ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w৯৮ ৯/১৫ পৃষ্ঠা ৪-৭
  • সচেতন হওয়ার এখনই সময়!

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • সচেতন হওয়ার এখনই সময়!
  • ১৯৯৮ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • সবকিছু কি এখনও একইরকম আছে?
  • সচেতন থাকার প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা
  • আমরা কি “শেষ কালে” বাস করছি?
    বাইবেল প্রকৃতপক্ষে কী শিক্ষা দেয়?
  • “জাগিয়া থাকিও”!
    ২০০৩ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • আপনি কি যিহোবার দিনের জন্য প্রস্তুত?
    ১৯৯৭ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • সুখী তারা যারা জেগে থাকে!
    ১৯৯৭ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
আরও দেখুন
১৯৯৮ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w৯৮ ৯/১৫ পৃষ্ঠা ৪-৭

সচেতন হওয়ার এখনই সময়!

“আমাদের সময় সম্বন্ধে নিশ্চিত হও; ঘুম থেকে জেগে ওঠার এখনই সময়।” (রোমীয় ১৩:১১; নক্স) সা.কা. ৭০ সালের যিহূদী বিধিব্যবস্থার বিপর্যয়মূলক ধ্বংসের প্রায় ১৪ বছর আগে, প্রেরিত পৌল রোমের খ্রীষ্টানদেরকে এই কথাগুলি লিখেছিলেন। আধ্যাত্মিকভাবে সচেতন থাকায় যিহূদী খ্রীষ্টানেরা সেই কঠিন সময়ে যিরূশালেমে ছিলেন না, ফলে তারা মৃত্যু অথবা দাসত্ব থেকে রক্ষা পেয়েছিলেন। কিন্তু কিভাবে তারা জানতে পেরেছিলেন যে তাদের সেই শহরকে একেবারে পরিত্যাগ করার প্রয়োজন ছিল?

যীশু খ্রীষ্ট সতর্ক করেছিলেন যে শত্রুরা, যিরূশালেমকে ঘিরবে এবং এই শহরের অধিবাসীদের ভূমিসাৎ করবে। (লূক ১৯:৪৩, ৪৪) তাই, যীশু তাঁর বিশ্বস্ত অনুসারীদের একটি যৌগিক চিহ্ন দিয়েছিলেন, যেটি চেনা কঠিন ছিল না। (লূক ২১:৭-২৪) যারা যিরূশালেমে বাস করতেন সেই খ্রীষ্টানদের জন্য ওই শহর ছেড়ে চলে যাওয়ার অর্থ ছিল তাদের ঘর এবং তাদের কাজ ছেড়ে আসা। যাইহোক, তাদের সতর্কতা এবং পালানো তাদের জীবন বাঁচিয়েছিল।

যীশু যখন যিরূশালেমের ধ্বংস সম্বন্ধে ভাববাণী করেন, তাঁর শিষ্যরা জিজ্ঞাসা করেছিলেন: “এই সকল ঘটনা কখন্‌ হইবে? আর আপনার আগমনের এবং যুগান্তের চিহ্ন কি?” (মথি ২৪:৩) উত্তরে যীশু তাঁর ভবিষ্যৎ উপস্থিতিকে, নোহের দিনের বিশ্বব্যাপী জলপ্লাবনের সময়ের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। যীশু উল্লেখ করেছিলেন যে জলপ্লাবন সমস্ত দুষ্টদের ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। (মথি ২৪:২১, ৩৭-৩৯) এটি বলে তিনি বুঝিয়েছিলেন যে ঈশ্বর আবার মানুষদের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবেন। কতদূর পর্যন্ত? তিনি সমগ্র মন্দ জগৎ অথবা সমগ্র দুষ্ট বিধিব্যবস্থাকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করবেন! (২ পিতর ৩:৫, ৬ পদের সঙ্গে তুলনা করুন।) এটি কি আমাদের সময়ে ঘটতে পারে?

সবকিছু কি এখনও একইরকম আছে?

