পৃথিবীর প্রান্ত পর্যন্ত—সাক্ষ্য দেওয়া
সম্ভবত কারা পৃথিবীর প্রান্ত পর্যন্ত (ইংরেজি) ভিডিওটা বার বার দেখতে চাইবেন? যারা মিশনারি হওয়ার লক্ষ্য রাখেন। কেন? ওয়াচটাওয়ার বাইবেল স্কুল অফ গিলিয়েডের সঙ্গে নিজেদেরকে পরিচিত করানোর জন্য। ‘পৃথিবীর প্রান্তস্থিত সকলের’ কাছে সাক্ষ্যদানের কাজকে বাড়ানোর জন্য প্রতিষ্ঠিত এই অসাধারণ স্কুলের ৫০তম বার্ষিকী এই ভিডিওতে দেখানো হয়েছে। (গীত. ২২:২৭) এটা দেখলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সুসমাচার প্রচার কাজের প্রতি আপনার উপলব্ধি বেড়ে যাবে এবং আরও বেশি করে প্রচার কাজ করার জন্য আপনাকে উৎসাহ দেবে। বিবেচনা করুন: (১) ১৯৪০ দশকের প্রথম দিকে, কী যিহোবার সংগঠনের প্রধান চিন্তার বিষয় হয়ে উঠেছিল? (প্রেরিত ১:৮) (২) ১৯৪২ সালে, বাইবেলের কোন্ চমৎকার ভবিষ্যদ্বাণীটা পূর্ণ হয়েছিল আর জগতের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে কীভাবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা ছিল? (প্রকা. ১৭:৮; w৮৯ ৪/১৫ পৃ. ১৪ অনু. ১২) (৩) ২য় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রত্যাশিত শান্তির সময়কে কাজে লাগানোর জন্য কী কী পরিকল্পনা করা হয়েছিল? (jv পৃ. ৫২২ অনু. ১-২) (৪) গিলিয়েড স্কুলের প্রথম ক্লাসের ছাত্রদের কোন্ গুণগুলো আপনাকে মুগ্ধ করেছে? (৫) গিলিয়েডের প্রথম ৫০ বছরে, কতজন ছাত্র গ্র্যাজুয়েট হয়েছিলেন আর কতগুলো দেশে তাদেরকে পাঠানো হয়েছিল? (৬) ছাত্ররা বাইবেল সম্বন্ধে আসলে কতখানি শিক্ষা লাভ করেন? (৭) কী একজনকে যোগ্য মিশনারি এবং ঈশ্বরের বাক্যের শিক্ষক করে তোলে? (৮) মিশনারির জীবন কেমন আর তাদেরকে কোন্ বাধাগুলোর মুখোমুখি হতে হয়? (৯) মিশনারিরা তাদের জীবনধারা সম্বন্ধে কী মনে করেন এবং তাদের আত্মত্যাগের দ্বারা তারা কোন্ বিশেষ আনন্দ পান? (১০) এ পর্যন্ত হাজার হাজার মিশনারিরা কী সম্পাদন করেছেন? উদাহরণ দিন। (১১) যে সমস্ত ভাইবোনেরা প্রচার করার জন্য ‘পৃথিবীর প্রান্ত’ পর্যন্ত গেছেন তাদের সম্পর্কে আপনার অনুভূতি কী? (১২) মিশনারিরা যে উদাহরণ রেখেছেন তা আপনাকে কী করতে উৎসাহিত করে এবং কেন?