“সেই শান্ত পরিবেশকে আমি অনুভব করতে পারি”
সাক্ষীদের ওপর নজর রাখার জন্য “গুপ্তচর” হয়ে জার্মান-ভাষী এক ব্যক্তি একবার যিহোবার সাক্ষীদের একটা সম্মেলনে গিয়েছিলেন। কেন? তার উদ্দেশ্য ছিল “এই সম্প্রদায়ের মুখোশ খুলে দিয়ে তার বন্ধুদের বিপথে যাওয়া থেকে রক্ষা করা।” কিন্তু সম্মেলন থেকে ফিরে এসে তিনি তার বন্ধুদের নিচের এই চিঠিটা লিখেছিলেন:
“সম্মেলনের জায়গায় পৌঁছে আমি চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম যে আমি ঠিক জায়গায় এসেছি কি না। একজন লোককেও বাইরে ঘোরাফেরা করতে দেখা যাচ্ছিল না আর মেঝেতে আবর্জনা কিংবা বিয়ারের কোন বোতলও ছিল না। আমি যখন হলের কাছাকাছি যাই তখন ঢোকার পথে আমি দুজন ভদ্রলোককে দেখতে পাই। তারা আমাকে সম্ভাষণ জানান ও ভিতরে যেতে দেন।
“আমি খুবই চিৎকার চেঁচামেচি আশা করছিলাম কারণ সেখানে হাজার হাজার লোকের জমা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু হল একেবারে শান্ত ছিল। ‘তাই আমি ভেবেছিলাম যে বোধহয় অল্প কিছু লোক ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসে আছেন।’
“হলে ঢোকা মাত্রই আমার নজর নাটকের দিকে যায় যেটা তখন মঞ্চে হচ্ছিল। কেবল কিছুক্ষণ পরেই আমি বুঝতে পারি যে হলটা হাজার হাজার মনোযোগী শ্রোতাতে ভরা। সেই শান্ত পরিবেশকে আমি অনুভব করতে পারি। সম্মেলনের বাকি কার্যক্রমে আমি যা শুনেছিলাম, দেখেছিলাম আর বুঝেছিলাম তা আমার মনে গভীর ছাপ ফেলেছিল।
“সাক্ষীদের সঙ্গে কথা বলে আমি দেখেছিলাম যে তারা খুবই হাসিখুশি আর তারা আন্তরিকভাবে কথা বলেন। এরপর থেকে আমি এই চিন্তাকে একেবারেই দমাতে পারিনি যে ‘এই লোকেরা সত্যিই ঈশ্বরের লোক!’”
‘বন্ধুকে বিপথে যাওয়া থেকে বাঁচানোর’ বদলে সেই যুবক ব্যক্তি তাদের সঙ্গে বাইবেল অধ্যয়ন করতে চেয়েছিলেন। ফল কী হয়েছিল? আজকে তিনি একজন খ্রীষ্টান প্রাচীন। সুইজারল্যান্ডের জুগে একটা মণ্ডলীতে তিনি ও তার পরিবার এখন সক্রিয়ভাবে সেবা করছেন।