প্রথম শতাব্দীর কিছু যিহূদী কল্পনাও করতে পারেননি যে তাদের পবিত্র শহর যিরূশালেম কখনও ধ্বংস হতে পারে। একইরকম ভুল ধারণা সাধারণত সেই লোকেদের মধ্যেও থাকে যারা আগ্নেয়গিরির কাছাকাছি বাস করেন কিন্তু কখনও অগ্ন্যুৎপাতের মুখোমুখি হননি। যখন কোন সতর্কবাণী দেওয়া হয়, তখন সাধারণভাবে লোকেরা এই কথাই বলে থাকেন যে “আমার জীবনকালে তা ঘটবে না।” আগ্নেয়গিরি বিশেষজ্ঞ লিয়োনেল উইলসন বলেন, “সাধারণত আগ্নেয়গিরিগুলি থেকে প্রতি দুই বা তিন শতাব্দী পর পর অগ্ন্যুৎপাত ঘটে। তাই যদি অগ্ন্যুৎপাত আপনার বাবামার জীবনকালে ঘটে তাহলে হয়ত আপনি একটু উদ্বিগ্ন হন। কিন্তু তা যদি আপনার দাদুদিদিমার সময়ে ঘটে থাকে, তাহলে তা আপনার কাছে নিছক গল্প ছাড়া আর কিছু নয়।”

কিন্তু, সঠিক তথ্য আমাদের বিপদ সংকেতগুলি চিনতে ও সেগুলিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিতে সাহায্য করে। পিলী পর্বত থেকে যারা পালিয়ে গিয়েছিলেন তাদের মধ্যে একজন আগ্নেয়গিরি সম্বন্ধে জানতেন এবং বিপদ সংকেতগুলি বুঝতে পেরেছিলেন। এছাড়াও পিনাটুবো পর্বতে অগ্ন্যুৎপাতের অল্পসময় আগে আগ্নেয়গিরি বিশেষজ্ঞগণ লক্ষণগুলিকে চিনতে পেরেছিলেন। আর পর্বতের ভিতরের অলক্ষিত শক্তিগুলির জেগে ওঠা সম্বন্ধে সতর্ক করে স্থানীয় লোকেদের সেই জায়গা ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য বুঝিয়েছিলেন।

অবশ্য, কিছু ব্যক্তিরা সবসময়ই বিপদ সংকেতগুলি অবজ্ঞা করেন আর তারা বলে থাকেন কিছুই ঘটবে না। তারা এমনকি যারা দৃঢ় পদক্ষেপ নেন তাদের উপহাসও করতে পারেন। প্রেরিত পিতর ভাববাণী করেছিলেন যে এইধরনের একটি দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের দিনে সাধারণ বিষয় হবে। তিনি বলেছিলেন, “প্রথমে ইহা জ্ঞাত হও যে, শেষকালে উপহাসের সহিত উপহাসকেরা উপস্থিত হইবে; তাহারা আপন আপন অভিলাষ অনুসারে চলিবে, এবং বলিবে, তাঁহার আগমনের প্রতিজ্ঞা কোথায়? কেননা যে অবধি পিতৃলোকেরা নিদ্রাগত হইয়াছেন, সেই অবধি সমস্তই সৃষ্টির আরম্ভ অবধি যেমন, তেমনই রহিয়াছে।”—২ পিতর ৩:৩, ৪.

আপনি কি বিশ্বাস করেন যে আমরা “শেষকালে” বাস করছি? দ্যা কলম্বিয়া হিস্টোরি অফ দ্যা ওয়ার্ল্ড, বইয়ে জন এ. গ্যারেটি এবং পিটার গে জিজ্ঞাসা করেন: “আমরা কি আমাদের সভ্যতার ভাঙ্গন দেখতে পাচ্ছি?” তারপর এই ইতিহাসবেত্তারা সরকারের সমস্যা, বিশ্বব্যাপী অপরাধের বৃদ্ধি, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, পারিবারিক জীবনে ভাঙ্গন, সমাজের সমস্যা সমাধানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যর্থতা, কর্তৃত্বে সংকটাবস্থা আর পৃথিবী জুড়ে নৈতিক ও ধর্মীয় অবক্ষয়কে বিশ্লেষণ করেন। তারা এই উপসংহারে আসেন: “এগুলি যদি চূড়ান্ত ধ্বংসের চিহ্ন না-ও হয়, তবুও নিশ্চিতরূপেই এগুলি ধ্বংসের চিহ্ন।”

