ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w০০ ৯/১ পৃষ্ঠা ৩-৫
  • আপনি কি অপেক্ষা করতে জানেন?

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • আপনি কি অপেক্ষা করতে জানেন?
  • ২০০০ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • অপেক্ষা করতে করতে মূল্যবান সময় নষ্ট
  • অপেক্ষা করতে শেখা
  • ধৈর্যের পুরস্কার আছে
  • যিহোবার জন্য অপেক্ষা করার সময় সুখী
    ২০০৭ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • আপনি কি ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে ইচ্ছুক?
    প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে (অধ্যয়ন)—২০১৭
  • অপেক্ষা করুন!
    ২০০০ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • যিহোবার জন্য ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করার সময়ে আনন্দ বজায় রাখুন
    প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য সম্বন্ধে ঘোষণা করে (অধ্যয়ন)—২০২৪
আরও দেখুন
২০০০ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w০০ ৯/১ পৃষ্ঠা ৩-৫

আপনি কি অপেক্ষা করতে জানেন?

প্রতি বছর শুধু অপেক্ষা করে করে মানুষের কত সময় নষ্ট হয়, তা কি আপনি জানেন? তারা দোকানে বা পেট্রল স্টেশনে গিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকে। রেস্টুরেন্টে খাবারের অর্ডার দিয়ে অপেক্ষা করে। ডাক্তার দেখাতে গিয়ে অপেক্ষা করে। বাস বা ট্রেনের জন্য দাঁড়িয়ে থাকে। এভাবে একজন লোক তার জীবনের অনেকটা সময় অপেক্ষা করেই কাটিয়ে দেয়। একটা হিসেব দেখায় যে যানজটের কারণে শুধু জার্মানির লোকেদের বছরে ৪৭০ কোটি ঘন্টা নষ্ট হয়! হিসেব করে দেখা গেছে যে তা প্রায় ৭,০০০ জন লোকের মোট আয়ুর সমান।

কোন কিছুর জন্য অপেক্ষা করা খুবই বিরক্তিকর। আজকে, সবকিছু ঠিক ঠিক মতো করার জন্য যেন সময়ই পাওয়া যায় না আর কত কত কাজ পড়ে আছে, তা চিন্তা করলে অপেক্ষার পালাকে এক কঠিন পরীক্ষা বলেই মনে হয়। লেখক আলেকজান্ডার রোজ একবার বলেছিলেন: “জীবনের অর্ধেকটাই যায় অপেক্ষা করতে করতে।”

আমেরিকান কূটনীতিক বেঞ্জামিন ফ্রাংকলিন বলেছিলেন যে অপেক্ষা করলে অনেক টাকা লোকসান হতে পারে। প্রায় আড়াইশ বছর আগে তিনি বলেছিলেন: “সময়ই সম্পদ।” এইজন্য ব্যবসায়ীরা কাজ চলাকালে এক মুহূর্ত সময়ও নষ্ট করতে চান না। কারণ কম সময়ে বেশি উৎপাদন মানে বেশি লাভ। আজকে ব্যবসায়ীরা যত তাড়াতাড়ি পারা যায় লোকেদের সেবা করতে চান কারণ তারা জানেন যে খরিদ্দাররা খুশি হন যদি তাদের সময় নষ্ট না করা হয় আর এইজন্য তারা ফাস্ট ফুডের দোকান দেন বা টাকাপয়সার লেনদেন করার জন্য এমন ব্যবস্থা করেন, যাতে লোকেরা গাড়ি থেকে না নেমেই ব্যাংকের কাজ সারতে পারেন।

অপেক্ষা করতে করতে মূল্যবান সময় নষ্ট

উনিশ শতকের আমেরিকান কবি, রাল্ফ ওয়ালডো এমারসন একবার অভিযোগ করেছিলেন: “মানুষ তার জীবনের কতটা সময় যে অপেক্ষা করে নষ্ট করে তার কোন ইয়ত্তা নেই!” কিছুদিন আগে, লেখক ল্যান্স মরো, অপেক্ষা করা যে কতটা বিরক্তিকর ও শরীরের জন্য ক্ষতিকর সেই বিষয়ে বলেন। এরপর তিনি “অপেক্ষা করার সূক্ষ্ণ যন্ত্রণার” বিষয়ে বলেছিলেন। এর মানে কী? “একজন যখন বুঝতে পারে যে অপেক্ষা করে করে তার জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ সময় এবং আয়ু চুরি হয়ে যাচ্ছে, যা আর কখনও ফিরে পাওয়া যাবে না” তখন যে যন্ত্রণা হয়, তা-ই সূক্ষ্ণ যন্ত্রণা। এটা শুনতে হয়তো খারাপ লাগে কিন্তু এটাই সত্য। অপেক্ষা করে যে সময় নষ্ট হয়, তা আর কখনোই ফিরে পাওয়া যায় না।

আমাদের জীবন যদি এত ছোট না হতো, তাহলে অপেক্ষা করা নিয়ে আমরা এত মাথা ঘামাতাম না। কিন্তু জীবন খুবই ছোট। হাজার হাজার বছর আগে, বাইবেলের একজন গীতরচক বলেছিলেন: “আমাদের আয়ুর পরিমাণ সত্তর বৎসর; বলযুক্ত হইলে আশী বৎসর হইতে পারে; তথাপি তাহাদের দর্প ক্লেশ ও দুঃখমাত্র, কেননা তাহা বেগে পলায়ন করে, এবং আমরা উড়িয়া যাই।” (গীতসংহিতা ৯০:১০) আমরা যে-ই হই বা যেখানেই থাকি না কেন, জন্ম নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের আয়ু অর্থাৎ আমাদের জীবনের দিন কমতে থাকে। কিন্তু, কখনও কখনও আমাদেরকে এমন জরুরি অবস্থায় পড়তে হয় যে কোন কাজ বা লোকেদের কারণে আমাদের মূল্যবান সময় নষ্ট হয়।

অপেক্ষা করতে শেখা

আমরা অনেকেই হয়তো দেখেছি যে একজন ড্রাইভার সবসময়ই তার সামনের গাড়িকে পাশ কাটিয়ে আগে যেতে চায়। বেশির ভাগ সময়ই দেখা যায় যে ড্রাইভারদের হাতে তেমন কোন জরুরি কাজ থাকে না। কিন্তু, তারপরও সে আগে যেতে চায়। সে চায় না যে কোন গাড়ি তার গাড়িকে পাশ কাটিয়ে আগে যাক। তার এই অধৈর্য হয়ে পড়া দেখায় যে সে অপেক্ষা করতে শেখেনি। প্রশ্ন উঠতে পারে যে অপেক্ষা করতে আবার শিখতে হয় নাকি? হ্যাঁ হয় কারণ কী করে অপেক্ষা করতে হয় সেটা হল একটা শিক্ষা, যা সবারই শেখা উচিত। কেউই এটা সঙ্গে নিয়ে জন্মায় না। বাচ্চাদের যখন খিদে পায় বা কোন অসুবিধা হয় তখন তারা কাঁদতে শুরু করে দেয়, যা দেখায় যে তারা অপেক্ষা করতে চায় না। একমাত্র বড় হয়েই তারা বুঝতে পারে যে তারা যা চায় তা পাবার জন্য কখনও কখনও তাদেরকে অপেক্ষা করতে হবে। যেহেতু আমাদের প্রত্যেককেই কোন না কোন সময় অপেক্ষা করতে হয়, তাই দরকারের সময় ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করা বলে দেয় যে আমাদের যথেষ্ট জ্ঞানবুদ্ধি আছে।

অবশ্য, মাঝে মাঝে আমাদের জরুরি অবস্থায় পড়তে হয় যেখানে অধৈর্য হয়ে পড়াই স্বাভাবিক। যেমন, একজন যুবক তার গর্ভবতী স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার সময় পথে দেরি হলে সে যদি অধৈর্য হয়ে পড়ে, তাহলে তাকে দোষ দেওয়া যায় না কারণ তার স্ত্রীর বাচ্চা হওয়ার সময় এসে গেছে। যে দূতেরা লোটকে সদোম ছেড়ে চলে যেতে বলেছিলেন, তারা যখন দেখেন যে লোট দেরি করছিলেন তখন তারা অপেক্ষা করতে চাননি। কারণ একটু পরেই ওই শহর ধ্বংস হয়ে যাবে আর তাই লোট ও তার পরিবারের লোকেদের জীবন বিপদের মধ্যে ছিল। (আদিপুস্তক ১৯:১৫, ১৬) কিন্তু, বেশির ভাগ সময়ই দেখা যায় যে লোকেরা যখন অপেক্ষা করতে বাধ্য হয় তখন তাদের জীবন বিপদের মুখে থাকে না। মাঝে মাঝে কারও উদাসীনতা বা অবহেলার জন্য তাদেরকে যখন অপেক্ষা করতে হয় তখন তারা যদি ধৈর্য ধরেন, তাহলে সবকিছু মেনে নেওয়া সহজ হবে। এছাড়া, অপেক্ষা করার সময়টুকুকে কীভাবে কাজে লাগানো যায় তা যদি সবাই জানে, তাহলে ধৈর্য ধরা তাদের জন্য সহজ হবে। ৫ পৃষ্ঠার বাক্সে কিছু পরামর্শ দেওয়া আছে, যেগুলো মেনে চললে অপেক্ষা করার সময় শুধু ধৈর্যই ধরা হবে না কিন্তু সেই সময়টাও কাজে লাগবে।

অপেক্ষা করার সময় কেউ অধৈর্য হয়ে পড়লে বোঝা যাবে যে সে অহংকারী এবং নিজেকে বড় মনে করে। কারও যদি এরকম মনোভাব থাকে, তারা বাইবেলের এই কথাগুলো মনে রাখতে পারেন: “গর্ব্বিতাত্মা অপেক্ষা ধীরাত্মা ভাল।” (উপদেশক ৭:৮) গর্ব বা অহংকার হল একটা খারাপ গুণ আর তাই বাইবেলের হিতোপদেশ বলে: “যে কেহ হৃদয়ে গর্ব্বিত, সে সদাপ্রভুর ঘৃণাস্পদ।” (হিতোপদেশ ১৬:৫) তাই, ধৈর্য ধরার অর্থাৎ অপেক্ষা করতে শেখার জন্য আমাদের প্রত্যেকের নিজেকে ও চারপাশের লোকেদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক কেমন, তা পরীক্ষা করে দেখা দরকার।

ধৈর্যের পুরস্কার আছে

অপেক্ষা করা সাধারণত তখনই সহজ হয় যদি আমরা জানি, যে জিনিসের জন্য আমরা অপেক্ষা করে আছি, তা খুবই মূল্যবান এবং আমরা সেটা অবশ্যই পাব। এই বিষয়ে যিহোবার উপাসকদের কথা বলা যায়, যারা বাইবেলে লেখা যিহোবার সমস্ত চমৎকার প্রতিজ্ঞা পূর্ণ হবে বলে অপেক্ষা করে আছেন। যেমন, তারা জানেন যে ঈশ্বরের অনুপ্রেরণায় লেখা গীতসংহিতার বই বলে: “ধার্ম্মিকেরা দেশের অধিকারী হইবে, তাহারা নিয়ত তথায় বাস করিবে।” প্রেরিত যোহনও এই প্রতিজ্ঞার বিষয়ে লিখেছিলেন: “যে ব্যক্তি ঈশ্বরের ইচ্ছা পালন করে, সে অনন্তকালস্থায়ী।” (গীতসংহিতা ৩৭:২৯; ১ যোহন ২:১৭) এটা খুবই স্পষ্ট যে আমরা যদি চিরকাল বেঁচে থাকতে পারতাম, তাহলে অপেক্ষা করতে আমাদের খুব একটা অসুবিধা হতো না। কিন্তু এখন আমরা চিরকাল বেঁচে থাকতে পারছি না। তাহলে, এখনই কি অনন্ত জীবন নিয়ে চিন্তা করা ঠিক?

এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার আগে, আমাদের প্রথম বাবামা আদম ও হবার কথা একটু ভাবুন। ঈশ্বর তাদেরকে চিরকাল বেঁচে থাকার আশা দিয়ে সৃষ্টি করেছিলেন। কিন্তু তারা পাপ করেছিল আর এর ফলে তারা ও তাদের ছেলেমেয়েরা অর্থাৎ সমস্ত মানুষ সেই আশা হারায়। তবে তারা পাপ করার পর পরই ঈশ্বর তাঁর উদ্দেশ্য জানিয়েছিলেন এবং তাদের অবাধ্যতার ফলে যে পরিণতি হয়েছিল সেটাকে মুছে ফেলার ব্যবস্থা করেছিলেন। তিনি একটা ‘বংশের’ বিষয়ে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন আর সেই বংশ ছিলেন যীশু খ্রীষ্ট।—আদিপুস্তক ৩:১৫; রোমীয় ৫:১৮.

ঈশ্বরের প্রতিজ্ঞাগুলো যখন পূর্ণ হবে তখন আমরা তার থেকে উপকার নেব কি নেব না, তা আমাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। তবে উপকার পাওয়ার জন্য ধৈর্য ধরা দরকার। এই ধৈর্য ধরতে শেখার জন্য বাইবেল আমাদেরকে একজন কৃষকের কথা চিন্তা করতে বলে। বীজ বোনার পর কৃষকের অপেক্ষা করা ছাড়া আর কোন উপায়ই থাকে না। ফসল কাটার আগে পর্যন্ত ফসলকে রোদ-বৃষ্টি, পোকামাকড়ের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য সে আপ্রাণ চেষ্টা করে। তারপরই সে তার ধৈর্যের পুরস্কার আর পরিশ্রমের ফল পায়। (যাকোব ৫:৭) প্রেরিত পৌলও ধৈর্যের বিষয়ে বলেন। তিনি প্রাচীনকালের বিশ্বাসী নারী-পুরুষদের কথা আমাদেরকে মনে করিয়ে দেন। ঈশ্বরের উদ্দেশ্য পরিপূর্ণ হবে বলে তারা আশা করেছিলেন কিন্তু ঈশ্বরের নিরূপিত সময়ের জন্য তাদেরকে অপেক্ষা করতে হয়েছিল। পৌল আমাদেরকে তাদের মতো হতে বলেন, “যাহারা বিশ্বাস ও দীর্ঘসহিষ্ণুতা দ্বারা প্রতিজ্ঞা-সমূহের দায়াধিকারী।”—ইব্রীয় ৬:১১, ১২.

আমাদের প্রত্যেকেরই কোন না কোন সময় অপেক্ষা করতে হয়। আর অপেক্ষা করে সবসময় যে দুঃখই পেতে হবে, এমন কোন কথা নেই। যারা ঈশ্বরের প্রতিজ্ঞাগুলো পূর্ণ হবে বলে অপেক্ষা করে আছেন তাদের জন্য এটা আনন্দের বিষয় হবে। অপেক্ষা করার সময়ে তারা ঈশ্বরের সঙ্গে এক কাছের সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারেন এবং এমন কাজ করতে পারেন, যার থেকে বোঝা যায় যে তাদের বিশ্বাস আছে। আর প্রার্থনা করে, বাইবেল পড়ে ও ধ্যান করে তারা এই অটল বিশ্বাস গড়ে তুলতে পারেন যে ঈশ্বরের নিজের সময় মতো, তাঁর সমস্ত প্রতিজ্ঞা পূর্ণ হবেই হবে।

[৫ পৃষ্ঠার বাক্স/চিত্রগুলো]

অপেক্ষা করার সময় বিরক্তি কমান!

কী করবেন তা আগে থেকে ঠিক করুন! আপনি যদি জানেন যে আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে, তাহলে কিছু পড়ার বা লেখার জন্য, কিছু বোনার বা সেলাই করার জন্য কিংবা অন্য কোন কাজ করার জন্য আগে থেকে তৈরি থাকুন।

ওই সময়টাতে কোন বিষয় নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করুন। কারণ আজকের এই ব্যস্ত জগতে ধ্যান করার জন্য একেবারেই সময় পাওয়া যায় না।

টেলিফোনের সামনে কিছু বইপত্রিকা রাখুন, যাতে টেলিফোনে আপনাকে যখন কারও জন্য অপেক্ষা করতে হয় তখন তা পড়তে পারেন; দেখবেন পাঁচ-দশ মিনিটে আপনি কয়েক পৃষ্ঠা পড়ে শেষ করতে পারবেন।

অপেক্ষা করার সময় আশেপাশে লোকজন থাকলে যদি ঠিক হয়, তাহলে তাদের সঙ্গে ভাল কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলুন।

আপনার গাড়িতে সবসময় কোন নোটখাতা বা বইপত্র রাখুন, যাতে কোন কারণে অপেক্ষা করতে হলে আপনাকে শুধু শুধু বসে থাকতে না হয়।

চোখ বন্ধ করে বিশ্রাম নিন বা প্রার্থনা করুন।

বিরক্ত না হয়ে অপেক্ষা করার জন্য ভাল মনোভাব ও আগে থেকে চিন্তা করা দরকার।

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার