একজন আত্মীয়কে যখন সমাজচ্যুত করা হয়, তখন খ্রীষ্টীয় আনুগত্য দেখান
১ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বন্ধন খুবই শক্তিশালী হতে পারে। এটা একজন খ্রীষ্টানের জন্য এক পরীক্ষা নিয়ে আসে যখন একজন বিবাহসাথি, সন্তান, বাবা অথবা মা কিংবা অন্য কোন নিকট আত্মীয় সমাজচ্যুত হন অথবা মণ্ডলীর সঙ্গে মেলামেশা করা বন্ধ করে দেন। (মথি ১০:৩৭) অনুগত খ্রীষ্টানদের এরকম একজন আত্মীয়ের সঙ্গে কেমন ব্যবহার করা উচিত? সেই ব্যক্তি যদি আপনার পরিবারের মধ্যে বাস করেন, তা হলে কি ব্যবহার আলাদা হওয়া উচিত? আসুন এই বিষয়ে বাইবেল যা বলে এবং যারা সমাজচ্যুত হয়েছেন ও মেলামেশা করা বন্ধ করে দিয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে যে-নীতিগুলো সমানভাবে প্রযোজ্য, সেগুলো প্রথমে আমরা পুনরালোচনা করে দেখি।
২ বহিষ্কৃত ব্যক্তিদের সঙ্গে কেমন ব্যবহার করবেন: মণ্ডলী থেকে বহিষ্কৃত ব্যক্তির সংসর্গে না থাকতে অথবা তার সঙ্গে মেলামেশা না করতে ঈশ্বরের বাক্য খ্রীষ্টানদের আদেশ দেয়: “ভ্রাতা নামে আখ্যাত কোন ব্যক্তি যদি ব্যভিচারী কি লোভী কি প্রতিমাপূজক কি কটুভাষী কি মাতাল কি পরধনগ্রাহী হয়, তবে তাহার সংসর্গে থাকিতে নাই, এমন ব্যক্তির সহিত আহার করিতেও নাই। . . . তোমরা আপনাদের মধ্য হইতে সেই দুষ্টকে বাহির করিয়া দেও।” (বাঁকা অক্ষরে মুদ্রণ আমাদের।) (১ করি. ৫:১১, ১৩) এ ছাড়া, মথি ১৮:১৭ পদে লিপিবদ্ধ যীশুর এই কথাগুলোও এর সঙ্গে সম্বন্ধযুক্ত: “[বহিষ্কৃত ব্যক্তি] তোমার নিকটে পরজাতীয় লোকের ও করগ্রাহীর তুল্য হউক।” যীশুর শ্রোতারা ভালভাবে জানতেন যে, সেই সময়ে পরজাতীয়দের সঙ্গে যিহুদিদের কোন সৌহার্দ্য ছিল না আর তারা করগ্রাহীদের জাতিচ্যুত হিসেবে এড়িয়ে চলত। এইভাবে যীশু তাঁর অনুগামীদের বহিষ্কৃত ব্যক্তিদের সঙ্গে মেলামেশা না করতে নির্দেশ দিচ্ছিলেন।—১৯৮১ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর প্রহরীদুর্গ (ইংরেজি) এর ১৮-২০ পৃষ্ঠা দেখুন।
৩ এর মানে অনুগত খ্রীষ্টানরা মণ্ডলী থেকে বহিষ্কৃত কারও সঙ্গেই আধ্যাত্মিক ব্যাপারে যোগাযোগ রাখবে না। কিন্তু আরও কিছু জড়িত। ঈশ্বরের বাক্য জানায় যে, আমাদের ‘এমন ব্যক্তির সহিত আহার করাও উচিত নয়।’ (১ করি. ৫:১১) তাই, আমরা একজন বহিষ্কৃত ব্যক্তির সঙ্গে সামাজিকভাবে মেলামেশা করাও এড়িয়ে চলি। এর অন্তর্ভুক্ত হল তার সঙ্গে বনভোজন, পার্টি, ফুটবল খেলা দেখা অথবা একসঙ্গে কেনাকাটা করতে কিংবা থিয়েটারে যাওয়া অথবা ঘরে বা রেস্টুরেন্টে বসে তার সঙ্গে খাওয়াদাওয়া করা।