“শেষ” যে আসন্ন তা বিশ্বাস করার সুস্পষ্ট কারণ আমাদের রয়েছে। না, এই পৃথিবী গ্রহটি ধ্বংস হয়ে যাবে বলে আমাদের ভয় পাওয়ার কোন কারণ নেই, কারণ বাইবেল বলে, ঈশ্বর “পৃথিবীকে তাহার ভিত্তিমূলের উপরে স্থাপন করিয়াছেন; তাহা অনন্তকালেও বিচলিত হইবে না।” (গীতসংহিতা ১০৪:৫) কিন্তু এই মন্দ বিধিব্যবস্থা যা মানবজাতির জন্য অত্যধিক দুর্দশা নিয়ে এসেছে, আমরা আশা করি যে তা দ্রুত ধ্বংস হবে। কেন? কারণ এই ব্যবস্থার শেষ কালকে চিনতে সাহায্য করে এমন অনেক স্পষ্ট বৈশিষ্ট্যগুলি আমরা দেখতে পাচ্ছি, যেগুলি যীশু খ্রীষ্ট উল্লেখ করেছিলেন। (“শেষ কালের কিছু বৈশিষ্ট্য” নামক বাক্সটি দেখুন।) জগতের ঘটনাগুলির সঙ্গে যীশুর বাক্যগুলি তুলনা করুন না কেন? এটি করা আপনার নিজের ও আপনার পরিবারের জন্য বিজ্ঞ সিদ্ধান্ত নিতে আপনাকে সাহায্য করতে পারে। কিন্তু আপনি কেন এখনই পদক্ষেপ নেবেন?

সচেতন থাকার প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা

বিজ্ঞানীরা যদিও বুঝতে পারেন যে একটি আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্ন্যুৎপাত ঘটতে চলেছে কিন্তু সেটি ঠিক কখন ঘটবে তা তারা বলতে পারেন না। একইভাবে, এই বিধিব্যবস্থার শেষ সম্বন্ধে যীশু বলেছিলেন: “কিন্তু সেই দিনের ও সেই দণ্ডের তত্ত্ব কেহই জানে না, স্বর্গে দূতগণও জানেন না, পুত্ত্রও জানেন না, কেবল পিতা জানেন।” (মথি ২৪:৩৬) তাই যেহেতু আমরা জানি না যে বর্তমান বিধিব্যবস্থা ঠিক কখন শেষ হবে, তাই যীশু আমাদের এই সতর্কবাণী দিয়েছিলেন: “ইহা জানিও, চোর কোন্‌ প্রহরে আসিবে, তাহা যদি গৃহকর্ত্তা জানিত, তবে জাগিয়া থাকিত, নিজ গৃহে সিঁধ কাটিতে দিত না। এই জন্য তোমরাও প্রস্তুত থাক, কেননা যে দণ্ড তোমরা মনে করিবে না, সেই দণ্ডে মনুষ্যপুত্ত্র [যীশু] আসিবেন।”—মথি ২৪:৪৩, ৪৪.

যীশুর বাক্যগুলি দেখায় যে এই বিধিব্যবস্থার বিপর্যয়মূলক শেষ আকস্মিকভাবে আসবে। যদিও আমরা তাঁর অনুসারী তথাপি আমাদের ‘প্রস্তুত থাকা’ প্রয়োজন। আমাদের পরিস্থিতি সেই গৃহকর্তার মত যাকে হয়ত অসতর্ক অবস্থায় পাওয়া যায় কারণ তিনি জানেন না যে কখন চোর তার ঘরে সিঁধ কাটবে।

অনুরূপভাবে, প্রেরিত পৌল থিষলনীকীয় খ্রীষ্টানদের বলেছিলেন: “তোমরা আপনারা বিলক্ষণ জান, রাত্রিকালে যেমন চোর, তেমনি প্রভুর দিন আসিতেছে। . . . ভ্রাতৃগণ, তোমরা অন্ধকারে নও যে, সেই দিন চোরের ন্যায় তোমাদের উপরে আসিয়া পড়িবে।” পৌল আরও পরামর্শ দিয়েছিলেন: “অতএব আইস, আমরা অন্য সকলের ন্যায় নিদ্রা না যাই, বরং জাগিয়া থাকি ও মিতাচারী হই।” (১ থিষলনীকীয় ৫:২, ৪, ৬) “জাগিয়া থাকি ও মিতাচারী হই,” এই কথার অর্থ কী?

