ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w৯৯ ৭/১৫ পৃষ্ঠা ২৯-৩১
  • পাঠকদের থেকে প্রশ্নসকল

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • পাঠকদের থেকে প্রশ্নসকল
  • ১৯৯৯ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • পাঠকদের কাছ থেকে প্রশ্ন
    প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য সম্বন্ধে ঘোষণা করে (অধ্যয়ন)—২০২৪
  • ‘যাঁহারা তোমাদের মধ্যে পরিশ্রম করেন, তাঁহাদিগকে সম্মান করিও’
    ২০১১ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • প্রাচীনেরা—ক্রমাগত প্রেরিত পৌলকে অনুকরণ করুন
    প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য সম্বন্ধে ঘোষণা করে (অধ্যয়ন)—২০২২
  • “মনের স্থিরতা হইতে বিচলিত” হওয়া এড়িয়ে চলুন!
    ২০১৩ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
১৯৯৯ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w৯৯ ৭/১৫ পৃষ্ঠা ২৯-৩১

পাঠকদের থেকে প্রশ্নসকল

২ থিষলনীকীয় ৩:১৪ পদে যে “চিহ্নিত” করার কথা বলা হয়েছে সেটা কি মণ্ডলীর মাধ্যমে নেওয়া কোন ব্যবস্থা নাকি অবাধ্য ব্যক্তিদের এড়িয়ে চলার জন্য খ্রীষ্টানরা ব্যক্তিগতভাবে তা করেন?

থিষলনীকীয়দেরকে প্রেরিত পৌল যা লিখেছিলেন তা থেকে বোঝা যায় যে এই “চিহ্নিত” করায় মণ্ডলীর প্রাচীনদের এক বড় ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু, এরপর এটা সব খ্রীষ্টানদের ওপর এসে পড়ে আর আধ্যাত্মিক বিষয়গুলোকে মনে রেখেই তারা তা করেন। এটা আমরা আরও ভাল করে বুঝতে পারব যদি আমরা দেখি যে ঠিক কোন্‌ পরিস্থিতিতে পৌল এই পরামর্শ দিয়েছিলেন।

পৌল থিষলনীকীয় মণ্ডলী স্থাপন করতে ও সেখানকার স্ত্রী-পুরুষদের বিশ্বাসী হতে সাহায্য করেছিলেন। (প্রেরিত ১৭:১-৪) পরে তাদেরকে প্রশংসা করার ও উৎসাহ দেওয়ার জন্য তিনি করিন্থে বসে তাদেরকে চিঠি লিখেছিলেন। তিনি তাদের প্রয়োজনীয় কিছু পরামর্শও দিয়েছিলেন। ‘শান্ত ভাবে থাকিতে ও আপন আপন কার্য্য করিতে এবং স্বহস্তে পরিশ্রম করিতে সযত্ন হইতে’ বলেছিলেন। কেউ কেউ সেভাবে চলছিল না বলে পৌল আরও লিখেছিলেন: “হে ভ্রাতৃগণ, আমরা তোমাদিগকে বিনয় করিতেছি, যাহারা অনিয়মিতরূপে চলে, তাহাদিগকে চেতনা দেও, ক্ষীণসাহসদিগকে সান্ত্বনা কর, দুর্ব্বলদিগের সাহায্য কর।” পৌলের এই কথাগুলো থেকে পরিষ্কার বোঝা যায় যে সেখানে কিছু ‘অনিয়মিত’a ব্যক্তিরা ছিল যাদেরকে পরামর্শ দিতে হয়েছিল।—১ থিষলনীকীয় ১:২-১০; ৪:১১; ৫:১৪.

