটি অর্পণ করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করুন।
▪ ফেব্রুয়ারি মাস থেকে শুরু করে এবং ৪ঠা মার্চের মধ্যে সীমা অধ্যক্ষরা জনসাধারণের উদ্দেশে যে-নতুন বক্তৃতাটা দেবে, সেটার বিষয়বস্তু হল, “ঈশ্বরের নতুন জগৎ—কারা প্রবেশ করার যোগ্য?”
▪ যুবক-যুবতীদের জিজ্ঞাস্য—আমি আমার জীবন নিয়ে কী করব? (ইংরেজি) ভিডিও কার্যক্রমটি এপ্রিল মাসের একটা পরিচর্যা সভায় আলোচনা করা হবে। প্রয়োজন হলে, মণ্ডলীর মাধ্যমে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কপিগুলোর জন্য আবেদন করা উচিত।
▪ আমাদের চাইনিজ ভাষার সাহিত্যাদি দুরকম লিপিতে ছাপানো হয়। হংকং ও তাইওয়ানের লোকেরা সাধারণত ঐতিহ্যগত লিপি পড়ে থাকে, যেটাকে আমরা “চাইনিজ” (সিএইচ) আখ্যা দিয়ে থাকি। অন্যান্য অধিকাংশ চাইনিজ পাঠক সাধারণত “সহজ চাইনিজ” (সিএইচএস) বলে উল্লেখিত এক সহজ লিপি পড়ে থাকে। যেহেতু একজন ব্যক্তি যে-লিপিটি পড়েন সেটি তিনি ক্যানটোনিজ, ম্যান্ডারিন অথবা অন্য কোনো আঞ্চলিক ভাষা বলেন কি বলেন না সেটার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়, তাই তিনি কোন লিপিটি পড়া পছন্দ করেন, তা নির্ধারণ করা গুরুত্বপূর্ণ। এইভাবে, সঠিক লিপির সাহিত্যাদির জন্য আবেদন করা যাবে।
▪ এই বছর ২রা এপ্রিল, সোমবার সূর্যাস্তের পর স্মরণার্থ সভা উদ্যাপন করার জন্য মণ্ডলীগুলোর উপযুক্ত ব্যবস্থা করা উচিত। যদিও বক্তৃতা আগে শুরু করা যেতে পারে কিন্তু প্রতীকগুলো সূর্যাস্তের আগে ঘুরানো শুরু করা উচিত নয়। আপনার এলাকায় কখন সূর্যাস্ত হবে, তা স্থানীয় কর্তৃপক্ষদের কাছ থেকে জেনে নিন। প্রতিটা মণ্ডলীর আলাদা আলাদাভাবে তাদের স্মরণার্থ সভা পালন করার চেষ্টা করা উচিত। কিন্তু, তা করা হয়তো সবসময় সম্ভব না-ও হতে পারে। যেখানে বেশ কয়েকটা মণ্ডলী একই কিংডম হল ব্যবহার করে, সম্ভবত এক বা একাধিক মণ্ডলী সেই সন্ধ্যার জন্য অন্য আরেকটা হল ভাড়া করার ব্যবস্থা করতে পারে। যেখানে সম্ভব, সেখানে একই হলে অনুষ্ঠিত কার্যক্রমের মাঝে অন্ততপক্ষে ৪০ মিনিট বিরতি রাখার জন্য আমরা পরামর্শ দিচ্ছি, যাতে করে স্মরণার্থ সভার পর কিছুসময় মেলামেশার মাধ্যমে সকলে পূর্ণ উপকার লাভ করতে পারে। কাউকে কাউকে গন্তব্যে দিয়ে আসা ও নিয়ে আসাসহ যাতায়াত ব্যবস্থা ও গাড়ি পার্কিংয়ের বিষয়টার প্রতিও সকলের বিবেচনা দেখানো উচিত। প্রাচীন গোষ্ঠীর নির্ধারণ করা উচিত যে, তাদের এলাকায় কোন ব্যবস্থাগুলো সবচেয়ে ভাল হবে।
▪ মণ্ডলীর সচিবদের এই বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া উচিত যে, মণ্ডলীর প্রত্যেক নিয়মিত অগ্রগামীর জন্য তাদের কাছে অগ্রগামী নিয়োগ পত্র (S-202) রয়েছে। যদি তাদের কাছে তা না থাকে, তা হলে তাদের শাখা অফিসকে লিখে জানানো উচিত।
▪ নতুন যে-প্রকাশনাগুলো পাওয়া যাচ্ছে:
যিহোবার উদ্দেশে প্রশংসা গীত গাও (২৯টা গান) —বাংলা