প্রথম-শতাব্দীর যিরূশালেমের খ্রীষ্টানদের মত, আমাদের রক্ষা পাওয়ার জন্য কোন নির্দিষ্ট শহর ছেড়ে পালাতে হবে না। রোমে তার সহবিশ্বাসীদের ঘুম থেকে জেগে ওঠার জন্য উদ্বুদ্ধ করার পর, পৌল তাদের “অন্ধকারের ক্রিয়া সকল ত্যাগ” করতে এবং “প্রভু যীশু খ্রীষ্টকে পরিধান” করতে পরামর্শ দিয়েছিলেন। (রোমীয় ১৩:১২, ১৪) নিবিড়ভাবে যীশুর পদচিহ্ন অনুসরণ করে আমরা দেখাব যে আমরা আমাদের সময় সম্বন্ধে সচেতন আর যখন এই দুষ্ট বিধিব্যবস্থার শেষ আসবে এই আধ্যাত্মিক সতর্কতা আমাদের ঐশিক সুরক্ষা পেতে সাহায্য করবে।—১ পিতর ২:২১.

যারা যীশু খ্রীষ্টকে অনুসরণ করেন তারা এক অর্থপূর্ণ এবং সন্তোষজনক জীবন উপভোগ করেন। লক্ষ লক্ষ যিহোবার সাক্ষীরা জেনেছেন যে খ্রীষ্টীয় শিষ্যপদের যোঁয়ালি দয়াপূর্ণ এবং সতেজতাদায়ক। (মথি ১১:২৯, ৩০, NW, পাদটীকা) শিষ্য হওয়ার প্রথম ধাপটি হল ‘ঈশ্বরকে এবং তিনি যাঁহাকে পাঠাইয়াছেন তাঁহাকে, যীশু খ্রীষ্টকে জানিতে পাওয়া।’ (যোহন ১৭:৩) লোকেদের “সত্যের তত্ত্বজ্ঞান” জানতে সাহায্য করার জন্য সাক্ষীরা প্রতি সপ্তাহে লক্ষ লক্ষ ঘরে সাক্ষাৎ করে থাকেন। (১ তীমথিয় ২:৪) তারা আপনার ঘরে এসে বিনামূল্যে আপনার সঙ্গে অধ্যয়ন করতে আনন্দিত হবেন। আর ঈশ্বরের বাক্যের জ্ঞানে আপনি যতই বৃদ্ধি পাবেন, নিঃসন্দেহে আপনিও বুঝতে পারবেন যে আমাদের দিনগুলি ভিন্নপ্রকৃতির। বাস্তবিকই, ঘুম থেকে জেগে ওঠার এখনই সময়!

[Box/Pictures on page 7]

শেষ কালের কিছু বৈশিষ্ট্য

“জাতির বিপক্ষে জাতি . . . উঠিবে”; ‘পৃথিবী হইতে শান্তি অপহরণ করা হইবে।’ (মথি ২৪:৭; প্রকাশিত বাক্য ৬:৪)

