কাকে দোষ দেওয়া যায়?
অনেকে তাদের সমস্যাগুলির জন্য ঈশ্বরকে দোষ দেন। বাইবেলের একটি প্রবাদ বলে: “মানুষের নিজের মূর্খতা তার জীবনকে ধ্বংস করে আর তাই সে প্রভুর বিরুদ্ধে রুষ্ট হয়।” (হিতোপদেশ ১৯:৩, নতুন ইংরাজি বাইবেল) অতএব মানুষের বিপর্যয়ের জন্য ঈশ্বরকে দায়ী করা, মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালানোর ফলে দুর্ঘটনার জন্য গাড়ির উৎপাদককে দোষারোপ করার সমতুল্য।
ঈশ্বর মানবজাতিকে তাঁর বাক্য, বাইবেলে মূল্যবান নির্দেশনা প্রদান করেছেন। এই ঐশিক বইগুলি অধ্যয়ন করার এবং এতে লিখিত আইন ও নীতিগুলির মাধ্যমে জীবনযাপন করার দ্বারা, আমরা জীবনের অনেক ফাঁদ এড়াতে পারি। অপর দিকে, ঈশ্বরের নির্দেশনার বিপরীতে কাজ করার ফল বিপর্যয়মূলক। উদাহরণস্বরূপ, যারা পেটুক, ধূমপায়ী, অত্যধিক মদ্যপায়ী অথবা অনৈতিকতায় রত তারা প্রায়ই দুর্বল স্বাস্থ্য ভোগ করে থাকেন। (লূক ২১:৩৪; ১ করিন্থীয় ৬:১৮; ২ করিন্থীয় ৭:১) খ্রীষ্টান প্রেরিত পৌল লিখেছিলেন: “মনুষ্য যাহা কিছু বুনে তাহাই কাটিবে। ফলতঃ আপন মাংসের উদ্দেশে যে বুনে, সে মাংস হইতে ক্ষয়রূপ শস্য পাইবে; কিন্তু আত্মার উদ্দেশে যে বুনে, সে আত্মা হইতে অনন্ত জীবনরূপ শস্য পাইবে।”—গালাতীয় ৬:৭, ৮.
ঈশ্বরের আইন এবং নীতিগুলির দ্বারা জীবনযাপন করা কতই না উত্তম! আমরা যদি তা করি তবে আমরা ভাববাদী যিশাইয়ের দ্বারা কথিত ঈশ্বরের প্রতিজ্ঞার বাস্তবতা উপভোগ করতে পারব: “আমি সদাপ্রভু তোমার ঈশ্বর, আমি তোমার উপকারজনক শিক্ষা দান করি, ও তোমার গন্তব্য পথে তোমাকে গমন করাই। আহা! তুমি কেন আমার আজ্ঞাতে অবধান কর নাই? করিলে তোমার শান্তি নদীর ন্যায়, তোমার ধার্ম্মিকতা সমুদ্র-তরঙ্গের ন্যায় হইত।”—যিশাইয় ৪৮:১৭, ১৮.