ঘোষণাবলি
▪ সেপ্টেম্বর মাসের জন্য সাহিত্য অর্পণ: আপনি পরমদেশ পৃথিবীতে অনন্তকাল বেঁচে থাকতে পারেন। অক্টোবর: প্রহরীদুর্গ এবং সচেতন থাক! উভয় পত্রিকার আলাদা আলাদা কপি তুলে ধরুন। যারা আগ্রহ দেখায়, বাইবেল অধ্যয়ন শুরু করার বিশেষ প্রচেষ্টা করে চান ব্রোশার অর্পণ করুন। নভেম্বর: জ্ঞান বই বা চান ব্রোশার অর্পণ করুন। যেখানে গৃহকর্তাদের কাছে ইতিমধ্যেই এই প্রকাশনাগুলো রয়েছে, সেখানে একমাত্র সত্য ঈশ্বরের উপাসনা করুন বই বা একটা পুরনো প্রকাশনা অর্পণ করুন। ডিসেম্বর: সর্বমহান পুরুষ যিনি কখনও জীবিত ছিলেন। বিকল্প অর্পণ হিসেবে, আমার বাইবেলের গল্পের বই অথবা আপনি পরমদেশ পৃথিবীতে অনন্তকাল বেঁচে থাকতে পারেন বই আপনি ব্যবহার করতে পারেন।
▪ শাখা অফিস প্রকাশকদের জন্য আলাদা করে সাহিত্য পাঠায় না। মণ্ডলীর মাসিক সাহিত্যের অর্ডার শাখা অফিসে পাঠানোর আগে পরিচালক অধ্যক্ষ প্রত্যেক মাসে তা ঘোষণার ব্যবস্থা করবেন, যাতে যারা সাহিত্যাদি নিতে চায়, তারা সকলে যে-ভাই সাহিত্য বিভাগ দেখাশোনা করেন, তাকে তা বলতে পারে। কোন প্রকাশনাগুলো বিশেষ আবেদনের বিষয় দয়া করে তা মনে রাখুন।
▪ সমাজচ্যুত অথবা মেলামেশা বন্ধ করে দিয়েছে, এমন ব্যক্তিরা যারা আবার মণ্ডলীতে ফিরে আসতে চায়, তাদের সম্বন্ধে প্রাচীনদের মনে করিয়ে দেওয়া হচ্ছে যে, তারা যেন ১৯৯২ সালের ১লা ফেব্রুয়ারি প্রহরীদুর্গ পত্রিকার ১৭-১৯ পৃষ্ঠায় দেওয়া পরামর্শগুলো মেনে চলে।
▪ আমাদের রাজ্যের পরিচর্যা-র এই সংখ্যার ইনসার্টে জ্ঞান বইয়ের জন্য প্রস্তাবিত উপস্থাপনাগুলো রয়েছে। সাক্ষ্য দেওয়ার সময় আপনি যতগুলো সম্ভব ব্যবহার করার চেষ্টা করুন আর দেখুন যে কেমন ফল পান।
▪ বাঙ্গালোর শাখা অফিস ক্রমাগতভাবে লোনাভালার ঠিকানায় আসা চিঠিপত্র পাচ্ছে। এটা বিশেষ করে সেইসব আগ্রহী ব্যক্তির কাছ থেকে যারা আমাদের সাহিত্যাদি পড়েছে এবং এই বিষয়ে আরও জানতে আগ্রহী অথচ তাদের সঙ্গে পুনরায় সাক্ষাৎ করা হয়নি। সম্প্রতি ছাপানো পত্রিকা বা সাহিত্য ছাড়া আমাদের বেশির ভাগ প্রকাশনায় এখনও লোনাভালার ঠিকানা রয়েছে। প্রকাশকদের কাছে এবং মণ্ডলীগুলোতে জমে থাকা সাহিত্যাদির ক্ষেত্রেও এই বিষয়টা সত্য। তাই, জমে থাকা সাহিত্য শেষ না পর্যন্ত এবং তা নতুন করে না ছাপানো পর্যন্ত আমরা প্রকাশকদের অনুরোধ করছি যে, এই সাহিত্যাদি দেওয়ার সময়ে দয়া করে পুরাতন ঠিকানা বদল করে, বাঙ্গালোরের নতুন ঠিকানা দিন। এটা কিছুটা হলেও লোনাভালায় চিঠিপত্র যাওয়া এবং এই চিঠিপত্রের উত্তর দেওয়ার বিলম্বতাকে কমাতে পারে।
▪ ২০০৪ সালের স্মরণার্থক মরশুমের বিশেষ জনসাধারণের বক্তৃতা ১৮ই এপ্রিল রবিবার দেওয়া হবে। বক্তৃতার বিষয়বস্তু পরে ঘোষিত হবে। যে-সমস্ত মণ্ডলীতে সীমা অধ্যক্ষের পরিদর্শন চলছে অথবা সীমা অধিবেশন সেই সপ্তাহের শেষে হবে সেই মণ্ডলীগুলোতে এই বিশেষ বক্তৃতা পরের সপ্তাহে দেওয়া হবে। কোনো মণ্ডলীতে ২০০৪ সালের ১৮ই এপ্রিলের আগে এই বিশেষ বক্তৃতা দেওয়া হবে না।
▪ যে-প্রকাশনাগুলো আবার পাওয়া যাচ্ছে:
যিহোবার সাক্ষীরা এবং শিক্ষা —হিন্দি
জীবনের উদ্দেশ্য কী—আপনি কিভাবে তা পেতে পারেন? —বাংলা, মারাঠি, হিন্দি
ঈশ্বর কি প্রকৃতই আমাদের জন্য চিন্তা করেন? —কান্নাড়া, গুজরাটি, বাংলা, মারাঠি, হিন্দি
আমরা মারা গেলে আমাদের কী হয়? —ইংরেজি
যিহোবার উদ্দেশে প্রশংসা গীত গাও (২৯টা গান) —হিন্দি
কুরুক্ষেত্র থেকে আরমাগিদোন—এবং আপনার সংরক্ষণ —কান্নাড়া, গুজরাটি, তামিল, তেলুগু, বাংলা, মালায়ালাম, হিন্দি
মৃত্যুর উপরে বিজয়লাভ —নেপালি
আমাদের জীবন কি নিয়তির হাতে বাধা—নাকি ঈশ্বর আমাদের দায়ী করেন? (মুসলমানদের জন্য) (ট্র্যাক্ট নং. ৭১) —উর্দু