এই শতাব্দীর দুটি বিশ্বযুদ্ধ ও সেইসঙ্গে অন্যান্য অসংখ্য সংঘর্ষ পৃথিবী থেকে শান্তি অপহরণ করেছে। “প্রথম—এবং একইভাবে দ্বিতীয়—বিশ্বযুদ্ধ পূর্ববর্তী সমস্ত যুদ্ধের চেয়ে ভিন্নপ্রকৃতির ছিল,” ইতিহাসবেত্তা জন কিগান লেখেন, “ব্যাপকতা, চরমতা, প্রসারতা এবং বস্তুগত ও মানবীয় মূল্যের দিক দিয়ে ভিন্ন . . . দুটি বিশ্বযুদ্ধ অনেক লোকের মৃত্যু ঘটিয়েছিল, প্রচুর সম্পদ গ্রাস করেছিল এবং বিশ্বের পূর্ববর্তী যে কোন যুদ্ধের চেয়ে আরও অনেক বেশি এলাকা জুড়ে দুর্দশা এনেছিল।” যুদ্ধগুলি এখন সৈন্যদের চেয়ে নারী ও শিশুদের বেশি করে ক্ষতিগ্রস্ত করে। রাষ্ট্রসংঘের শিশু তহবিল হিসাব করে যে, বিগত দশ বছরে কুড়ি লক্ষ শিশু যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছে।

“দুর্ভিক্ষ” (মথি ২৪:৭; প্রকাশিত বাক্য ৬:৫, ৬, ৮)

১৯৯৬ সালে গম ও ভুট্টার মূল্য নাটকীয়ভাবে বেড়ে গিয়েছিল। এর কারণ কী? বিশ্বে এই খাদ্যশস্য মাত্র ৫০ দিনের জন্য মজুত ছিল, যেটি আজ পর্যন্ত সবচেয়ে কম পরিমাণ। মূল খাদ্যদ্রব্যের দাম বেড়ে যাওয়ার ফলে বিশ্বের গরিব লোকেদের—যাদের মধ্যে রয়েছে অনেক শিশু—খিদে পেটে ঘুমাতে যেতে হয়।

“স্থানে স্থানে . . . ভূমিকম্প হইবে” (মথি ২৪:৭)

বিগত ২,৫০০ বছরে কেবল নয়টি ভূমিকম্প ১,০০,০০০ লোকেদের হত্যা করেছে। এগুলির মধ্যে চারটি ভূমিকম্প ১৯১৪ সালের পর থেকে ঘটেছে।

“অধর্ম্মের বৃদ্ধি” (মথি ২৪:১২)

বিংশ শতাব্দী যতই নিকটবর্তী হয়েছে, অধর্ম অথবা আইন ভঙ্গ করা ততই বেড়েছে। নাগরিকদের উপর সন্ত্রাসবাদী আক্রমণ, নিষ্ঠুরভাবে হত্যা এবং গণহত্যা হল এই শেষকালের ভীতিজনক বিষয়গুলির মধ্যে কয়েকটি।

“স্থানে স্থানে . . . মহামারী হইবে” (লূক ২১:১১)

১৯৯০ দশকে প্রায় তিন কোটি লোক যক্ষা রোগে মারা গিয়েছে। রোগ-বহনকারী জীবাণুগুলি ক্রমান্বয়ে ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে উঠছে। আরেকটি প্রাণনাশক রোগ হল ম্যালেরিয়া, যেটি প্রতি বছর ৩০ থেকে ৫০ কোটি লোককে আক্রান্ত করে এবং প্রায় ২০ লক্ষ লোকের মৃত্যু ঘটায়। এই দশকের শেষে এইডস এক বছরে ১৮ লক্ষ লোকেদের আক্রান্ত করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। “আজকে মানবজাতি একটির পর একটি মহামারী ভোগ করে চলেছে,” বিশ্বের পরিস্থিতি ১৯৯৬ (ইংরাজি) ঘোষণা করে।

“রাজ্যের এই সুসমাচার সমুদয় জগতে প্রচার করা যাইবে।” (মথি ২৪:১৪)

১৯৯৭ সালে, যিহোবার সাক্ষীরা একশ কোটিরও বেশি ঘন্টা রাজ্যের সুসমাচার প্রচারে ব্যয় করেছেন। পঞ্চাশ লক্ষেরও বেশি সাক্ষী ২৩২টি দেশে নিয়মিতভাবে লোকেদের কাছে এই বার্তা নিয়ে যাচ্ছেন।

[Credit Lines]

FAO photo/B. Imevbore

U.S. Coast Guard photo

[৪, ৫ পৃষ্ঠার চিত্র]

আধ্যাত্মিকভাবে সচেতন থাকায় খ্রীষ্টানেরা যিরূশালেম থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার