ঘোষণাবলি
▪ জানুয়ারি মাসের জন্য সাহিত্য অর্পণ: ব্রোশার: বিংশ শতাব্দীতে যিহোবার সাক্ষীবৃন্দ এবং যিহোবার সাক্ষীবৃন্দ একত্রে পৃথিবীব্যাপী ঈশ্বরের ইচ্ছা পালন করছেন (ইংরেজি)। এছাড়া ১৯২ পৃষ্ঠার পুরনো বইগুলো অর্পণ করা যেতে পারে। ফেব্রুয়ারি: জীবন—কিভাবে এখানে এসেছে? ক্রমবিবর্তন অথবা সৃষ্টির মাধ্যমে? (ইংরেজি), প্রকাশিত বাক্য—এর মহান পরিপূর্ণতা সন্নিকট! (ইংরেজি) অথবা মণ্ডলীতে মজুত আছে এমন যে কোন ১৯২ পৃষ্ঠার বই লোকেদেরকে দেওয়া যেতে পারে। মার্চ: জ্ঞান যা অনন্ত জীবনে পরিচালিত করে। বাইবেল অধ্যয়ন শুরু করার জন্য বিশেষ চেষ্টা করুন। এপ্রিল: প্রহরীদুর্গ এবং সচেতন থাক! পত্রিকা। পুনর্সাক্ষাতে যারা আগ্রহ দেখান তাদেরকে গ্রাহক অর্পণ করা যেতে পারে। সর্বমহান পুরুষ যিনি কখনও জীবিত ছিলেন বইটা অথবা আমার বাইবেলের গল্পের বই অর্পণ করুন।
▪ দয়া করে লক্ষ্য করুন যে ২০০২ সালের স্মরণার্থক সভা ২৮শে মার্চ, বৃহস্পতিবার সূর্যাস্তের পর হবে, ২০০১ সালের ক্যালেনডারের শেষে যেমন উল্লেখ করা হয়েছে ২২শে মার্চ শুক্রবারে নয়। এত আগে থেকে জানানো হচ্ছে কারণ যেখানে বেশ কয়েকটা মণ্ডলী একটা কিংডম হল ব্যবহার করে, সেখানে স্মরণার্থক সভার জন্য যাতে ভাইয়েরা অন্য হল ভাড়া করতে পারেন অথবা হল ভাড়া পাওয়ার জন্য ব্যবস্থা করে রাখতে পারেন। স্মরণার্থক সভা যাতে শান্তিপূর্ণ এবং সুন্দরভাবে হতে পারে তার জন্য প্রাচীনরা হল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে পারেন যে ওই দিন বিল্ডিংয়ে চলা অন্য কোন অনুষ্ঠান যেন আমাদের সভায় কোনরকম ব্যাঘাত না ঘটায়। যেহেতু এই অনুষ্ঠানটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তাই সভার বক্তাকে বেছে নেওয়ার সময় প্রাচীন গোষ্ঠী সতর্ক হবেন। যে ভাইয়ের পালা আসবে সেই ভাই বক্তৃতা দেবেন বা প্রত্যেক বছর একই ভাই বক্তৃতা দেবেন তা না করে তারা একজন যোগ্য ভাইকে বেছে নেবেন। কিন্তু মণ্ডলীতে যদি অভিষিক্ত কোন প্রাচীন থাকেন, তাহলে তিনিই বক্তৃতা দেবেন।
▪ ৮ই জানুয়ারি থেকে যে সপ্তা শুরু হবে সেই সপ্তার পরিচর্যা সভায় সমস্ত বাপ্তিস্মিত প্রকাশকদের চিকিৎসা বিষয়ক অগ্রিম নির্দেশপত্র/ঘোষণা কার্ড ও তাদের ছেলেমেয়েদের জন্য আইডেনটিটি কার্ড দেওয়া হবে।
▪ ফ্রেব্রুয়ারি মাসের শুরু থেকে ৪ঠা মার্চের মধ্যে সীমা অধ্যক্ষেরা যে নতুন জনসাধারণের বক্তৃতাটা দেবেন তার বিষয়বস্তু হল “বিচারের দিন—ভয়ের নাকি আশার?”
▪ এই বছর ৮ই এপ্রিল রবিবার সূর্যাস্তের পর স্মরণার্থক সভা পালন করার জন্য মণ্ডলীগুলো ব্যবস্থা করবে। যদিও বক্তৃতা আগে শুরু করা যেতে পারে কিন্তু স্মরণার্থক প্রতীকগুলোর পরিবেশন সূর্যাস্তের আগে শুরু করা উচিত নয়। আপনার এলাকায় কখন সূর্যাস্ত হচ্ছে তা জেনে নিন। যেহেতু ওই দিন ক্ষেত্রের পরিচর্যা ছাড়া অন্য কোন সভা হবে না, তাই অন্য কোন দিনে প্রহরীদুর্গ অধ্যয়ন পরিচালনার ব্যবস্থা করা উচিত। স্থানীয় পরিস্থিতি অনুযায়ী সীমা অধ্যক্ষদেরকে সেই সপ্তায় তাদের সভার তালিকায় রদবদল করার দরকার হবে। প্রতিটা মণ্ডলী যদি আলাদা আলাদাভাবে তাদের স্মরণার্থক সভা পালন করতে পারে, তাহলে ভাল হয় কিন্তু তা করা কিছুটা মুশকিল হয় যখন বেশ কয়েকটা মণ্ডলী একই কিংডম হল ব্যবহার করে। যেখানে কয়েকটা মণ্ডলী সাধারণত একটা কিংডম হলই ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে থেকে একটা বা তারও বেশি মণ্ডলী সেই রাতের জন্য অন্য হল ভাড়া করতে পারে। যদি সম্ভব হয়, তাহলে একই কিংডম হলে হওয়া দুটো সভার মধ্যে ৪০ মিনিট সময় রাখা ভাল যাতে করে ভাইবোনেরা এই সুযোগ থেকে পুরোপুরি উপকার পেতে পারেন, সকলের সঙ্গে কথাবার্তা বলতে পারেন ও নতুন আগ্রহী ব্যক্তিদের উৎসাহিত করতে পারেন। কাউকে কাউকে দিয়ে আসা ও নিয়ে আসা ছাড়াও যাতায়াত ও গাড়ি রাখার ব্যাপারটাও মাথায় রাখা দরকার। প্রাচীন গোষ্ঠী ঠিক করবেন যে তাদের এলাকায় কোন্ ব্যবস্থাগুলো সবচেয়ে বেশি ভাল হবে।
▪ ২০০১ সালের স্মরণার্থক মরসুমের বিশেষ জনসাধারণের বক্তৃতা ১লা এপ্রিল রবিবার দেওয়া হবে। বক্তৃতার বিষয়বস্তু হবে “কে রক্ষা পাবে?” বক্তৃতার পরিলেখ দিয়ে দেওয়া হবে। যে সমস্ত মণ্ডলীতে সীমা অধ্যক্ষের পরিদর্শন, সীমা অধিবেশন বা বিশেষ অধিবেশন দিন সেই শনিবার-রবিবারে পড়বে, সেই মণ্ডলীগুলোতে এই বিশেষ বক্তৃতা পরের সপ্তায় দেওয়া হবে। কোন মণ্ডলীতে ২০০১ সালের ১লা এপ্রিলের আগে এই বিশেষ বক্তৃতা দেওয়া হবে না।
▪ ২০০১ সালের জানুয়ারি ৮ সংখ্যা থেকে উর্দু ভাষায় সচেতন থাক! মাসিক হিসেবে পাওয়া যাবে।