৪ একজন সমাজচ্যুত ব্যক্তির সঙ্গে কথাবার্তা বলা সম্বন্ধে কী? যদিও বাইবেল সম্ভাব্য প্রত্যেকটা পরিস্থিতির বিষয়ে বলে না কিন্তু ২ যোহন ১০ পদ আমাদের এই বিষয়ে যিহোবার দৃষ্টিভঙ্গি সম্বন্ধে জানতে সাহায্য করে: “যদি কেহ সেই শিক্ষা না লইয়া তোমাদের কাছে আইসে, তবে তাহাকে বাটীতে গ্রহণ করিও না, এবং তাহাকে ‘মঙ্গল হউক’ বলিও না।” এই বিষয়ের ওপর মন্তব্য করতে গিয়ে ১৯৮১ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর প্রহরীদুর্গ এর ২৫ পৃষ্ঠা বলে: “কাউকে শুধু ‘নমস্কার’ বলাই কথাবার্তা ও এমনকি বন্ধুত্ব গড়ে তোলার প্রথম পদক্ষেপ হতে পারে। একজন সমাজচ্যুত ব্যক্তির সঙ্গে আমরা কি এই প্রথম পদক্ষেপটা নিতে চাইব?”
৫ প্রকৃতপক্ষে, প্রহরীদুর্গ এর সেই একই সংখ্যার ৩১ পৃষ্ঠায় যেমন বলা আছে সেইরকম: “সত্যটা হল যে, যখন একজন খ্রীষ্টান পাপের কাছে হার মানেন আর তাকে সমাজচ্যুত হতে হয়, তখন তিনি শাস্তি হিসেবে অনেক বিষয় থেকে বঞ্চিত হন: ঈশ্বরের সঙ্গে তার অনুমোদনযোগ্য মান; . . . ভাইদের সঙ্গে মধুর মেলামশা ও সেইসঙ্গে খ্রীষ্টান আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে তার সাহচর্য।”
৬ নিজের পরিবারের মধ্যে: এর মানে কি এই যে, একই পরিবারের একজন সমাজচ্যুত সদস্যের সঙ্গে খ্রীষ্টানরা রোজকার কাজগুলো করার সময় কথা বলা, খাওয়াদাওয়া করা এবং মেলামেশা করা এড়িয়ে চলবেন? ১৯৯১ সালের ১৫ই এপ্রিল প্রহরীদুর্গ (ইংরেজি) এর ২২ পৃষ্ঠার পাদটীকায় বলা হয়েছে যে: “যদি খ্রীষ্টীয় পরিবারে কোন সমাজচ্যুত সদস্য থাকেন, তা হলে সেই ব্যক্তি তখনও পরিবারের রোজকার ব্যাপার ও কাজগুলোর অংশী হবেন।” তাই, পরিবারের সমাজচ্যুত সদস্যকে খাওয়াদাওয়া অথবা পরিবারের অন্যান্য কাজগুলোতে কতটা অন্তর্ভুক্ত করা হবে সেটা স্থির করা পরিবারের সদস্যদের ওপর ছেড়ে দেওয়া যায়। তবুও, তারা যে-ভাইদের সঙ্গে মেলামেশা করে তাদের তারা এই ধারণা দিতে চাইবেন না যে, সমাজচ্যুত হওয়ার আগে সবকিছু যেমন হতো, এখনও তা-ই আছে।
৭ কিন্তু, সমাজচ্যুত অথবা মেলামেশা বন্ধ করে দিয়েছেন এমন ব্যক্তির সম্বন্ধে ১৯৮১ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর প্রহরীদুর্গ এর ২৮ পৃষ্ঠা বলে: “আগের আধ্যাত্মিক বন্ধন একেবারে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এমনকি তার আত্মীয়স্বজনদের বেলায়ও এটা সত্য, যাদের মধ্যে রয়েছে তার নিজের পরিবারের সদস্যরা। . . . এর অর্থ হবে আধ্যাত্মিক মেলামেশায় পরিবর্তন, যা হয়তো ওই বাড়িতে করা হতো। উদাহরণ হিসেবে, স্বামী যদি সমাজচ্যুত হন, তা হলে তার স্ত্রী ও ছেলেমেয়েরা তাকে পারিবারিক বাইবেল অধ্যয়ন পরিচালনা করতে অথবা বাইবেল পাঠে ও প্রার্থনায় নেতৃত্ব নিতে দেখে স্বচ্ছন্দ বোধ করবে না। যদি তিনি প্রার্থনা করতে চান, যেমন খাবারের সময়, তা হলে তার নিজের ঘরে তা করার অধিকার তার আছে। কিন্তু তারা নীরবে ঈশ্বরের কাছে তাদের নিজস্ব প্রার্থনা করতে পারে। (হিতো. ২৮:৯; গীত. ১১৯:১৪৫, ১৪৬) পরিবারের সদস্যরা যখন ঘরে একসঙ্গে বাইবেল পড়ে অথবা বাইবেল অধ্যয়ন করে, তখন যদি পরিবারের সমাজচ্যুত একজন ব্যক্তি সেখানে উপস্থিত থাকতে চান, তা হলে কী? তিনি যদি তাদের শিক্ষা দেওয়ার অথবা নিজের ধর্মীয় মতামত জানানোর চেষ্টা না করেন, তা হলে অন্যরা হয়তো শোনার জন্য তাকে উপস্থিত থাকতে দিতে পারে।”
৮ ঘরের একজন নাবালক সন্তান যদি সমাজচ্যুত হয়, তা হলে তাকে মানুষ করে তোলার দায়িত্ব তখনও খ্রীষ্টীয় বাবামার। ১৯৮৮ সালের ১৫ই নভেম্বর প্রহরীদুর্গ এর ২০ পৃষ্ঠা জানায়: “ঠিক যেমন তারা তাকে অন্ন, বস্ত্র ও বাসস্থান জুগিয়ে যাবেন, তেমনই তাদের ঈশ্বরের বাক্যের সঙ্গে মিল রেখে তাকে শিক্ষা দেওয়া ও শাসন করা দরকার। (হিতো. ৬:২০-২২; ২৯:১৭) তাই, এমনকি যদিও সে সমাজচ্যুত, তবুও প্রেমময় বাবামা তার সঙ্গে একটা গৃহ বাইবেল অধ্যয়নের ব্যবস্থা করতে পারেন। একা তার সঙ্গে এই অধ্যয়ন থেকে সে হয়তো সবচেয়ে ভাল সংশোধন পাওয়ার উপকার লাভ করতে পারে। অথবা তারা হয়তো স্থির করতে পারেন যে, পারিবারিক অধ্যয়নের আয়োজনে সে সবসময় অংশ নেবে কি না।”—২০০১ সালের ১লা অক্টোবর প্রহরীদুর্গ এর ১৬-১৭ পৃষ্ঠাও দেখুন।
৯ একই পরিবারে থাকে না এমন আত্মীয়স্বজনরা: ১৯৮৮ সালের ১৫ই এপ্রিল প্রহরীদুর্গ (ইংরেজি) এর ২৮ পৃষ্ঠা জানায়, “সমাজচ্যুত অথবা মেলামেশা বন্ধ করে দিয়েছেন এমন ব্যক্তি যদি একজন আত্মীয় হন যিনি আপনার পরিবার ও ঘরের সদস্য নন, তা হলে পরিস্থিতি আলাদা। সেই আত্মীয়ের সঙ্গে বলতে গেলে কোনরকম যোগাযোগ না রাখা হয়তো সম্ভব। এমনকি যদি পারিবারিক কিছু ব্যাপারের জন্য যোগাযোগ করতেও হয়, তা হলে অবশ্যই সেটা সীমিত রাখতে হবে” আর সেটা ঈশ্বরের এই আদেশের সঙ্গে মিল রাখে যে “তাহার সংসর্গে থাকিতে নাই” যিনি অনুতপ্ত না হয়ে পাপ করার দোষে দোষী। (বাঁকা অক্ষরে মূদ্রণ আমাদের।) (১ করি. ৫:১১) অনুগত খ্রীষ্টানদের এইরকম একজন আত্মীয়ের সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় মেলামেশা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করা উচিত, এমনকি ব্যাবসা সংক্রান্ত লেনদেনও একেবারে সীমিত রাখা দরকার।—১৯৮১ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর প্রহরীদুর্গ (ইংরেজি) এর ২৯-৩০ পৃষ্ঠাও দেখুন।
১০ প্রহরীদুর্গ আরেকটা পরিস্থিতির কথা বলে যা উপস্থিত হতে পারে: “যদি একজন নিকট আত্মীয়, যেমন পরিবারের সঙ্গে থাকেন না এমন একজন ছেলে কিংবা বাবা অথবা মা যদি সমাজচ্যুত হন আর পরে পরিবারের সঙ্গে থাকার জন্য ফিরে আসতে চান, তা হলে কী? পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে পরিবার স্থির করতে পারে যে, কী করা দরকার। উদাহরণ হিসেবে, একজন সমাজচ্যুত বাবা অথবা মা হয়তো অসুস্থ কিংবা আর্থিক অথবা শারীরিক দিক দিয়ে নিজের দেখাশোনা করতে পারছেন না। সাহায্য করার জন্য খ্রীষ্টীয় সন্তানদের এক শাস্ত্রীয় ও নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে। (১ তীম. ৫:৮) . . . যা করা হয় তা হয়তো, বাবা অথবা মায়ের সত্যিকারের চাহিদাগুলো, তার মনোভাব এবং পরিবারের মস্তকের তার পরিবারের আধ্যাত্মিক মঙ্গল সম্বন্ধে চিন্তা, এই বিষয়গুলোর ওপর নির্ভর করতে পারে।”—১৯৮১ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর প্রহরীদুর্গ (ইংরেজি) এর ২৮-৯ পৃষ্ঠা দেখুন।
১১ একজন সন্তানের বিষয়ে এই একই প্রবন্ধ আরও বলে: “কখনও কখনও খ্রীষ্টান বাবামা কিছু সময়ের জন্য এক সমাজচ্যুত সন্তানকে ঘরে ফেরার অনুমতি দেন, যে কিনা শারীরিক অথবা মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। কিন্তু প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে, বাবামা ব্যক্তির পরিস্থিতিগুলোকে বিবেচনা করে দেখতে পারেন। সমাজচ্যুত ছেলে কি পরিবার থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করত আর এখন সে কি তা করতে পারছে না? অথবা সে কি মূলত এইজন্যই ফিরে আসতে চায় যে, আরও আরামের জীবন সে পাবে? তার নৈতিক চরিত্র ও মনোভাব সম্বন্ধে কী বলা যায়? সে কি ঘরের মধ্যে ‘তাড়ী’ নিয়ে আসবে?—গালা. ৫:৯.”
১২ যিহোবার প্রতি অনুগত থাকার উপকারগুলো: সমাজচ্যুত করার ব্যাপারে শাস্ত্রীয় ব্যবস্থার সঙ্গে সহযোগিতা করা এবং অনুতাপহীন অন্যায়কারীকে এড়িয়ে চলা উপকারী। এটা মণ্ডলীর শুদ্ধতা বজায় রাখে এবং বাইবেলের উচ্চ নৈতিক মান পালনকারী হিসেবে আমাদের আলাদা করে। (১ পিতর ১:১৪-১৬) এটা আমাদের কলুষিত প্রভাবগুলো থেকে রক্ষা করে। (গালা. ৫:৭-৯) এ ছাড়া, অন্যায়কারী যে-শাসন পায় সেটা থেকে পুরোপুরি উপকার পাওয়ার জন্য এটা তাকে একটা সুযোগ দান করে, যা তাকে “ধার্ম্মিকতার শান্তিযুক্ত ফল” উৎপন্ন করতে সাহায্য করতে পারে।—ইব্রীয় ১২:১১.
১৩ এক সীমা অধিবেশনে একটা বক্তৃতা শোনার পর, একজন ভাই এবং তার নিজের বোন উপলব্ধি করেছিলেন যে, ছয় বছর ধরে সমাজচ্যুত তাদের মা যিনি অন্য জায়গায় থাকতেন তার সঙ্গে তারা যেভাবে ব্যবহার করেছেন, তাতে তাদের কিছু রদবদল করার দরকার আছে। অধিবেশনের পরই, সেই ব্যক্তি তার মাকে ডাকেন এবং তাকে তারা ভালবাসে এই আশ্বাস দেওয়ার পর, তিনি বলেছিলেন যে, গুরুত্বপূর্ণ পারিবারিক বিষয় নিয়ে যোগাযোগ করার দরকার না হলে তারা তার সঙ্গে কথা বলতে পারবে না। এর অল্পদিন পরেই, তার মা সভাগুলোতে যোগ দিতে শুরু করেন এবং অবশেষে তিনি আগের অবস্থায় ফিরে আসেন। এ ছাড়া, তার অবিশ্বাসী স্বামী অধ্যয়ন শুরু করেন এবং পরে বাপ্তিস্ম নেন।
১৪ শাস্ত্রে উল্লেখিত সমাজচ্যুত হওয়ার ব্যবস্থাকে আনুগত্যের সঙ্গে মেনে চলা যিহোবার প্রতি আমাদের প্রেম প্রকাশ করে এবং যে তাঁকে টিট্কারী দেয় তাকে উত্তর জোগায়। (হিতো. ২৭:১১) তা করে, আমরা যিহোবার আশীর্বাদ পাব বলে নিশ্চিত থাকতে পারি। যিহোবার সম্বন্ধে রাজা দায়ূদ লিখেছিলেন: “আমি তাঁহার বিধিপথ হইতে দূরে যাই নাই। তুমি দয়াবানের [“অনুগত ব্যক্তির,” NW] সহিত সদয় [“আনুগত্যের সঙ্গে,” NW] ব্যবহার করিবে।”—২ শমূ. ২২:২৩, ২৬.
[অধ্যয়ন প্রশ্নাবলি]
১. কোন্ পরিস্থিতি একজন খ্রীষ্টানের আনুগত্যকে পরীক্ষায় ফেলতে পারে?
২. বাইবেল অনুসারে, খ্রীষ্টানরা মণ্ডলী থেকে বহিষ্কৃত ব্যক্তিদের সঙ্গে কেমন ব্যবহার করবেন?
৩, ৪. সমাজচ্যুত এবং মেলামেশা বন্ধ করে দিয়েছেন এমন লোকেদের সঙ্গে কীধরনের মেলামেশা করা নিষেধ?
৫. একজন ব্যক্তি যখন সমাজচ্যুত হন, তখন তিনি কীসের থেকে বঞ্চিত হন?
৬. একই পরিবারে বাস করে এমন একজন সমাজচ্যুত আত্মীয়ের সঙ্গে একজন খ্রীষ্টানের কি সব রকম মেলামেশা বন্ধ করে দেওয়া দরকার? ব্যাখ্যা করুন।
৭. পরিবারের একজন সদস্য যখন সমাজচ্যুত হন, তখন ঘরের আধ্যাত্মিক মেলামেশা কীভাবে পালটে যায়?
৮. ঘরের একজন সমাজচ্যুত নাবালক সন্তানের প্রতি খ্রীষ্টান বাবামার কী দায়িত্ব রয়েছে?
৯. পরিবারে থাকেন না এমন একজন সমাজচ্যুত আত্মীয়ের সঙ্গে একজন খ্রীষ্টানের কতদূর পর্যন্ত যোগাযোগ রাখা উচিত?
১০, ১১. একজন সমাজচ্যুত আত্মীয়কে ঘরে ফিরে আসতে অনুমতি দেওয়ার আগে একজন খ্রীষ্টান কী বিবেচনা করবেন?
১২. সমাজচ্যুত ব্যবস্থার কিছু উপকার কী?
১৩. একটা পরিবার কোন্ রদবদল করেছিল আর এতে কী ফল পাওয়া গিয়েছিল?
১৪. কেন আমাদের সমাজচ্যুত হওয়ার ব্যবস্থাকে আনুগত্যের সঙ্গে সমর্থন করা উচিত?