কয়েক মাস পর পৌল থিষলনীকীয়দের কাছে তার দ্বিতীয় চিঠিতে যীশুর ভবিষ্যৎ উপস্থিতির বিষয়ে লিখেছিলেন। এছাড়াও অনিয়মিত ব্যক্তিরা যারা ‘কোন কার্য্য না করিয়া অনধিকারচর্চ্চা করিতেছিল’ তাদের সঙ্গে কেমন ব্যবহার করতে হবে সেই বিষয়েও পৌল কিছু পরামর্শ দিয়েছিলেন। তারা তাদের কাজের দ্বারা পরিশ্রমী কর্মী পৌলের উদাহরণকে এবং তার এই আজ্ঞাকে অবজ্ঞা করেছিলেন যে তাদের নিজেদের ভরণপোষণের জন্য কাজ করা দরকার। (১ থিষলনীকীয় ৩:৭-১২) তাই পৌল বলেছিলেন যে এর জন্য যেন কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়। কিন্তু এই পদক্ষেপ তখন নেওয়া দরকার যখন প্রাচীনেরা সেই অনিয়মিত ব্যক্তিকে ইতিমধ্যেই পরামর্শ অথবা উপদেশ দিয়েছেন। পৌল লিখেছিলেন:

“হে ভ্রাতৃগণ, আমরা . . . তোমাদিগকে এই আদেশ দিতেছি, যে কোন ভ্রাতা অনিয়মিতরূপে চলে, এবং তোমরা আমাদের নিকট হইতে যে শিক্ষা পাইয়াছ, তদনুসারে চলে না, তাহার সঙ্গ ত্যাগ কর; আর, হে ভ্রাতৃগণ, তোমরা সৎকর্ম্ম করিতে নিরুৎসাহ হইও না। আর যদি কেহ এই পত্র দ্বারা কথিত আমাদের বাক্য না মানে, তবে তাহাকে চিহ্নিত করিয়া রাখ, তাহার সংসর্গে থাকিও না, যেন সে লজ্জিত হয়; অথচ তাহাকে শত্রু জ্ঞান করিও না, কিন্তু ভ্রাতা বলিয়া চেতনা দেও।”—২ থিষলনীকীয় ৩:৬, ১৩-১৫.

তাই এর পরের পদক্ষেপগুলোর মধ্যে ছিল ওই অনিয়মিত ব্যক্তিদের সঙ্গ ছেড়ে দেওয়া, তাদেরকে চিহ্নিত করে রাখা, তাদের সঙ্গে মেলামেশা বন্ধ করা কিন্তু তারপরেও তাদেরকে ভাই হিসেবে চেতনা দেওয়া। তাহলে কোন্‌ কোন্‌ অবস্থায় মণ্ডলীর সদস্যরা ওই পদক্ষেপগুলো নেবেন? এই বিষয়ে পরিষ্কার হওয়ার জন্য আসুন আমরা তিনটে অবস্থাকে দেখি যে অবস্থাগুলোর কথা পৌল বলছিলেন না।

১. আমরা সবাই জানি যে অসিদ্ধ হওয়ায় আমরা খ্রীষ্টানেরাও ভুল করি। তবুও প্রেমই হল সত্য খ্রীষ্টানদেরকে চেনার চিহ্ন, যা আমাদেরকে অন্যদের সঙ্গে মানিয়ে নিতে এবং অন্যের ভুলগুলোকে ক্ষমা করে দিতে আমাদের প্রেরণা দেয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, কোন খ্রীষ্টান হয়তো প্রচণ্ড রেগে গিয়ে তার ভাইকে কিছু বলতে পারেন, যেমন বার্ণবা ও পৌলের মধ্যে হয়েছিল। (প্রেরিত ১৫:৩৬-৪০) এছাড়া হয়তো খুবই ক্লান্ত হওয়ায় একজন কিছু রূঢ় কথা কিংবা খারাপ কথা বলতে পারেন। এই অবস্থায়, আমরা ভালবাসা দেখিয়ে এবং বাইবেলের নীতি কাজে লাগিয়ে তাদের ভুলগুলোকে ঢেকে দিতে পারি আর খ্রীষ্টান ভাইবোনদের সঙ্গে থাকতে, মেলামেশা করতে ও একসঙ্গে কাজ করে চলতে পারি। (মথি ৫:২৩-২৫; ৬:১৪; ৭:১-৫; ১ পিতর ৪:৮) কিন্তু এটা পরিষ্কার যে ২ থিষলনীকীয়তে পৌল এইরকম দোষগুলোর বিষয়ে আলোচনা করছিলেন না।

২. পৌল এমন কোন পরিস্থিতির কথাও বলছিলেন না যখন একজন খ্রীষ্টান নিজে থেকে এমন একজনের সঙ্গে তার মেলামেশাকে কমিয়ে দেন যার আচরণ ও কথাবার্তা ঠিক নয়—যিনি হয়তো আমোদপ্রমোদের পিছনে অনেক সময় কাটান বা ধনদৌলতের পিছনে ছোটেন। এছাড়াও বাবামা হয়তো তাদের সন্তানদের এমন ছেলেমেয়েদের সঙ্গে মেলামেশা করতে নিষেধ করতে পারেন, যারা তাদের বাবামার বাধ্য নয়, ঝুঁকিপূর্ণ অথবা বিপদজনক খেলাধূলা করে অথবা সত্যকে গুরুত্ব দেয় না। এগুলো হল ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত যা আমরা হিতোপদেশ ১৩:২০ পদ পড়ে নিয়ে থাকি, যেখানে বলে: “জ্ঞানীদের সহচর হও, জ্ঞানী হইবে; কিন্তু যে হীনবুদ্ধিদের বন্ধু, সে ভগ্ন হইবে।”—১ করিন্থীয় ১৫:৩৩ পদের সঙ্গে তুলনা করুন।

৩. আরেকটু গুরুতর পরিস্থিতির কথা লিখতে গিয়ে পৌল করিন্থীয়দের এমন একজন ব্যক্তির বিষয়ে লিখেছিলেন যে জঘন্য পাপ করেছিল কিন্তু অনুতপ্ত হয়নি। এইরকম অনুতাপহীন পাপীদের মণ্ডলী থেকে বের করে দিতে হতো। সেই ‘দুষ্ট’ লোককে যেন শয়তানের হাতে ছেড়ে দেওয়া হতো। এরপর থেকে নিষ্ঠাবান খ্রীষ্টানদের বলা হয়েছিল যে এইরকম দুষ্ট লোকেদের সঙ্গে তারা যেন মেলামেশা করা বন্ধ করে দেন; প্রেরিত যোহন খ্রীষ্টানদেরকে এইরকম লোকেদের এমনকি শুভেচ্ছা জানাতেও নিষেধ করেছিলেন। (১ করিন্থীয় ৫:১-১৩; ২ যোহন ৯-১১) যাইহোক, এই অবস্থাও ২ থিষলনীকীয় ৩:১৪ পদের পরামর্শের সঙ্গে মেলে না।

দ্বিতীয় থিষলনীকীয়তে যে ‘অনিয়মিত’ ব্যক্তিদের কথা বলা হয়েছে তা ওপরের তিনটে পরিস্থিতিতে আলোচিত ব্যক্তিদের থেকে আলাদা। পৌল লিখেছিলেন যে এই ‘অনিয়মিত’ ব্যক্তিরা তখনও আমাদের ‘ভাই’ যাদেরকে চেতনা দেওয়া এবং তাদের সঙ্গে ভাইয়ের মতো আচরণ করা দরকার। তাই “অনিয়মিত” ভাইদের সম্বন্ধে সমস্যাটা খ্রীষ্টানদের মধ্যে ব্যক্তিগত কোন অমত কিংবা এতটা গুরুতর কিছু ছিল না যেখানে প্রাচীনদের হস্তক্ষেপ করতে অর্থাৎ সমাজচ্যুত করার মতো কিছু করতে হতো, যেমনটা পৌল করিন্থের অনৈতিক অবস্থার কারণে করেছিলেন। এই ‘অনিয়মিত’ ব্যক্তিরা করিন্থের ওই সমাজচ্যুত ব্যক্তির মতো গুরুতর পাপ করেনি।

কিন্তু থিষলনীকীর এই ‘অনিয়মিত’ ব্যক্তিরা খ্রীষ্টধর্ম থেকে অনেকখানি সরে পড়ার দোষে দোষী ছিল। তারা কোন কাজ করত না আর এর কারণ হিসেবে বলা যেতে পারে যে তারা হয়তো ভেবেছিল খ্রীষ্টের আগমন খুবই কাছে নতুবা তারা অলস ছিল। এছাড়াও, তারা ‘অনধিকারচর্চ্চা করিয়া’ মণ্ডলীতে সমস্যা তৈরি করছিল। পৌলের প্রথম পত্র এবং বাইবেলের অন্যান্য উপদেশের সঙ্গে মিল রেখে, মণ্ডলীর প্রাচীনেরা হয়তো তাদেরকে বার বার পরামর্শ দিয়েছিলেন। (হিতোপদেশ ৬:৬-১১; ১০:৪, ৫; ১২:১১, ২৪; ২৪:৩০-৩৪) তবুও তারা সেই পথে লেগেই ছিল যা মণ্ডলীর জন্য বদনাম নিয়ে এসেছিল আর তা অন্য খ্রীষ্টানদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়েছিল। তাই পৌল যিনি একজন খ্রীষ্টান প্রাচীন ছিলেন নির্দিষ্ট কারও নাম না নিয়েই তাদের অনিয়মকে সবার সামনেই তুলে ধরেছিলেন আর তারা যে ভুল পথে চলছিল তা সবাইকে জানিয়ে দিয়েছিলেন।

এছাড়াও তিনি মণ্ডলীকে বলেছিলেন যে খ্রীষ্টান হিসেবে সেই অনিয়মিত ব্যক্তিদের “চিহ্নিত” করা ঠিক। এর মানে ছিল লোকেদের চিনে রাখা যাদের আচরণের ব্যাপারে পুরো মণ্ডলীকে সতর্ক করা হয়েছিল। পৌল উপদেশ দিয়েছিলেন যে “তাহার সঙ্গ ত্যাগ কর।” কিন্তু যেহেতু তাকে তখনও ভাই বলা হয়েছে তাই এর অর্থ ছিল না যে ওই ব্যক্তির সঙ্গে পুরোপুরি মেলামেশা বন্ধ করে দিতে হবে, কারণ তাদের তাকে “ভ্রাতা বলিয়া চেতনা” দিতে হতো। তারা হয়তো সভাতে এসে কিংবা প্রচারে গিয়ে তাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলতে পারতেন। আর তারা আশা করতে পারতেন যে তাদের ভাই তাদের পরামর্শে কান দিয়ে ভুল পথ থেকে সরে আসবেন।

তাহলে, কোন্‌ অর্থে তাদের তার ‘সঙ্গ ত্যাগ’ করতে হতো? স্পষ্টতই এটা ছিল সামাজিক মেলামেশার বেলায়। (গালাতীয় ২:১২ পদের সঙ্গে তুলনা করুন।) তার সঙ্গে সামাজিক মেলামেশা বা ওঠা-বসা বন্ধ করে দিলে সে বুঝতে পারবে যে নীতি মেনে চলা এই লোকেরা তার চালচলনকে পছন্দ করেন না। এতে যদি সে লজ্জা না পায় বা সে নাও বদলায় তবুও এটা দেখে অন্যেরা অন্তত তাকে নকল করতে চাইবে না বা তার মতো হতে চাইবে না। সেইসঙ্গে এই খ্রীষ্টানদের গঠনমূলক বিষয়ের ওপর মনোযোগ দেওয়া উচিত ছিল। পৌল তাদের পরামর্শ দিয়েছিলেন: “হে ভ্রাতৃগণ, তোমরা সৎকর্ম্ম করিতে নিরুৎসাহ হইও না।”—২ থিষলনীকীয় ৩:১৩.

কিন্তু এটা পরিষ্কার যে প্রেরিতের এই পরামর্শের কারণে আমাদের সেইসব ভাইদেরকে নিচু চোখে দেখা বা তাদের বিচার করতে শুরু করে দেওয়া উচিত নয়, যারা সামান্য বা ছোটখাটো ভুল করেছেন। এর বদলে, এই পরামর্শ এমন একজনকে সাহায্য করার জন্য যে সত্য খ্রীষ্টতত্ত্ব থেকে সরে গিয়ে কোন ভুল কাজ করছে।

এখানে পৌল কোন সূক্ষ্ম বা জটিল নিয়ম তৈরি করছিলেন না। বরং তিনি বলেছিলেন যে প্রথমে প্রাচীনেরা কোন অনিয়মিত ব্যক্তিকে পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করার চেষ্টা করবেন। কিন্তু সেই ব্যক্তি যদি প্রাচীনের কথায় কান না দেয় ও তারপরেও যদি ওই খারাপ পথে চলতেই থাকে আর যদি এমন ভয়ও থাকে যে মণ্ডলীর অন্য লোকেরাও তাকে দেখে খারাপ কাজে জড়িয়ে পড়বে, তাহলে তারা ঠিক করতে পারেন যে এই ব্যাপারে মণ্ডলীকে সতর্ক করে দেওয়া উচিত। তারা মণ্ডলীতে একটা বক্তৃতার ব্যবস্থা করতে পারেন যে কেন এই অনিয়ম ত্যাগ করা উচিত। তারা বক্তৃতায় কারও নাম নেবেন না কিন্তু তাদের সতর্কতামূলক বক্তৃতাটা মণ্ডলীকে রক্ষা করবে কারণ বিবেচক ভাইয়েরা এইরকম অনিয়মিত ব্যক্তিদের সঙ্গে সামাজিক মেলামেশাকে বন্ধ করে দেবেন।

আশা করা যায় যে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনিয়মিত ব্যক্তি তার কাজের জন্য লজ্জিত হবে এবং তার পথ পাল্টাবে। প্রাচীন এবং মণ্ডলীর অন্যান্যেরা যখন এই পরিবর্তন দেখবেন তখন তারা নিজেরা ঠিক করতে পারেন যে তার সঙ্গে মেলামেশা করার ক্ষেত্রে যে সীমা তারা আরোপ করেছিলেন তা উঠিয়ে নেবেন কি না।

তাহলে, সংক্ষেপে বলা যায়: কেউ যদি অনিয়মিতভাবে চলে তবে তাকে সাহায্য ও পরামর্শ দেওয়ার জন্য সবচেয়ে প্রথমে মণ্ডলীর প্রাচীনেরা এগিয়ে আসবেন। সে যদি তার কাজে কিছু অন্যায় দেখতে না পায় এবং মণ্ডলীর অন্যদের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলতে থাকে, তাহলে প্রাচীনেরা এই বিষয়ের ওপর বক্তৃতা দিয়ে পুরো মণ্ডলীকে সতর্ক করে দেবেন আর তাকে এই অন্যায় কাজের বিষয়ে বাইবেল কী বলে তা দেখাবেন। সেই কাজগুলো হতে পারে, অবিশ্বাসীদের সঙ্গে প্রেম করা বা অন্য যে কোন ভুল কাজ। (১ করিন্থীয় ৭:৩৯; ২ করিন্থীয় ৬:১৪) এরপর মণ্ডলীর ভাইবোনেরা যাদের এই ব্যাপারে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে তারা নিজেরা ঠিক করতে পারেন যে তারা এমন ব্যক্তির সঙ্গে মেলামেশা বন্ধ করবেন যিনি এখনও অনিয়মিত পথে চলছেন কিন্তু যিনি এখনও আমাদের ভাই।

[পাদটীকাগুলো]

a এখানে ব্যবহৃত গ্রিক শব্দটা সেই সৈনিকদের জন্য ব্যবহার করা হতো যারা কোন আইন-শৃঙ্খলা বা নিয়ম মানত না। এছাড়াও তা সেই ছাত্রদেরকে বোঝাতো যারা ক্লাস ফাঁকি দিত।

[৩১ পৃষ্ঠার চিত্র]

খ্রীষ্টান প্রাচীনেরা অনিয়মিত ব্যক্তিকে পরামর্শ দেন কিন্তু তবুও তাকে খ্রীষ্টান ভাই বা বোন হিসেবেই দেখে থাকেন

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার